জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবি, বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি!



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবি, বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি!

জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবি, বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি!

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোসহ তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীর’ ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

সোমবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে কয়েকজন জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান শুরু করেন। দাবিগুলো হলো:

১. ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বৃদ্ধিকৃত জ্বালানি তেলের দাম কমানো, ২. এক পয়সাও গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি না করা, ৩. গণপরিবহনে ভাড়ার নামে নৈরাজ্যতা বন্ধ করতে হবে, সাথে সাথে সকল শিক্ষার্থীর হার পাস নিশ্চিত করা।

কর্মসূচিতে অনুষ্ঠানের সভাপতি, ও সাত কলেজ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল সম্রাট বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ১১ টায়। কিন্তু তখন আমাদেরকে বড় মাইক আনতে দেয়া হয়নি। বলা হয়েছে এখানে আমাদের অবস্থান করতে দেয়া হবে না। আমাদের অনেকেই আসতে পারেনি। সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেন ভয় পায়? ছাত্র ও যুবদের যৌক্তিক সভা-সমাবেশ করতে না দেয়া হলে তারা জঙ্গিবাদসহ নানা অপরাধেক দিকে ধেয়ে পড়বে।’

তিনি আরো বলেন, ‘একেবারে হঠাৎ করেই তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। ১০টায় ঘোষণা দিয়ে ১২ টায় কার্যকর করা জনগণের সাথে প্রহসন ছাড়া আর কিছুই না। তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে সবকিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে। যেগুলোর সাথে তেলের কোনো সম্পর্ক নেই সেগুলোরও দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষের জীবন-যাপন স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে দাঁড়িয়েছি। আজকে এই দামবৃদ্ধি পরিবহন সমিতি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরী করে দিচ্ছে। অবিলম্বে এসবের সমাধান করা চাই।’

শাহরিয়ার নামে এক চিকিৎসক অভিভাবকদের মধ্যে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বলেন, আমরা সরকারকে তিনদিন সময় দিচ্ছি। আপনারা আগের জায়গায় ফিরে আসুন। জনগণ যখন মাঠে নেমে আসবে তখন বুঝবেন জনগণের শক্তি কি। সময় থাকতে সচেতন হোন। অন্যথায় আপনাদের মতো অবস্থা রাজাপক্ষের মতো হবে।

কর্মসূচি শেষে তারা বামজোটের ডাকা মিছিলে যোগদানের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা করে। এসময় আন্দোলনরতরা, ‘তেলের দাম কমিয়ে দাও, কমাতে হবে কমাতে হবে, তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়ে আমলা পোষা বন্ধ করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

'এপিএ' মূল্যায়নে কুবি এগিয়েছে ১৯ ধাপ



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
'এপিএ' মূল্যায়নে কুবি এগিয়েছে ১৯ ধাপ

'এপিএ' মূল্যায়নে কুবি এগিয়েছে ১৯ ধাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মূল্যায়নে ১৯ ধাপ এগিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) । দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কুবির অবস্থান ২৩তম।

রোববার (২ অক্টোবর) ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত এক তালিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এতে দেখা যায়, এ বছর ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৬৯.৯৪ পেয়েছে কুবি। দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কুবি গত বছর ছিল ৪২ তম। সেই অবস্থান থেকে এখন ১৯ ধাপ এগিয়ে ২৩তম অবস্থানে উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, এমন অর্জনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই৷ আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের আসার পর অনেক ফাইল, মিটিং, টেন্ডার আটকে ছিলো। আমার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে গুরুত্বের ভিত্তিতে আমরা কাজগুলো শেষ করেছি। শুরু থেকে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা কাজগুলো এগিয়ে রাখলে আমরা আরও নম্বর পেতাম৷ আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছি ইতোমধ্যে। আমি যতদিন দায়িত্বে আছি সবগুলো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের চেষ্টা করব সকলের সহযোগিতায়।

উল্লেখ্য, এপিএ এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উন্নয়ন, সকল স্তরের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা নির্ধারণ এবং সরকার ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ইউজিসি’র এপিএ স্বাক্ষর হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ইউজিসি তার আওতাধীন সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং সে মোতাবেক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।

;

শহীদ মিনারে তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শহীদ মিনারে তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার

শহীদ মিনারে তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার

  • Font increase
  • Font Decrease

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হলেন দৈনিক বাংলার সম্পাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মরদেহ। সেই সঙ্গে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা দেশ বরেণ্য প্রয়াত এ সাংবাদিককে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

সোমবার (৩ অক্টোবর) সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হয়।

প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব মেজর লে. কর্নেল সৈয়দ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সহকারী সামরিক সচিব লে. কর্নেল জি. এম. রাজীব আহমেদ সম্মান প্রদর্শন করেন।

এছাড়াও তোয়াব খানের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ দেশের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তোয়াব খানের মৃত্যুতে সাংবাদ জগতের যে শূন্যতা তা কখনোই পূরণ হবার না। তিনি সবসময় নীরবে-নিভৃতে কাজ করে গেছেন দেশের এ প্রতিথযশা সাংবাদিক। ভাষা সৈনিক, শব্দ সৈনিক ও সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

এর আগে সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে তাকে রাখা হবে বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত। ওই সময় তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেয়া হবে গুলশানে তার নিজ বাসভবনে। বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

উল্লেখ্য, গেল শনিবার (১ অক্টোবর) বার্ধক্যজনিত জটিলতায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পরলোক গমন করেন দেচের এই প্রথিতযশা সাংবাদিক।

তোয়াব খানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক জানিয়েছেন। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, তোয়াব খান ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিকতাজগতের পথিকৃৎ। তার মৃত্যুতে দেশের গণমাধ্যমজগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

প্রধানমন্ত্রী তার শোকবার্তায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান।

১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোয়াব খান। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি তৎকালীন বিভিন্ন পত্রিকায় সমকালীন ইস্যু নিয়ে লেখালেখি করতেন। সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে ১৯৫৩ সালে তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবন শুরু।

এরপর ১৯৫৫ সালে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় যোগ দেন। ১৯৬১ সালে তিনি পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক হন। এর তিন বছর পর ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শব্দ সৈনিক হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হয় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান। স্বাধীনতার পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তোয়াব খান।

১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। দেশের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন এ সাংবাদিক। প্রেসিডেন্ট এইচএম এরশাদের প্রেস সচিবের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তোয়াব খান। এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অস্থায়ী সরকারের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রেস সচিবও ছিলেন তিনি।

দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি। এরপর নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন তিনি।

২০১৬ সালে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হন তোয়াব খান। একই বছর তাকে বাংলা একাডেমি সম্মানীত ফেলো নির্বাচিত করে।

;

ঢাবির গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ফল প্রকাশ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

রোববার (২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি শিক্ষাবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল রোববার প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এছাড়া যে কোনো অপারেটরের মোবাইল ফোন থেকে du>gocroll টাইপ করে 16321 নম্বরে send করলে ফিরতি SMS এর মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে।

এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ক কলেজসমূহের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গার্হস্থ্য অর্থনীতির ৬টি কলেজে সর্বমোট ২ হাজার ৬৫৫টি আসন রয়েছে। এসব কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন ৬ হাজার ১০২ জন ভর্তিচ্ছু।

কলেজগুলো হলো- গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সে ১ হাজার, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে ৫৫০, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ৫৫০, ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনমিক্সে ৫৫০, ময়মনসিংহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে ১০০, আকিজ কলেজ অব হোম ইকনমিক্সে ২৭৫ এবং বরিশাল হোম ইকনমিক্স কলেজে ১৮০টি আসন রয়েছে। সবগুলো কলেজে মোট আসন রয়েছে ২ হাজার ৬৫৫।

;

নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাবি অধ্যাপক



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান

অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ‘নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় নেপালের কাঠমুণ্ডুর থামেলে অবস্থিত হোটেল মারশাংদী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার পান তিনি।

নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি ও সাউথ এশিয়া বিজনেস পার্টনার'র যৌথ আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নেপাল ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান বলেন, পুরস্কার পাওয়া বড় বিষয় নয়, কৃতকর্মের ফলে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়াই বড় ব্যাপার। আমি মনে করি শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো পরিবারের প্রত্যেক সদস্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে এবং সমাজের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করার মধ্যেই মুখ্য পুরস্কার লাভ করা সম্ভব।

;