মধ্যরাতে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আসতে পারে ফণী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন আবহাওয়া অধিদফতরের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন / ছবি: বার্তা২৪

ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন আবহাওয়া অধিদফতরের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ওড়িশা পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে শুক্রবার (৩ মে) মধ্যরাত নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল এলাকাতে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এটি বর্তমানে ভারতের ওড়িশা উপকূল ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের ওড়িশা উপকূল পুরির নিকট দিয়ে অতিক্রম শুরু করেছে।

শুক্রবার ( ৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করে অধিদফতরের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন এসব তথ্য জানান।

আয়েশা খাতুন বলেন, ‘খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আজ সকাল থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রমকালে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার।

তিনি আরও বলেন, ‘মংলা ও পায়রা বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা সাতক্ষীরা, এবং অগ্রদ্বীপ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত আওতায় থাকবে। অপরদিকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।’

আবহাওয়া অধিদফতরের উপ-পরিচালক বলেন, ‘উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার কথা বলা হয়েছে।’