এবার বিশ্বের সব খেলাই দেখা যাবে র‌্যাবিটহোলে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সবচাইতে জনপ্রিয় স্পোর্টস ওটিটি র‌্যাবিটহোল এবার বাংলাদেশের ক্রিকেটের বাইরে গিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ক্রিকেট খেলা সম্প্রচার শুরু করেছে।

দর্শকদের কাছে আদুরে ডাক নাম পাওয়া "রাব্বী হোটেল" (Rabbitholebd.com) নিউজিল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার মধ্যেকার টি ২০ সিরিজ এবং আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের মধ্যেকার টেস্ট ম্যাচ এর মাঝেই লাইভ সম্প্রচার করেছে। আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কা সিরিজ ও পুরোটাই র‌্যাবিটহোল লাইভ সম্প্রচার করবে।

শুধু তাই নয়, আসন্ন বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড এওয়ে সিরিজ এবং আইপিএল এর সব খেলাও সরাসরি সম্প্রচার করবে র‌্যাবিটহোল।

 এরই মাঝে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসির অফিশিয়াল ব্রডকাস্ট পার্টনার ও হয়েছে র‌্যাবিটহোল।

এন্টারটেইনমেন্ট প্ল্যাটফর্ম র‌্যাবিটহোলবিডি বাংলাদেশের দর্শক বিশেষত ক্রীড়ানুরাগীদের মাঝে জনপ্রিয় এক নাম। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জাতীয় দলের ম্যাচ লাইভ সম্প্রচারের মধ্যে দিয়ে এই প্লাটফর্মটির যাত্রা শুরু হয়। র‌্যাবিটহোল অ্যাপ থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেখান থেকে র‌্যাবিটহোলবিডি স্পোর্টস ইউটিউব চ্যানেল এবং ২০১৮ সালে শুরু হওয়া র‌্যাবিটহোলবিডি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এরপর থেকে শুধু টাইগারদের সকল ম্যাচই নয়, ক্রিকেটের জনপ্রিয় আসর বিপিএল, আইপিএল, ডিপিএল-এর ম্যাচসহ প্রায় ৩০টিরও বেশি দ্বিপাক্ষিক ও বহুদলীয় ক্রিকেট সিরিজ কোন সাবস্ক্রিপশন ফি ছাড়াই সরাসরি সম্প্রচার করে ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০১৯ সালে আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ডকাপ কোন সাবস্ক্রিপশন ফি ছাড়াই সরাসরি সম্প্রচার করার পাশাপাশি এখন পর্যন্ত ৪টি বিশ্বকাপ ও ২টি এশিয়া কাপ সহ ৬টি আইসিসি ইভেন্ট সরাসরি সম্প্রচার করে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি, পরিণত হয় সাধারণ দর্শকদের কাছে ক্রিকেট বিনোদনে নিশ্চিন্ত নির্ভরতা ও আস্থার অপর  নামে।

তারই ধারাবাহিকতায় র‌্যাবিটহোলবিডি এখন দেশীয় গন্ডি পেরিয়ে পা রেখেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রচারের ধারাবাহিকতায়। টাইগারদের দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন সিরিজ সম্প্রচারের পাশাপাশি র‌্যাবিটহোলবিডি প্ল্যাটফর্মে এখন থেকে দেখা যাবে ক্রিকেট বিশ্বের অনান্য দেশগুলোর দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন সিরিজসহ ক্রিকেটের প্রায় সবকিছুই। যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের অন্য কোন টেলিভিশন কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। বিশেষত গত একবছর করোনা মহামারীকালীন সময়ের ভয়াবহ অচলাবস্থা পেছনে ফেলে ক্রিকেট বিশ্ব যখন ফিরছে জমজমাট চেহারায়, তখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম র‌্যাবিটহোল নিয়ে আসছে ক্রিকেটের নানা আয়োজনের চমক। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড টি-২০ সিরিজ , নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড নারী দলের ওয়ানডে ও টি-২০ সিরিজ এবং আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে টেস্ট সিরিজ সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে র‌্যাবিটহোলবিডি স্পোর্টস ইউটিউব চ্যানেল প্ল্যাটফর্মে।

