Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

খালেদার আইনের বিরোধিতা করলেন বিএনপির ২ এমপি

খালেদার আইনের বিরোধিতা করলেন বিএনপির ২ এমপি
মো. হারুনুর রশীদ ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে ২০০২ সালে তৎকালীন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন পাস করে। যদিও তখন সেই আইনের বিরোধিতা করেছিল তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ। নতুন করে আইনটির মেয়াদ বাড়াতে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রত বিচার) (সংশোধন) বিল-২০১৯ পাসের আগে চরম বিরোধিতা করেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাতে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই এর প্রস্তাব দেন তারা।

হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আইনটি যাদের ওপর প্রয়োগ করার কথা তাদের উপর প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না? ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে কিভাবে আদালতে নিপীড়ন করা হয়েছে। সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানের ওপর কিভাবে নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। যারা এই কাজগুলো করেছে তাদের বিরুদ্ধে কী এই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশে প্রথিত যশা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যারা এই নির্যাতন করেছে তাদের বিরুদ্ধে কেন এই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না। আইনটি আসলে বিরোধী দলের দমনের জন্যই করা হয়েছে।

বিএনপি দলীয় সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিলটি সম্পর্কে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং বর্তমান সংসদ নেতা ২০০২ সালের ১৮ নভেম্বর বলেছিলেন এই দ্রুত বিচার আইনটি কেন করা হচ্ছে, এখানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। আর সরকারি দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে দেওয়া হবে। এতে দেশের আইন শৃঙ্খলার কোনই উন্নতি হবে না।’

তিনি বলেন, ‘গত দশ বছরে ঠিক তাই দেখেছি। বিএনপি নেতাকর্মীদের নানা রকম হয়রানি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে, তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সরকার এই আইনটার মজা এতটাই পেয়েছে যে ২০১৪ সালে এক দফা মেয়াদ বৃদ্ধির পরে আবারও একদফা মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য সংসদে নিয়ে আসা হয়েছে।

অন্যান্য আইনের মতো এই আইনটিকে স্থায়ী না করে ঠিক নিজের মেয়াদ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে, অর্থাৎ যতদিন সরকারি দলে থাকবে ততদিন পর্যন্ত যেন বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন নির্যাতন চালানো যায় সেটাই আইনের মূল উদ্দেশ্য। এই আইনে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি করার অসংখ্য সুযোগ রয়েছে। তাই এই আইন আদৌ থাকার প্রয়োজন আছে কি না? সেটার জন্যই জনমত বাছাই করা দরকার।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বন্যা পরিস্থিতি প্রলম্বিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও সরকারের ভাণ্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে বলে কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে সংসদ ভবনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব কথা বলা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটি সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার বন্যা প্রলম্বিত হতে পারে এমন একটি আশঙ্কা আমাদের রয়েছে। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও ত্রাণ সামগ্রীর কোনো অভাব হবে না। আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়কে বলেছি বন্যার কারণে একজন মানুষও যেন কষ্টে না থাকে না খেয়ে কেউ কষ্ট না করে সেই জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।'

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় কমিটির যে সকল সদস্য ফ্রি আছেন তারা যেন মন্ত্রণালয়ের কাজে সহযোগিতা করতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকায় যান এবং বন্যার্তদের সহযোগিতা করেন।

এছাড়া দেশের অধিকাংশ কালভার্টের অবস্থা অত্যন্ত করুন। বেশিরভাগই ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে বলে কমিটিকে জানানো হয়। এসব কালভার্ট মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং কাজী কানিজ সুলতানা অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আজ বেশ সুদৃঢ়।'

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত এসডিজি’র লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশের বর্তমান অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কিত অবহিতকরণ আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুলাই) সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসডিজি বাংলাদেশের অর্জন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

স্পিকার বলেন, 'এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এসডিজির সঙ্গে সংসদ সদস্যগণকে অধিক সম্পৃক্ত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, যা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।'

এসডিজি অর্জনে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি স্থায়ী মিশন গৃহীত পদক্ষেপসমূহে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

'২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস' সম্পর্কিত অপর এক আলোচনায় স্পিকার বলেন, 'ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।'

জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র