বৃষ্টিতে কুষ্টিয়ায় বেশকিছু সড়কে পানিবন্দি মানুষ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, কুষ্টিয়া
হাসপাতালের প্রবেশ পথে জমে আছে পানি, ছবি: কুষ্টিয়া

হাসপাতালের প্রবেশ পথে জমে আছে পানি, ছবি: কুষ্টিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

একটু বৃষ্টি হলেই কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের প্রবেশ পথ ডুবে থাকে পানির নিচে৷ ফলে হাসপাতালে যাতায়াতকারী রোগী ও তাদের স্বজনদের চলাচলে পোহাতে হয় চরম দূর্ভোগ৷

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে শুধু এই হাসপাতাল চত্বর নয়, শহরের বারোশরীফ দরবারের সামনে, কলেজমোড়, র‍্যাবগলি, হাসপাতাল রোডসহ বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুষ্টিয়া মেডিকেল ম্যাটসের সামনে এবং ময়ূর চত্বর থেকে শুরু করে হাসপাতালের প্রধান গেট পর্যন্ত সড়কটি বৃষ্টির পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে আছে৷ দেখে মনে হতে পারে এটা কোনো পুকুর বা ডোবা। ফলে এখানে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

হাসপাতাল গেটের সামনে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি ফার্মেসি। মামুন ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী মামুন রেজা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বুধবার রাত থেকে বৃষ্টি হওয়ার ফলে হাসপাতালের আশপাশ ও আমাদের দোকানের চারপাশে পানিবন্দি হওয়ায় হাসপাতালে যাতায়াত করা ও ওষুধপত্র কিনতে আসা রোগীর স্বজনদের পোহাতে হচ্ছে দূর্ভোগ৷ আমরাও বাইরে বের হতে পারছিনা। হাঁটু পানি জমে থাকার ফলে সমস্যা হচ্ছে প্রকট।'

মিরপুর থেকে আসা রোগীর স্বজন আজমত আলী জানান, লিমন নামের তার এক ভাতিজা এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ওষুধ আনতে চরম বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে। প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুঁটিয়ে ওষুধ নিতে এসেছি।

র‍্যাব গলির সেভ ডায়াগনস্টিকের সামনে দেখা যায়, সেখানে হাঁটু পানি জমে আছে। সেখানকার এক ব্যবসায়ী হান্নান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কয়েকদিনের বৃষ্টিতে আমার দোকানের সামনে হাঁটু পানি জমে আছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার ফলে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।’

কলেজ মোড়ের আমিন ফার্মেসির গলির বাসিন্দা নাজমুস সাকিব বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। বাড়ির বাইরেই হাঁটু পানি জমে আছে। একটু বৃষ্টি হলেই এই গলিতেই বেশি পানি জমে থাকে। আমরা পৌর নাগরিকরা বেশি ভোগান্তিতে পড়ছি।

স্থানীয়রা জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলেও ড্রেনেজ অপরিষ্কার থাকার কারণে বৃষ্টি হলেই পানি জমে নদী হয়ে যায় এই পথটি৷ ফলে জেনারেল হাসপাতালসহ ডায়াবেটিকস হাসপাতালে যাতায়াতে সমস্যায় পড়তে হয় রোগী, রোগীর স্বজন ও পথচারীদের৷

এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভূক্তভোগীরা৷

আপনার মতামত লিখুন :