বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে চিনি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

দর বেঁধে দেওয়া হলেও বেশিরভাগ বাজারেই বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে চিনি। খুচরা পর্যায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম নির্ধারিত দরের চেয়ে ৫ থেকে ৯ টাকা বেশি নিচ্ছেন বিক্রেতারা। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশনের (টিসিবি) তথ্যও বলছে, বর্তমানে চিনির দর বাড়তি।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারসহ কয়েকটি এলাকায় দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম রাখা হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮৪ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হতে দেখা গেছে কেজিপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়।

রাজধানীর মাটিকাটা এলাকার সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ৭৪ টাকার চিনি এখন ৮৪ টাকা দিয়ে কেন কিনতে হবে? বিষয়টা বুঝলাম না। এইভাবে দাম কেন বাড়ছে?

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রতি কেজি খোলা চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৭৪ টাকা ও প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৭৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ সুগার রিফাইনারস অ্যাসোসিয়েশন। 

কিন্তু রাজধানীর বেশিরভাগ জায়গায় বেঁধে দেওয়া এই দামে মিলছে না চিনি। চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি পর্যায়ে শুল্ক সুবিধাও দিয়েছে সরকার। কিন্তু এই শুল্ক সুবিধারও সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা।

গতকাল টিসিবি বাজারদরের যে তথ্য প্রকাশ করেছে সে অনুসারে ঢাকায় প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। এই দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।

খোলা চিনি আর প্যাকেটজাত চিনির দর এখন একই বলে জানান ভাষাণটেক এলাকার পাইকারি বিক্রেতা আনোয়ার মিয়া। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, পাইকারদের থেকে খোলা চিনি কিনে আনার পর হিসাব করলে দেখা যায়, পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি চিনির দর ৭৯ থেকে ৮০ টাকা পড়ে যায়। তাই ৮০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।