ভারতে ইলিশ রফতানি, ক্রেতাদের ক্ষোভ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, বেনাপোল (যশোর)
ইলিশ | ফাইল ছবি

ইলিশ | ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে ইলিশের মূল্য চড়া হলেও, এর মধ্যে ভারতে ইলিশ রফতানি হচ্ছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। তবে কেবল পূজা উপলক্ষে ইলিশের চালান ভারতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ভারতে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার প্রথম চালানে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৮টি ট্রাকে সাড়ে ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রফতানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সবকটি ট্রাক বন্দরে না পৌঁছানোর কারণে রফতানি হয়নি। বাকি ট্রাকগুলো পৌঁছে গেলে সোমবার সকালে ইলিশের চালান ভারতে প্রবেশ করবে।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন পণ্য ছাড়করণ প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স এমি এন্টারপ্রাইজ।

এমি এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি মহিবুল হক জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পূজা উপলক্ষে ভারতে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী মাসের ১০ অক্টোবরের মধ্যে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশের সব চালান রফতানির নির্দেশনা রয়েছে। প্রথম চালানে সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সাড়ে ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রফতানি হবে।

বেনাপোল বন্দরে ইলিশবাহী ট্রাক


প্রতি কেজি ইলিশ ৬ ডলার মূল্যে রফতানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য দাঁড়াচ্ছে কেজি প্রতি প্রায় ৫শ’ টাকা। ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশের কাস্টমস থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ছাড় করা হবে ইলিশের এ চালান।

ইলিশের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার গাজীপুরের একুয়াটিক রিসোর্ট লিমিটেড। আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ হচ্ছে ভারতের কলকাতার হাওড়ার নাজ এমপেক্স প্রাইভেট লিমিটেড।

উল্লেখ্য, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সুসম্পর্ক বাড়াতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৫০০ টন ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। পদ্মার ইলিশ কলকাতার পশ্চিমবাংলার মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয়। যদিও ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত ভারতে ইলিশ রফতানি করা হতো। তবে দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় সংকট দেখিয়ে ২০১২ সালের পরে ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধ করে দেয় সরকার।

এদিকে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, দেশে ইলিশের বাড়তি দাম। এর মধ্যে এত পরিমাণে ইলিশ ভারতে রফতানি করা হলে দাম আরও বেড়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :