আধিপত্যের কোন্দলেই ইউপি সদস্য মিরন হত্যাকাণ্ড

ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, লক্ষ্মীপুর
সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আধিপত্যের কোন্দলেই লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম মিরনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এএইচএম কামরুজ্জামান।

তিনি বলেন, আসামি জামাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সেখানে সে বলেছে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে ইউপি সদস্য মিরনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইউপি সদস্য মিরন মেম্বার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি মো. জসিমকে গতকাল বিকেলে সদর উপজেলার বটতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার চরচামিতা মিজি বাড়ির কাচারী ঘরের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা বস্তা ভর্তি অস্ত্র, গুলিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৪টি অস্ত্র, ২৬ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি স্ট্রেসার লাইট রয়েছে।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বারবিহীন সিএনজি চালিত অটোকিশা ও চালক জামালকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জামাল উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের নাছিরপুর গ্রামের নুর নবীর ছেলে। আর জসিম একই ইউনিয়নের চরচামিতা গ্রামের মুনছুর আহমদের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে ইউপি সদস্য মিরনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। আসামি জামাল তার দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি দেয়। আসামি জসিমের তথ্য অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া অস্ত্র মিরন হত্যা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মিরন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ইলিয়াছ কোবরা গত ১৪ অক্টোবরে দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত হয়। ওইসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :