চট্টগ্রামে লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রামে লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

চট্টগ্রামে লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, কারাতে প্রদর্শনী ও ঐতিহ্যবাহী নানা খেলাধূলার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় প্রতিষ্ঠানের মাঠে ৪র্থ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিবসের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। প্রতিযোগিতার সমাপনী পর্বের উদ্বোধন করেন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কর্নেল মোহাম্মদ কাশেম, পিএসসি (অবঃ)। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কর্নেল আবু নাসের মোঃ তোহা, বিএসপি, এসজিপি, এএফডবিউসি, পিএসসি (অবঃ) ও উপাধ্যক্ষসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাহাঙ্গীর, হামিদ ও মোস্তফা হাউজ- এ ৩টি দলে ভাগ হয়ে প্রতিযোগিরা খেলাধূলায় অংশগ্রহণ করে। এতে চ্যাম্পিয়ান হয় মোস্তফা হাউজ। এছাড়া হামিদ হাউজ রানার আপ ও জাহাঙ্গীর হাউজ ৩য় স্থান অধিকার করে।

উল্লেখ্য যে, ‘লিডার্স শিক্ষা মডেল’ অনুসরণ করে পরিচালিত ‘মানবতার জন্য শিক্ষা’ এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে ‘ভালো মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে’ ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত লিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ চট্টগ্রামে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।

শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে রাবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে রাবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে রাবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

  • Font increase
  • Font Decrease

চিত্রশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদকে নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন একাডেমিক ভবনে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

আলোকচিত্রশিল্পী ইফতেখার ওয়াহিদ ইফতি আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামী বুধবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। প্রদর্শনীটিতে স্থান পেয়েছে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের বিভিন্ন সময়ের অর্ধশত আলোকচিত্র।

পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রদর্শনীটির উদ্বোধনীর পূর্বে চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণের মুক্তমঞ্চে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। চারুকলা অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এছাড়া আলোচনা সভার মধ্যমনী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিত্রশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

সভায় শিল্পী শাহাবুদ্দিন বলেন, নবীন চিত্রশিল্পীদের ছবি আঁকা শেখার জন্য ভালো শিল্পী বাছাই করতে হবে। আর এজন্য সাধনাও করতে হবে। অনেকে শিল্প নিয়ে সুন্দর কথা বলতে পারলেও ভালো কাজ করতে পারে না। একেকজন একেক ক্ষেত্রে দক্ষ। এজন্য আমি যতবার শিল্পকর্ম নিয়ে বলতে যাচ্ছি, ততবারই পিছিয়ে যাচ্ছি, যেন আমি কিছুই জানি না। আমি মেঘনার তীরে বেড়ে ওঠা মানুষ। এজন্য আমার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বা ছবিতে পানি পানি ভাব আছে, আর রক্তের ভাব আছে। কারণ রক্ত না থাকলে তো যে কেউ মৃত।

রাজশাহীতে গ্যালারি স্থাপনের বিষয়ে শিল্পী বলেন, রাজশাহীতে একটা গ্যালারি নেই এটা কথা হলো! আমি আশা রাখি আগামী জুন, জুলাই বা আগস্টের মাঝে একটি গ্যালারি করবেন আপনারা।

রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পী শাহাবুদ্দিনের উপস্থিতি আমাদের ঋগ্ধ করেছে। ১৯৭০ সালে যখন দুর্বোধ্য চিত্রকলার একটা জগৎ সৃষ্টি হয়েছিল, তার সঙ্গে কিন্তু শিল্পী শাহাবুদ্দিন গাট ছাড়া বাঁধেননি। উনি নিজের একটি চিত্রজগৎ সৃষ্টি করেছেন। তার জীবনটিই এক বিশাল ক্যানভাস। এসময় তিনি রাজশাহীতে রাসিক মেয়রের পক্ষ থেকে শিল্পী শাহাবুদ্দিনের নামে নির্মাণ করতে যাওয়া গ্যালারিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে এমন মাপের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তিকে রাজশাহী এনে সংবর্ধনা দিতে পারলাম। আমি গত শুক্রবার নগরভবনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেছি যে রাজশাহীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিনের নামে একটি আর্ট গ্যালারি করা হবে। রাবি উপাচার্য যেহেতু বলেছেন ক্যাম্পাসে এই গ্যালারি নির্মাণ করলে চারুকলার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেহেতু প্রচুর জায়গা, তারা যদি একটি সুন্দর জায়গা নির্ধারণ করে দেন তাহলে আগামী তিনমাসের মধ্যে এখানেই গ্যালারির ভিত্তি প্রস্তর নির্মাণ করা হবে।

চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম মুন্না ও ইশরাত মেহেজাবীন হৃদির যৌথ সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সভাপতি ও রাবির ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম, বিশেষ আলোচকের বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনার কো-চেয়ারম্যান কবির বিন আনোয়ার এবং আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেডের নির্বাহী ব্যবস্থাপনা পরিচালক গীতাংকা দেবদীপ দত্ত। এছাড়া আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্ট্রা-রেড কমিউনিকেশনস লিমিটেড (আইআরসি) ও শিলালিপির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল ইসলাম সুমন।

;

মধ্যরাতে জাবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার গতি নিয়ন্ত্রণসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. নুরুল আলমের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

জানা গেছে, সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল সংলগ্ন সড়কে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের (৫১ ব্যাচ) ছাত্র জাহিদ হাসান নামের এক শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হন। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে আছেন। এ দুর্ঘটনার কারণেই বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয়ভার প্রশাসনকে বহন করতে হবে, মোটরসাইকেল চালকের শাস্তি নিশ্চিত করা ও আবাসিক হলগুলোর সামনে গতিরোধক নির্মাণ।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, আমি আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে হাসপাতালে এসেছি। এখান থেকে বের হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবো।

;

এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্প উদ্যান!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্প উদ্যান!

এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্প উদ্যান!

  • Font increase
  • Font Decrease

বাঙালি ও বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পের আদিম নিদর্শন পদ্মাপাড়ের রাজশাহী কলেজ। ভবনগুলোর শৈল্পিক-সুদৃঢ় কাঠামো অনায়াসে ভাবনার জগতে দাগ কাটে যে কারোর। কৃতিত্ব, সৌন্দর্য আর আভিজাত্যের জন্য বিখ্যাত লাল দালানের এই ভবনগুলো। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে র্যাঙ্কিংয়ে টানা চতুর্থবারের মতো দেশসেরা হয়েছে রাজশাহী কলেজ। দেশের একমাত্র এই মডেল কলেজ সেরা সরকারি কলেজেরও খেতাবও অর্জন করেছে। রাজশাহী কলেজ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে তিনবার। শুধু পড়াশোনায় শ্রেষ্ঠ নয়; গাছপালা ঘেরা মনোরম পরিবেশ এবং লাল দেওয়ালের এই বৈচিত্র্যময় কলেজের অপরূপ সৌন্দর্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাইরে থেকে আগত বিভিন্ন দর্শনার্থীদের মন জয় করে তুলেছে।

কলেজের মনোরম এই পরিবেশ ও সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ হলো ফুলের বাগান। চেনা-অচেনা অসংখ্য গাছ-গাছালি এবং হরেক রকমের ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে এই ক্যাম্পাসের আঙ্গিনা। চারপাশের সবুজ প্রকৃতি পাখির কলরব এবং রং বেরঙের ফুল দ্বারা সেজে উঠেছে তার অপার মহিমায়।


ফুল, সে তো এক প্রশান্তির প্রতীক। কখনো ভালোবাসার প্রতীক আবার কখনো বন্ধুত্বের প্রতীক। অনেকেই বলে থাকে কালো মানেই অশুভ আর শোক প্রকাশ। তবে অধিকাংশ ফুলপ্রেমী কালো ফুল দেখে শোক প্রকাশের পরিবর্তে বিমোহিত হয়ে পড়ে। ফুল মানে নিছকই সৌন্দর্যের বিষয়বস্তু নয় বরং তা ভালোলাগা, ভালোবাসার এক আবেগময় শব্দ। সৃষ্টিকর্তার অন্যতম সৃষ্টি ফুল যা আমাদের পৃথিবীকে আরো সুন্দর করে তুলেছে। প্রকৃতি তার সৌন্দর্য প্রকাশ করে ফুলের মাধ্যমে। ফুল তার নিজ সৌন্দর্য গুনে চারপাশের পরিবেশকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।

হরেক রকমের ফুলের কারণেই দৃষ্টিনন্দিত হয়েছে দেশসেরা এই কলেজটি। শীতকালে গাছের পাতা ঝরে রিক্ততা সৃষ্টির মূহুর্তে রকমারি ফুল দিয়ে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করেছে এই ক্যাম্পাসটি। এ যেনো এক অনন্য রূপ!

শীতের সকালে ক্যাম্পাসে ভাসতে থাকে মোহনীয় সব ফুলের সৌরভ। এই স্নিগ্ধ সকালের শিশির বিন্দুতে ভিজে লাল টকটকে রং ধারণ করেছে ডালিয়া। শিশির স্নাতে অপরুপ সাজে সজ্জিত হয়েছে চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা, ক্যালেণ্ডুলা, সুইট উইলিয়াম সহ হরেক রকমের ফুল। হিমেল হাওয়ায় সতেজ হয়ে উঠেছে যেন গাঁদাগুলোও। উঁচু ভবন থেকে দেখলে মনে হয় যেন মাটিতে বিছানো রয়েছে এক ফুলের গালিচা।


ক্যাম্পাসের বিভিন্ন চত্বর, ভবন ও ফাঁকা জায়গাগুলোজুড়ে রয়েছে মোহনীয় সব ফুলের সৌন্দর্য। কলেজের প্রশাসন ভবনের পেছনে পুকুরপাড় সংলগ্ন রয়েছে একটি বাগান। যেখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গোলাপ, গাঁদা, ডালিয়া, জিনিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, টাইম ফুল, ব্যাচেলরস বাটন, চাইনিজ ফ্রিঞ্জসহ হরেক রকমের ফুল। এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্পউদ্যান!

প্রতিদিনই প্রায় শত দর্শনার্থীর ভিড় জমে এই পুষ্পউদ্যানে। নৈসর্গিক এই পুষ্পউদ্যানের পাশেই পুকুরটিতে দেখা যায় পদ্ম ফুলের সমারোহ। শুধু পদ্ময় নয়; আরও দেখা যায় দূর্লভ লাল শাপলা। শাপলা-পদ্মের এই নিবিড় বন্ধন এই দেশসেরা কলেজ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য দ্বিগুন বৃদ্ধি করেছে।

পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউটের মরিয়ম শান্তা নামের এক শিক্ষার্থী এসেছিলেন এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে। তিনি বলেন, আমি আজ প্রথম এই কলেজে ঘুরতে এসেছি। অন্যান্য স্কুল, কলেজেও আমি ফুলের গাছ দেখেছি কিন্তু একসাথে এতোগুলা ফুল কখনো দেখিনি। আর ফুল মানেই তো চোখের প্রশান্তি, মনের প্রশান্তি। আমার মনে হচ্ছে এখানে এসে সত্যিই আমি সেই প্রশান্তিটা পাচ্ছি। আমার অনেক ভালো লাগছে।


রাজশাহী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মাষ্টার্স শেষ পর্বের ছাত্র রিকো মাহমুদ বলেন, আমি এখানে এসেছি কয়েকমাস হলো মাত্র। কলেজ সময় ছাড়াও কখনো কখনো সকালে এমনকি বিকেলে ও ঘুরতে আসি। কারণ ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মনোরম পরিবেশ, নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি, ফুল দেখে সত্যি মনটা ভালো হয়ে যায়। জানা-অজানা এতো শত ফুলের সৌন্দর্যে খুব প্রশান্তি অনুভব করি। ব্যাচেলরস বাটন, চাইনিজ ফ্রিঞ্জসহ এমন কয়েক ধরণের ফুলের সাথে এখানে এসে আমি পরিচিত হয়েছি।

ফুলের সৌন্দর্যের বিষয়ে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাঃ আব্দুল খালেক বলেন, ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক। কলেজের সৌন্দর্য বর্ধিত করার জন্যই রং-বেরং এর ফুল গাছ লাগানোর হয়েছে। আর শাপলা-পদ্ম আমাদের সকলের শৈশবকে মনে করিয়ে দেয়। ছোটবেলাকে ফিরে পাওয়ার জন্যই মূলত এই পদ্ম পুকুরের আয়োজন।

তিনি বলেন, দেশসেরা এই কলেজ একদিকে যেমন লাল ভবন, ভবনের উপরে আঁকা টেরাকোটা দিয়ে ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে, অন্যদিকে তেমনি হাজারো রকমারি ফুল দিয়ে কেঁড়ে নিয়েছে আগতো শত দর্শনার্থীর মন। কলেজটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকলেই বিমোহিত হয় নিজ ক্যাম্পাস দেখে।

;

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড ও পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সিন্ডিকেট সভায় বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল আলম ওরফে জিম নাজমুলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে তিন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে এবং ১০৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালসহ অন্যান্য সিন্ডিকেট সদস্যরা। এর আগে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির এক বৈঠকে বহিষ্কার সংক্রান্ত সুপারিশ করা হয়।

;