শহীদ মিনারে তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শহীদ মিনারে তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার

শহীদ মিনারে তোয়াব খানকে গার্ড অব অনার

  • Font increase
  • Font Decrease

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হলেন দৈনিক বাংলার সম্পাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মরদেহ। সেই সঙ্গে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা দেশ বরেণ্য প্রয়াত এ সাংবাদিককে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

সোমবার (৩ অক্টোবর) সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হয়।

প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব মেজর লে. কর্নেল সৈয়দ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সহকারী সামরিক সচিব লে. কর্নেল জি. এম. রাজীব আহমেদ সম্মান প্রদর্শন করেন।

এছাড়াও তোয়াব খানের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ দেশের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তোয়াব খানের মৃত্যুতে সাংবাদ জগতের যে শূন্যতা তা কখনোই পূরণ হবার না। তিনি সবসময় নীরবে-নিভৃতে কাজ করে গেছেন দেশের এ প্রতিথযশা সাংবাদিক। ভাষা সৈনিক, শব্দ সৈনিক ও সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

এর আগে সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে তাকে রাখা হবে বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত। ওই সময় তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেয়া হবে গুলশানে তার নিজ বাসভবনে। বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

উল্লেখ্য, গেল শনিবার (১ অক্টোবর) বার্ধক্যজনিত জটিলতায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পরলোক গমন করেন দেচের এই প্রথিতযশা সাংবাদিক।

তোয়াব খানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক জানিয়েছেন। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, তোয়াব খান ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিকতাজগতের পথিকৃৎ। তার মৃত্যুতে দেশের গণমাধ্যমজগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

প্রধানমন্ত্রী তার শোকবার্তায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান।

১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোয়াব খান। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি তৎকালীন বিভিন্ন পত্রিকায় সমকালীন ইস্যু নিয়ে লেখালেখি করতেন। সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে ১৯৫৩ সালে তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবন শুরু।

এরপর ১৯৫৫ সালে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় যোগ দেন। ১৯৬১ সালে তিনি পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক হন। এর তিন বছর পর ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শব্দ সৈনিক হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হয় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান। স্বাধীনতার পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তোয়াব খান।

১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। দেশের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন এ সাংবাদিক। প্রেসিডেন্ট এইচএম এরশাদের প্রেস সচিবের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তোয়াব খান। এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অস্থায়ী সরকারের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রেস সচিবও ছিলেন তিনি।

দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি। এরপর নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন তিনি।

২০১৬ সালে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হন তোয়াব খান। একই বছর তাকে বাংলা একাডেমি সম্মানীত ফেলো নির্বাচিত করে।

ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন শেষে এ ঘোষণা দেন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

তিনি বলেন, আজকের এই সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সফল কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটল। একইসঙ্গে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশী ২৪৫ জন নেতা সিভি জমা দিয়েছেন। আমরা মনে করি সবাই নেতৃত্ব পাওয়ার যোগ্য। তবুও সবকিছু বিবেচনা করে যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

এদিকে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই। আগামী ৬ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এবং মহানগরের (উত্তর-দক্ষিণ) কমিটি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৩০তম জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এক বছর মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতেই প্রায় ১০ মাস সময় নিয়েছেন সনজিত-সাদ্দাম। হল কমিটিগুলো করেছেন মেয়াদ শেষ হওয়ার আড়াই বছর পর।

;

‘নিজের ঘরে গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র দেশে কিভাবে করবেন’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নিজের ঘরে গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র দেশে কিভাবে করবেন

নিজের ঘরে গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র দেশে কিভাবে করবেন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম টেনে এনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজের ঘরে গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র দেশে কিভাবে করবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, কবে সম্মেলন করে জানে না। কোন শাখায় একটা সম্মেলনেও যান নি। ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং কখনো করে নি। ৫০০-৬০০ লোকের জাম্বু-জেড মার্কা কমিটি ; বসবে কোথায়? লা মেরিডিয়ানে না’কি একটি মিটিং হয়েছে। ফখরুল, নিজের ঘরে গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র দেশে কিভাবে করবেন। এ প্রশ্নের জবাব পাই না। কবে সম্মেলন হয়েছে ফখরুল জানে না।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে অনুষ্ঠিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক আর হবে না। সংবিধান পরিবর্তন হওয়ার কোন সুযোগ নেই। সংবিধানকে অনেক কচু কাটা করেছেন। আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার বন্ধ করেছিলেন। এটাও সেই রকম আইন; সেই আইন আর হবে না। সংবিধানে হাত দেয়ার অধিকার কারো নেই। তাই তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে দিবাস্বপ্ন ও রঙিন খোয়াব দেখে লাভ নেই।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ পল্টনকে ভয় পায় না, পায় আপনাদের আগুন সন্ত্রাসকে। আগুন সন্ত্রাস, লাঠি নিয়ে খেলাধুলা সেই বদ মতলব আপনাদের আছে। সেজন্য পল্টন দরকার; ওখানে সব মজুদ করবেন। আর সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মী আনবেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলাম কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ১৮টি হলের নেতাকর্মীরাসহ বিভিন্ন অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বেলা দুপুর সাড়ে ৩ টায় শুরু হয় জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন করা হয়।

;

জাফরু'র সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিশু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাফরু'র সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিশু

জাফরু'র সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিশু

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন জার্নালিজম অ্যালামনাই ফোরাম অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি-জাফরু এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রুহুল কুদ্দুস খান সুমন (প্রথম ব্যাচ)। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাহফুজ মিশু (নবম ব্যাচ)।

শুক্রবার ২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ কার্যালয়ে জাফরু'র বার্ষিক সাধারণ সভায় এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

এসময় সংগঠনটির ২৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটির সহ-সভাপতি পদে শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা ও আরেফিন অডেন; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সরদার মহিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এরশাদ আলী, অর্থ সম্পাদক আইনুদ বিন্থ জুবাইর সনি, মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আনিসুল আশেকীন রাসেল, যোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক জুয়েল কিবরিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক যোবায়ের শাওন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহ আলী জয় এবং মানবকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে ইমরান খান নাহিদ নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন- সাজ্জাদ আলম শাহীন, সাজেদুল ইসলাম খান, হুমায়ুন কবির নয়ন, মঈনুদ্দীন মিয়া নয়ন, আকতারুল ইসলাম, মো. আখতারুজ্জামান, পারভেজ হাসান তরফদার, খায়রুল আলম মনি, ফেরদাউস মোবারক এবং দেবাশীষ রায়।

কমিটি গঠনের আগে জাফরুর বিদায়ী কমিটির সভাপতি সাজেদুল ইসলাম রুবেলের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভা হয়। পারভেজ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

;

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় সাড়ে চার বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ সম্মেলন বেলা ৩টা নাগাদ শুরু হবার কথা রয়েছে।

এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন। ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ সমুন্নত, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ক্যাম্পাসের স্বার্থে শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে লাগানো সকল ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

উল্লেখ্য, সোমবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৩০তম জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এক বছর মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতেই প্রায় ১০ মাস সময় নিয়েছেন সনজিত-সাদ্দাম। হল কমিটিগুলো করেছেন মেয়াদ শেষ হওয়ার আড়াই বছর পর।

;