নানা সংকটে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল



মাজেদুল নয়ন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল/ছবি: বার্তা২৪.কম

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাঙামাটি থেকে: জনবল সংকট, নোংরা পরিবেশ আর রোগীদের দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলছে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল। চিকিৎসকের ৩১টি পদের মধ্যে ১৪টিই খালি।

তবে নার্সের ৬৭টি পদ পূরণ হলেও অন্যান্য পদগুলোতে রয়েছে সংকট। ফলে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) রাঙামাটি সদর হাসপাতাল ঘুরে চোখে পড়ে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। এমনিতে শুক্রবার হাসপাতালের বহিঃবিভাগ বন্ধ থাকে। তবে স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ হওয়ায় বিশেষ ব্যবস্থায় এদিন খোলা রাখা হয়। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, চারপাশে ময়লা আবর্জনা পড়ে রয়েছে। বেলা ১২টার দিকে দেখা যায়, হাসপাতালের বহিঃবিভাগের পাশের বারান্দায় কুকুর ঘুমিয়ে রয়েছে। এভাবেই আরো বারান্দায় এবং আশপাশে দুপুরের রোদে ক্লান্ত হয়ে কয়েকটি কুকুরকে ঘুমাতে দেখা যায়।

Rangamati Hospital ward
ভিড় থাকায় মেঝেতেও রোগীদের রাখা হয়েছে। ছবি: বার্তা২৪.কম  

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তার কক্ষটিতে রাখা হয়েছে পুরনো ফার্নিচার। হাসপাতালের মেঝে নোংরা হয়ে রয়েছে। রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা ১০০। তবে এ সংখ্যা ২০০ তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। এখানকার পুরুষ, নারী ও শিশু ওয়ার্ডের বেহাল দশা। বেডের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় মেঝেতেও ফোমের বিছানা পেতে রোগী রাখা হয়েছে।

এখানে পুরুষ ওয়ার্ডের বাথরুমের দুর্গন্ধে ওয়ার্ডে টেকা দায়! বাথরুমের ফ্লোরও নোংরা। ফলে অনেক পুরুষ রোগী এবং স্বজনরা নারী ও শিশুদের ওয়ার্ডের বাথরুম ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে অপরিচ্ছন্নতার জন্য লোকবল সংকটকেই দায়ী করছেন হাসপাতালের কর্মকর্তারা।

হাসপাতালের সার্জারি, অর্থোপেডিক্স, মেডিসিন ও গাইনি বিষয়ের জন্য চারটি সিনিয়র কনসালট্যান্ট পদের প্রতিটিই শূন্য। জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদের ছয়টির মধ্যে শুধুমাত্র নাক-কান-গলা এবং শিশু বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। এছাড়া আবাসিক চিকিৎসক পদেও দায়িত্ব পালন করছেন একজন।

Dirty floor
নোংরা বাথরুম/ছবি: বার্তা২৪.কম 

হাসপাতালের বিভিন্ন স্টাফ পদে লোকবলের সংকট রয়েছে। তবে বর্তমানে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ইন্টার্ন করায় চিকিৎসক সংকট কিছুটা পূরণ হচ্ছে।

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী বার্তা২৪.কমকে বলেন, লোকবল কম থাকলেও কোনো রোগীকে বিনা চিকিৎসায় ফেরত পাঠানো হয় না। বরং ১০০ বেডের ব্যবস্থা এবং সমসংখ্যক খাবারের বরাদ্দ থাকলেও প্রতিদিনই আমাদের অতিরিক্ত খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়। যেমন শুক্রবারও রোগী ভর্তি রয়েছেন ১১৯ জন। যেভাবেই হোক অতিরিক্ত রোগীদের সেবা দিতে হয়।

Rangamati Hospital
হাসপাতাল চত্বরে ময়লার স্তূপ (বায়ে) ও বারান্দায় শুয়ে আছে কুকুর/ছবি: বার্তা২৪.কম

