Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নদীর পানি দূষিত থাকায় ওয়াটার বাসে আগ্রহ নেই যাত্রীদের

নদীর পানি দূষিত থাকায় ওয়াটার বাসে আগ্রহ নেই যাত্রীদের
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (ডানে), ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা
জাতীয় সংসদ ভবন থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

দ্রুতগতির ওয়াটার বাস না থাকা ও নদীর পানি দূষিত থাকায় ওয়াটার বাসে যাতায়াতে যাত্রীদের তেমন আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, রাজধানীর চারপাশে নৌপথ চালু করায় (প্রথম পর্যায় ২০০০-২০০৫ এবং দ্বিতীয় পর্যায় ২০০৮-২০১৩) দু’টি প্রকল্পের মাধ্যমে সদরঘাট থেকে আশুলিয়া এবং আশুলিয়া থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ১২০ ফুট প্রশস্ত ও ছয় ফুট ড্রাফট বিশিষ্ট নৌপথ চালু করা হয়। বর্তমানে নৌপথটি উক্ত ড্রাফটে চালু আছে।

বুধবার (৯ জুলাই) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খানের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার চারপাশের নৌপথে ১৫টি ল্যান্ডিং স্টেশনে (ঘাট) বিভিন্ন নৌযানের মাধ্যমে মালপত্র পরিবহন করা হয়। ল্যান্ডিং স্টেশনগুলো পণ্য ওঠানো-নামানোর জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ১১ দশমিক ৭৮ কোটি টাকায় ঘাটগুলো ইজারা দেওয়া হয়েছে। নৌপথটিতে কার্গো চলাচল করে। ঢাকা শহরের চারপাশে বৃত্তাকার নৌপথে বিআইডব্লিউটিসি’র মাধ্যমে বর্তমানে বাদামতলী থেকে গাবতলী এবং টঙ্গী থেকে নারায়ণগঞ্জ নৌরুটে নিয়মিত ওয়াটার বাস সার্ভিস পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু দ্রুতগামী ওয়াটার বাস না থাকায় এবং নদীর পানি দূষিত থাকায় যাত্রীরা ওয়াটার বাসে যাতায়াত করতে চান না।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে ঢাকা শহরের চারদিকের নদীর তীরবর্তী এলাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও টঙ্গীর নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন তীর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সেখানে অবকাঠামো সুবিধা নির্মাণ প্রকল্পের (২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত) মাধ্যমে ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, বনায়ন ও দু’টি ইকোপার্ক করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত ৪৫০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে ঢাকার চারদিকের নদীর তীরবর্তী প্রায় ১৩৫ দশমিক ৫০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় নিলামের মাধ্যমে সাত কোটি ৫৮ হাজার টাকা এবং ২৭ লাখ ছয় হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর উচ্ছেদকৃত তীরে পিলার স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের মাধ্যমে ৮৪৮ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে ১০ হাজার ৮২০টি সীমানা পিলার স্থাপন, বনায়ন, তিনটি ইকোপার্ক নির্মাণ, ছয়টি পন্টুন, ৪০ কিলোমিটার দেয়াল, ১৯টি আরসিসি জেটি, ৪০টি স্পাড এবং ৪০৯টি বসার বেঞ্চ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। যা ২০২২ সালের মধ্যে শেষ হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বন্যা পরিস্থিতি প্রলম্বিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও সরকারের ভাণ্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে বলে কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে সংসদ ভবনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব কথা বলা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটি সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার বন্যা প্রলম্বিত হতে পারে এমন একটি আশঙ্কা আমাদের রয়েছে। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও ত্রাণ সামগ্রীর কোনো অভাব হবে না। আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়কে বলেছি বন্যার কারণে একজন মানুষও যেন কষ্টে না থাকে না খেয়ে কেউ কষ্ট না করে সেই জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।'

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় কমিটির যে সকল সদস্য ফ্রি আছেন তারা যেন মন্ত্রণালয়ের কাজে সহযোগিতা করতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকায় যান এবং বন্যার্তদের সহযোগিতা করেন।

এছাড়া দেশের অধিকাংশ কালভার্টের অবস্থা অত্যন্ত করুন। বেশিরভাগই ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে বলে কমিটিকে জানানো হয়। এসব কালভার্ট মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং কাজী কানিজ সুলতানা অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আজ বেশ সুদৃঢ়।'

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত এসডিজি’র লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশের বর্তমান অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কিত অবহিতকরণ আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুলাই) সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসডিজি বাংলাদেশের অর্জন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

স্পিকার বলেন, 'এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এসডিজির সঙ্গে সংসদ সদস্যগণকে অধিক সম্পৃক্ত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, যা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।'

এসডিজি অর্জনে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি স্থায়ী মিশন গৃহীত পদক্ষেপসমূহে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

'২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস' সম্পর্কিত অপর এক আলোচনায় স্পিকার বলেন, 'ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।'

জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র