আমন ধানের মৌ-মৌ গন্ধে চারদিক মুখরিত



আলফাজ সরকার আকাশ, বার্তা২৪
ধান মাড়াইয়ের কাজ করছে কৃষকরা / ছবিঃ বার্তা২৪

ধান মাড়াইয়ের কাজ করছে কৃষকরা / ছবিঃ বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ধানে ধানে ভরে উঠেছে মাঠ। একই সাথে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রান্তিক কৃষকের স্বপ্ন। মাঠজুড়ে এখন সোনালি স্বপ্নের ছড়াছড়ি। নতুন ধানের উপস্থিতিতেই কৃষক পরিবারে লেগেছে আনন্দের ঢেউ। বাতাসে ভেসে আসছে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ।

সাধরণত অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটার উপযুক্ত সময় হলেও কার্তিক মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে গেছে ধানকাটা।

ধানকাটাকে কেন্দ্র করে নিকট আত্মীয়রা ভিড় জমাবে কৃষকের বাড়িতে। শত ব্যস্ততার মাঝেও নবান্নের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় কৃষকরা। মাঠে তাদের সোনালি স্বপ্ন বাতাসে দুলছে।

আর সেই আনন্দে আমন ধান কাটা শুরু করেছে কৃষাণ-কৃষাণীরা। আর ক’দিনের মধ্যে পুরোদমে আমন কাটার ধুম পড়ে যাবে বলছে কৃষি বিভাগ।

শ্রীপুর উপজেলায় এবার আমনের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও ভালো ফলন পেয়ে খুশি কৃষকরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/28/1543410013088.jpg

কৃষি বিভাগের মতে, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা সামান্য। বরং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন পাওয়া যাবে। আর ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের ঘরে ঘরে এখন নবান্ন উৎসবের আমেজ বিরাজমান।

আত্মীয়-স্বজনদের পিঠাপুলি খাওয়ানোর জোর প্রস্তুতি চলছে কৃষকের ঘরে ঘরে। প্রতিবছর আমনের ফলন ঘরে ওঠার পর নবান্ন উৎসব যেন বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য।

সরেজমিনে জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী, প্রহলাদপুর, গোসিংগা, কাওরাইদ, মাওনা, গাজীপুর, বিন্দুবাড়ী, লোহাগাছসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা নিয়ে। যদিও শ্রমিকের দাম বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে কৃষকের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/28/1543410032888.jpg

শ্রমিকরা ধান কেটে আঁটি বেঁধে মাথায় করে কিংবা গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। সেখানে বাড়ির উঠানে অথবা মাঠের পাশে ধানের খলা করে চলছে ধান মাড়াই করার কাজ।

উপজেলার লোহাগাছ গ্রামের কৃষক হাজী সাহাব উদ্দিন মোল্লাকে ফলন কেমন হয়েছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আলহামদুলিল্লাহ এবার ধানের আবাদ ভালো হয়েছে। তবে কামলার দাম বেশি।