এখানেই শেষ নয়, র‌্যাবিটহোলের এই অবিরাম ক্রিকেট ক্যারাভান চলমান থাকবে একটানা আরো বহুদিন। বিশেষত নিউজিল্যান্ড সফররত বাংলাদেশ দল যে ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচগুলোতে কিউইদের মুখোমুখি হবে, সেগুলোর সবগুলোই দেখা যাবে র‌্যাবিটহোলে। ২০ মার্চ প্রথম ওয়ানডেতে কিউইদের মুখোমুখি হবে টাইগারেরা। সফরের ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচগুলো বাংলাদেশে ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে youtube.com/rabbitholebd sports চ্যানেল ও www.rabbitholebd.com ওয়েবসাইটে। এছাড়াও র‌্যাবিটহোলবিডি স্পোর্টস চ্যানেলে এখন নিউজিল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া টি-২০ সিরিজ, আফগানিস্তান বনাম জিম্বাবুয়ে টেস্ট ও টি-২০ সিরিজের খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে। ৩ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া নিউজিল্যান্ড নারী দল বনাম ইংল্যান্ড নারী দলের টি-২০ সিরিজ, ৪ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম শ্রীলংকা টি-২০, ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের সকল ম্যাচ, এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ে-পাকিস্তান টি-২০ সিরিজ এবং ২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম পাকিস্তান ওয়ানডে ও টি-২০ সিরিজের সকল ম্যাচ বাংলাদেশের ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে শুধুমাত্র র‌্যাবিটহোলবিডির ইউটিউব ও ওয়েবসাইট প্ল্যাটফর্মে।

ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে ৫টি চ্যানেলে সবমিলিয়ে প্রায় এক কোটি সাবস্ক্রাইবারের বিপুল আস্থা র‌্যাবিটহোলবিডিকে পরিণত করেছে ডিজিটাল মিডিয়ায় শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর একটিতে। এই চ্যানেলগুলোর মধ্যে র‌্যাবিটহোলবিডি স্পোর্টস চ্যানেলটির সাথে এখন সংযুক্ত রয়েছে প্রায় ৫৩ লক্ষ সাবস্ক্রাইবার। বাংলাদেশের খেলা মানেই যাদের কাছে র‌্যাবিটহোল, ইউটিউব বা ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশের খেলা দেখতে যারা সবার আগে খোঁজেন র‌্যাবিটহোলবিডি চ্যানেলের লিংক। দর্শকদের এই নিশ্চিন্ত আস্থার পরিসর আরো

বাড়িয়ে দেবার বিশাল আয়োজন নিয়েই আসছে র‌্যাবিটহোলবিডি। র‌্যাবিটহোলবিডি প্ল্যাটফর্মের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কন্টেন্ট ম্যাটার্স লিমিটেডের হেড অব অপারেশন  নাজমুল আলম স্বরুপ বলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেট মানেই র‌্যাবিটহোল থেকে ক্রিকেট মানেই র‌্যাবিটহোল- এই জায়গা তৈরি করবার লক্ষ্যে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই প্ল্যাটফর্মটি। দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক যেকোন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা টুর্নামেন্ট থেকে শুরু করে আইসিসি ইভেন্ট অথবা আন্তর্জাতিক-বিভিন্ন দেশের লিগ সরাসরি দেখাবার ব্যবস্থা করবার চেষ্টা করছে র‌্যাবিটহোল। দর্শকদের নির্ভার আস্থা ও ভালোবাসাই র‌্যাবিটহোলবিডির মূল চালিকাশক্তি এবং অনুপ্রেরণা।“

এই প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও মিলেছে খুব সম্প্রতি। আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে টেস্ট সিরিজের ব্রডকাস্টার হিসেবে র‌্যাবিটহোলবিডির ইউটিউব চ্যানেলকে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক ও অভিভাবক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ডিজিটাল মিডিয়ায় তাদের তিনটি প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, টুইটার ও ইন্সটাগ্রামে অফিশিয়াল ব্রডকাস্টার হিসেবে সরাসরি প্রমোট করেছে। বাংলাদেশের কোন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে যেটি প্রথমবারের মত  পাওয়া স্বীকৃতি। ক্রিকেটবিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর স্বনামধন্য ব্রডকাস্টার কোম্পানিগুলোর কাতারে র‌্যাবিটহোলবিডিও বাংলাদেশের একমাত্র ব্রডকাস্টার মিডিয়া হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বিবেচিত হচ্ছে, এটি দেশের জন্যও চমৎকার এক অর্জন। যা নিঃসন্দেহে র‌্যাবিটহোলবিডিকে দর্শকদের জন্য তাদের সেবা আরো উন্নত ও কার্যকরী করবার জন্য প্রভূত অনুপ্রেরণা যোগাবে।

