পাসওয়ার্ড চুরি ঠেকাতে ৬ পরামর্শ



হাসিবুল হাসান শান্ত,কন্ট্রিবিউটর, বার্তা২৪.কম
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য প্রযুক্তির এই আধুনিক বিশ্বে বলে হয় তথ্যই শক্তি। অর্থাৎ যার কাছে যত বেশি তথ্য আছে তার তত শক্তি। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এইসব তথ্য চুরি করে থার্ড পার্টি বা তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। যার নেতিবাচক প্রভাব আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে পড়ছে।

তাই তথ্য চুরি বন্ধ করতে আপনাদের জন্য রয়েছে ৬টি পরামর্শঃ

১. পাসওয়ার্ড ম্যানেজারঃ আপনার পাসওয়ার্ড কিছুদিন পর পর পরিবর্তন করতে পারেন। কিন্তু অনেকেই আছেন একই পাসওয়ার্ড সব জায়গায় ব্যবহার করেন। এতে করে একটি হ্যাক হলে অন্যগুলোও হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই পাসওয়ার্ড ম্যানেজার আপনার জীবন অনেক সহজ করে দিবে। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার আপনার সবগুলো পাসওয়ার্ড এনক্রিপ্ট এবং সুরক্ষিত রাখে। যা প্রয়োজনে কঠিন এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ডগুলো মনে করিয়ে দিবে।

২. ভিপিএনঃ যেখানে সেখানে ওয়াই-ফাই বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে ভিপিএন(ভারচুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) ব্যবহার করুন।

৩. অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টলে অনুমতিঃ বেশির ভাগ সময়ে আমরা অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার সময় সেই অ্যাপ্লিকেশনের ‘টার্মস এন্ড কনডিশন’, ‘পলিসি’ ইত্যাদি না পড়েই অনুমতি দিয়ে দেই। এতে করে আমাদের তথ্যাদি যেমন ফোনবুক, ম্যাসেজ, লোকেশন ইত্যাদি তৃতীয় পক্ষের কাছে চলে যায়। তাই যেকোন অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার আগে উক্ত বিষয়গুলো ঠিকমত বুঝে অনুমতি দিন।

৪. রিসার্চঃ কোন অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে গেলে যদি দেখেন এর রেটিং অনেক কম, প্লে প্রোটেক্ট থেকে ভেরিফাইড নয় তাহলে একটু বাড়তি রিসার্চের জন্য গুগল করতে পারেন। শুধুমাত্র গুগলের প্লেস্টোর ও অ্যাপেল স্টোর থেকে অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন।

৫. সোশ্যাল মিডিয়াঃ সোশ্যাল মিডিয়া যত বেশি তথ্য দিবেন তত বেশি আপনার তথ্য অন্যদের কাছে চলে যাবে, সে অনুযায়ী বিজ্ঞাপন আসতে থাকবে। এছাড়াও এইসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে একজন ব্যবহারকারীর পছন্দ, অপছন্দ, বয়স, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং কোন রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী ইত্যাদি তথ্য চলে যায় তৃতীয় পক্ষের কাছে। তাই একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে যতটুকু তথ্য প্রয়োজন ঠিক ততটুকু দিবেন এর বেশি দিতে যাবেন না।

৬. সফটওয়ার আপডেটঃ আপনার ফোনে ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে সবসময় আপডেট বা নতুন সংস্করণ টি ব্যবহার করুন। আর ফোনের অটোম্যাটিক আপডেট অপশনটি অন করে রাখুন।

 

‘যুক্তরাষ্ট্রের কথা অনুযায়ী হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করে যুক্তরাজ্য’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হুয়াওয়ের ফাইভজি সরঞ্জাম এবং সেবা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত ‘জাতীয় সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়,’ বরং এর পেছনে আমেরিকার চাপ দায়ী বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন ব্যবসা ও শিল্পমন্ত্রী।

পাঁচ বছর ধরে ডেভিড ক্যামেরনের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের ব্যবসা ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভিন্স কেবল সোমবার এক অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতায় বলেন যে, চীনা প্রযুক্তি জায়ান্টের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ‘কারণ আমেরিকানরা আমাদের বলেছিলো আমাদের এটি করা উচিত।’

২০২০ সালের জুলাইয়ে বরিস জনসন সরকার ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) এর দেওয়া নতুন পরামর্শের উদ্ধৃতি দিয়ে ঘোষণা করেন যে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হুয়াওয়ের পণ্য যুক্তরাজ্যের ফাইভজি নেটওয়ার্ক থেকে সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে দেওয়া হবে।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বা পররাষ্ট্র নীতির স্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে কাজ করছে, এমন ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং এর কয়েক মাস পরে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়েকে মাইক্রোচিপের মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ক্রয়ে বাঁধা দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে বাধ্য করে।

যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ কর্মকর্তার চেয়ে চীনের প্রতি অধিক সহানুভূতিশীল বলে পরিচিত কেবল আরও জানিয়েছেন যে, মন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদকালে গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা সেবাদাতারা বারবার আশ্বাস দিয়েছিলো যে হুয়াওয়ের সেবা ব্যবহার করে কোনোরূপ ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

কেবল বলেন, “ব্রিটেন যদি ফাইভজি’র এ সুবিধা গ্রহণ করতো, তাহলে আমরা এখন সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে থাকতাম। কিন্তু এখন আমরা সে অবস্থানে নেই।”

;

ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে ব্র্যান্ড ট্রান্সফরমেশন কেনো গুরুত্বপূর্ণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত দুই যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব বিকাশে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যে অনন্য পরিবর্তন এসেছে তা যে কোনও কল্পকাহিনীকেও হার মানায়। চলাচল কিংবা যোগাযোগ থেকে শুরু করে কেনাকাটা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই এখন প্রযুক্তির জয়জয়কার। মাত্র কয়েক বছর আগেও ঘরে বসে কেনাকাটা করার ব্যাপারটি সবার কাছে ছিল অনেকটাই স্বপ্নের মত কিন্তু আজ তা ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে জীবনের নিত্যসঙ্গী। অনলাইনে অর্ডার করে বাসার দরজা থেকেই হাতে পাওয়া যাবে না এমন পণ্য এখন খুজে পাওয়া দুষ্কর।

অনেকগুলো খাতের জন্য কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি বিপর্যয় বয়ে আনলেও ই-কমার্স খাতে তা খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। লকডাউনের বিধিনিষেধে অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকায় এবং সংক্রমণের ঝুকিতে মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পারায় জনজীবনে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছিলো, তার সমাধানে অনেকাংশেই সফল ছিলো ই-কমার্স খাত।

ফলে বিগত বছর গুলোর তুলনায় এ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল বিস্ময়কর। সেই সময় এই খাত সাফল্যের যে উর্ধ্বমুখী সূচকের দেখা পায়, তা এখনও বিরাজমান। গত বছর ই-কমার্স খাতে ব্যবসা বেড়েছে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ, যেখানে কোভিডের আগে এর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ছিল ২০-২৫ শতাংশ।

এই এক বছরেই এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। মহামারিতে অন্যান্য প্রায় সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রম মন্থরিত হয়ে পড়লে সঙ্কটকালীন এ সময়ে দেশের অর্থনীতির ভারসাম্য ধরে রাখতে মুখ্য ভুমিকা রেখেছে ই কমার্স।

বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, লকডাউনের কঠোরতা শেষেও একটি বড় অংশের ক্রেতাদের স্থায়ী ভাবে অনলাইন কেনাকাটায় অভ্যস্ত করে তুলতে ভালোভাবেই সফল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলো।

এই ক্রেতাদের ধরে রাখতে ও নতুন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে দরকার নিত্য নতুন বিপণন কৌশল। আর তাই পৃথিবীর সব বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর মত গ্রাহকের কাছে নিজেদের নতুনরূপে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করে ই কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোও।

একটি প্রতিষ্ঠানকে বাজারের শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিতে এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্ভাব্য ক্রেতা আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ব্র্যান্ডের পুনঃসংকলন। গ্রাহককে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করার অভিপ্রায় থেকেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। গ্রাহকের সুবিধা, সহজবোধ্যতা ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহকের মনে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় আরও দৃঢ় করতে সময়ের পরিক্রমায় বিশ্বের অনেক সফল নামী-দামী প্রতিষ্ঠান এই প্রক্রিয়াকে গ্রহণ করে নিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে অনেক বিখ্যাত ব্র্যান্ড নিজেদের নতুন করে আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছে এবং তারা এর মধ্য দিয়ে নিজেদেরকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ম্যাকডোনাল্ড নতুন প্যাকেজিং এর সাথে স্টোরগুলো পুনরায় ঢেলে সাজায় এতে করে তাদের শপগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

মাস্টারকার্ডের মতো সুপরিচিত ব্র্যান্ডও তাদের কাঙ্খিত ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে নতুন ওয়েবসাইট গ্রাফিক্স এবং নতুন লোগো তৈরি করে। মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম প্যান্ডোরা, সার্চ ইঞ্জিন মজিলা, ইন্সটাগ্রাম ও হাফিংটন পোস্টও ইতিবাচক ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে তাদের ব্র্যান্ড পুনঃনির্মাণ করেছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উন্নতির জন্য ব্র্যান্ডের রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা মাথায় রেখে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ তাদের ক্রেতা ও ভোক্তাসহ সকল অংশীজনদের কথা বিবেচনা করে নিজেদের রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই ক্রেতাদের উন্নতমানের সেবা প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সাথে ক্রেতাদের একটি হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

এই মার্কেটপ্লেস থেকে যারা একবার পণ্য ক্রয় করেন তারা নতুন পণ্য কেনার প্রয়োজন পড়লে এই মার্কেটপ্লেসেই ফিরে আসেন। তাই, ক্রেতাদের কেনাকাটা করার স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা দিতে ট্রান্সফরমেশনের নতুন উদ্যোগ নিয়েছে দারাজ। এ ট্রান্সফরমেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ই- কমার্স খাতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

;

বন্ধ হতে চলেছে ক্লাসিক ব্ল্যাকবেরি ফোন



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খুব শিগগিরই আপনি আপনার ড্রয়ারের কোনে পরে থাকা ব্ল্যাকবেরি ফোনটি ব্যবহার করতে পারবেন না।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) থেকে ব্ল্যাকবেরি লিমিটেড তার ব্ল্যাকবেরি 10, 7.1 ওএস এবং তার আগের ক্ল্যাসিক ডিভাইসগুলোর জন্য সফটওয়্যার সাপোর্ট বন্ধ করবে । তার মানে অ্যান্ড্রয়েড সফ্টওয়্যারে চলছে না এমন সমস্ত পুরনো ডিভাইসগুলো আর ডেটা ব্যবহার করতে, বার্তা পাঠাতে, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে বা কল করতে, এমনকি ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯১১-এও কল করতে পারবেন না। 

বেশিরভাগ মোবাইল ব্যবহারকারীরা এখন ব্ল্যাকবেরি থেকে সরে এসেছেন। ব্ল্যাকবেরি তাদের অপারেটিং সিস্টেমের শেষ আপডেট দিয়েছিল ২০১৩ সালে। ব্ল্যাকবেরি তাদের সিস্টেম আপডেট বন্ধ করে দেয়ার মাধ্যমে একসময়কার ব্লিডিং-এজ টেকনোলজির প্রতিনিধিত্বকারী যুগের অবসানের ইঙ্গিত দেয়। 

ব্ল্যাকবেরি লিমিটেড ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের যাত্রা শুরু করে। শুরুতে কোম্পানিটি সারা বিশ্বের সরকারি প্রতিষ্ঠানে ‘সুরক্ষা সফ্টওয়্যার’ সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদান করে। 

মূলত ২০১৬ সাল থেকে ব্ল্যাকবেরি ( বিবি ) বেশিরভাগই ফোন ব্যবসার বাইরে চলে গেছে, কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এটি একটি 5G ব্ল্যাকবেরি ডিভাইসের জন্য TCL এবং সম্প্রতি OnwardMobility, একটি অস্টিন, টেক্সাস-ভিত্তিক নিরাপত্তা স্টার্টআপসহ ফোন নির্মাতাদের কাছে তার ব্র্যান্ডের লাইসেন্স অব্যাহত রেখেছে। অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারে চলছে। (ব্ল্যাকবেরির অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলো তাদের সফটওয়্যার আপডেট বন্ধের আওতায় পড়বে না)

১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ২০০০ সালের গোড়ার দিকে ব্ল্যাকবেরি ফিজিক্যাল কিবোর্ডের কারণে এততাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে সেগুলোর ডাকনাম দেয়া হয়েছিল ‘ক্র্যাকবেরিস’।

ব্ল্যাকবেরি ডিভাইসগুলো ওয়াল স্ট্রিটের লোকেদের জন্য একটি স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে উঠেছিল। কিম কার্দাশিয়ানের মতো সেলিব্রিটি এবং এমনকি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এই ডিভাইস ব্যবহার করতেন। ডিভাইসটি সত্যিই নিরাপত্তার জন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য ছিল। ২০১২ সালে যখন তারা শীর্ষে ছিল তখন ব্ল্যাকবেরির ৮০ মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ছিল।

;

অবাঞ্ছিত মেইল ডিলিট হবে নিজে নিজেই



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবাঞ্ছিত মেইলে ভরে গিয়েছে ইনবক্স, ডিলিট করারও সময় হচ্ছে না। সমস্যা নেই কষ্ট করে আর একটা একটা করে মেইল ডিলিট করতে হবে না। ফিল্টার করে মেসেজ ডিলিট করতে পারবেন মাত্র কয়েক মুহূর্তেই। 

জিমেইল (Gmail) তাদের প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে বিনামূল্যে ১৫জিবি করে ফ্রি ক্লাউড স্পেস দেয়। এই স্পেসের চেয়ে বেশি স্পেস প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারীকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে তা কিনতে হবে। কিন্তু সাধারণত ১৫জিবি ক্লাউড স্পেস একজন ব্যবহারকারীর জন্য যথেষ্ট। কিন্তু অনেকের প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রয়োজনীয় মেইল জমতে থাকায় সেই স্টোরেজ শেষ হয়ে যায়। যা ডিলিট করে পুনরায় ফ্রি স্পেস তৈরি করতে হয়।

যদি সঠিক ভাবে ক্লাউড স্টোরেজ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তাহলে প্রায় ১৩ হাজার মেইল রাখা সম্ভব ইনবক্সে। গুগলেই (Google) আছে বিশেষ ফিচার যার মাধ্যমে আপনার ইনবক্সের অবাঞ্চিত মেইল ডিলিট হবে নিজে নিজেই।

অটো ডিলিট অপশন চালু করবেন যেভাবে-
১. প্রথমে ল্যাপটপ বা মোবাইল থেকে জিমেইল (Gmail) ওপেন করুন।

২. সার্চ বারে একটি ফিল্টার আইকন দেখতে পাবেন। যদি আপনি সার্চ বারে ফিল্টার আইকন না দেখতে পান তাহলে ম্যানুয়ালি সার্চ করুন।

৩. প্রথমে সেটিংসে গিয়ে ফিল্টার অ্যান্ড ব্লকড অ্যাড্রেস-এ ক্লিক করুন। এরপর Create A New Filter এ ক্লিক করুন।

৪. এরপর ওই ফিল্টার অপশনে গিয়ে একদম উপরে লিখুন কোন কোন মেইল অপ্রয়োজনীয়। তার ডোমেইন নাম লিখুন। যেমন Daraz, Netflix বা অন্য কোনও সংস্থার ডোমেইন নেম। এরপর তা সেভ করুন।
পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে ক্রিয়েট ফিল্টার অপশনে ক্লিক করুন এবং Delet it অপশনে ক্লিক করুন।

;