গুচ্ছ কৃষি ভর্তিতে প্রক্সি দেওয়া সেই যুবক বুয়েট শিক্ষার্থী



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সমন্বিত ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ কৃষি ভর্তি পরীক্ষায় গত শনিবার (২৭ নভেম্বর) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) কেন্দ্রে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে আটক হয় এক যুবক।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার মিথ্যা পরিচয় দিলেও পুলিশি জেরায় বেরিয়ে এসেছে মূল পরিচয়। আটককৃত সেই যুবকের নাম আরমান সাইদ। সে বুয়েটের বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, গত শনিবার (২৭ নভেম্বর) শেকৃবির শেখ কামাল অনুষদ ভবনের ৯০১ নম্বর কক্ষে প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ার সময় দায়িত্বরত শিক্ষক দ্বারা ছবির সাথে চেহারা শনাক্ত না হওয়ায় আটক হন সেই শিক্ষার্থী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় সোপর্দ করলে পুলিশি জেরায় তার আসল পরিচয় পাওয়া যায়।

সে পুলিশের কাছে আরমান সাইদ ও বুয়েটের বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেয়। সে বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলের ২০৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র। তার বাড়ি নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানার খোর্দ্দ নারায়নপুর গ্রামে। তার পিতার নাম ফারুক হোসেন এবং মাতার নাম আরজু আরা।

পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া মূল পরীক্ষার্থীর নাম তানভীর হাসান। তার বাড়ি রংপুর সদর উপজেলায়। পিতার নাম মাহাবুর আলম ও মাতার নাম লিপি আক্তার। সে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র ছিল।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রধান জাবের আলী বাদি হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

 

আন্দোলনে টাকা দেওয়ায় শাবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থী গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ‘টাকা দেওয়ায়’ বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার নিশারুল আরিফ জানান, পাঁচ শিক্ষার্থীকে সিলেটের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান স্বপন এবং স্থাপত্য বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেজা নূর মুঈন দীপ ও নাজমুস সাকিব দ্বীপ এবং এ কে এম মারুফ হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ।

কমিশনার নিশারুল আরিফ বলেন, এদেরকে শাবিপ্রবি উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অর্থ যোগান দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব অর্থ যোগান তারা কিসের ভিত্তিতে দিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এর আগে, আটকের বিষয়ে রেজা নূর মুঈনের স্ত্রী জাকোয়ান সালওয়া তাকরিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রেজা সন্ধ্যায় উত্তরা অ্যাগোরার কাছে কেনাকাটার জন্য গিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে সিআইডির সাইবার ক্রাইম ইউনিট তুলে নেয়। পরে তারা রেজার গাড়ি ফেরত দিতে বাসায় আসে এবং জানায় যে রেজাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যারা বাসায় এসেছিল তাদের গাড়িতে সিআইডির স্টিকার লাগানো ছিল বলে জানান রেজার স্ত্রী। তিনি নিজেও শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং কিছু অর্থ সহযোগিতা করেছি।

তবে, এবিষয়ে সিআইডির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, কাউকে গ্রেফতার কিংবা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসার বিষয়ে তথ্য তাদের জানা নেই।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

;

ভিসির বাস ভবনে শিক্ষক সমিতির প্রবেশের চেষ্টা, শিক্ষার্থীদের বাধা



শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ভিসির বাস ভবনে শিক্ষক সমিতির প্রবেশের চেষ্টা, শিক্ষার্থীদের বাধা

ভিসির বাস ভবনে শিক্ষক সমিতির প্রবেশের চেষ্টা, শিক্ষার্থীদের বাধা

  • Font increase
  • Font Decrease

ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। রোববার থেকে পুলিশ ও সাংবাদিক বাদে অন্যদের ভিসি ভবনে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ফলে অবরুদ্ধ ভিসির সাথে অনেক চেষ্টা করেও দেখা করতে পারে নি কেউ।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসি কুমার দাশ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মুহিবুল আলমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার দুপুর ১টায় ভিসির বাস ভবনের প্রধান ফটকে আসেন এবং ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাতে বাধা প্রদান করে। শিক্ষকরা আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য আহবান জানান কিন্তু শিক্ষার্থীরা পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকায় শিক্ষকরা ফিরে যান।