তিনি আরও বলেন, এই জেলার দুর্গম অঞ্চল থেকে রোগীদের আসতে কষ্ট হয়। আর হাসপাতালের নিজস্ব ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়া করা অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে হলেও রোগীদের হাসপাতালে আনা হয়। প্রতিদিন গড়ে ৩০০-৪০০ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।

হার্ট অ্যাটাকের কারণ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয়



ডা. ইসমাইল আজহারি
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বে প্রতি বছর ৩৮ লাখ পুরুষ এবং ৩৪ লাখ মহিলা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, তার মধ্যে প্রতি ৪ জনের একজনের মৃত্যুর কারণ হচ্ছে করোনারি হার্ট ডিজিজ বা ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ যা মূলত এথোরোসক্লেরোসিস এর ফলাফল।

এথোরোসক্লেরোসিস কি?

Athero+Sclerosis থেকে এথোরোসক্লেরোসিস শব্দটা এসেছে। এথোরো মূলত Atheroma থেকে এসেছে। আর্টারি বা ধমনির ওয়ালে ফ্যাটি ম্যাটেরিয়াল বা চর্বি জাতীয় বস্তু কিংবা স্কার টিস্যু জমা হয়ে যখন ধমনীর ওয়াল সমূহ মোটা হয়ে যায়, ফলশ্রুতিতে ধমনীর লুমেন সরু হয়ে যায় এবং রক্তপ্রবাহ কমে হয়ে যায় সেই সাথে আর্টারি সমূহ শক্ত হয়ে যায় তখন এই অবস্থাকে এথোরোসক্লেরোসিস বলা হয়। সহজ কথায়, যদি কোনো ফ্যাটি প্ল্যাকের কারণে রক্তনালী দিয়ে রক্ত চলাচল সীমিত হয়ে যায় তখন এই অবস্থাকে এথোরোসক্লেরোসিস বলে।

এথোরোসক্লেরোসিস বলতে মূলত হার্টের ধমনী সমূহে তথা করোনারি আর্টারি সমূহের মধ্যে ডিজেনারেটিভ চেঞ্জকে বুঝানো হয়ে থাকে। তবে এথোরোসক্লেরোসিস শরীরের যে কোনো রক্তনালিতে হতে পারে। হাতে পায়ে হলে তখন সেটাকে পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ বলা হয়। শরীরে যদি অতিরিক্ত LDL ক্লোরেস্টেরল থাকে তখন সেটা রক্তনালীতে জমা হয়ে এথোরোসক্লেরোসিস তৈরি করে।

করোনারি আর্টারিতে এথোরোসক্লেরোসিস হলে সেখানে রক্ত প্রবাহ কমে যায় কিংবা রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয় আর যেখানেই রক্ত প্রবাহ কমে যায় বা রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় সেখানে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। কারণ রক্তের হিমোগ্লোবিন এর সাথে মিশেই অক্সিজেন সারা দেহে সঞ্চালিত হয়। শরীরের কোনো টিস্যুতে চাহিদার তুলনায় অক্সিজেন সরবরাহ কমে গেলে তাকে ইসকেমিয়া বলে। আর হার্টের মধ্যে যদি অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় তাহলে এই অবস্থাকে ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ বলে।

হার্ট অ্যাটাক:

