গরু নিয়ে কান্না আর না, আর না



সৈয়দ রানা মুস্তফী
বাংলাদেশ গোমাংস রফতানিকারক দেশের তালিকায় নাম লেখাতে পারে, যদি..., ছবি: বার্তা২৪

বাংলাদেশ গোমাংস রফতানিকারক দেশের তালিকায় নাম লেখাতে পারে, যদি..., ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের আগের দিন কোরবানির প্রাণী কেনার জন্যে হাটে গিয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। প্রচুর গরু, ছাগলও অসংখ্য; কিন্তু ক্রেতা কম। কোনো কোনো হাটে খামারি-ব্যাপারিদের কাঁদতে পর্যন্ত দেখা গেল! তারা যে দামে প্রাণী কিনেছেন, বড় করেছেন, মোটাতাজা করেছেন তার দাম শেষ দিনে এসে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়লো।

অন্যান্য বার হয় এর উল্টো। শেষ দিনে খামারি-ব্যাপারিরা দাম আরও বাড়ায়, ক্রেতারা অসহায় আত্মসমর্পণ ছাড়া আর কোনো পথ পান না। এবার এমন হবার মূল কারণ, দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা শত শত গরু মোটা-তাজাকরণ খামারে প্রচুর গরু প্রস্তত ছিল কোরবানির হাটকে লক্ষ্য করে।

হুজুগে মানুষ। একসময় ফটোস্ট্যাট মেশিনের চল হয়েছিল বলতে গেলে ঘরে ঘরে। ফলে ১০ টাকা প্রতি কপি ফটোস্ট্যাটের দাম নেমে আসে ১/২ টাকায়। ২০১৮'র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদের হাটে গরুর দাম পতনের নেপথ্য কারণ অনেকটা ওই রকমই। দেশের আনাচে-কানাচে ফটোস্ট্যাট মেশিনের দোকানের মতো গরু মোটা-তাজাকরণ খামার গড়ে উঠেছে, লাখ লাখ গরু ক্ষতিকর ইনজেকশন দিয়ে মোটা-তাজাকরণ চলছে। সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ভারতীয় গরু, ফলে দামের খেলায় এবার চূড়ান্ত পরাজিত হয়েছেন খামারি-ব্যাপারিরা।

হাটের শেষ দিন মধ্যরাতে প্রবল বৃষ্টি কফিনে যেন শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়। এসব কারণে ক্রেতা কম-প্রাণী বেশি অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় ডিম্যান্ড-সাপ্লাই তত্ত্ব অনুযায়ী অনিবার্যভাবে চোখের পানিতে ভাসে কোরবানির প্রাণীর হাট।

এ পরিস্থিতি থেকে তাহলে মুক্তির উপায় কি? কিভাবে খামারি-ব্যাপারিরা আর্থিক ক্ষতি কাটাতে পারবেন? ভেবেছি বিষয়টি নিয়ে, যাকে বলে হোমওয়ার্ক করেছি বললেও ভুল হবে না। এরকম ঋণাত্মক পরিস্থিতিকে লাভজনক করে তুলতে পারবেন আমাদের খামারিরাই। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সেকাজে খুব বেশি কিছু করার বাকিও নেই! শুনতে কেমন আশ্চর্য লাগছে তাই না?

গার্মেন্টস সেক্টরে যেমন কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি বিশ্বের নামকরা বায়ারের অর্ডার পায়, ঠিক একইভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা গরু মোটা-তাজাকরণ খামারগুলোকে কমপ্লায়েন্স খামারে রূপান্তর করতে হবে। পারমিসেবল লেভেল বা মানব স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর নয় এমন পরিমাণ কেমিক্যাল ব্যবহার করে প্রধানত প্রাকৃতিক উপায়ে ও হাইব্রিড পদ্ধতিতে বৃহদাকার গরু ও ছাগল উৎপাদন করতে হবে। তবে তার লক্ষ্য শুধু কোরবানি হবে না, তার প্রধান লক্ষ্য হবে মাংস রফতানি।

বিশ্বে এখনো সুলভে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর প্রধান উৎস গরুর মাংস বা বিফ। প্রতিবেশী ভারত পৃথিবীর প্রধান গোমাংস রফতানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষ পর্যায়ে। বাংলাদেশও এই সেক্টর থেকে বহু বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে। অন্য উদ্দেশ্যে হলেও অবকাঠামো গড়ে উঠেছে অনেক ‘ব্লেসিংস ইন ডিসগাইস’ ভিত্তিতে। এখন দরকার ফাইন টিউনিং। তা করা গেলে টেকঅফ সম্ভব বিশাল বাজারের দিকে। একাজে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর একা খুব একটা কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। বিশাল বাজারের সম্ভাবনা ও কমপ্লায়েন্স বিষয়াদি হ্যান্ডল করে অভ্যস্ত কোনো প্রতিষ্ঠানকে খামারিদের সহায়তায় যুক্ত করতে হবে। গোমাংস হতে পারে চিংড়ির চেয়েও বড়, এমনকি তা ছুঁতে পারে গার্মেন্টসকেও! আর তা হলে সেদিন আর কোনো খামারি-ব্যাপারিকে চোখের জল ফেলতে হবে না, বরং সে চোখে জ্বল জ্বল করবে ডলার উপার্জনের ঝিলিক...।

লেখক: সম্পাদক, অর্থকথা

আসা যাওয়ার পথের ধারে...



সৈয়দ রানা মুস্তফী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স। প্রতি শুক্রবার আমরা বেরিয়ে পড়তাম। কথাসাহিত্যিক, বিশ্ব সাহিত্যের নিষ্ঠ অনুবাদক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি ও আমার একান্ত আপনজন নুরুল করিম নাসিম ভাই, অতি প্রিয় অনুজপ্রতিম সিফাত আহমেদ চৌধুরী, আমি ও আমার ব্যক্তিগত গাড়িচালক সুজাতুর রহমান বকুল। এই ছিল মূল টিম, তবে অতি আগ্রহ বিবেচনায় কোনো কোনো শুক্রবার একজন বন্ধুকে সাথে নিতাম। কবি ফেরদৌস সালামও বোধহয় দু’একবার ভীড়েছিলেন আমাদের সে পাগলামিতে। একেক শুক্রবার নতুন এক জেলা, নতুন গন্তব্য। সকালে রওনা, পথে জুম’আ সময় হলে সেখানেই নামাজে অংশগ্রহণ, দুপুরের আহার, দর্শনানন্দ শেষ করে ঘরে ফিরতে গভীর রাত হয়ে যেত। সিফাত তখন সবে বিয়ে করেছে, ওর নবপরিণীতা স্ত্রী অভিমানে বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে যখন সিফাতের দেরির জন্যে অনুযোগ করতো, সিফাত তখন খাঁটি সিলেটিঃ আইরাম আন্নি, আইরাম! অথচ আমরা হয়তো তখনো ঢাকা থেকে বেশ দূরে! নাসিম ভাবীর ঝাড়ি খেয়েও নাসিম ভাই তাঁর সুন্দর ব্যবহারের আড়ালে ঢেকে রাখতে চাইতেন সংসার সমুদ্রের ঝড়।

নুরুল করিম নাসিম ভাই তাঁর অনন্ত যাত্রা শুরু করেছেন দেড় বছরের বেশি সময় আগে (৫ই নভেম্বর ২০২০)। নাসিম ভাইকে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন এই মুনাজাত করি। ‘সৈয়দ সাহেব, বেরুবেন নাকি আবার?’ নাসিম ভাইয়ের কাছ থেকে আর কখনো এমন কল আসার সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে, হায়রে জীবন।

সিফাত এখন মহাব্যস্ত ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে। ওর সন্তানরা এখন বেশ মাথাধরা হয়ে উঠেছে!

জীবন-সময় খুব দ্রুত ফাঁকি দিয়ে এগিয়ে যায়, সে সবসময় চির নতুন থাকে, আমরা মানুষেরাই শুধু পুরনো, ন্যুব্জ ও অক্ষম হয়ে যাই। একসময় মৃত্যু এসে ঢেকে দেয় জীবনের সব আনন্দ আয়োজন...

লেখক: সৈয়দ রানা মুস্তফী, জাতীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব

;

এম. মোরশেদ আলম- এক জীবন্ত কিংবদন্তী



সৈয়দ রানা মুস্তফী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মানুষটিকে ঘনিষ্ঠভাবে ও আপন করে চিনি গত ৩৪ বছর ধরে। একসঙ্গে সোনারগাঁও হোটেলের হেলথ ক্লাবে ওয়ার্কআউট করেছি প্রায় ৩০ বছর! কাজ, পরিবার, জিম ও কিছু একান্ত সময়, এই নিয়ে আপন বৈশিষ্ট্যে দীপ্যমান মানুষটির নাম এম. মোরশেদ আলম।

এম. মোরশেদ আলম

বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান অগ্রজপ্রতীম মোরশেদ ভাই খাঁটি উদ্যোক্তাদের শীর্ষস্থানীয় একজন। তাঁর কঠোর পরিশ্রম, মেধা, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের যোগ্যতা আজ বেঙ্গল গ্রুপকে অগ্রগণ্য বিজনেস কনগ্লোমারেট হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।


