কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা বৃদ্ধি করে যে খাবারগুলো

এই খাবারগুলো কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

খুবই বিব্রতকর ও বিরক্তিকর শারীরিক অস্বস্তি হলো কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা।

খাদ্য পরিপাকে সমস্যা দেখা দিলে ও সঠিক খাদ্য উপাদান গ্রহণের অভাবেই মূলত এই সমস্যাটি দেখা দেয়। খাদ্য উপাদানে উপস্থিত দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ পাকস্থলিস্থ খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। যে কারণে সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে, আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার জন্য।

যেখানে কিছু খাদ্য উপাদান কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে, সেখানে কিছু খাদ্য উপাদান কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা তৈরি করে ও বৃদ্ধি করে। কী সেই সকল খাদ্য উপাদান? জেনে নিন আজকের ফিচার থেকে।

চকলেট, কেক ও কুকিজ

মিষ্টি জাতীয় এই খাবারগুলো শরীরের খাদ্য পরিপাক করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। কারণ মিষ্টি জাতীয় এই সকল খাবারে থাকে উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেট, উচ্চমাত্রার ফ্যাট এবং খুব কম পরিমাণ আঁশ। যা খাদ্য পরিপাকে সমস্যা তৈরি করে।

রেড মিট

মুরগি কিংবা টার্কির মাংসে আঁশ থাকলেও রেড মিট তথা গরু ও খাসির মাংসে খাদ্য আঁশ খুব অল্প পরিমাণে থাকে। উপরন্তু, রেড মিটে থাকে অনেক বেশি ফ্যাট তথা চর্বি। যা পরিপাক হতে সময় নেয় অনেক বেশি। যার ফলে রেড মিট একবারে অনেক বেশি কিংবা নিয়মিত খাওয়া খাওয়া হলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা প্রকট আকারে দেখা দেয়।

তেলে ভাজা খাবার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/06/1538804402190.jpg

গরম এক বাটি ফ্রেন্স ফ্রাই কিংবা পেঁয়াজু খেতে কে না পছন্দ করে। কিন্তু এই সকল খাবার খাওয়ার ফলেই দেখা দেয় কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা। কারণ তেলে ভাজা খাবার পরিপাক হতে লম্বা সময় নেয়। যত বেশি তৈলাক্ত খাবার, তত বেশি ফ্যাট এবং ঠিক একই মাত্রায় কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা।

ডিম

ডিম অবশ্যই অন্যতম স্বাস্থ্যকর খাবার। কিন্তু ডিমে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন থাকলেও, খাদ্য আঁশ থাকে খুবই কম পরিমাণে। যার ফলে সকালের নাস্তায় শুধু ডিম খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিবে কিছু দিনের মাঝেই। তাই চেষ্টা করতে হবে, সকালের নাস্তায় ডিম খাওয়ার পাশাপাশি সবজী কিংবা শাক জাতীয় কোন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

পটেটো চিপস, ক্র্যাকার্স ও অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্য

বিভিন্ন ধরণের প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন: পটেটো চিপস কিংবা ক্র্যাকার্সে প্রচুর পরিমাণে লবণ থাকে। এই সকল খাবার পুষ্টি গুণাগুণ কিছু তো থাকেই না, বরং শরীরের উপকারি পুষ্টিকেও শোষণ করে নেয়! যেহেতু উপকারি কোন পুষ্টি এই সকল খাদ্যে থাকে না, এতে খাদ্য আঁশ থাকার প্রশ্নই আসে না। এমন ধরণের খাবার খাওয়ার পরে যে কারণে প্রবল পানির পিপাসা দেখা দেয়।

সাদা আটা

সাদা আটা শুধুই যে রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় তা নয়, খাদ্য হজমেও সমস্যা তৈরি করে। সাদা আটা থেকে তৈরি পাউরুটি কিংবা সাধারণ রুটিতে খুবই স্বল্প পরিমাণে আঁশ থাকে। অতিরিক্ত সাদা আটা খাওয়ার ফলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেওয়া বাধ্যতামূলক বিষয়।

লাইফস্টাইল এর আরও খবর