হার্টের মাংশপেশী সমূহ সচল থাকার জন্য হার্টের মধ্যে রক্ত সরবরাহ হয় দুইটা রক্ত নালীর মাধ্যমে যাকে রাইট এন্ড লেফট করোনারি আর্টারি বলে। এই করোনারি আর্টারি সমূহে ফ্যাট কিংবা চর্বি জমে যদি রক্ত সঞ্চালনে বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে এই অবস্থাকে করোনারি আর্টারি ডিজিজ বলে এই অবস্থাকে আবার হার্ট ব্লক ও বলা হয় আর ফ্যাট জমে আর্টারি মোটা আর শক্ত হয়ে যাওয়াকে এথোরোসক্লেরোসিস বলে। এথোরোসক্লেরোসিস হলে যে কোনো মুহুর্তে রক্তনালি ছিড়ে রক্ত জমাট বেধে যেতে পারে। রক্তনালীর ভিতর যদি রক্ত জমাট বাধে তাহলে সেখানে রক্ত চলাচল করতে পারবে না, হার্টের রক্তনালীতে যদি রক্ত চলাচল করতে না পারে তাহলে হার্টের মাংসপেশি সমূহ অক্সিজেন পাবেনা, অক্সিজেন না পেলে হার্টের টিস্যু সমূহ ড্যামেজ হতে থাকবে এবং এইভাবে হার্টের রক্তনালীতে রক্তজমাট বাধার কারণে কিংবা শরীরের অন্য কোনো ধমনীতে রক্ত জমাট বেধে তা থ্রম্বোসিস হয়ে তথা রক্তনালী দিয়ে পরিবাহিত হয়ে যদি করোনারি আর্টারি সমূহকে কিংবা হার্টের ধমনী সমূহকে ব্লক করে দেয় এবং হার্টের পেশীসমূহে যদি পরিমিত অক্সিজেন দিতে না পারে তখন  অক্সিজেনের অভাবে হার্টের টিস্যু সমূহ ড্যামেজ হয়ে যাবে যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক বলা হয়।

এই সময় খুব দ্রুত রক্ত সরবরাহ চালু করতে না পারলে মৃত্যু হতে পারে। এই সময় রোগীর প্রচন্ড বুকে ব্যাথা হবে, সাথে শ্বাসকষ্ট হবে, শরীর ঘামিয়ে যাবে, ব্যাথা ঘাড়, হাত, পিঠে বা থুতনিতে যেতে পারে।

ইশকেমিক হার্ট ডিজিজের উপসর্গ:

ব্লাড প্রেশার চেক করা না হলে অধিকাংশ রোগী উপসর্গহীন থাকে এবং এক সময় তারা হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যু বরণ করে। আর কারো কারো ক্ষেত্রে নিম্নের কিছু উপসর্গ দেখা দেয়:

১। চলতে ফিরতে বুকে ব্যাথা হয়

২। শ্বাসকষ্ট হয়

৩।খাবার পরে বুকে ব্যাথা হয়,

৪।একটু টেনশন করলে বুকে ব্যাথা হয়,

৫। মাথা ঘোরানো এবং মাথা ব্যাথা

৬।ঘাড় কিংবা বাহুতে ব্যাথা

৭। বমি বা বমির ভাব

ইসকেমিক হার্ট ডিজিজের কারণ:

১।উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন

২। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যথা গরুর গোশত, ডিম বা ট্রান্স ফ্যাট জাতীয় খাবার ইত্যাদি

৩। সিগারেট স্মোকিং বা জর্দা ইত্যাদি

৪।অবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন

৫। এলকোহল, কোমল পানীয়

৬।পর্যাপ্ত ব্যায়াম না করা

৭। শারিরীক পরিশ্রম না করা

৮। সবসময় শুয়ে থাকা ইত্যাদি।

ইসকেমিক হার্ট ডিজিজের কারণে জটিলতা:

১। হার্ট অ্যাটাক হতে পারে

২। ব্রেইন স্ট্রোক হতে পারে

প্রতিকার:

১। ধূমপান ত্যাগ করতে হবে

২। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

৩। ওজন স্বাভাবিক বিএমআই অনুযায়ী রাখা জরুরি। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৪। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে এবং লবণ কম খেতে হবে।

৫। নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত

৬। স্বাভাবিক শারীরিক পরিশ্রম করা উচিত।

চিকিৎসা:

১। লাইফস্ট্যাইল মোডিফাই করতে হবে এবং অতিরিক্ত ওজন কমার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

২। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সে জন্য নিয়মিত রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত খেয়ে যেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মেডিসিন বাদ দেয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে খুব খেয়াল রাখতে হবে। কোন মেডিসিন যেন খেতে ভুলে না যায়। এছাড়া যে কোন জটিলতায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বুকে ব্যাথা হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

ডা. ইসমাইল আজহারি, চিকিৎসক, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরিচালক, সেন্টার ফর ক্লিনিক্যাল এক্সিলেন্স এন্ড রিসার্চ। [email protected]

;

করোনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মৃত্যু: পরিবেশ মন্ত্রীর শোক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বার্তা ২৪.কম

বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প‌রি‌বেশ অ‌ধিদপ্ত‌রের মহাপ‌রিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. এ কে এম র‌ফিক আহাম্মদ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (১০ এপ্রিল) ভোর ৪:১৪ মি‌নি‌টে ই‌ন্তেকাল ক‌রে‌ছেন (ইন্না লিল্লা‌হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রা‌জিউন)।

এর আগে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১ সালে সরকারি চাকুরিতে যোগদানকারী রফিক আহাম্মদ ২৩ মার্চ থেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল থেকে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

প‌রি‌বেশ অ‌ধিদপ্ত‌রের মহাপ‌রিচালকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি এবং সকল স্তরের কর্মকর্তা,কর্মচারীবৃন্দ গভীরভাবে মর্মাহত এবং শােকাভিভূত।

আজ এক শোকবার্তায় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, তার মতো একজন সদালাপী, ধার্মিক, সৎ, দক্ষ এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের কর্মকর্তা বিরল। কর্মজীবনে তিনি দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মােকাবিলায় দেশী এবং বিদেশী অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

পৃথক এক শোকবার্তায় মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার জানান তাঁর মতো অমায়িক ও কর্মনিষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা,কর্মচারি তাঁর শােক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছে এবং পরম করুনাময়ের কাছে তাঁর মাগফিরাত ও বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছে। পরম করুনাময় মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাত নসিব করুন।

উল্লেখ্য, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসাবে ২০১৯ সালের ২২ মে যোগদানের পূর্বে তিনি দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিসে কমার্শিয়াল কাউন্সিলর হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন। ইতঃপূর্বে তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর একান্ত সচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিব এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র রেখে গেছেন।

 

;

সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো.মতিউর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ও করোনা ফোকাল পারসন ডা. নির্ণয় পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  

তিনি আরো জানান,  গতকাল (৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে ডা. মো.মতিউর রহমানের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আব্দুল মালেক উকিল মেডিক্যাল কলেজের করোন ট্রেস্ট ল্যাবে পাঠানো হয়। এরপর শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ওনার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়াও সেনবাগ উপজেলায় গত ২৪ ঘন্টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত হয়। করোনা সংকট শুরু থেকেই তিনি সেনবাগ উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কাজের কারণে তিনি সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।

অপরদিকে, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় নোয়াখালীতে নতুন করে ৯২জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

;

করোনা প্রতিরোধে গৌরীপুর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পেইন



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
বার্তা ২৪.কম

বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

“মাস্ক পড়ার অভ্যেস, করোনামুক্ত বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ ক্যাম্পেইন করেছে স্থানীয় বীরমুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্যরা।

শুক্রবার(৯ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরে হারুনপার্ক এলাকায় এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ।

পরে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্যরা করোনার সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে প্রচারণা চালান। এসময় পথচারী, যানবাহন চালক, শ্রমজীবী মানুষদের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে অংশ নেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোঃ আব্দুর রহিম , সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ নাজিম উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমান, ইকবাল হাসান, নুরুল আমিন, আব্দুল কদ্দুছ, সাংবাদিক ম. নুরুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, পৌর শাখার সভাপতি মশিউর রহমান কাউসার প্রমুখ।

;