সমালোচনার মুখে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতাকারীর নামে ট্রাস্ট ফান্ড বাতিল



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সমালোচনার মুখে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতাকারীর নামে ট্রাস্ট ফান্ড বাতিল

সমালোচনার মুখে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতাকারীর নামে ট্রাস্ট ফান্ড বাতিল

  • Font increase
  • Font Decrease

 

সমালোচনার মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের জন্য সাপ্তাহিক ‘হলিডে’র প্রয়াত সাংবাদিক এ জেড এম এনায়েতুল্লাহ্ খানের নামে সম্প্রতি গঠিত ট্রাস্ট ফান্ড বাতিল করা হয়েছে।

ঢাবি প্রো-ভিসি (প্রশাসন) ডক্টর মোহাম্মদ সামাদ বলেন, এনায়েতুল্লাহ খান সম্পাদিত ইংরেজি সাপ্তাহিক ‘হলিডে’তে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকা-ের পর নিয়াজ জামানের লেখা “দি মেজরস কিলড দি সার্পেন্ট এন্ড মোস্ট অব ইটস এগস একসেপ্ট দি ডটারস হু ওয়্যার এব্রোড” শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, আমি বিস্মিত ও মর্মাহত যে, ওই সাংবাদিকের নামে স্বাধীনতার জন্মস্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমে বলেন ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এ ট্রাস্ট ফান্ডের আর কোন কার্যকারিতা এবং গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। কারণ তথ্য বিকৃত করেছেন এবং বিভিন্নভাবে বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করেছেন এমন ব্যক্তির নামে ট্রাস্ট ফান্ড পরিচালনা করা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদর্শ ও মূল্যবোধের সাথে যায় না।

এর আগে এজেডএম এনায়েতুল্লাাহ খানের কন্যা নাসরীন জামান ১০ মে উপাচার্যের লাউঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদের কাছে ‘এনায়েতুল্লাহ খান স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠনের জন্য ২৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। ঢাবি ভিসি ড. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি ছিলেন।

এসময় রাশেদ খান মেনন, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জিয়া রহমান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল মনসুর আহমেদ এবং দাতা পরিবারের সদস্য আবু সালেহ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষণার পরও ফি আদায়, সমন্বয় করার আশ্বাস উপাচার্যের



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম। গেল বছরের ৫ অক্টোবর খুলে বিশ্ববিদ্যালয়। এ সময় বন্ধ ছিল শিক্ষার্থীদের বহনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ও আবাসিক হল। বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষার্থীরা পরিবহন সেবা ও আবাসন সুবিধা না নেওয়ার পরেও এসবের ফি দিতে বাধ্য করা হয় শিক্ষার্থীদের।

মওকুফের ঘোষণা দিয়ে কর্তৃপক্ষ ১ জুলাই বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে। এতো কিছুর পরও বিভাগ ও ইন্সটিটিউটগুলো আবাসান ও পরিবহন ফি আদায় করছে।

জানা যায়, পরিবহন ফি ১০৮০ টাকা নেওয়ার পাশাপাশি হল ভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত আবাসন ফি নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক দফতর সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীপ্রতি পরিবহন ফি ১ হাজার ৮০ টাকা এবং আবাসন ফি হলভেদে ৩০০-৬০০ টাকা। এসব ফি আদায় হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় দাঁড়াত ৪ কোটি ২৪ লাখ ৪৪ হাজার ৮৮ টাকা। যার মধ্যে পরিবহন ফি ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং সিট ভাড়া ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৮৮ টাকা। উপাচার্যের নির্দেশে এ অর্থ মওকুফ করা হয়। যারা ফি পরিশোধ করেছেন, পরেরবার ভর্তির সময় তাদের এ টাকা সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছিল হিসাব পরিচালক দফতর।

নানা জটিলতার কারণে এ টাকা সমন্বয় করতে বিলম্ব হচ্ছে বলে স্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভাগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে এ টাকা পোঁছে দেওয়া হবে। এই সংক্রান্ত একটি ফাইল উপাচার্যের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বরখেলাপ বলে আমরা মনে করি। এটি যদি সমন্বয় না করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় যদি পুনর্বিবেচনা না করে, সেক্ষেত্রে আমরা নতুন করে ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনকে বিবেচনা করতে বাধ্য করবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, সব মিলিয়ে ১৯ হাজার শিক্ষার্থী এ টাকা পাবেন। কেউ অফলাইনে টাকা জমা দিয়েছেন, কেউবা অনলাইনে জমা দিয়েছেন। আবার কারো রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। একটা একটা করে খুঁজে বের করতে হচ্ছে। সব মিলে বেশ কিছু জটিলতা থাকায় বিলম্ব হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা এ টাকা বিভাগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেব। শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত পাবে এটা নিশ্চিত।

এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কিছু জটিলতা থাকায় বিলম্ব হচ্ছে বলে হিসাব পরিচালকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আমি আবারও এর অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ নেব। খুব দ্রুত এসব সমন্বয় করা হবে, বলে জানান উপাচার্য।

;

ঢাবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ওই হলের এক ছাত্রলীগের কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সালাহউদ্দিন তারেক বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

রোববার (১৫ মে) রাতে গেস্টরুমে যেতে দেরি হওয়াতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ফ্রেন্স ল্যাংগুয়েজ এন্ড কালচার বিভাগের শিক্ষার্থী সিয়াম দেওয়ান’কে মানসিক নির্যাতন করেন অভিযুক্ত। এক পর্যায়ে পায়ের জুতা খুলে গায়ে মারেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়।

অভিযুক্ত সালাহউদ্দিন তারেক বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ইউনুসের অনুসারী। ইউনুস ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সিয়াম বলেন, আমিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তিনিও এখানকার শিক্ষার্থী; সুতরাং আমাকে এরকম অত্যাচার করার অধিকার তো তার নেই। এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করেন ওই শিক্ষার্থী।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন তারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সে আমাদের দুরের কেউ না। আমরা শাসন করি, আমরাই আদর করি। ‘অতিরিক্ত কিছু করা থেকে সবসময়ই বিরত থাকেন’, বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ইউনুস বলেন, এ ব্যাপারে আমি খোঁজ নিয়েছি। এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি।

এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিজয় একাত্তর হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুল বাছির বলেন, বিষয়টি জেনেছি। ঢাকার বাহিরে থাকায়, সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না৷ হলে গিয়ে খোঁজ-খবর নেবেন, বলে আশ্বস্ত করেন।

;

ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত, তোপের মুখে ২ নেতা



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত, তোপের মুখে ২ নেতা

ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত, তোপের মুখে ২ নেতা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। এ নিয়ে পড়েছেন তোপের মুখে পড়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতা।

শনিবার (১৪ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত হলে প্রত্যাশীদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।

কেন্দ্রীয় শীর্ষ এ দুই নেতা সাংবাদিলদের বলেন, সম্মেলনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হলে নেত্রী (আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা) জানাবেন। যখন সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হবে, আমরা সম্মেলনের প্রস্তুতি নেবো, সেসব কার্যক্রম শুরুর আগেই অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেব।

এ বিষেয়ে জানতে চাইলে সম্মেলন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আরিফ হোসেন বলেন, আমরা তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সম্মেলনের নির্দেশনা দিয়েছেন। আপনারা সম্মেলন আয়োজনে কতটা কাজ করছেন। তারা প্রথমে বলেন- এটা নেত্রীর কোন নির্দেশনা না। ওবায়দুল কাদের নিজের মন গড়া বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, জয়-লেখক ছাত্রলীগের সম্মেলনকে মন গড়া বলার পর আমরা তাদের প্রশ্ন করি যে, যদি মন গড়াই হয় তাহলে যুব মহিলা লীগ ও মহিলা লীগ প্রেস দিল কীভাবে যে তারা আওয়ামীলীগের নির্দেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই কথা বলার পর জয়-লেখক বলেন, কাদের ভাই নিজেই তো আমাদের ব্যাপারে কনফিউজড।

এ সময় আরিফ আরো বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের এক পর্যায়ে জয়-লেখক বলেন, আমাদের দুই দিনের ভেতর তারিখ নিতে বলেছিলেন নিতে পারি নাই। দেখি আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে আপার (শেখ হাসিনার) সঙ্গে কথা বলে তারিখ নির্ধারণ করব।’

জানা যায়, এর আগে ৭ মে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সহযোগী সদস্যগুলোকে সম্মেলন করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

গত মঙ্গলবার (১০ মে) সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সম্মেলন করার নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওই সভায় উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে দু-এক দিনের মধ্যে আওয়ামী লীগের দপ্তর সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারিখ নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা দেন কাদের। তবে, আওয়ামী লীগের দপ্তর সেলে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জয়-লেখক এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি।

উল্লেখ্য, ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে। ২৯তম ওই জাতীয় সম্মেলনের প্রায় দুই মাসের মাথায় ৩১ জুলাই কমিটি ঘোষণা করা হয়। তাতে সভাপতি হন রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক হন গোলাম রাব্বানী। দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনের কারণে পরের বছরের অর্থাৎ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পদচ্যুত হন শোভন-রাব্বানী। তখন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয় যথাক্রমে সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে। পরের বছর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তারা পূর্ণ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।

;

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

  • Font increase
  • Font Decrease

নিউমার্কেট দোকান কর্মীদের সাথে সংঘর্ষের এক মাস পার না হতেই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা এবার আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। ঘটেছে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনার সূত্রপাত তা এখনো জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

শনিবার (১৪ মে) সায়েন্সল্যাব মোড়ের পাশে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষকরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সহকারী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের সরিয়ে এনেছি। তবে পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। আইডিয়াল কলেজের শিক্ষকরা তাদের ছাত্রদের সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন।

সংঘর্ষের বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এ টি এম মইনুল হোসেন বার্তা২৪.কম’কে বলেন, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। আমি শিক্ষকদের পাঠিয়েছি। শিক্ষার্থীরা সরে এসেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত।

কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিতোষ চন্দ্র বার্তা২৪.কম’কে বলেন, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এখন পরিবেশ শান্ত।

;