গত ৩৪ বছরে মোরশেদ ভাইয়ের কোনো উদ্যোগকে ঋণ খেলাপি হতে দেখিনি। কখনো মানুষের হক মেরে ধনী হতে চাননি এই ব্যক্তিত্ব। ব্যাংক, বীমা, শিল্প কলকারখানায় মোরশেদ ভাই যেমন সফল হয়েছেন, গণমাধ্যমেও (আরটিভি) তিনি তাই।

স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনা গৃহ প্রতিষ্ঠা করেছেন ব্যাপক উদারতায়। রাজনীতিক মোরশেদ ভাইয়ের অভিষেক হয়েছে সংসদ সদস্য হিসেবে, সেখানেও রেখে চলেছেন ইতিবাচক ভূমিকা।


শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রিয়জন মোরশেদ আলম ভাইয়ের সঙ্গে আমার কখনো সামান্যতম স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নেই। আছে কেবল ভ্রাতৃপ্রতিম বন্ধন। আপনি সুস্থ্য সুন্দর ও কর্মময় থাকুন মোরশেদ ভাই, আপনার জন্যে এই আমার একান্ত মুনাজাত…।

লেখক: সৈয়দ রানা মুস্তফী, জাতীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব

;

সাউথইস্ট ব্যাংক চেয়ারম্যান আলমগীর কবির: হি ইজ অ্যান ইন্সটিটিউশন হিমসেলফ



সৈয়দ রানা মুস্তফী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ থেকে দীর্ঘ ৪৫ বছর আগে তারুণ্যে ভরপুর যুবক আলমগীর যখন এফসিএ হন তখন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট খুব বিরল ছিল। রিটেনারশিপ কঠিন বলে এই পেশায় আসতে চাইত না শিক্ষার্থীরা। শুধু ব্যতিক্রমীরাই পা রাখতো এই অঙ্গনে।

জীবনের শুরু থেকেই ব্যতিক্রম ছিলেন আলমগীর কবির। তাই সহজ বিষয় বা সাবজেক্টকে বেছে না নিয়ে হয়েছিলেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। সেই থেকে আজ পর্যন্ত, জীবনের পরিণত বয়সে এসেও দেশের শীর্ষ সফল সাউথইস্ট ব্যাংক চেয়ারম্যান আলমগীর কবির এফসিএ ব্যতিক্রমীই আছেন। সততা, ধৈর্য্য, একাগ্রতা, নিয়মানুবর্তিতা ও কঠোর শ্রম-সাধনা  তাঁকে পরিণত করেছে এক অনুকরণীয় আইকনিক ব্যক্তিত্বে। একজন আলমগীর কবির ব্যক্তি থেকে পরিণত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানে।

সাউথইস্ট ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক সিকিউরিটিজ, সাউথইস্ট ব্যাংক ফাউন্ডেশন, এনসিসি ব্যাংক ও বে লিজিংসহ অসংখ্য মর্যাদাপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শুধু অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাই নন আলমগীর কবির এফসিএ, এসব প্রতিষ্ঠানে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এগুলোকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলেছেন তিনি।

সাউথইস্ট ব্যাংক চেয়ারম্যান আলমগীর কবির

চেয়ারম্যান হিসেবে গত ১৬ বছর ধরে পরম মমতায় সাউথইস্ট ব্যাংক-কে তাঁর শ্রম ঘাম মেধা দিয়ে আজ নিয়ে এসেছেন সর্বোচ্চ সফল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের অগ্রগণ্য হিসেবে।

সৌদী আরবের অর্থ ব্যবস্থার নীতি প্রণয়ন ও সেসবের বাস্তবায়নে ১৩ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন আলমগীর কবির, সে দায়িত্বে তাঁর কৃতিত্ব দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বিএসইসি’র কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনের সময়কালকে বিশ্লেষকরা আজও সফলতম হিসেবে গণ্য করেন।

দেশের সুবৃহৎ উদ্যোক্তাদের অনেকই আলমগীর কবিরের সহায়তা, প্রণোদনা ও পরিচর্যায় ধ্বংসের প্রান্ত থেকে নতুন করে চূড়ান্ত সাফল্যের মুখ দেখেছেন! নতুন ও নিরীক্ষাধর্মী উদ্যোক্তারাও জনাব কবিরের অর্থায়ন ও উৎসাহে খুঁজে পেয়েছেন লাভজনক হয়ে ওঠার গন্তব্য। একারণেই সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলমগীর কবির যখন কোনো অনুষ্ঠান বা সামাজিকতায় উপস্থিত হন তখন অসংখ্য মানুষ তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনেকেই তাঁকে কদমবুসি করেন, অনেকেই তাঁর সামনে এসে কৃতজ্ঞতায় অশ্রুসজল হয়ে ওঠেন, অনেকে প্রকাশ্যে বলেনঃ উনি আমাদের জীবনে প্রকৃত ফাদার ফিগার!


