বন্ড কিনতে জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে প্রবাসীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বাজারে চালু থাকা জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের আওতায় থাকা তিনটি বন্ডের লেনদেন অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় আনা হচ্ছে। এর ফলে এখন থেকে সেখানে বিনিয়োগ করতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বাধ্যতামূলক হচ্ছে। পাশাপাশি সব ধরনের সঞ্চয় স্কিম অনলাইনের আওতায় চলে আসবে। এতে কার কোন স্কিমে কত বিনিয়োগ রয়েছে, তা এক জায়গা থেকেই জানার সুযোগ হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার নতুন এ ব্যবস্থার উদ্বোধন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রবাসীদের জন্য তিন ধরনের সঞ্চয় বন্ড রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার বন্ড। এর মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে প্রবাসীরা নিজ নামের পাশাপাশি দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের নামেও বিনিয়োগ করতে পারেন। আর বাকি দুটোতে প্রবাসীরা শুধু নিজ নামে বৈদেশিক মুদ্রায় বিনিয়োগ করতে পারেন। এসব বন্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিস এবং বিদেশে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা, এক্সচেঞ্জ হাউস, এক্সচেঞ্জ কোম্পানি ও দেশের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংক শাখা থেকে বেচাকেনা হয়ে আসছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পরিচালক (নীতি, অডিট ও আইন) মো. শাহ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রবাসী বন্ড জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের অংশ। এরই মধ্যে সঞ্চয়পত্রের লেনদেন অনলাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এখন প্রবাসীদের জন্য থাকা বন্ডগুলোকে একই সিস্টেমের আওতায় আনা হচ্ছে। কেউ সমন্বিত বিনিয়োগ সীমার বাইরে গিয়ে বিনিয়োগ করছে কিনা তা যাচাই এখন থেকে সহজ হবে।

তিনি বলেন, এখন থেকে বন্ড কিনতে জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে। যেসব প্রবাসীর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা সংশ্নিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে যাতে পরিচয়পত্র নিতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীদের তিন ধরনের বন্ডে গত জুন পর্যন্ত মোট বিনিয়োগ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। এই বিনিয়োগের বড় অংশই রয়েছে ১২ শতাংশ সুদের পাঁচ বছর মেয়াদি ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে।

লেনদেন কমে সামান্য বাড়ল সূচক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি সপ্তাহে অস্থির হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। সপ্তাহের তিন কার্যদিবসেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। মঙ্গলবারও (২৫ জানুয়ারি) এই ধারা অব‍্যাহত থাক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। সেইসঙ্গে কমেছে মোট লেনদেনের পরিমাণ।

আজ লেনদেনের শুরুতেই সূচকের উত্থান দেখা যায়। প্রথম আধা ঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৫০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। দিনের বেশিরভাগ সময় উত্থানের এই ধারা অব‍্যাহত থাকে। দিনশেষে ডিএসইএক্স গতদিনের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৭ হাজার ৩২ পয়েন্টে।

অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক দশমিক ৯৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২৬১৩ পয়েন্টে এবং শরীয়াহ সূচক দশমিক ৩৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫০৪ পয়েন্টে।

আজ ডিএসইতে মোট ৩৮০টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৭১টির এবং কমেছে ২৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম।

মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয় ১ হাজার ১১৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা। গতকাল লেনদেন হয় ১ হাজার ২১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। সে হিসেবে আজ লেনদেন কমেছে ৯৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ৪৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৩৬ কোটি ৩৪ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফরচুন সুজ।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৯ পয়েন্ট কমে ২০ হাজার ৫৫২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে আজ লেনদেনে অংশ নেয় ৩১১টি কোম্পানি। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ২১৩টির এবং ৩৫টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

;

হাওরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

হাওরে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণের বদলে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলের সেতু নির্মাণ একটু উচু করে করতে হবে যেন ছোট নৌকা ও লঞ্চ চলাচল করতে পারে। নদীর নব‍্যতা বজায় রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং করতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের সারের চাহিদা রয়েছে তবে দেশে উৎপাদন করতে গেলে গ‍্যাসের সংকট থাকে। ফলে বিদেশে কারখানা করে দেশে ব‍্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেই সার দেশের চাহিদা যেমন মিটাতে পারবে তেমনি বিদেশে ব‍্যবহার করতে পারে। এরমাধ্যমে গ‍্যাসের সংকট মোকাবিলা ও বিনিয়োগ বাড়বে। দেশের স্বার্থটা আগে রক্ষা করতে হবে।

আজ একনেক সভায় ১০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে নতুন পাঁচটি এবং সংশোধিত পাঁচটি প্রকল্প।

এসব প্রকল্পের মোট ব‍্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬২১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ১ হাজার ৫৬৬ কোটি ১০ লাখ টাকা।

;

একনেকে ৪৬২১ কোটি টাকা ব‍্যয়ে ১০ প্রকল্প অনুমোদন 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটির (একনেক) সভায় ১০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে নতুন পাঁচটি এবং সংশোধিত পাঁচটি প্রকল্প।

এসব প্রকল্পের মোট ব‍্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬২১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।  এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ১ হাজার ৫৬৬ কোটি ১০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি ) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক-এর চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ‍্যমে যুক্ত ছিলেন।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে অনুমোদিত প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ হলো: 

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের "নেত্রকোনা-বিপিউড়া-ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক (জেড-৩৭১০) উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প; ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ভবন নির্মাণ (১ম সংশোধিত)" প্রকল্প; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের "১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ (সংশোধিত ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ ও ৪টি পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ) (১ম সংশোধিত)" প্রকল্প; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের "শেখ হাসিনা সেনানিবাস বরিশাল স্থাপন (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প; কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প। যথাক্রমে “ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট" প্রকল্প এবং "আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর এ্যাপ্রোচ সড়ক প্রশস্তকরণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন (৩য় সংশোধিত)” প্রকল্প; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের "Flood and Riverbank Erosion Risk Management Investment Program (Project-2)" প্রকল্প এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে "ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ (ইউএফ-৮৫) প্ল্যান্ট স্থাপন" প্রকল্প এবং "গোপালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বরিশাল, রংপুর, জামালপুর এবং যশোর জেলায় বিটাকের ৬টি কেন্দ্র স্থাপন" প্রকল্প।

একনেক সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন,  কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম; শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ।

এছাড়া সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

সেরা ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সেরা ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

সেরা ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সেরা ব্যাংক হিসেবে আবারো স্বীকৃতি পেল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। অ্যাসেট ট্রিপল এ সাস্টেইনেবল ক্যাপিটাল মার্কেটস কান্ট্রি অ্যাওয়ার্ডস-২০২১ পেয়েছে ব্যাংকটি। টানা দ্বিতীয়বারের মতো এ স্বীকৃতি পেয়েছে ব্যাংকটি। এছাড়া ২০২১ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক মোট ৩১টি বিশেষ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।

এ অর্জন সম্পর্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও নাসের এজাজ বিজয় বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও যেভাবে আমরা সব বাধা অতিক্রম করে সফলতার দারপ্রান্তে পৌঁছেছি, এ অ্যাওয়ার্ড তারই প্রমাণস্বরূপ। আমরা একসঙ্গে আমাদের গ্রাহক ও জনসাধারণের পাশে থেকে শক্তি ও স্থিতিস্থাপকতার সঠিক পরিচালনা করেছি। এ অর্জনকে সম্ভব করার জন্য আমাদের গ্রাহক, নিয়ন্ত্রক এবং বৃহত্তর ইকসিস্টেমকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

;