র‌্যাবিটহোলবিডির চলমান বৈচিত্র্যময় ক্রিকেট ক্যারাভানে দর্শক-শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক আমন্ত্রণ।

র‌্যাবিটহোলবিডি স্পোর্টস ইউটিউব চ্যানেল- shorturl.at/qAFLT

র‌্যাবিটহোলবিডি ওয়েবসাইট (র‌্যাবিটহোল প্রাইম)-  www.rabbitholebd.com

র‌্যাবিটহোলবিডি ফেসবুক পেইজ             -  shorturl.at/zGJP1

র‌্যাবিটহোলবিডি ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল             - shorturl.at/alyI1

 

   

জ্বালানি তেল পরিবহনের খোলনলচে বদলে দিচ্ছে ৩ মেগা প্রকল্প



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন মেগা প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি তেল পরিবহনের খোলনলচে বদলে দিতে যাচ্ছে। মেগা প্রকল্প তিনটি হলো, এসপিএম (সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং), বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন প্রকল্প।

এর মধ্যে এসপিএম (সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং) ও বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন ইতোমধ্যেই অপারেশনে এসেছে। আর ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন চলতি বছরেই শেষ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।

এখন ভোক্তার হাতে জ্বালানি তেল পৌঁছাতে বহুঘাট ঘুরতে হবে না। আবার বৃষ্টি-বাদল কিংবা হরতাল, ধর্মঘটেও জ্বালানি তেল সরবরাহ থাকবে নির্ভার। শুধু কী নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চয়তা, তাও নয়, এক এসপিএম বছরে সাশ্রয় করবে কমপক্ষে ১ হাজার কোটি টাকা! কমে যাবে জ্বালানি তেলের সিস্টেম লসও।

জ্বালানি তেল পরিবহনের খোলনলচে পাল্টে দিচ্ছে মেগা তিন প্রকল্প

এজন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে স্থাপন করা হয়েছে, এসপিএম উইথ ডাবল পাইপলাইন। এতদিন আমদানি করা জ্বালানি তেলের জাহাজ গভীর সমুদ্রে নোঙর করতো। সেখান থেকে লাইটার জাহাজে করে রিফাইনারি ট্যাংকে পৌঁছাতে সময় লাগত ১১, ১২ দিন। এসপিএম হওয়ায় সমপরিমাণ তেল পরিবহনে সময় লাগবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। এতে করে মাদার ভেসেলের ওয়েটিং চার্জ এবং লাইটারেজ জাহাজের পরিবহন খরচ আর থাকছে না।

মহেশখালী দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে স্থাপন করা হয়েছে, ভাসমান বয়া। সেই বয়া থেকে সাগরের তলদেশ দিয়ে ৩৬ ইঞ্চি ব্যাসের পৃথক দুটি পাইপলাইন পৌঁছে গেছে স্টোরেজ ট্যাংক টার্মিনালে। একটি ক্রড অয়েল সঞ্চালনের জন্য। আরেকটি দিয়ে সফলভাবে ডিজেল পরিবহন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে বয়াতে এসে নোঙর করবে মাদার ভেসেল। সেখান থেকে পাাইপলাইনের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টায় তেল পৌঁছে যাবে চট্টগ্রামের জ্বালানি তেলের প্রধান স্থাপনায়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনা সাশ্রয়ী ও টেকসই করতে এসপিএম (সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং) কার্যকরী অবদান রাখবে। প্রকল্পটি চালু হলে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা খরচ সাশ্রয় হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় ২শ ২০ কিলোমিটার পাইপলাইনে পাশাপাশি তৈরি করা হয়েছে ৬টি বিশালাকৃতির স্টোরেজ ট্যাঙ্ক; যার মাধ্যমে বাংলাদেশের তেল মজুত সক্ষমতা পৌঁছে গেছে নতুন এক উচ্চতায়।

