লক্ষ্মীপুরে ৩৬ বিদ্যুৎ গ্রাহকের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিল দালাল

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, লক্ষ্মীপুর
অতিরিক্ত টাকা বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অতিরিক্ত টাকা বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে ৩৬ জন গ্রাহক থেকে হাতিয়ে নেওয়া অতিরিক্ত ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৪ টাকা ফেরত দিয়েছেন এক দালাল।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ের হলরুমে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আয়োজিত সভায় টাকাগুলো ফেরত দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুদকের নোয়াখালী আঞ্চলিক সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহজাহান কবীর ও সমিতি বোর্ডের সভাপতি মনিরুল ইসলাম।

দুদক নোয়াখালী আঞ্চলিক সমন্বিত কার্যালয় সূত্র জানায়, একজন বিদ্যুৎ গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নে দুদক অভিযান চালায়। গ্রাহকদের তথ্য ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ে তদন্ত করে ৩৬ জন গ্রাহক থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে চট্টগ্রামের ঠিকাদার স্বপন বড়ুয়ার সহযোগিতায় দালাল শরীফের কাছ থেকে গ্রাহকের অতিরিক্ত ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৪ টাকা আদায় করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে প্রতি গ্রাহককে ৩ হাজার ৯৪৪ টাকা করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়

তবে নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে শরীফ জানান, তিনি বিদ্যুতের গ্রাহক। ঠিকাদারের সমন্বয়কারী কাদের নামে এক ব্যক্তি তাকে দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করিয়েছেন। বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারদেরকেও নাস্তা করানো হয়। কাদেরের কাছ থেকেই গ্রাহকদের টাকা ফেরত নেওয়া হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহজাহান কবীর বলেন, ‘নির্ধারিত ফি ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়া হয় না। কোনো দালালের চক্রকে বিশ্বাস না করে সংযোগ পেতে সরাসরি পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে আবেদন করবেন। ভুক্তভোগী ৩৬ গ্রাহককে বুধবার (২০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে।’

দুদকের নোয়াখালী আঞ্চলিক সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হটলাইনে এক গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আমরা ঘটনার সত্যতা পাই। পরবর্তীতে ঠিকাদারের সহযোগিতায় গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত টাকা উদ্ধার করা হয়। টাকাগুলো গ্রাহকদেরকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :