বার্তা২৪ কৃতি সন্তান হয়েই বেড়ে উঠুক

কামরুল হাসান নাসিম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বপ্নবাজ লড়াকু 'বাবা' বলা যায় তাঁকে। কোন অঙ্গনের বাবা? আজ যারা অনলাইন মাধ্যমের প্রকাশক কিংবা সম্পাদক হিসাবে নিজের পরিচয় বিধৌত করতে স্বস্তিতে থাকছেন, তাঁদের জন্যই 'পিতা' বলবো একজন আলমগীর হোসেনকে। তিনিই ফলত এই ধারার সাংবাদিকতার পথিকৃৎ চরিত্র। এই তো সেদিন দেশের মূলধারার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম 'বাংলাট্রিবিউন' এর জন্মদিনে দেশের মূলধারার অনলাইন সংবাদপত্রের মান বিচার করতে যেয়ে প্রতীকী আদলে বলেই বসলাম, জনাব আলমগীর হোসেন এর নেতৃত্বের 'বাংলানিউজ২৪' ছিল যেন লিও মেসির মত ! বিডি নিউজকে বললাম, 'ক্রিস্টিয়ানো'। কাজেই পাঠক আজ আশা করেই থাকে, জনাব আলমগীর এর হাতে জন্ম নেয়া বার্তা২৪.কম অচিরেই জানান দেবে, আস্থা, সৃজনশীলতা এবং সাংবাদিকতার গুনগত মান নিশ্চিত করতে এই পোর্টালটিকে তুমি বাদ দিয়ে আর যাই হোক সাংস্কৃতিক ইতিহাস রচনা করতে পারবে না। 

'বার্তা২৪' এর নতুন নতুন উদ্যোগ আছে। খানিকটা ওয়েব টিভির মতো করে তাঁরা সংবাদ পরিবেশন করে বলতে চেয়েছে, এই তো নতুন কিছুই এলো। সংস্কৃতির সংবাদ পরিবেশনে কবি মনের প্রতিনিধিদের এই পরিবারে জায়গা করে দিয়ে জনাব আলমগীর হোসেন বলতে চেয়েছেন, দূরদৃষ্টির প্রশ্নে এবং স্বতন্ত্র চিন্তার উদ্রেকে ভেসে থাকা এই 'প্রাণ' তো কত কিছুই তো করার সামর্থ্য রাখে । দরকার শুধু সমাজের রাস্তায় উড়তে থাকা মুদ্রার নোট। তেমন সমর্থন মিললে একজন আলমগীর হোসেন এর সৃষ্টিগুলোর সাথে অন্যদের পার্থক্য ধরা দিতে সময় লাগবে দুই সপ্তাহ।

ব্যস্ত ছিলাম।সারাটা দিন লেখালেখির মধ্যে ছিলাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক হতে সন্ধ্যারাতে জানতে পারলাম, বার্তা২৪ এর আজ দুই বছর বয়স পূর্ণ হল। যেদিন এই পোর্টালের জন্ম হয়েছিল, সেদিনেই জানতে পেরেছিলাম, আরেকটা সুসন্তানের জন্ম হয়ে গেল। এখন শুধু কৃতি সন্তান হওয়াটা বাকী। হয়েও যাবে। ওই জায়গায় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের পিতা বসে আছেন। হয়তো কাঁদেন, হয়তো খুব করে ভোর বেলায় কর্মস্থলে যেয়ে সন্তানকে নিদ্রা থেকে উঠিয়েই বলছেন, চলো, আজকের দিনটির সূচী ঠিক করি। এমনই একজন আলমগীর হোসেন, তিনি জানেন কিভাবে সন্তানকে 'কৃতি' রূপে আনতে হয়। আমাদের সে আস্থা আছে। আমি বলবো, তিনি তাঁর নিজের শরীরের প্রতি মনোযোগী হলেই চলবে। আমরা জানি, বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার শতাব্দীর( ১৯২০-২০২০) লেখকদের মত বিকলাঙ্গ সন্তান প্রসব করার মত অস্তিত্ব তিনি নন। তিনি গণমাধ্যমের অন্যতম মাধ্যম সংবাদমাধ্যমকে সমৃদ্ধ করতে দেখতে পেয়েছিলেন যে, একটা সময় মানুষ প্রিন্ট মাধ্যমকে খানিকটা এড়িয়ে যেয়ে অনলাইন সংবাদমাধ্যম 'প্রিয়' হয়ে উঠবে। নেমে শ্রেষ্ঠ হয়েছিলেন, ইতিহাসের অংশ হয়েই থেকে যাবেন আর 'কৃতি সন্তান' হয়ে 'বার্তা২৪' বেড়ে উঠবে। তিনি যেদিন গ্রহান্তরিত হবেন, আমি নিশ্চিত তাঁর কোনো অনুসারী সেটিকে বাঁচিয়েও রাখবেন।

বার্তা২৪.কম-এর পরিবারের সকলকে শুভেচ্ছা ! অভিনন্দন !

আপনার মতামত লিখুন :