সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের মনোরম দৃশ্য



সুমন শেখ, স্টাফ ফটোকরেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা, ছবি: সুমন শেখ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা, ছবি: সুমন শেখ

  • Font increase
  • Font Decrease

কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে অবস্থিত। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা সাগরকন্যা হিসেবে পরিচিত।

 কুয়াকাটা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ ১৮ কিলোমিটার ।   

 

 

 কুয়াকাটা
পছন্দের মানুষকে নিয়ে অনেকেই ঘুরতে আসেন সাগরকন্যা খ্যাত অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায়।

 

 কুয়াকাটা
পাশাপাশি আরও আছে সী-বিচ মার্কেট। এখানে পাওয়া যায় সকল প্রকার আচার, চকলেট ও কসমেটিক সামগ্রী।

 

 কুয়াকাটা
সন্ধ্যা নামতেই সমুদ্রে থাকা মাছ ধরার নৌকাগুলো তীরের দিকে ফিরতে থাকে।

 

 কুয়াকাটা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের সন্ধ্যার দৃশ্য আপনাকে বিমোহিত করবে। 

 

 কুয়াকাটা
শুটকি প্রিয় মানুষদের জন্য রয়েছে শুটকি মার্কেট। সব ধরনের শুটকি পাওয়া যায় এখানে।

 

 কুয়াকাটা
সকালের আলো ফোঁটার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের জাল নিয়ে মাছ ধরায় ব্যস্ত হয়ে পরেন অনেক জেলে।

 

 কুয়াকাটা
বীচের পাশেই আছে ছোট্ট বাজার যেখানে রয়েছে জেলেদের জালে ধরা পড়া সামুদ্রিক কুড়াল, টুনা, কাঁকড়া, অক্টোপাস সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ফ্রাই। 

 

 কুয়াকাটা
সমুদ্র সৈকতের বীচে ঘোড়ার পিঠে চড়া এবং বসে ছবি তোলার সুযোগও রয়েছে।

 

 কুয়াকাটা
বেলা বাড়ার পাশাপাশি সমুদ্র সৈকতেও বাড়তে থাকে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের ভিড়।

 

 কুয়াকাটা

বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার নিয়ে ঘুরতে আশা দর্শনার্থীরা সমুদ্রে গোসল করেন, এমনকি বীচে ছাতার নীচে বসে থাকারও ব্যবস্থা রয়েছে।  

লকডাউনে কেমন যাচ্ছে কাঁটাবনের খাঁচায় বন্দি প্রাণিগুলোর দিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লকডাউনে কেমন যাচ্ছে কাঁটাবনের খাঁচায় বন্দি প্রাণিগুলোর দিন

লকডাউনে কেমন যাচ্ছে কাঁটাবনের খাঁচায় বন্দি প্রাণিগুলোর দিন

  • Font increase
  • Font Decrease

এই পৃথিবীতে যার জন্ম হয়েছে তার মৃত্যু হবে এইটাই স্বাভাবিক। তবে এই মৃত্যু যদি হয় খাবারের অভাবে তা কিন্তু স্বাভাবিক না।

এই ধরুন রাজধানী ঢাকার কাঁটাবনের মাছ, পাখি, কুকুর বা অন্য প্রাণিদের কথা। যারা জন্ম থেকেই খাঁচায় বন্দি থাকে, এরা তো সব সময় লকডাউনের মধ্যেই থাকে। এদের জন্য নতুন করে লকডাউনের কি আছে।

এই বন্দি অবস্থায় প্রতিনিয়ত খবার পায় এরা। এদের খাবারের জন্য চিন্তা করতে হয় না কারণ এদের মালিক এদের খাবার দিবে।

কিন্তু আজ বাস্তবতাটা ভিন্ন করোনার কারণে এদের মালিকই খাঁচায় বন্দি তাই এরা ঠিক মত খাবার পাচ্ছে না। তাইত কিছু দিন আগে অনেক গুলো প্রাণি খাবার না পেয়ে মারা যায়। আর এই খবর প্রচার হবার পর থেকেই সরকার এই লকডাউন চলাকালীন সময়ে সকালে ও বিকেলে দোকান খুলে যাতে এই প্রাণি গুলোকে খাবার দেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। 

সেই প্রাণি গুলোর দিন এখন কেমন যাচ্ছে তা তুলে নিয়ে আসেছেন বার্তা২৪.কম-এর আলোকচিত্রীরা।

ভালোই আছে কবুতর, খাবার দিচ্ছেন দোকান মালিক, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

বিড়ালের বাচ্চাটাও ভালো আছে, খাবার দিচ্ছেন দোকান মালিক,ছ বি: বার্তা২৪.কম

 

 

পাখি গুলোও ভালো আছে, খাবার দিচ্ছেন দোকান মালিক, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

