দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফণী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী ইতোমধ্যেই ভারতের ওড়িশার উপকূলে সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ আঘাত হেনেছে। আর বাংলাদেশে এটি সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামসুদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (৩ মে) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের মিডিয়া কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের ওড়িশায় আঘাত হেনেছে। সেখানে এখন ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে বইছে। কিন্তু যখন এটি বাংলাদেশে আসবে তখন এর গতি থাকবে ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ এটির শক্তি অর্ধেকই কমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশের যখন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে তখন তার গতিবেগ কম থাকবে। সে ক্ষেত্রে গাছপালার কিছুটা ক্ষতি করলেও প্রাণহানির সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় থাকতে পারে।’

সামছুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ফণীর দূরত্ব ৬০৫ কিলোমিটার এবং পায়রা বন্দর থেকে ৬৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ফনীর প্রভাবে রাজধানীসহ সারাদেশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি সহ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/03/1556862063615.jpg

এদিকে ফণীর প্রভাবে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং কক্সবাজার সমূদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সমুদ্রবন্দরের সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি শুক্রবার (৩ মে) ভোররাত ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৩০ কিলোমিটার, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর অতবা উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ৩ মে বিকেল নাগাদ ভারতের ওড়িশায় উপকূলে অতিক্রম করতে পারে। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে। খুলনা ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় শুক্রবার সকাল নাগাদ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী’র অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারে এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ২০০ কিমি বেগে ওড়িশায় আঘাত হেনেছে ফণী

আরও পড়ুন: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি