মোটরসাইকেলের চুরি ঠেকাবে সিকিউরিটি ডিভাইস



টেক ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ট্যাসলক কার্বন এডিশন, ছবি: সংগৃহীত

ট্যাসলক কার্বন এডিশন, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মোটরসাইকেলের নিরাপত্তায় সাধারণত তালা ব্যবহার করা হয়। সময়ের সঙ্গে এসেছে ডিজিটাল লক সিকিউরিটি ডিভাইস। সম্প্রতি মোটরসাইকেলের চুরি ঠেকাতে বাজারে এসেছে সিকিউরিটি ডিভাইস ট্যাসলক কার্বন এডিশনের চতুর্থ ভার্সন।

এ এডিশনে মোটরসাইকেল লক করার জন্য আলাদা কোন সুইচ চাপতে হয় না। চাবি বন্ধ করে তিন সেকেন্ড পার হলে মোটরসাইকেল স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যায়। রিমোটসহ কার্বন এডিশনযুক্ত বাইকটির কাছে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক খুলে যাবে। এছাড়াও রিমোট ডিভাইসটির মাধ্যমে ম্যানুয়াল লক করার অপশন রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাদভী রেজা বলেন, কোনভাবেই এই ডিভাইস হ্যাক করা সম্ভব নয়। বাইকের কোন সংযোগ না কেটে এই লকটি ইন্সটল করা যায়। ২০ তলা বা সোজাসুজি দূরত্বে প্রায় ৩০০-৫০০ মিটার দূর থেকেও এই রিমোট ডিভাইসটি দিয়ে মোটরসাইকেল লক বা আনলক করা যায়। এমনকি  চাবি ছাড়া কার্বন এডিশনের রিমোট দিয়ে মোটর বাইক চালানো যায়। এছাড়াও এই ডিভাইসটিতে ৩৭টি ফিচার রয়েছে।

ট্যাসলক কার্বন এডিশনের প্যাকেজে দুইটি রিমোট রয়েছে। একটি রিমোট সেন্সর হিসেবে কাজ করলেও অন্যটি শুধুমাত্র ব্যাকআপ রিমোট। এই সিকিউরিটি ডিভাইস থাকলে বাইক ডাকাত বা ছিনতাইকারীর হাতে পড়লেও হারানোর ভয় নেই। অনাকাঙ্ক্ষিত কোন স্পর্শ এলে অ্যালার্ম এবং ভাইব্রেশনের মাধ্যমে জানা যাবে বলেও জানান তিনি। 

ট্যাসলক কার্বন এডিশনের মূল্য ২৯৯৯ টাকা। ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাসহ ডিভাইসটি সারা দেশে ট্যাসলকের ডিলারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে। ট্যাসলক ডিভাইস হোম ডেলিভারি নেয়ার অপশনও রয়েছে।

অনলাইন আয়ের নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখতে যাচ্ছে আউটসোর্সিং বা অনলাইন আয়। ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে টাকা উপার্জন করাই হচ্ছে আউটসোর্সিং। অনলাইনে আয় করতে তেমন কিছুই লাগেনা, লাগে শুধু ধৈর্য আর ইচ্ছা। বর্তমান সময়ে অনলাইন আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব। শুধু সহজ বা জনপ্রিয়ই নয়, ইউটিউব অনলাইন আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।

ইউটিউব হচ্ছে বর্তমান সময়ের ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান গুগলের মালিকানাধীন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। গুগলের মালিকানাধীন হলেও সাধারণ ইউজারই এখানে ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করে থাকে। বর্তমানে ইউটিউবে কি পরিমাণ ও কত ক্যাটাগরির ভিডিও রয়েছে তা বলা বেশ মুশকিল। যেখানে ২০১৯ সালের মে মাসের হিসাব অনুযায়ী প্রতি মিনিটে ৫০০ ঘণ্টারও বেশি ভিডিও কন্টেন আপলোড করা হয়ে থাকে তার পরিমাণ কিভাবে বলা যায়।

বর্তমান সময়ে ইউটিউবে দুই ধরনের ইউজার রয়েছে। প্রথমটা হচ্ছে সাধারণ ইউজার, দ্বিতীয়টা প্রিমিয়ার বা টাকা দিয়ে ভিডিও দেখা। সাধারণ ইউজাররা ভিডিও দেখার সময় এ্যাড বা বিজ্ঞাপন দেখানো হয় কিন্তু প্রিমিয়ার ইউজারের ক্ষেত্রে কোনো এ্যাড বা বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয় না। যে ধরনের ইউজারই হোক না কেন এই প্ল্যাটফর্মে ভিডিও দেখলে কন্টেন্ট তৈরির জন্য একটা অর্থ পেয়ে থাকেন। তবে তার জন্য কন্টেন্ট ক্রেটারকে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, যা খুবই সহজ।

শুধু বিজ্ঞাপন বা প্রিমিয়ার ইউজার দিয়েই নয়, ইউটিউব থেকে ইনকাম করার আরও অনেক গুলো উপায় রয়েছে। উপায় যেটাই হোক, ইউটিউব থেকে যে বিশাল অংকের টাকা ইনকাম করা যায় বা অনেকেই করছে এটা কিন্তু প্রমানিত। চলুন জেনে আসি বাংলাদেশী কিছু জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলের ইনকাম সম্পর্কে।

জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ট্র্যাকার আমেরিকান ওয়েবসাইট ‘সোশাল ব্লেড’ এর তথ্য অনুযায়ী শুধু ভিডিও মনিটাইজ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিক্ষামূলক ইউটিউব চ্যানেল ‘১০ মিনিট স্কুল’ এর আনুমানিক মাসিক উপার্জন ৯০০ থেকে ১৫ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশী টাকায় বর্তমান সময়ে দাড়ায় ৮০ হাজার থেকে ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানে থাকা ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদির আনুমানিক মাসিক উপার্জন ৯০০ থেকে ১৪ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশী টাকায় ৮০ হাজার থেকে ১২ লাখ টাকা। এছাড়ও যাকে বাংলাদেশের প্রথম ইউটিউবার বলা হয়। সেই সালমান মুক্তাদিরের ‘সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ’, ফ্রিল্যান্সার নাসিম, সোহাগ ৩৬০ সহ অন্যান্য জনপ্রিয় চ্যানেলের কথা নাই বললাম।

আপনি যদি চান ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আগে আপনাকে জানতে হবে ইউটিউব থেকে কি কি উপয়ে ইনকাম করা যায়। ইউটিউব থেকে ইনকাম করা খুব বেশি কঠিন কাজ নয় আবার খুব সহজও নয়। ইচ্ছামত ভিডিও আপলোড দিলেই যে ইনকাম হবে বিষয়টা এমন নয় তবে ধৈর্য আর ইচ্ছা থাকলে আপনি পারবেন।

;

মাইক্রোসফটের এক ঘোষণায় সনির রেকর্ড দরপতন



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন বছরের শুরুতেই বিশাল ক্ষতির মুখ দেখলো জাপানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সনি। বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের এক ঘোষণায় সনির শেয়ারের দাম কমেছে ১৩ শতাংশ।

সনির প্লেস্টেশন প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক্রোসফটের গেম কোম্পানি অ্যাকশন ব্লিজার্ড কেনার জন্য ছয় হাজার ৮৭০ কোটি ডলারের চুক্তি ঘোষণা করে। এর পরপরই সনির শেয়ারের দাম টোকিও ট্রেডে হু হু করে কমতে শুরু করেছে। ২০০৮ সালে অক্টোবরের পর এটাই তাদের সবচেয়ে বড় পতন বলে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

জানা গেছে, অ্যাক্টিভিশন ব্লিজার্ডের ওয়ারক্রাফ্ট, ওভারওয়াচ, কল অব ডিউটির মতো জনপ্রিয় গেম থাকায় সনির প্লেস্টেশনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে মাইক্রোসফটের এক্সবক্স গেমিং। যার কারণেই সনির বাজার মূল্য একদিনে দুই হাজার কোটি ডলার কমেছে।

সনির ৩০ শতাংশ আয় আসে গেমস ও নেটওয়ার্ক পরিষেবা থেকে। বুধবার মাইক্রোসফট জানায়, আড়াই কোটির বেশি গেম পাস গ্রাহক রয়েছে তাদের। নতুন চুক্তির ফলে ব্লিজার্ডের জনপ্রিয় গেমগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করতে পারবে। বর্তমানে গেমের বাজারে সনির একচেটিয়া দখল রয়েছে। তবে এবার কোম্পানিটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে মাইক্রোসফট।

;

‘যুক্তরাষ্ট্রের কথা অনুযায়ী হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করে যুক্তরাজ্য’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হুয়াওয়ের ফাইভজি সরঞ্জাম এবং সেবা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত ‘জাতীয় সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়,’ বরং এর পেছনে আমেরিকার চাপ দায়ী বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন ব্যবসা ও শিল্পমন্ত্রী।

পাঁচ বছর ধরে ডেভিড ক্যামেরনের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের ব্যবসা ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভিন্স কেবল সোমবার এক অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতায় বলেন যে, চীনা প্রযুক্তি জায়ান্টের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ‘কারণ আমেরিকানরা আমাদের বলেছিলো আমাদের এটি করা উচিত।’

২০২০ সালের জুলাইয়ে বরিস জনসন সরকার ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) এর দেওয়া নতুন পরামর্শের উদ্ধৃতি দিয়ে ঘোষণা করেন যে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হুয়াওয়ের পণ্য যুক্তরাজ্যের ফাইভজি নেটওয়ার্ক থেকে সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে দেওয়া হবে।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বা পররাষ্ট্র নীতির স্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে কাজ করছে, এমন ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং এর কয়েক মাস পরে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়েকে মাইক্রোচিপের মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ক্রয়ে বাঁধা দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে বাধ্য করে।

যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ কর্মকর্তার চেয়ে চীনের প্রতি অধিক সহানুভূতিশীল বলে পরিচিত কেবল আরও জানিয়েছেন যে, মন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদকালে গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা সেবাদাতারা বারবার আশ্বাস দিয়েছিলো যে হুয়াওয়ের সেবা ব্যবহার করে কোনোরূপ ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

কেবল বলেন, “ব্রিটেন যদি ফাইভজি’র এ সুবিধা গ্রহণ করতো, তাহলে আমরা এখন সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে থাকতাম। কিন্তু এখন আমরা সে অবস্থানে নেই।”

;

ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে ব্র্যান্ড ট্রান্সফরমেশন কেনো গুরুত্বপূর্ণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত দুই যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব বিকাশে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যে অনন্য পরিবর্তন এসেছে তা যে কোনও কল্পকাহিনীকেও হার মানায়। চলাচল কিংবা যোগাযোগ থেকে শুরু করে কেনাকাটা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই এখন প্রযুক্তির জয়জয়কার। মাত্র কয়েক বছর আগেও ঘরে বসে কেনাকাটা করার ব্যাপারটি সবার কাছে ছিল অনেকটাই স্বপ্নের মত কিন্তু আজ তা ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে জীবনের নিত্যসঙ্গী। অনলাইনে অর্ডার করে বাসার দরজা থেকেই হাতে পাওয়া যাবে না এমন পণ্য এখন খুজে পাওয়া দুষ্কর।

অনেকগুলো খাতের জন্য কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি বিপর্যয় বয়ে আনলেও ই-কমার্স খাতে তা খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। লকডাউনের বিধিনিষেধে অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকায় এবং সংক্রমণের ঝুকিতে মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পারায় জনজীবনে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছিলো, তার সমাধানে অনেকাংশেই সফল ছিলো ই-কমার্স খাত।

ফলে বিগত বছর গুলোর তুলনায় এ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল বিস্ময়কর। সেই সময় এই খাত সাফল্যের যে উর্ধ্বমুখী সূচকের দেখা পায়, তা এখনও বিরাজমান। গত বছর ই-কমার্স খাতে ব্যবসা বেড়েছে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ, যেখানে কোভিডের আগে এর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ছিল ২০-২৫ শতাংশ।

এই এক বছরেই এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। মহামারিতে অন্যান্য প্রায় সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রম মন্থরিত হয়ে পড়লে সঙ্কটকালীন এ সময়ে দেশের অর্থনীতির ভারসাম্য ধরে রাখতে মুখ্য ভুমিকা রেখেছে ই কমার্স।

বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, লকডাউনের কঠোরতা শেষেও একটি বড় অংশের ক্রেতাদের স্থায়ী ভাবে অনলাইন কেনাকাটায় অভ্যস্ত করে তুলতে ভালোভাবেই সফল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলো।

এই ক্রেতাদের ধরে রাখতে ও নতুন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে দরকার নিত্য নতুন বিপণন কৌশল। আর তাই পৃথিবীর সব বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর মত গ্রাহকের কাছে নিজেদের নতুনরূপে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করে ই কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোও।

একটি প্রতিষ্ঠানকে বাজারের শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিতে এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্ভাব্য ক্রেতা আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ব্র্যান্ডের পুনঃসংকলন। গ্রাহককে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করার অভিপ্রায় থেকেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। গ্রাহকের সুবিধা, সহজবোধ্যতা ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহকের মনে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় আরও দৃঢ় করতে সময়ের পরিক্রমায় বিশ্বের অনেক সফল নামী-দামী প্রতিষ্ঠান এই প্রক্রিয়াকে গ্রহণ করে নিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে অনেক বিখ্যাত ব্র্যান্ড নিজেদের নতুন করে আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছে এবং তারা এর মধ্য দিয়ে নিজেদেরকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ম্যাকডোনাল্ড নতুন প্যাকেজিং এর সাথে স্টোরগুলো পুনরায় ঢেলে সাজায় এতে করে তাদের শপগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

মাস্টারকার্ডের মতো সুপরিচিত ব্র্যান্ডও তাদের কাঙ্খিত ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে নতুন ওয়েবসাইট গ্রাফিক্স এবং নতুন লোগো তৈরি করে। মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম প্যান্ডোরা, সার্চ ইঞ্জিন মজিলা, ইন্সটাগ্রাম ও হাফিংটন পোস্টও ইতিবাচক ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে তাদের ব্র্যান্ড পুনঃনির্মাণ করেছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উন্নতির জন্য ব্র্যান্ডের রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা মাথায় রেখে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ তাদের ক্রেতা ও ভোক্তাসহ সকল অংশীজনদের কথা বিবেচনা করে নিজেদের রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই ক্রেতাদের উন্নতমানের সেবা প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সাথে ক্রেতাদের একটি হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

এই মার্কেটপ্লেস থেকে যারা একবার পণ্য ক্রয় করেন তারা নতুন পণ্য কেনার প্রয়োজন পড়লে এই মার্কেটপ্লেসেই ফিরে আসেন। তাই, ক্রেতাদের কেনাকাটা করার স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা দিতে ট্রান্সফরমেশনের নতুন উদ্যোগ নিয়েছে দারাজ। এ ট্রান্সফরমেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ই- কমার্স খাতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

;