মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদল ফ্লোরে, ছাত্রলীগ চেয়ারে

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ চেয়ারে জায়গা না দেওয়ায় ফ্লোরে ছাত্রদল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ চেয়ারে জায়গা না দেওয়ায় ফ্লোরে ছাত্রদল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ চেয়ারে জায়গা না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে ফ্লোরে বসার অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল। এদিকে ছাত্রলীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক বলছেন মধুতে কোনো অছাত্রদের জায়গা হবে না।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সরেজমিন মধুতে গিয়ে এ চিত্র দেখা যায়। একপাশে ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী ফ্লোরে বসে আছেন।অন্যদিকে পাশেই নেতাকর্মীদের নিয়ে চেয়ার-টেবিল জুড়ে বসে আছেন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

নতুন নেতৃত্ব নিয়ে মধুতে আসার পর থেকেই ছাত্রলীগ বারবার হামলা ও হেনস্তা করেছে উল্লেখ করে শ্যামল বলেন, আমরা মধুতে আসার দুদিনের মধ্যেই ছাত্রলীগ আমাদের ওপর হামলা করেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ প্রায় আমাদের চল্লিশজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমাদের কটাক্ষ করে। আজ আমরা মধুতে আসার পর কোনো চেয়ার পাইনি। তারা সব সরিয়ে রেখেছে এবং নিজেরা দখল করে বসে আছে। এসময় শ্যামল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনেক চেয়ার খালি পড়ে আছে, কিন্তু আমাদের দেওয়া হচ্ছে না। সারা বাংলাদেশেই এমন চিত্র ।

একই সময়ে পাশে বসে থাকা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক অনেকটা পরিহাসের সুরে বলেন, এটা একটা অভিযোগ করার জন্যই অভিযোগ। সহাবস্থান ছাত্রদের সঙ্গে সবসময় ছাত্রের হবে। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এখানে যারা নিয়মিত তাদের সহাবস্থান হবে। তিনি বলেন, অন্যান্য সংগঠনের মধুতে বসা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই, শুধু তাদের এতো অভিযোগ কেন।

ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, তারা হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। কমিটির সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য হাইকোর্ট থেকে বলা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানের নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, সাংবাদিকদের সঙ্গে ছাত্রদলের কথা চলাকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা টেবিল চাপিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাদের বক্তব্যে বিঘ্ন ঘটাচ্ছেন। ছাত্রদলের গুন্ডারা হুঁশিয়ার সাবধান বলেও নানা ধরণের উস্কানিমূলক স্লোগান দিতে দেখা যায়।

আপনার মতামত লিখুন :