এসপিএম প্রকল্পের পরিচালক শরীফ হাসনাত বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বড় জাহাজ থেকে তেল খালাস করতে অন্তত ১১ দিন সময় লাগে। কখনো কখনো এই তেল খালাস করতে আরো সময় লেগে যায়। বিশেষ করে সমুদ্র উত্তাল হয়ে পড়লে তখন খালাস করা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। জাহাজ মালিকদের সঙ্গে চুক্তির চেয়ে বেশি সময় লাগায় কখনো কখনো জরিমানা গুণতে হতো। এসপিএম প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় ২৮ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ডিজেল ও ক্রুড অয়েল খালাস করা সম্ভব হবে। এতে একদিকে যেমন জাহাজ ভাড়া কমে আসবে, অন্যদিকে তেল পরিবহনে সিস্টেম লস ও নানান ধরনের চুরিও প্রতিরোধ সম্ভবপর হবে।

বাংলাদেশ জ্বালানি তেল উৎপাদন করে না। গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট থেকে পেট্রোল এবং ৪০ শতাংশের মতো অকটেন জোগান আসে। বিপুল পরিমাণ ডিজেলসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি করে জোগান দেওয়া হয়। বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করা হয়, নদীপথে। কিন্তু নদী বন্দরগুলোতে নাব্যতার অভাবে বড় বড় জাহাজ বন্দরে ভিড়তে পারে না। সে কারণে নির্ভর করতে হয় লাইটারেজ জাহাজের ওপর।

মেগা প্রকল্প বদলে দিচ্ছে জ্বালানি তেল পরিবহনের ব্যবস্থা

মাদারভেসেল থেকে লাইটার বা ছোট জাহাজে করে তেল আনা হয়, বিপিসি’র (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন) ডিপোতে।

বিপিসি থেকে আবার জাহাজে করে তেল দেশের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হয়। ক্ষেত্র বিশেষে রেলের ওয়াগন এবং ট্যাংকলরিতে করেও তেল পৌঁছাতে নানান রকম ঝাক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়। বিষয়টি ছিল সময়সাপেক্ষ ও অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল। সেখানেও পরিবর্তনের হাওয়া লাগতে শুরু করেছে।

অবশেষে, ঢাকা-চট্টগ্রাম তেলের পাইপলাইন করার কাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। ২০১৭ সালে প্রাক-সমীক্ষা শেষ হলেও নানা কারণে নির্ধারিত গতিতে চলতে পারেনি প্রকল্পটি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অর্থায়নে গৃহীত এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ২শ ৩৭ কিলোমিটার, কুমিল্লা থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত ৫৯ কিলোমিটার, ফতুল্লা থেকে থেকে গোদনাইল ডিপো পর্যন্ত সাড়ে ৮ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। পাইপলাইনটি চালু হলে বছরে ৬৫ কোটি টাকা পরিবহন খরচ সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে বিপিসি।

প্রকল্পের আওতায় ২শ ৩৭ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এখন চট্টগ্রাম ডেচপার্স টার্মিনাল ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রিসিভিং পয়েন্টের ফিনিশিংয়ের কাজ চলছে। ডিসেম্বরের আগেই পাইপলাইনটি চালু করার বিষয়ে আশাবাদী জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।

অন্যদিকে, দেশের শস্যভাণ্ডার খ্যাত উত্তরাঞ্চলের জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা ছিল খুবই জটিল ও বহুঘাট, হাত ঘুরে। লাইটারেজে করে তেল নেওয়া হতো। এছাড়াও ট্যাংকলরি, আরেকটি রুট হচ্ছে রেলওয়ের মাধ্যমে পৌঁছানো। এখন সেখানেও পরিবর্তন এনেছে, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন।

দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় নিরবচ্ছিন্ন, দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ২০১৮ সালে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপ লাইন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ৩ হাজার ৬শ ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১শ ৩১.৫০ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মাণের সময়কাল ছিল ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের আগেই পাইপলাইনটি চালু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভারতের নুমালীগড় থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনের কারণে উত্তরাঞ্চলের দৈনিক অতিরিক্ত ২৯ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধি হবে। সহজে বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ করা, উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় কম খরচে এবং দ্রুততম উপায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা সম্ভব হবে এই পাইপ লাইনের কারণে।

