Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

র‌্যাবের নতুন এডিজি হলেন কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম

র‌্যাবের নতুন এডিজি হলেন কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম
র‌্যাবের নতুন অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

র‌্যাবের নতুন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) হিসেবে যোগদান করলেন কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিদায়ী এডিজি কর্নেল মো. আনোয়ার লতিফ খানের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‌্যাব সদর দফতরে জাহাঙ্গীর আলম নিজ কার্যালয়ে যোগদান করেন।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ১৯ পদাতিক ডিভিশন ঘাটাইল সেনানিবাসে নিযুক্ত ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তার আগে  র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্নেল জাহাঙ্গীর ১৯৯৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। তিনি ৫৫ এবং ১৬ ইস্ট বেংগল এর বিভিন্ন পদসহ ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া জাহাঙ্গীর আলম একটি পদাতিক ব্রিগেডে জিএসও-৩ (অপস্), সেনাসদরের মিলিটারী অপারেশনস পরিদপ্তরের জিএসও-২ (অপস্) এবং পদাতিক পরিদপ্তরের জিএসও-১ এর দায়িত্ব পালন করেন। আর্মস ফোর্সেস ডিভিশন (এএফডি) এর জিএসও-১ (জয়েন্ট অপারেশন) ও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন চৌকস অফিসার হিসেবে কুয়েত সেনাবাহিনীতে তিন বছর প্রেষণে কর্মরত ছিলেন।

কর্নেল জাহাঙ্গীর সেনাবাহিনীর একজন দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করেন। তিনি সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসের স্কুল অব ইনফেন্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস এ রণকৌশল বিভাগের প্রশিক্ষক এবং বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমির জেন্টেলম্যান ক্যাডেটদের প্রশিক্ষক (প্লাটুন কমান্ডার) হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাউন্টার টেরোরিজম কোর্স সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি তুরস্ক থেকে তার্কিস ভাষাসহ কোম্পানি কমান্ডার কোর্স সম্পন্ন করেন। র‍্যাবের এই নতুন এডিজি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক ছাড়াও চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, রাশিয়া, ভারত এবং শ্রীলংকা থেকে প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণ করেন।

কর্নেল জাহাঙ্গীর ডিফেন্স সার্ভিসেস মিরপুরের কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) থেকে আর্মি স্টাফ কোর্স এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ থেকে আর্মস ফোর্সেস ওয়ার কোর্স সম্পন্ন করে যথাক্রমে পিএসসি এবং এএফডব্লিউসি ডিগ্রী লাভ করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্ট্যাডিস ডিগ্রী লাভ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

যক্ষ্মা শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইউএসএআইডি’র সহায়তা জোরদার

যক্ষ্মা শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইউএসএআইডি’র সহায়তা জোরদার
অংশীদারিত্ব বিবৃতির (এসপি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে যক্ষ্মা রোগ নির্মূল করার জন্য নিজ নিজ অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি)।

নতুন এই অংশীদারিত্ব বিবৃতিতে (এসপি) স্বাক্ষর করেছেন তারা। যার মধ্য দিয়ে ২০২২ সালের মধ্যে যক্ষ্মা রোগের প্রকোপ হ্রাস করতে একটি যৌথ কাঠামো প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিবৃতি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি মিশন পরিচালক ডেরিক ব্রাউন বলেন, ‘ইউএসএআইডি বাংলাদেশের সব ধরনের অচিহ্নিত যক্ষ্মা (টিউবারকুলোসিস বা সংক্ষেপে টিবি) শনাক্ত, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপ্রচেষ্টায় জোরালো সহযোগিতা করবে।’

বাংলাদেশকে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ লাখেরও বেশি নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা করতে হবে উল্লেখ করে ব্রাউন আরও বলেন, ‘আজ অংশীদারিত্ব বিবৃতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সরকারের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যখন কিনা দেশটি ২০২২ সাল নাগাদ তাদের লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টা জোরদার করছে।’

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ২৫ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা করেছিল। তবে প্রায় ২৬ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই অচিহ্নিত থেকে যায়। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (এমডিআর) অর্থাৎ একাধিক ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা ও শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে অচিহ্নিত থাকার হার আরও বেশি।

উল্লেখ্য, ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশকে ৭শ’ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা দিয়েছে। ২০১৮ সালে সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রায় ২১ কোটি ৯০ লাখ ডলার দিয়েছিল। এসবের মধ্যে ছিল খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলন এগিয়ে নেওয়া, পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার সামর্থ্য বৃদ্ধি বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচি।

মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন
অভিযুক্ত মানব পাচারকারী জামাল হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজনকে মিথ্যা আশা দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠানো মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন জমা দিয়েছে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সিআইডির বিশেষ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শারমিন জাহান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'আজ (মঙ্গলবার) চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা খুব শিগগিরই কক্সবাজার আদালতে দাখিল করা হবে।'

সিআইডির অনুমোদনকৃত চার্জশিটে বলা হয়েছে, জামাল হোসেনের মানবপাচারের মাধ্যমে আয় করা অবৈধ টাকা ইসলামী ব্যাংকের টেকনাফ শাখায় নিজের নামে করা একটি একাউন্টে রাখতেন। তার একাউন্ট থেকে ২০১৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ২০১৩ সালের শেষ দিক মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন তিনি। এছাড়া মানব পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন শুরু করেন। বাংলাদেশের ১৬টি জেলা থেকে তার একাউন্টে মানব পাচার সম্পৃক্ত টাকা আসত।

আরও বলা হয়েছে, জামাল হোসেন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার লোকজনদের সমুদ্র পথ দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠাতেন। বিদেশে লোক পাঠানোর বৈধ কোনো লাইসেন্স নেই তার। লোকজনদের সমুদ্র পথ দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পর তাদের আটকিয়ে রাখা হতো। আটক ব্যক্তিদের আত্মীয় স্বজনদের ফোন করে জামাল হোসেন মুক্তিপণ আদায় করতেন।

জামাল হোসেন টাকা পেলে মালয়েশিয়া থেকে আটকদের ছেড়ে দেয়া হতো। জামাল হোসেন মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধলব্ধ আয়ের ১ কোটি ৮৩ কোটি টাকার প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, টেকনাফ থানার শাহপরীরদ্বীপ থেকে ২০১৮ সালের পহেলা নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র