দিনাজপুর ম্যারাথনে নবম হাবিপ্রবির বিদেশি শিক্ষার্থী তেজেন্দ্র ভূষাল  



হাবিপ্রকব করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

নাগরিক উদ্যোগের আয়োজনে এবং আব্দুর রউফ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় দিনাজপুর ম্যারাথনে নবম স্থান অধিকার করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( হাবিপ্রবি) বিদেশি শিক্ষার্থী তেজেন্দ্র ভূষাল ( নেপাল ) । তিনি হাবিপ্রবির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ( ১৮ ব্যাচ) ।

শুক্রবার ( ২৬ নভেম্বর ) দিনাজপুর ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় ১৭৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। উক্ত প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রানালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল।


দিনাজপুর ম্যারাথনে নবম স্থান অধিকার করায় বিদেশি শিক্ষার্থী তেজেন্দ্র ভূষাল বলেন, ‘ আমি গত তিন বছর থেকে বডি বিল্ডিং করছিলাম। কয়েক মাস আগে সকালে দৌঁড়ানোর সময় আমি অনুভব করেছি যে, আমাকে ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে হবে। ইতিপূর্বে আমি ২১ কি.মি ট্রায়াল দিয়েছিলাম যা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তারপরে আমি দিনাজপুর ম্যারাথনের জন্য নিবন্ধন করি। ফিনিশিং মার্ক শেষ করতে আমার মাত্র ৮৮ মিনিট সময় লেগেছে। এই অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ এবং দুর্দান্ত। আমি হাবিপ্রবির হয়ে পদক জেতায় সত্যিই গর্বিত। সেই সাথে আমার প্রিয় বন্ধুদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা আমাকে সাহস জুগিয়েছে ’।

এদিকে হাবিপ্রবির হতে দিনাজপুর ম্যারাথনে অংশ নেয় ২২ জন প্রতিযোগী। সকাল পোনে ৭ টায় দিনাজপুর ইনস্টিটিউট থেকে প্রতিযোগীতাটি শুরু হয়ে দিনাজপুর কান্তজীউ মন্দিরে গিয়ে শেষ হয় সকাল পোনে ১০ টায়। নির্ধারিত তিন ঘন্টার মধ্যে ম্যারাথন দৌঁড় সম্পন্ন করায় হাবিপ্রবির অন্যান্য প্রতিযোগীরাও পেয়েছেন মেডেল ও সার্টিফিকেট।

উল্লেখ্য যে, নির্ধারিত সময়ের মাঝে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৩২ জন প্রতিযোগী!

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাবি প্রশাসনের মামলা



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাত অন্তত ৪০০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন।

বুধবার (২৫ মে) সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী।

এর আগে দুটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনার পর গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী এস্টেট ম্যানেজার মো. আলী আশ্রাফ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২ জনকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

প্রক্টর গোলাম রব্বানী বলেন, অজ্ঞাত ৩০০-৪০০ জনকে আসামি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস থেকে গতকাল মামলা করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের ৩৫ জন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন হচ্ছিল। এ সময় একদল দুষ্কৃতকারী লাঠি, রড ও নানা ধরনের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের বহির্বিভাগের সামনে এক জোট হয়ে নির্বাচন বানচাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করতে অপতৎপরতা শুরু করে। বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানালে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখান থেকে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুনরায় শিক্ষা ভবনের সামনের দিক থেকে ৩০০-৪০০ জন দুষ্কৃতকারী কার্জন হলের গেট দিয়ে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় গেটের নিরাপত্তা প্রহরী কামাল হোসেন তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার মাথায় লাঠি ও রড দিয়ে আঘাত করতে গেলে তিনি হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার হাত জখম হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বহনে ব্যবহার করা দুটি বিআরটিসি বাস ভাঙচুর করে জাতীয় সম্পদ নষ্ট করা হয়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মওদূত হাওলাদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তবে তাদের সবাই অজ্ঞাতনামা। আমরা শিগগিরই তদন্ত শুরু করবো। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ মামলায় আটক ২ জনকে কোর্টে চালান করেছি।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, সংঘর্ষে যারা জড়িত ছিলো ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে। ‘হামলাকারীদের মধ্যে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাদের বিরুদ্ধে আমরা একাডেমিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

;

স্টামফোর্ডে সপ্তাহব্যাপী 'ভর্তি মেলা'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্টামফোর্ডে সপ্তাহব্যাপী 'ভর্তি মেলা'

স্টামফোর্ডে সপ্তাহব্যাপী 'ভর্তি মেলা'

  • Font increase
  • Font Decrease

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে স্প্রিং-২০২২ সেমিস্টার উপলক্ষে শুরু হয়েছে ভর্তি মেলা। বুধবার (২৫ মে) সকালে ইউনিভার্সিটির সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে মেলার উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো: ইউনুছ মিয়া।

বুধবার (২৫ মে) থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। 'এডমিশন ফেয়ারে' ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড়। ভর্তি ফিতে ৫০% ছাড় ও টিউশন ফিতে ২৫% ছাড়।

এছাড়াও রয়েছে ভর্তি ফরম ফ্রি ও আকর্ষণীয় উপহার। স্টামফোর্ডে মোট ১৪টি বিভাগের অধীনে ২৮টি প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম চলছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো: ইউনুছ মিয়া বলেন, 'ঐতিহ্যবাহী এ ইউনিভার্সিটির ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীকে আহবান জানাচ্ছি।

বেসরকারির মধ্যে এটি একটি পুরানো ইউনিভার্সিটি । ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চায় এই ইউনিভার্সিটি সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০২ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে অদ্যবধি সুনামের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. ফারাহনাজ ফিরোজ ও রুমানা হক রিতাসহ ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হাসান, রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আব্দুল মতিন, বিভিন্ন অনুষদের ডীন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

;

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবির ১২৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

  • Font increase
  • Font Decrease

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও দোয়াসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন হয়েছে। জন্মবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বিদ্রোহীর শতবর্ষ’।

বুধবার (২৫ মে) ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা নিয়ে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কবির সমাধি প্রাঙ্গণে এক স্মরণ সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে একই বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামাল মূল বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. দেবপ্রসাদ দাঁ-এর নেতৃত্বে বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, বাংলা ১৩০৬ সনের ১১ জ্যৈষ্ঠ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে তিনি জন্মেছিলেন।

;

সালাম না দেওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মাস্টার দা সূর্য সেন হল

মাস্টার দা সূর্য সেন হল

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইন ক্লাস চলাকালীন সালাম না দেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরেুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী কানে শুনছেন না। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদুল হক সাঈদি হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী মানিকুর রহমান মানিক ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সে হল ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিয়াম রহমানের অনুসারী। সিয়াম রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ মে) রাত ১১টার পর সূর্য সেন হলের ২৪৯ নম্বর কক্ষে অনলাইনে ক্লাস করছিলেন সাঈদি। এ সময় মানিক ও তার কয়েকজন সহযোগী ২৪৯ নম্বর কক্ষে যায়। এ সময় সাঈদি সালাম না দেওয়ায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দেয় মানিক । এরপর সাঈদিকে নিজের রুমে ডাকেন মানিক। সেখানে যাওয়ার পর তাকে গালে এবং কানে চড় মারেন মানিক। এরপর এলোপাতাড়িভাবে তাকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন মানিক। কানে চড় মারার কারণে সাঈদি এখন কানে শুনতে পাচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে জানতে অভিযুক্ত মানিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মাস্টার দা সূর্য সেন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক সিয়াম রহমান বলেন, তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে ঝামেলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তেমন বড় কোনো ঘটনা না। কেউ হয়ত বাড়িয়ে বলছে। আজ দুইজনের সাথে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করে দেব। আমাদের হলে কেউ কাউকে নির্যাতনের কোনো সুযোগ নেই।

সার্বিক বিষয়ে জানতে মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন। অধ্যাপক মোবারক জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।

;