;

বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে বাণিজ্য জোরদারে প্রতিষ্ঠিত হলো ‘জেবিসি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত ও জোরদার করার পাশাপাশি ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিলের (জেবিসি) প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশ ও কাতার।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির উপস্থিতিতে এ উপলক্ষ্যে চুক্তি সই করেছে দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং কাতারের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন কাতার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কিউসিসিআই)।

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং কিউসিসিআই চেয়ারম্যান শেখ খলিফা বিন জসিম আল থানি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। মূলত বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে বাণিজ্য জোরদার করতে এই চুক্তি স্বাক্ষ্যরিত হয়।

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে জেবিসি প্রতিষ্ঠা দুই দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করেছে। এ চুক্তির আওতায় কাতারের ব্যবসায়ীরা যেমন উপকৃত হবে তেমনি বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের পক্ষেও কাতারের রপ্তানি বাজার ধরা আরও সহজতর হবে এবং কাতার থেকে জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি সহজ হবে। একইসঙ্গে জেবিসির মাধ্যমে কাতারের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এফবিসিসিআই ও কিউবিসিসিআই’র মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও কাতারের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সেবা এবং অন্যান্য শিল্প খাতে বাণিজ্য কার্যক্রম জোরদারের একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল।

এফবিসিসিআই এবং কিউসিসিআই উভয়ই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পরিষেবা সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে উপকৃত হবে। পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়ীক তথ্যের আদান-প্রদান, সংশ্লিষ্ট সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেওয়া, প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করাসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করবে জেবিসি।

এছাড়া উভয় পক্ষই বাণিজ্য উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য যৌথ বৈঠক আয়োজন করতে পারবে। চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনে এফবিসিসিআই ও কিউসিসিআই সাব-কমিটি ও টাস্কফোর্স গঠন করতে পারবে।

 

;

সোনার দাম কমেছে ভরিতে ৩১৩৮ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মাসে তিন দফা বৃদ্ধির পরে দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ১৩৮ টাকা কমানো হয়েছে। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ হল-মার্ক করা ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ১৬ হাজার ২৯০ টাকায়। নতুন এ দাম আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হবে ।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম কমেছে, সে জন্য সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১০ হাজার ৯৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৫ হাজার ১৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭৬ হাজার ৫৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২১ এপ্রিল একদিনের ব্যবধানে ভরিতে ৬৩০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ১৯ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৭ হাজার ৭০৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭৮ হাজার ৬৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা সেদিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছিল।

তার আগে, ২০ এপ্রিল সোনার দাম ক‌মিয়ে‌ছিল বাজুস। যা ওইদিনই কার্যকর হয়। ওই দাম অনুযায়ী রোববার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেট সোনার দাম ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ১৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা।

;

বোয়িং

৬ ড্রিমলাইনার নিয়ে শঙ্কা, কী আপডেট বিমানের



ইশতিয়াক হুসাইন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বিশ্বের সর্বাধুনিক উড়োজাহাজ বোয়িং ৭৮৭ ‘ড্রিমলাইনার’-এর নির্মাণে ত্রুটিপূর্ণ রয়েছে বলে দাবি করে এই মডেলের সব উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বোয়িংয়ের সাবেক প্রকৌশলী স্যাম সাহেলপৌর সম্প্রতি এ কথা বলায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ওই প্রকৌশলী অভিযোগ করেছেন, বোয়িং ৮৭৮ ড্রিমলাইনার ছাড়া বোয়িং ৭৭৭ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে সব উড়োজাহাজের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এদের ঝুঁকি বিপর্যকর মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে।

স্যাম এটাও বলেন, আমি কখনোই উড়োজাহাজের এমন গুরুতর অবস্থা দেখিনি। তাই, কখনোই আমার পরিবারের সদস্যদের বোয়িং ড্রিমলাইনারে উঠতে দেবো না।

এই ঘটনার পর বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

এরপর বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজিম জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিমানের পক্ষ থেকে বোয়িংয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো আপডেট পেলে মন্ত্রীকে জানাবো।

