মিয়ানমার প্রথম রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলছে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

  • Font increase
  • Font Decrease

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আমরা আশাবাদী। মিয়ানমার প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলেছে, এটাকে আমি একটা ব্যাকথ্রু বলব। কারণ, কমপক্ষে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলতে রাজি হয়েছে। এটা অবশ্য তাদের বিষয়। আমরা চাই, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা দিয়ে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হোক।

বুধবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) এ ড. আনোয়ারুল আবেদীন শীর্ষক লেকচারে তিনি এসব কথা বলেন।বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে ড. আনোয়ারুল আবেদীন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন আন্তরিকভাবে আমাদের বলেছে, তারা প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করবে। চীন আমাকে তাদের দেশ সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছে। আমি বলেছি, প্রত্যাবাসন শুরু হলে যাব।

ড. মোমেন বলেন, ২০ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারকে ভাষানচরে নিতে চাই। সেখানে গেলে রোহিঙ্গারা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে পারবেন। কিছু বিদেশি এনজিও এটা চায় না। কারণ এটি তারা তাদের রুজির জন্য জিইয়ে রাখতে চায়।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন থাকলে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশ, মিয়ানমারসহ আশপাশের দেশগুলোতে আঞ্চলিক অস্থিরতা বেড়ে যাবে, বিনিয়োগ কমে যাবে।

আবদুল মোমেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ করলে বিদেশিরা বেশি লাভ হবে। অনেকে এটা বিশ্বাস করতে চায় না। ৭৭ মিশনকে বলা হয়েছে দেশের ইমেজ বাড়াতে।