ঘণ্টায় ২৭ কিলোমিটার গতিতে ধেয়ে আসছে ফণী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান / ছবি: বার্তা২৪

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ‘কিছুক্ষণ আগে খবর পেয়েছি বাংলাদেশ থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ফণী। ঘণ্টায় ২৭ কিলোমিটার গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। খবর পেয়েছি ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশা উপকূলে আঘাত হেনেছে। এরপর যদি পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানে, তাহলে দুর্বল হয়ে যাবে, তাতে বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা কমে যাবে। আর যদি উত্তরে সরে যায় তাহলে বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে পারে। তবে কক্সবাজার নিরাপদে থাকবে।’

বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ক্লাইমেটচেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম সভার আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুক্রবার (৩ মে) বিকেল নাগাদ আঘাত হানতে পারে। আমরা ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে মাঠে নামানো হয়েছে। ৮ নম্বর সংকেত হলেই লোকজনকে সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসবে। ৪ হাজার ৪৭টি শেল্টার তৈরি রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক জেলায় ২০০ টন করে চাল, ৫ লাখ নগদ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। ওয়াটার ট্রাক মাউন্টেন তৈরি রাখা হয়েছে।’

ফণী মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগকে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা যেনো জনগণের পাশে দাঁড়ায়। বিদেশ সফররত প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মাধ্যমে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত করার অনুরোধ জানান প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময়কালে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল। তিনি বলেন, ‘আমরা মহাবিপদ সংকেতের সামনে এসেছি। ফণীর কারণে ১৯টি জেলা আক্রান্ত হতে পারে। তবে আমাদের রয়েছে বিশাল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। ৪৭ লাখ স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। অনেক দেশে এতো লোকেই নেই। আমরা একটিও প্রাণহানি দেখতে চাই না। মেডিকেল টিম ও শুকনো খাবার রেডি রাখতে বলা হয়েছে।’