মুরগি-ডিমের দাম বেড়েছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা বাজারে বাজার করতে এসেছেন স্থানীয় স্কাইলার্ক মডেল স্কুলের শিক্ষক মামুনুর রশিদ। বার্তাটোয়েন্টিফোরকে তিনি বলেন, মাছ, মাংস, ডিম, সবজি ও মসলার দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে মুরগি ও ডিমের দাম বেশি বেড়েছে।

তিনি বলেন, যে মুরগি আগে ২২০ টাকায় কিনেছি সেটা এখন ২৮০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এমনিতেই করোনার মধ্যে খুব কষ্টে আছি। তার ওপর যদি বাজারের এই অবস্থা হয়। তাহলে আমরা কোথায় যাবো?

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বেড়েছে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম। করোনাকালীন সময়ের তুলনায় চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম হওয়া এবং অনেক খামারির ব্যবসা বন্ধের দোহাই দিয়ে এসবের দাম বেড়েছে বলা হচ্ছে।

বাগানবাড়ি এলাকার মুদি দোকানদার আনোয়ার হোসেন মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোরকে জানান, মুরগির ডিমের দাম পাইকারিতে বেড়েছে বলেই আমরা দাম বাড়িয়েছি। এখন পাইকারিতে হঠাৎ হঠাৎ কেন বাড়ে সেটা বলতে পারবো না।

রাজধানীর বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৫০-১৫৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা এদিন পাকিস্তানি কক বিক্রি করেছেন কেজি ২৮০-৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৭০-২৮০ টাকা। এর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২২০-২৩০ টাকা।

এছাড়াও বাড়ছে ডিমের দামও। এ সপ্তাহে ডিমের দাম বেড়েছে প্রতি ডজন ১০ টাকার মতো। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০৫-১১০ টাকার মধ্যে। আর মুদি দোকানে গত সপ্তাহে এক পিস ডিম বিক্রি হয় ৯ টাকা, এখন তা বেড়ে ১০ টাকা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা প্রতিপিস ডিম ১১ টাকাও বিক্রি করছেন।

মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে মুরগির চাহিদা বাড়লেও সে অনুযায়ী সরবরাহ নেই। করোনা শেষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার প্রবণতা বাড়ছে। তাই মুরগির চাহিদা খুব বেশি। কিন্তু সে অনুযায়ী নেই উৎপাদন। করোনায় অনেক খামারি ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়া, খামারে মুরগির উৎপাদন কমেছে। এ কারণেই দাম বেড়েছে।