পরবর্তীতে মন্ত্রী বলেছেন, বিমানের বহরে থাকা ‘ড্রিমলাইনার’ উড়োজাহাজগুলো নতুন হওয়ায় আপাতত কারিগরি সমস্যা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে ভবিষ্যতের কথা ভেবে এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ, বাংলাদেশ সরকার ও বিমানের কাছে যাত্রীদের নিরাপত্তাই মুখ্য বিষয়।

ড্রিমলাইনার কতটা নতুন
বিমানমন্ত্রী ফারুক খান বোয়িংয়ের ত্রুটির বিষয়ে ত্বরিত নির্দেশনা দিয়েছেন। এটি যেমন প্রশংসিত, তেমনি তিনি বলেছেন, ‘ড্রিমলাইনার’-এর উড়োজাহাজগুলো নতুন হওয়ায় এর কারিগরি ত্রুটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

বোয়িং কোম্পানির উড়োজাহাজ, ছবি- সংগৃহীত

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের আগস্টে দেশে প্রথম ড্রিমলাইনার অবতরণ করে। এরপর একে একে বিমানের বহরে যুক্ত হতে থাকে ‘ড্রিমলাইনার’-এর উড়োজাহাজগুলো। সর্বশেষ, ‘ড্রিমলাইনার’টি বিমানের বহরে যুক্ত হয় ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। সে হিসাবে এসব উড়োজাহাজ পুরোপুরি নতুন নয়।

দুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না বোয়িংকে
মাঝ আকাশে আলাস্কা এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজের দরজা খুলে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় এলো একই কোম্পানির ‘ড্রিমলাইনার’ মডেলের উড়োজাহাজগুলো।

‘ম্যাক্স’-এর ঘটনার পর বোয়িং ৭৮৭-৮০০ উড়োজাহাজের জানালায় ফাটলের ঘটনায় জাপানের তোয়ামা বিমানবন্দর থেকে নিপ্পন এয়ারওয়েজের উড়োজাহাজটি ছেড়ে গিয়ে দ্রুতই আবার বিমানবন্দরে ফিরে আসে। দুটি ঘটনাতেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় উড়োজাহাজ দুটি। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে বোয়িং ৭৪৭-এর একটি উড়োজাহাজে মাঝ আকাশে আগুন লাগে।

কেন বিমানের ড্রিমলাইনারের উইন্ডশিল্ডে ফাটল
বোয়িংয়ের উড়োজাহাজের দুর্ঘটনার ঝাপটা এসে লেগেছে বিমানেরও। গত জানুয়ারিতে বিমানের বোয়িং ৭৮৭-৯ উড়োজাহাজের উইন্ডশিল্ডে ফাটল দেখা দেয়।

দাম্মামগামী উড়োজাহাজটি দুই ঘণ্টা ফ্লাই করার পর ফের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসে। বোয়িংটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা। উড়োজাহাজটি ২৮৫ জন যাত্রী নিয়ে ফের ঢাকায় অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজটি জরুরি অবতরণ করে। ওই উড়োজাহাজের উইন্ডশিল্ডেও ফাটল দেখা দিয়েছিল। যদিও সেটি বিমানের নিজস্ব উড়োজাহাজ নয়। এটি লিজে আনা হয়েছিল।

উইন্ডশিল্ডে ফাটলের বিষয়ে এক বৈমানিক বলেন, উইন্ডশিল্ডে ফাটল সচরাচর ঘটে না। মাঝ আকাশে উইন্ডশিল্ডে ফাটল অবশ্যই ভীতিকর। উইন্ডশিল্ড ভেঙে গেলে উড়োজাহাজের ভেতরে চাপ কমে তা ভারসাম্যহীন হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বিমানের প্রকৌশল পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমোডর মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, চার বছরের মাথায় সাধারণত উড়োজাহাজে এ ধরনের ঘটনা ঘটার কথা না।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
এ বিষয়ে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ও বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, ‘বোয়িং ম্যাক্স’ দুর্ঘটনার পর বোয়িংয়ের নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার আবার নতুন করে ‘ড্রিমলাইনার’-এর নিরাপত্তার ইস্যুটি সামনে এলো। তাই, এটি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে উত্থাপিত বিষয়টির সুরাহা করা উচিত।

 

;