Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

২২ হাজার পর্ন সাইট বন্ধ করেছি: জব্বার

২২ হাজার পর্ন সাইট বন্ধ করেছি: জব্বার
সংসদ ও মোস্তাফা জব্বার
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা
জাতীয় সংসদ ভবন থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

২২ হাজার পর্ন সাইট বন্ধ করা হয়েছে জানিয়ে ডাক টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফেসবুক, টুইটার বাংলাদেশের আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। তারা আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে পরিচালিত হয় না। তারা মূলত আমেরিকা স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে চলে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ছবি, ভিডিও, নোংরামি ছাড়ানো হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সত্যি এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি শুধু বাংলাদেশের বিষয় না। ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টি সমগ্র বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সুখের বিষয় এই সংসদে গত বছর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগে ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি নামে একটি সংস্থা স্থাপিত হয়েছে।

২২ হাজার পর্ন সাইট বন্ধ করা হয়েছে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, কয়েক হাজার জুয়ার সাইট বন্ধ করেছি। ফেসবুক ইউটিউবে যে ধরনের পর্ন সংক্রান্ত অথবা নোংরা যেসব অশ্লীল তথ্যাদি বা উপাত্ত আছে সেগুলোকে অপসারণ করার ব্যবস্থা নিয়েছি। টিকটক নামক একটি অ্যাপ আছে যা দিয়ে এ ধরনের নোংরামি করা হয়, সেটিও বন্ধ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। সেগুলো মূলত বাংলাদেশের আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। তারা আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে পরিচালিত হয় না। তারা মূলত আমেরিকা স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে চলে। তাদের বাংলাদেশে কোন অফিস পর্যন্ত নেই। সেই কারণেই এখন খুবই গুরত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তাদের কন্টেন্টগুলো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে কি না। অথবা নোংরা অশ্লীল জিনিসগুলো অপসারণ করতে পারে কিনা, যোগ করেন মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, টেলিকম বিভাগের অধীনে টেলিকম সাইবার সিকিউরিটি নামে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী সেপ্টম্বর-অক্টোবরে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের মূল্য উদ্দেশ্য ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধান করা এবং একটি নিরাপদ ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করা। আশা করছি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ার পর যে ধরনের পরিস্থিতি আছে সেটি আর থাকবে না।

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মোবাইল অপারেটরদের বিষয়ে আমরা অডিট করে থাকি। গ্রামীণ এবং রবি দুটি অপারেটর সম্পর্কে অডিট করা হয়েছে। অডিট অনুসারে গ্রামীণ এবং রবি দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে। ইতোমধ্যে পাওনা আদায় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণের শতকরা ৩০ ভাগ এবং রবির শতকরা ১৫ ভাগ ব্যান্ডউইথ কমানো হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে অবিলম্বে যেন পাওনাদি পরিশোধ করে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যখনই কোন অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাই তারা ফায়দা নিতে চায়। তখন পুরো ব্যবস্থাটাই বিলম্বিত হয়ে যায় এবং এর ফলে দীর্ঘদিন যাবত এই বকেয়া রয়েছে। যাদের কাছে পাওনা রয়েছে তাদেরও অডিট হবে। পাওনা আদায় করার জন্য কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বন্যা পরিস্থিতি প্রলম্বিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও সরকারের ভাণ্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে বলে কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে সংসদ ভবনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব কথা বলা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটি সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার বন্যা প্রলম্বিত হতে পারে এমন একটি আশঙ্কা আমাদের রয়েছে। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও ত্রাণ সামগ্রীর কোনো অভাব হবে না। আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়কে বলেছি বন্যার কারণে একজন মানুষও যেন কষ্টে না থাকে না খেয়ে কেউ কষ্ট না করে সেই জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।'

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় কমিটির যে সকল সদস্য ফ্রি আছেন তারা যেন মন্ত্রণালয়ের কাজে সহযোগিতা করতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকায় যান এবং বন্যার্তদের সহযোগিতা করেন।

এছাড়া দেশের অধিকাংশ কালভার্টের অবস্থা অত্যন্ত করুন। বেশিরভাগই ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে বলে কমিটিকে জানানো হয়। এসব কালভার্ট মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং কাজী কানিজ সুলতানা অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আজ বেশ সুদৃঢ়।'

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত এসডিজি’র লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশের বর্তমান অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কিত অবহিতকরণ আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুলাই) সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসডিজি বাংলাদেশের অর্জন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

স্পিকার বলেন, 'এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এসডিজির সঙ্গে সংসদ সদস্যগণকে অধিক সম্পৃক্ত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, যা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।'

এসডিজি অর্জনে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি স্থায়ী মিশন গৃহীত পদক্ষেপসমূহে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

'২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস' সম্পর্কিত অপর এক আলোচনায় স্পিকার বলেন, 'ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।'

জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র