পর্তুগালে ৪৯তম আন্তর্জাতিক ফিজিকস অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের চারটি ব্রোঞ্জ পদক জয়



সাহেদ ইব্রাহিম নবী

  • Font increase
  • Font Decrease

 

পর্তুগাল (লিসবন) থেকে: পর্তুগালে অনুষ্ঠেয় ৪৯তম আন্তর্জাতিক ফিজিকস অলিম্পিয়াডে চারটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ লড়াইয়ে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ দলের চারজনই পদক জয় করেন। তাঁরা হলেন চট্টগ্রাম কলেজের আবরার আল শাদীদ আবীর, নটর ডেম কলেজের ইরতিজা ইরাম ও তাহমিদ মোসাদ্দেক, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাশেদুল ইসলাম।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার দেওয়া হয়।

৮৭টি দেশের ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। স্থানীয় ক্যালউইট গুলাবেনকিয়ান ফাউন্ডেশন অডিটরিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানে ইরতিজা ইরাম, তাহমিদ মোসাদ্দেক, রাশেদুল ইসলাম, আবরার আল শাদীদ আবীর লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে পদক গ্রহণ করেন।

/uploads/files/8ZtmaLc42uvNZuOOtHQR8fH5XH0Knu5pGBO4kQtw.jpeg

বাংলাদেশ দলের অপর দুজন সদস্য তিন পয়েন্টের জন্য সিলভার পদক এবং অন্য একজন দুই পয়েন্টের জন্য অনারেবল মেনশন মিস করেছেন। একটা সমস্যায় পারফেক্ট স্কোর করেছেন নটর ডেম কলেজের ইরতিজা ইরাম।

বাংলাদেশ দলের লিডার দলের কোচ অধ্যাপক আরশাদ মোমেন বলেন, ‘একজন সদস্যের একটা সমস্যায় পারফেক্ট স্কোর করা সিলভার জেতার চেয়েও অনেক বড় অর্জন। ফিজিকস অলিম্পিয়াডে ল্যাব পরীক্ষা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটু কঠিন। কেননা আমাদের শিক্ষার্থীদের স্কুলপর্যায়ে ল্যাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা অনেক কম। তাই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অলিম্পিয়াড কিছুটা কঠিন হয়। সব মিলিয়ে এবারের ফলাফলে দলের কোচ সন্তুষ্ট।

/uploads/files/ZwWra1sJtK3O7yBxGNzmVI8pvHpeLuMJZpO4H0wg.jpeg

২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াড কমিটি বাংলাদেশে ফিজিকস অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে আসছে। গত বছর থেকে এই আয়োজনের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক ও ব্যবস্থাপনায় প্রথম আলো যুক্ত হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক ফিজিকস অলিম্পিয়াডে প্রথম একটি রৌপ্য পদক পায়। এ ছাড়া গতবারের ওই আসরে বাংলাদেশ তিনটি ব্রোঞ্জ পদক ও একটি সম্মানজনক পদকও পায়।

/uploads/files/jyai3HPnumBxrkTcRNkKOSnG8sLFxfeiDS8FobS9.jpeg

৪৯তম আন্তর্জাতিক ফিজিকস অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়ার জন্য ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের ১৪টি শহরে আঞ্চলিক উৎসব হয়। এসব উৎসবে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রায় এক হাজার বিজয়ীকে নিয়ে এরপর জাতীয় উৎসব করা হয়। জাতীয় উৎসবে সেরা ৭০ জন শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে চূড়ান্ত দল নির্বাচন করে বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াড কমিটি।