কুকুরের বাচ্চা গুলোও ভালো আছে, খাবার দিচ্ছেন দোকান মালিক, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

;

করোনায় জৌলুস হারিয়েছে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা টু মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে

ঢাকা টু মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা টু মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ১২ মার্চ ২০২০ সালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যান চলাচলের জন্য উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনের পর থেকে এই রাস্তা দিয়ে যারাই চলাচল করেছে তারাই এই রাস্তার মোহে পড়ে গেছেন। প্রতিদন হাজারও গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে শোঁ শোঁ করে ছুটতো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সবার মুখে থাকতো এটির গুণগান, সাথে সবাই ধন্যবাদ দিতে ভুলতো না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

 জৌলুস হারিয়েছে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে

কিন্তু করোনার থাবায় এখন জৌলুস হারিয়েছে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। নেই চিরচেনা সেই দৃশ। থেকে থেকে কিছু যানবাহন চলছে  এই এক্সপ্রেসওয়েতে। 

চেকপোস্ট বসিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা

কঠোর লকডাউনের করণে এই রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 

জিজ্ঞাসাবাদ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা

যে গাড়ি বা যারা যাচ্ছেন তাদের পড়তে হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে। সন্তোষজনক জবাব পেলেই যেতে পারছেন তারা। 

;

করোনা সংকট কাটিয়ে ফের জেগে উঠতে শুরু করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন



সুমন শেখ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
করোনা সংকট কাটিয়ে ফের জেগে উঠতে শুরু করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন

করোনা সংকট কাটিয়ে ফের জেগে উঠতে শুরু করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন

  • Font increase
  • Font Decrease

হঠাৎ করেই উড়ে এসে জুড়ে বসা করোনাভাইরাস স্থবির করে দিয়েছে দেশের সব অঙ্গন। অন্য সব অঙ্গনের মতো ক্রীড়াঙ্গনেও পড়েছে এর প্রভাব। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে দীর্ঘ কয়েক মাস ঘরেই কাটিয়েছেন এ অঙ্গনের প্রায় সকলেই। তবে এখন করোনা সংকট কাটিয়ে ফের জেগে উঠতে শুরু করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন।

মাঠে ফিরতে শুরু করেছেন তরুণ ক্রিকেটাররা

মাঠে ফিরতে শুরু করেছেন আগামী দিনের ক্রিকেটাররা।

একাডেমি মাঠে ক্রিকেটাররা

সেই সঙ্গে প্রস্তুত ক্রিকেটার তৈরির প্রতিষ্ঠান একাডেমিগুলো।

করোনার কাছে হার মানছেন না ক্ষুদে ক্রিকেটাররা

করোনার কাছে হার মানছেন না কিশোর-তরুণ সহ ক্ষুদে ক্রিকেটাররা। এরাই তো একদিন ধরবে এই দেশের ক্রিকেটের হাল।

আগামী দিনের তামিম, সাকিব কিংবা মাশরাফি

এখান থেকেই জন্ম নেবে আরেকজন তামিম ইকবাল, মাশরাফি কিংবা সাকিব আল হাসান। সেই সুদিনের স্বপ্ন তাদের চোখে-মুখে।

;

রাজধানীতে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা



সুমন শেখ, স্টাফ ফটো করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাজধানীতে টানা বৃষ্টিতে সড়কে পানি জমে গেছে

রাজধানীতে টানা বৃষ্টিতে সড়কে পানি জমে গেছে

  • Font increase
  • Font Decrease

বৃষ্টি হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। কখনো বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ছে আবার কখনো কমছে। কিন্তু এরই মধ্যে রাজধানী হয়ে পড়েছে জলাবদ্ধ। এর ফলে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে।

দোকানের সামনে প্রায় হাঁটুপানি জমে আছে

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক তো বটেই, বিভিন্ন সংযোগ সড়কেও পানি জমে আছে। কোথাও কোথাও সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা যায়।

কলা গাছের ভেলা দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন এক নারী

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পানি মাড়িয়ে যানবাহন চলতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও পানিতে যানবাহন বিকল হতেও দেখা গেছে।

যানবাহন পানির মধ্যে চলতে গিয়ে বিকল হয়ে রাস্তার মাঝে আটকে আছে

ঢাকায় অনেকের বসতঘরে বর্জ্যমিশ্রিত পানি ঢুকে পড়েছে ।

সাইকেল চালাতে গিয়ে জমে থাকা পানিতে পড়ে গেছে এক শিশু

বিশেষ করে এমন চিত্র দেখা যায় রাজধানীর মুগদা, মান্ডা, কদমতলা সহ বিভিন্ন এলাকায়।

বৃষ্টিতে রাস্তাজুড়ে নর্দমার পানি
;