ব্যতিক্রমী আলমগীর কবির এফসিএ, আমার প্রিয়-শ্রদ্ধেয় লুলু ভাইয়ের সৃজনশীল সৃষ্টিধর্মীতায় জাতীয় নারী ফুটবলারবৃন্দ ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের কোচিং স্টাফরা পেয়েছেন/পাচ্ছেন সম্মানজনক আর্থিক প্যাকেজ।

সাউথইস্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যে উপার্জনমুখী আবাসনের জন্যে ৭১ কাঠা জমিতে একাধিক বাণিজ্যিক-কাম আবাসিক ভবন নির্মাণের মাস্টার প্ল্যান নিয়ে এগুচ্ছেন জনাব আলমগীর কবির।

তাঁর মানবিক ও মানুষের কল্যাণধর্মী অগণিত উদ্যোগের বর্ণনা করতে গেলে বিশাল রচনা লিখতে হবে। আমরা এই মহান কর্মবীরের সুস্থ্যতা, আরো সাফল্য, ও সুখী জীবনের জন্যে আল্লাহ’র দরবারে প্রার্থনা করি…

লেখক: সৈয়দ রানা মুস্তফী, জাতীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব

;

হাবিব উল্লাহ ডন রেকর্ড ৪র্থ বারের মতো বারভিডা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত



সৈয়দ রানা মুস্তফী
বারভিডার নতুন প্রেসিডেন্ট হাবিব উল্লাহ ডন ও সৈয়দ রানা মুস্তফী

বারভিডার নতুন প্রেসিডেন্ট হাবিব উল্লাহ ডন ও সৈয়দ রানা মুস্তফী

  • Font increase
  • Font Decrease

ও বন্ধু আমার… ব্যবসা-বাণিজ্যের অঙ্গণ খুব সহজ নয়। প্রত্যেকেই ইন্ডিভিজুয়ালিস্ট এই সেক্টরে। বিজনেস সেক্টরে নেতা হওয়া তাই খুব কঠিন। আরো কঠিন বা প্রায় অসম্ভব ব্যবসা-বাণিজ্য সেক্টরের অবিসংবাদিত নেতা হয়ে ওঠা। অর্থাৎ অ্যাসোসিয়েশন, চেম্বার ও অ্যাপেক্স বডি, এই তিন পর্যায়ে অতীতে কখনোই কেউ দেদীপ্যমান সূর্যের মত আবির্ভুত হতে পেরেছেন তেমন দৃষ্টান্ত নেই। সেই প্রায় অসম্ভব কাজটিই করে বিজনেস সেক্টরকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রিয় বন্ধু হাবিব উল্লাহ ডন! ৪র্থ বারের মত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বারভিডা’র! এর আগে আর কেউ কখনো চারবার বারভিডা’র প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। অনন্য এই অর্জনে প্রিয়বন্ধু ডনকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ভালোবাসা।

দেশের বিজনেস সেক্টরের অ্যাপেক্স সংগঠন এফবিসিসিআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে হাবিব উল্লাহ ডন শিল্প বাণিজ্যের উন্নয়নে রেখে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সিআইএস-বিসিসিআই চেম্বারের কয়েকবারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডন সেখানেও রেকর্ড করেছেন। সিআইএস-বিসিসিআই চেম্বারের সদস্যবৃন্দ বারবার আস্থা রাখছেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হাবিব উল্লাহ ডনের নেতৃত্বে।


দেশের বিজনেস সেক্টরের উন্নয়ন, বিকাশ ও এর সমস্যা সমাধানে হাবিব উল্লাহ ডনের অবদান ও ইন্টিগ্রিটি অতুলনীয়। ধর্মভীরু, সুদমুক্ত, দানশীল অথচ প্রচারবিমুখ ডন পরিবার অন্ত প্রাণ। তরুণ প্রজন্মের অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব ডন করোনার ভয়াল সময়ে হাজারো পরিবারকে সহায়তা দিয়েছেন। খাদ্য, ওষুধ ও শীতবস্ত্র দান করেছেন অসংখ্যজনকে। অবসরে ব্যতিক্রমী রান্না করে ও শরীর চর্চায় সময় দিয়ে ডন হয়ে উঠেছেন অনন্যসাধারণ এক আইকন!

আমি ডন ও ওঁর পরিবারের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল ও কল্যাণের জন্যে আল্লাহ’র শাহী দরবারে মুনাজাত করি।

লেখক: সৈয়দ রানা মুস্তফী, জাতীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

;