চিন্তার চাষের আয়োজনে ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চিন্তার চাষের আয়োজনে ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

চিন্তার চাষের আয়োজনে ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দিনব্যাপী ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী সম্মেলনে বিভিন্ন স্কুলের ৭ম থেকে ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গবেষণা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘চিন্তার চাষ’-এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ৭ম চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা গবেষণা পত্র, ধারণা পত্র ও পোস্টার উপস্থাপন করে।

‘চিন্তার চাষ’-এর চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এই সম্মেলন আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবন যে কোন দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, উদার ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে স্কুল পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করলে তা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনসহ বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছতে অবদান রাখবে। পড়াশুনার পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করে পরিবেশ, প্রকৃতি ও বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষণা করার জন্য উপাচার্য ক্ষুদে গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান এবং ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় সাড়ে চার বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ সম্মেলন বেলা ৩টা নাগাদ শুরু হবার কথা রয়েছে।

এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন। ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ সমুন্নত, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ক্যাম্পাসের স্বার্থে শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে লাগানো সকল ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

উল্লেখ্য, সোমবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৩০তম জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এক বছর মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতেই প্রায় ১০ মাস সময় নিয়েছেন সনজিত-সাদ্দাম। হল কমিটিগুলো করেছেন মেয়াদ শেষ হওয়ার আড়াই বছর পর।

;

ঢাবির সাবেক শিক্ষকের গাড়িচাপায় নারীর মৃত্যু



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপকের গাড়ির নিচে চাপা পড়া এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে শাহবাগ মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত ওই নারীর নাম রুবিনা আক্তার (৪৫)। তিনি রাজধানীর হাজারীবাগের সেকশন এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক মাসুদ মিয়া নিশ্চিত করেছেন।

প্রাইভেটকারের ওই চালক সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ওই শিক্ষক চাকরিচ্যুত। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে সাবেক শিক্ষক।

ওই নারীর দেবর নুরুল আমিন জানান, তেজগাঁও থেকে তিনি ভাবিকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে সেকশন এলাকায় যাচ্ছিলেন। শাহবাগ মোড় পার হওয়ার পর একটি প্রাইভেটকার পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। ওই সময় তার ভাবি ছিটকে পড়েন এবং প্রাইভেটকারের বাম্পারের সঙ্গে আটকে যান। তবে প্রাইভেটকারটি এরপরও না থেমে তার ভাবিকে টেনেহিঁচড়ে প্রায় নীলক্ষেত পর্যন্ত নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা প্রাইভেটকারটিকে আটক করে এবং তিনি ভাবিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাপা দেওয়ার পর ওই নারীকে কয়েকশ গজ দূর পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেটকারটি। এ ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি নিউমার্কেটের দিকে পালিয়ে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীরা সেটিকে আটক করে চালককে মারধর করেন।

;

সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’



সিফাতুল্লাহ আমিন, শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’

সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে দেশের কৃষিক্ষেত্রে ফুলের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক হারে। ঘর সাজানো থেকে যেকোনো অনুষ্ঠানে বিদেশি ফুলের ( cut flower) পাশাপাশি দেশি ফুলের প্রতি আকর্ষণ বেড়েছে ক্রেতাদের। সে লক্ষ্যে গোলাপ-রজনীগন্ধার পাশাপাশি সুদৃশ্য ও দৃষ্টিনন্দন দেশিও গ্লোরিওসা লিলি ফুলের বাণিজ্যিকভাবে সংযোজনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড আ ফ ম জামাল উদ্দিন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩২ হাজার টনের বেশি ফুল উৎপাদিত হচ্ছে। যার বর্তমান বাজার দর দেড় হাজার কোটি টাকা। আর ফুল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পের (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) ব্যবসা ধরলে এই বাজার প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার। আরও নতুন ফুল বাজারে সংযোজন হওয়ায় বাজারও কিছুটা বড় হবে বলে আশা করেন এই গবেষক।


বিভিন্ন ধাপে রঙ পরিবর্তন হওয়া ফুলটি কমলা থেকে ধীরে ধীরে রক্তিম বর্ণ ধারণ করে। সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত ফুলটি দেখতে অনেকটা অগ্নিশিখার মত হওয়ায় বাংলাদেশে অগ্নিশিখা নামেই পরিচিত এই গ্লোরিওসা।

আদি উৎপত্তিস্থল এশিয়া ও আফ্রিকার জঙ্গলে হলেও বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারে ফুলটি বেশি পাওয়া যায়। ঔষধি গুন সম্পন্ন এ গাছের ফুলের গঠন ও উজ্জ্বল রঙের কারণ বিভিন্ন দেশেই বাণিজ্যিক ভাবে শোভাবর্ধক ফুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে গ্লোরিওসা।

অধ্যাপক জামালের মতে, উষ্ণ আর্দ্র অঞ্চলে জন্মানো ফুলটি বিভিন্ন দেশে কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে জনপ্রিয়তা থাকলেও আমাদের দেশে এখনো তেমনভাবে শুরু হয়নি এর প্রচলন।


 

গ্লোরিওসা বীজ বা কন্দের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। তবে টিস্যু কালচার করেও চারা তৈরি করা যেতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য কন্দ লাগানোই সুবিধাজনক বলে মনে করেন এই গবেষক।

বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মানো গাছটির ভালো বৃদ্ধির জন্য ৫.৫-৫.৭ পিএইচ সর্বাপেক্ষা ভালো। লাঙলের ফলার মত দেখতে ভালো এবং ওজনে বেশি এমন কন্দ লাগালে এক বছরেই ফুল পাওয়া যাবে বলেও জানান অধ্যাপক জামাল উদ্দিন। তবে ভালো ফলন পেতে তিন বছরে এক বার কন্দ বিভাজন করতে হবে।

গ্লোরিওসা ফুল ও ফলের সংখ্যা কন্দের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম বছরে উৎপাদন কম হলেও পরবর্তী বছর থেকে প্রতি হেক্টরে ৮-১০ লক্ষ ফুল পাওয়া যাবে। তবে বাণিজ্যিক ভাবে গ্লোরিওসা উৎপাদনে অন্যান্য বিদেশি কাট ফ্লাওয়ারের তুলনায় সহজেই অধিক পরিমানে ফুল উৎপাদনের সক্ষম হতে পারবেন কৃষকরা।


উৎপাদন কৌশল অপেক্ষাকৃত সহজ এবং সুদর্শন হওয়াই দেশীয় ফুলের বাজারে এ ফুলের অন্তর্ভুক্তি কৃষক ও ব্যবসায়ী উভয়ই লাভবান করবে বলে মনে করেন গবেষক জামাল উদ্দিন।

;

কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে শেকৃবির দুই আবাসিক হল



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে শেকৃবির দুই আবাসিক হল

কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে শেকৃবির দুই আবাসিক হল

  • Font increase
  • Font Decrease

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার আসন বিশিষ্ট শেখ লুৎফর রহমান এবং শেখ সায়েরা খাতুন নামের দুইটি আবাসিক হলের কাজ শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে না। জনবলের অভাবে আবাসিক হল গুলো উন্মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শহীদুর রশিদ ভুঁইয়া বার্তা২৪ কে বলেন, 'আমাদের শেখ লুৎফর রহমান হল এবং শেখ সায়েরা খাতুন আবাসিক হলের কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় আমরা এবছর শিক্ষার্থীদের হলে তুলতে পারি নি। আসলে লোকবলের নিয়োগ এবং সামগ্রিক ব্যাবস্থাপনা আগের অর্গানোগ্রামে ছিল না যখন হলের কাজ শুরু হয়। আগের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গের ভুলের কারণে আমাদের এই দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তবে আমরা নতুন অর্গানোগ্রামে লোকবল নিয়োগের বিষয় সংযুক্ত করেছি। আশাকরি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারব।'

হলে সিট বিহীন গণরুমে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, 'আমাদের আবাসিক হলগুলোতে গণরুমে থাকতে হয়। নবাব সিরাজুদ্দৌলা হলে এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা টিভি রুমে মেঝেতে থাকে। অনন্য হলগুলোও সিট বিহীন গণরুমে থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থেকে ইতিমধ্যে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০০ সিট বিশিষ্ট দুইটি আবাসিক হল খালি পড়ে আছে। জনবল কিংবা অন্য যে কোনো সমস্যা যদি থেকেও থাকে আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় সেই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল গুলোর সিট সমস্যার সমাধান চাই।'

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মিজানুল হক বলেন,' হলগুলোর কাজ শুরুর সময় অর্গানোগ্রামে লোকবলের বিষয় উল্লেখ না থাকা এবং নিয়োগ জনিত সমস্যার জন্য শিক্ষার্থীদের তুলতে পারছি না।তবে আমরা বিকল্প পরিকল্পনা করতেছি। যদি সাময়িক লোকবল নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে উন্মুক্ত করা যায় আমরা করব ।আমরা শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত পরিকল্পনা করছি।'

উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালে এক হাজার আসন বিশিষ্ট ছেলেদের জন্য শেখ লুৎফর রহমান হল এবং মেয়েদের জন্য শেখ সায়েরা খাতুন নামের দুইটি আবাসিক হলের কাজ শুরু হয় যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের চতুর্থ এবং মেয়েদের তৃতীয় আবাসিক হল। এবছর ২০২২ সালের জুন মাসে হল গুলোর কাজ শেষ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নতুন শিক্ষার্থী কিংবা কোনো পুরোনো শিক্ষার্থীদের হলে এটাসমেন্ট দেওয়া হয় নি। হল গুলোতে সিট জনিত সমস্যা থাকায় বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

;