মাছ ভর্তায় 'বড়শি' পাওয়ার ঘটনাটি মিথ্যা- দাবি তদন্ত কমিটির

রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের ডাইনিংয়ে মাছ ভর্তায় 'বড়শি' পাওয়ার যে ঘটনাটি ঘটেছিল তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করছেন এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি।

কমিটি বলছে- অভিযোগকারী শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন তদন্ত কমিটির কাছে দাবি করেছেন 'বড়শিটি' ভর্তার মধ্যে ছিল। খাবার খাওয়ার সময় তার মুখে চলে আসে। ইমরান তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন এতে তার মুখে কোনো ধরনের আঘাত বা ক্ষত হয়নি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও হলের আবাসিক শিক্ষক সাইফুর রহমান দাবি করে বলেন, '১.১ ইঞ্চির বড় একটি বড়শি ভর্তাতে (হাত দিয়ে মাছ টুকরো করা, পরিষ্কার করা, তেলে ভাজা এবং শিল-পাটায় পেস্ট করা) এই প্রক্রিয়ায় দেখা যাওয়ার কথা। অথবা হাত দিয়ে মিশ্রণ করা, পরিবেশনের জন্য গোলাকার করার সময় হাতে বিঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তা হয়নি।

এমনকি তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে ওই বড়শি কোনোভাবে বিকৃতও হয়নি। এ ঘটনার সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে মাছ ভর্তায় বড়শি পাওয়ার ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।'

এদিকে ভর্তায় বড়শি পাওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২০ সেপ্টেম্বর হলের প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে আন্দোলনের নামে হলের ভেতরে চেয়ার, সিসিটিভি ক্যামেরা, বেসিন ও ডাইনিং ভাঙচুর করে শিক্ষার্থীরা। হল কর্তৃপক্ষের দাবি এতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, ভর্তায় 'মাছ ধরা বড়শি পাওয়ার অভিযোগে করা আন্দোলনটি সাজানো ছিলো। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হলের ভেতরে আন্দোলনকারীরা এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী শাহরিয়ার সজল ও নির্ঝর বলেন, 'হল প্রাধ্যক্ষ নিজের গাফিলতি এবং আরো অনেক কিছু ঢাকার জন্য এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এবং এমন তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করিয়েছেন।'

আপনার মতামত লিখুন :