রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের শক্ত ভূমিকা চান স্পিকার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সৌজন্য সাক্ষাতে স্পিকার

চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সৌজন্য সাক্ষাতে স্পিকার

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখা দরকার উল্লেখ করেস্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা নাগরিকগণ যাতে নির্ভয়ে নিজ দেশে স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রত্যাবর্তন করতে পারে সেটা নিশ্চিত করে মানবিক এ সমস্যা সমাধানে চীনকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্পিকার একথা বলেন।

চীনের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের সাথে চীনের এ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার চীন। তিনি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বাণিজ্যে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি এ সকল সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

স্পিকার বলেন, চীনের কারিগরী সহায়তা নিয়ে পদ্মা ব্রিজ নির্মিত হচ্ছে। পদ্মা ব্রিজ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নতুন দিগন্তের সূচনা করবে উল্লেখ করে বলেন, রাজধানীর সাথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীন সফরের স্মৃতিচারণ করে স্পিকার বলেন, উক্ত সফরে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস অব চীনের স্পিকার তাঁকে বেইজিং এ উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সফরকে ফলপ্রসূ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন বেশ আন্তরিক। ভবিষ্যতে দু’দেশের সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় এ সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এ অঞ্চলের সকল দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে চীনের ভূমিকা আরও জোরালো হবে বলে উল্লেখ করেন। এসময় বাংলাদেশস্থ চীন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :