'এপিএ' মূল্যায়নে কুবি এগিয়েছে ১৯ ধাপ



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
'এপিএ' মূল্যায়নে কুবি এগিয়েছে ১৯ ধাপ

'এপিএ' মূল্যায়নে কুবি এগিয়েছে ১৯ ধাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মূল্যায়নে ১৯ ধাপ এগিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) । দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কুবির অবস্থান ২৩তম।

রোববার (২ অক্টোবর) ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত এক তালিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এতে দেখা যায়, এ বছর ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৬৯.৯৪ পেয়েছে কুবি। দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কুবি গত বছর ছিল ৪২ তম। সেই অবস্থান থেকে এখন ১৯ ধাপ এগিয়ে ২৩তম অবস্থানে উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, এমন অর্জনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই৷ আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের আসার পর অনেক ফাইল, মিটিং, টেন্ডার আটকে ছিলো। আমার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে গুরুত্বের ভিত্তিতে আমরা কাজগুলো শেষ করেছি। শুরু থেকে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা কাজগুলো এগিয়ে রাখলে আমরা আরও নম্বর পেতাম৷ আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছি ইতোমধ্যে। আমি যতদিন দায়িত্বে আছি সবগুলো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের চেষ্টা করব সকলের সহযোগিতায়।

উল্লেখ্য, এপিএ এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উন্নয়ন, সকল স্তরের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা নির্ধারণ এবং সরকার ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ইউজিসি’র এপিএ স্বাক্ষর হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ইউজিসি তার আওতাধীন সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং সে মোতাবেক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।

সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’



সিফাতুল্লাহ আমিন, শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’

সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে দেশের কৃষিক্ষেত্রে ফুলের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক হারে। ঘর সাজানো থেকে যেকোনো অনুষ্ঠানে বিদেশি ফুলের ( cut flower) পাশাপাশি দেশি ফুলের প্রতি আকর্ষণ বেড়েছে ক্রেতাদের। সে লক্ষ্যে গোলাপ-রজনীগন্ধার পাশাপাশি সুদৃশ্য ও দৃষ্টিনন্দন দেশিও গ্লোরিওসা লিলি ফুলের বাণিজ্যিকভাবে সংযোজনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড আ ফ ম জামাল উদ্দিন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩২ হাজার টনের বেশি ফুল উৎপাদিত হচ্ছে। যার বর্তমান বাজার দর দেড় হাজার কোটি টাকা। আর ফুল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পের (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) ব্যবসা ধরলে এই বাজার প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার। আরও নতুন ফুল বাজারে সংযোজন হওয়ায় বাজারও কিছুটা বড় হবে বলে আশা করেন এই গবেষক।


বিভিন্ন ধাপে রঙ পরিবর্তন হওয়া ফুলটি কমলা থেকে ধীরে ধীরে রক্তিম বর্ণ ধারণ করে। সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত ফুলটি দেখতে অনেকটা অগ্নিশিখার মত হওয়ায় বাংলাদেশে অগ্নিশিখা নামেই পরিচিত এই গ্লোরিওসা।

আদি উৎপত্তিস্থল এশিয়া ও আফ্রিকার জঙ্গলে হলেও বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারে ফুলটি বেশি পাওয়া যায়। ঔষধি গুন সম্পন্ন এ গাছের ফুলের গঠন ও উজ্জ্বল রঙের কারণ বিভিন্ন দেশেই বাণিজ্যিক ভাবে শোভাবর্ধক ফুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে গ্লোরিওসা।

অধ্যাপক জামালের মতে, উষ্ণ আর্দ্র অঞ্চলে জন্মানো ফুলটি বিভিন্ন দেশে কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে জনপ্রিয়তা থাকলেও আমাদের দেশে এখনো তেমনভাবে শুরু হয়নি এর প্রচলন।


 

গ্লোরিওসা বীজ বা কন্দের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। তবে টিস্যু কালচার করেও চারা তৈরি করা যেতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য কন্দ লাগানোই সুবিধাজনক বলে মনে করেন এই গবেষক।

বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মানো গাছটির ভালো বৃদ্ধির জন্য ৫.৫-৫.৭ পিএইচ সর্বাপেক্ষা ভালো। লাঙলের ফলার মত দেখতে ভালো এবং ওজনে বেশি এমন কন্দ লাগালে এক বছরেই ফুল পাওয়া যাবে বলেও জানান অধ্যাপক জামাল উদ্দিন। তবে ভালো ফলন পেতে তিন বছরে এক বার কন্দ বিভাজন করতে হবে।

গ্লোরিওসা ফুল ও ফলের সংখ্যা কন্দের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম বছরে উৎপাদন কম হলেও পরবর্তী বছর থেকে প্রতি হেক্টরে ৮-১০ লক্ষ ফুল পাওয়া যাবে। তবে বাণিজ্যিক ভাবে গ্লোরিওসা উৎপাদনে অন্যান্য বিদেশি কাট ফ্লাওয়ারের তুলনায় সহজেই অধিক পরিমানে ফুল উৎপাদনের সক্ষম হতে পারবেন কৃষকরা।


উৎপাদন কৌশল অপেক্ষাকৃত সহজ এবং সুদর্শন হওয়াই দেশীয় ফুলের বাজারে এ ফুলের অন্তর্ভুক্তি কৃষক ও ব্যবসায়ী উভয়ই লাভবান করবে বলে মনে করেন গবেষক জামাল উদ্দিন।

;

কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে শেকৃবির দুই আবাসিক হল



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে শেকৃবির দুই আবাসিক হল

কাজ শেষ হলেও ফাঁকা পড়ে আছে শেকৃবির দুই আবাসিক হল

  • Font increase
  • Font Decrease

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার আসন বিশিষ্ট শেখ লুৎফর রহমান এবং শেখ সায়েরা খাতুন নামের দুইটি আবাসিক হলের কাজ শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে না। জনবলের অভাবে আবাসিক হল গুলো উন্মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শহীদুর রশিদ ভুঁইয়া বার্তা২৪ কে বলেন, 'আমাদের শেখ লুৎফর রহমান হল এবং শেখ সায়েরা খাতুন আবাসিক হলের কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় আমরা এবছর শিক্ষার্থীদের হলে তুলতে পারি নি। আসলে লোকবলের নিয়োগ এবং সামগ্রিক ব্যাবস্থাপনা আগের অর্গানোগ্রামে ছিল না যখন হলের কাজ শুরু হয়। আগের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গের ভুলের কারণে আমাদের এই দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তবে আমরা নতুন অর্গানোগ্রামে লোকবল নিয়োগের বিষয় সংযুক্ত করেছি। আশাকরি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারব।'

হলে সিট বিহীন গণরুমে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, 'আমাদের আবাসিক হলগুলোতে গণরুমে থাকতে হয়। নবাব সিরাজুদ্দৌলা হলে এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা টিভি রুমে মেঝেতে থাকে। অনন্য হলগুলোও সিট বিহীন গণরুমে থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থেকে ইতিমধ্যে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০০ সিট বিশিষ্ট দুইটি আবাসিক হল খালি পড়ে আছে। জনবল কিংবা অন্য যে কোনো সমস্যা যদি থেকেও থাকে আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় সেই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল গুলোর সিট সমস্যার সমাধান চাই।'

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মিজানুল হক বলেন,' হলগুলোর কাজ শুরুর সময় অর্গানোগ্রামে লোকবলের বিষয় উল্লেখ না থাকা এবং নিয়োগ জনিত সমস্যার জন্য শিক্ষার্থীদের তুলতে পারছি না।তবে আমরা বিকল্প পরিকল্পনা করতেছি। যদি সাময়িক লোকবল নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে উন্মুক্ত করা যায় আমরা করব ।আমরা শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত পরিকল্পনা করছি।'

উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালে এক হাজার আসন বিশিষ্ট ছেলেদের জন্য শেখ লুৎফর রহমান হল এবং মেয়েদের জন্য শেখ সায়েরা খাতুন নামের দুইটি আবাসিক হলের কাজ শুরু হয় যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের চতুর্থ এবং মেয়েদের তৃতীয় আবাসিক হল। এবছর ২০২২ সালের জুন মাসে হল গুলোর কাজ শেষ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নতুন শিক্ষার্থী কিংবা কোনো পুরোনো শিক্ষার্থীদের হলে এটাসমেন্ট দেওয়া হয় নি। হল গুলোতে সিট জনিত সমস্যা থাকায় বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

;

আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল

আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর সাথে ২-০ গোলে জয়ের পর রাত জুড়ে আনন্দ মিছিল করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টিনার সমর্থকরা।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) রাত ৩টার দিকে খেলা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে এই আনন্দ মিছিল করেন তারা ।

খেলার শেষ পর্যায়ে রেফারির বাঁশির সাথে সাথে উল্লাসে ফেটে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টাইন সমর্থক শিক্ষার্থীরা 'মেসি, মেসি' স্লোগানে মিছিলে নেমে পড়েন।

এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের ৩টি আবাসিক হলের আর্জেন্টাইন সাপোর্টাররা পর পর আনন্দ মিছিল নিয়ে একসাথে প্রধান ফটকে মিলিত হয়।

জয়ের পর বঙ্গবন্ধু হলের আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, আমরা আর্জেন্টিনা সমর্থকরা একবারের জন্যও আশা হারাইনি। আমাদের বিশ্বাস ছিল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা ভালো কিছুই করবে । মেক্সিকোর রক্ষণ ভাঙ্গা যখন দুঃসাধ্য মনে হচ্ছিল, তখন দুর্দান্ত এক গোল করলেন মেসি। পরে আরও একটা গোল করলেন এনজো ফার্নান্দেস। ফুটবলের জাদুকর মেসির শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় খুব করে চাই আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হোক।

এর আগে ২২ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের ১ম ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দূর্বল দল কাতারের সাথে ২-১ গোলের পরাজয়ে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডের ইতি হয় আলবিসেলেস্তেদের।

;

নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাবির অধ্যাপক



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান

অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শিক্ষা ও চারুকলায় বিশেষ অবদান রাখায় ‘নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান।

গত ২৩ নভেম্বর বিকাল ৩টায় ভারতের কলকাতায় "মহাবোধি সোসাইটি" মিলনায়তনের অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার পান তিনি।

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন ও সাউথ এশিয়া বিজনেস পার্টনারশিপ এর যৌথ আয়োজনে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নেপাল ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "নেতাজী সুভাষ বসু পুরস্কারের মধ্য দিয়ে আমি চারু শিক্ষার মান সমুন্নত এবং চারচর্চায় নিজেকে নিমগ্ন করতে আরো সচেষ্ট হবো। আমাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করায় কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।"

;