এ সময় শিক্ষকরা কিছু খাবার নিয়ে আসলে শিক্ষার্থীরা বলেন, খাবার বা অন্যান্য জিনিসপত্র নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে দেওয়া যাবে কিন্তু শিক্ষক কেউ যেতে পারেন না। পরবর্তীতে খাবারের প্যাকেট যাচাই করে নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে ভেতরে পাঠানো হয়। 

এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সিলেট-২ আসনের সাংসদ ও গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুরাইয়া বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী অনশনরত শিক্ষার্থীদের দেখতে আসেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমি শিক্ষার্থীদের দেখতে এসেছি। তাদের দুরাবস্থা ও দাবিগুলো আমি সংসদে তুলে ধরবো। সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের পক্ষ থেকে আমি এখানে এসেছি। শিক্ষার্থীদেরকে ড. কামাল হোসেনের সাথে মোবাইলে কথা বলার জন্য বলেন কিন্তু শিক্ষার্থীরা তার সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে কামাল হোসেন  গণমাধ্যমে মোবাইলে কথা বলেন।

এদিকে গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া আমরণ অনশনের আজকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১৪৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোনো সমাধান না আসায় অনশনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ জন অনশনরতদের মধ্যে ১৯ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং ৯ জন ক্যাম্পাসে অনশন করছে।

;

শাবিপ্রবি অনশনরতদের মেডিকেল সাপোর্ট বন্ধের অভিযোগ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অনশনরত শিক্ষার্থীদের মেডিকেল সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ভোররাত আড়াইটার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানানো হয়।

আন্দোলনকারীদের এক মুখপাত্র চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলেন, অনশনরত শিক্ষার্থীদের সবার অবস্থার অবনতি হচ্ছে এবং তারা ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। তারা সবাই খিঁচুনি, ব্লাডে অক্সিজেন ও সুগার লেভেল কমে যাওয়া, ব্লাড প্রেশারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় পড়ছেন। তারা অর্গান ড্যামেজের ঝুঁকিতে আছেন।

তিনি আরও বলেন, অনশনকারীদের মেডিকেল রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে সিনিয়র চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, অনশন দীর্ঘায়িত হলে যেকোনো মুহূর্তে হার্ট ফেইলিওরসহ কোমায় চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এরআগে, সোমবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করে বলেন, তাদের আর্থিক সহায়তা আসা ৬টি একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যলয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ, নগদ ও রকেটের মোট ৬টি একাউন্টের মাধ্যমে সহায়তার অর্থ পাঠান। এসব অর্থ দিয়ে প্রায় ৩ হাজার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর খাবার ও আনুসাঙ্গিক খরচ চলে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু'জন শিক্ষার্থী জানান, প্রতিদিন একাউন্টগুলোতে লাখ দুয়েক টাকার মতো আসতো। তবে আজ থেকে এ একাউন্টগুলোতে আমরা কোনো লেনদেন করতে পারছি না। ব্যাংক একাউন্টসহ সবগুলো একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একাউন্ট বন্ধ করার ব্যাপারে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। আমার স্থানীয়ভাবে বিকাশ অফিসে যোগাযোগ করেও কোনো সদুত্তর পাইনি।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে গত বুধবার দুপুর আড়াইটা থেকে আমরণ অনশনে বসেন শাবিপ্রবির ২৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে একজনের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি অনশন শুরুর পরের দিনই বাড়ি চলে যান। শনিবার রাতে গণঅনশনের অংশ হিসেবে নতুন করে যোগ দেন আরও ৪ জন। সবমিলে এখন অনশনে আছেন ২৮ জন।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

;

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিচালিত সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত এসব পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

পরীক্ষাগুলো হলো- সিএসই, এইচএসসি (নিশ-২), এমবিএ এবং আগামী ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি ২০২২ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি (নিশ-১), এইচএসসি (নিশ-১), বিএ, বিএসএস এবং ল (অনার্স), বিবিএ, এমএ অ্যান্ড এমএসএস (প্রিলিমিনারি অ্যান্ড ফাইনাল) পরীক্ষাসহ চলমান সব পরীক্ষা।

সোমবার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. আ ফ ম মেজবাহ উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

;