সর্বজনীন পেনশন সুবিধার প্রস্তাবে যা যা আছে



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী এক বছরের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব সব নাগরিকের জন্য অবসরকালীন সুবিধা বা পেনশন চালু করতে যাচ্ছে সরকার; তবে নিবন্ধিতরা এর প্রত্যক্ষ সুফল পাওয়া শুরু করবেন ১০ বছর পর থেকে। কেউ যদি   প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ৫শ টাকা জমা করেন সরকারের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে। বয়স ৬০ পার হলেই সরকার তাকেপ্রতিমাসে পেনশন দেবে ৩২ হাজার টাকা। যদি জমানো অর্থের অঙ্ক এক হাজার টাকা হয় সেক্ষেত্রে সুবিধার অঙ্ক হবে ৬৪ হাজার টাকা।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে প্রস্তাবিত সর্বজনীন পেনশন সুবিধার বিভিন্ন তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সর্বজনীন পেনশন স্ক্রিম শুরু করা যাবে ১৮ বছর থেকে। একজন নাগরিক এ সুবিধা পাবেন জীবিত অবস্থায় ৮০ বছর পর্যন্ত। এ স্কিমে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সভেদে আর্থিক সুবিধার অঙ্কও কম-বেশি হবে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন স্কিমের জন্য জরুরিভিত্তিতে আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়কে। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা সংক্রান্ত কৌশলপত্র উপস্থাপনকালে এ নির্দেশনা দেন তিনি। এ কৌশলপত্রের ওপর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের কৌশলপত্রে হিসাব করে দেখানো হয়েছে, বেসরকারি পর্যায়ে সব নাগরিক এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সুবিধাভোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। এই পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে পৃথক একটি অ্যাকাউন্ট (হিসাব) খোলা হবে। যেখানে পেনশন পাওয়ার আগের দিন পর্যন্ত টাকা জমা দিতে হবে। সাধারণ হিসাবে দেখা গেছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে একজন মানুষ তার সক্ষমতা অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫শ, ১০০০, ১৫০০, ২০০০, ২৫০০, ৩০০০, ৩৫০০ ও ৪০০০ টাকা অ্যাকাউন্টে জমা করতে পারবেন।

পেনশন সুবিধার প্রস্তাবে যা আছে

**১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সকল কর্মক্ষম নাগরিক এই পেনশন সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন। প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিরাও এতে অংশ নিতে পারবেন। তবে সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিষয়ে পরে বিবেচনা করা হবে, কারণ এখন তারা সরকারিভাবেই একটি পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আছেন।

**জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব নাগরিক পেনশন হিসাব খুলতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে এটা হবে ঐচ্ছিক। পরে তা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

** ধারাবাহিকভাবে কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা জমা দিলে সাপেক্ষে মাসিক পেনশন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন একজন। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি পেনশন অ্যাকাউন্ট থাকবে। ফলে চাকরি বা পেশা পরিবর্তন করলেও পেনশন হিসাব অপরিবর্তিত থাকবে। মাসিক সর্বনিম্ন চাঁদার হার নির্ধারিত থাকবে। তবে প্রবাসীদের ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে চাঁদা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

**সুবিধাভোগীর বছরে ন্যূনতম বার্ষিক জমা নিশ্চিত করবেন। তা না হলে তাদের হিসাব সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। পরে বিলম্ব ফিসহ বকেয়া চাঁদা পরিশোধের মাধ্যমে হিসাব সচল হবে।

**পেনশনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (৬০ বছর) পূর্ণ হলে পেনশন তহবিলে পুঞ্জিভূত লভ্যাংশসহ জমার বিপরীতে নির্ধারিতহারে পেনশন দেওয়া হবে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রতি মাসে এই পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন।

**নির্ধারিত চাঁদা জমাকারী পেনশনে থাকাকালে ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মারা গেলে তার নমিনি সেই মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন। মূল জমাকারীর বয়স যে বছর ৭৫ বছর পূর্ণ হত, ওই বছর পর্যন্ত নমিনিকে এই পেনশন দেওয়া হবে।

**পেনশন স্কিমে জমা করা অর্থ কোনোভাবেই কোনো পর্যায়ে এককালীন উত্তোলনের সুযোগ থাকবে না। তবে আবেদনের প্রেক্ষিতে জমা অর্থের ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে তোলা যাবে, যা সুদসহ পরিশোধ করতে হবে।

**কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দেওয়ার আগেই নিবন্ধিত চাঁদাপ্রদানকারী মারা গেলে জমা অর্থ মুনাফাসহ তার নমিনিকে ফেরত দেওয়া হবে।

** পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসাবে বিবেচনা করে কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে। পেনশন বাবদ মাসিক যে অর্থ পাওয়া যাবে তা পুরোপুরি আয়কর মুক্ত থাকবে।

**পেনশন কর্তৃপক্ষের খরচসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় সরকার বহন করবে। পেনশন কর্তৃপক্ষ তহবিলে জমা অর্থ নির্ধারিত গাইডলাইন অনুযায়ী বিনিয়োগ করবে এবং সর্বোচ্চ লাভের ব্যবস্থা করবে।

আগস্টের ১০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৮১ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের আগস্ট মাসের ১০ দিনে দেশে ৮১ কো‌টি ৩০ লাখ (৮১৩ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৮০৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৯৬ টাকা ধরে)।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, ডলারের বাজার প্রায় প্রতিদিনই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এখন এক ডলার রেমিট্যান্সের বিপরীতে ব্যাংক ৯৬ থেকে ৯৮ টাকা দিচ্ছে। সঙ্গে যোগ হচ্ছে সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা। সব মিলিয়ে ১০০ টাকার মতো। এদিকে খোলা বাজারে টাকার দরপতন হয়েছে ব্যাপকভাবে। খোলা বাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৯ থেকে ১২০ টাকায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলার সংকট কাটাতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগস্ট মাস শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড গড়বে। তবে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার এবং খোলা বাজারে ডলারের দামের পার্থক্য কমাতে পারলে এর সুফল প্রবাসী আয়ে পড়বে।

গত জুলাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন, স্থানীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের চেয়ে প্রায় ২৬ কোটি ডলার বেশি এসেছে। জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার। মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এ ছাড়া আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ বছরের জুলাইয়ে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার বেশি এসেছে। গত বছর জুলাই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

;

খেলাপি ঋণের রেকর্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লাগাম ছাড়িয়েছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। চলতি বছরের জুন মাস শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণসংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। যা গত বছরের জুনের তুলনায় ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ে খেলাপির পরিমাণ ছিল ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তারা জানান, চলমান করোনা মহামারির মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় অনেক গ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না।

মহামারি করোনার কারণে ২০২০ সালে ঋণ পরিশোধ করতে ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। পরে এই বিশেষ সুবিধা তুলে নেওয়ায় খেলাপি ঋণের বাড়তে থাকে। যার ফলে ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

তাদের মতে, ঋণগ্রহীতারা এখন আগের ও চলমান কিস্তি একত্রে পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন, যার কারণে অনেকেই খেলাপি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ না করায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানান তারা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুন প্রান্তিক শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তিন মাস আগে মার্চ শেষে খেলাপি ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসে খেলাপি বেড়েছে ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা।

;

সাউথইস্ট ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা, ৮% নগদ, ৪% বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আলমগীর কবির, এফসিএ, চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য পরিচালকগণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সাউথইস্ট ব্যাংকের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করেন।

আলমগীর কবির, এফসিএ, চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য পরিচালকগণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সাউথইস্ট ব্যাংকের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করেন।

  • Font increase
  • Font Decrease

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভা গত ১১ই আগস্ট বৃহস্পতিবার, সকাল ১১ টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, এফসিএ সভাপতিত্ব করেন। সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের সম্মানিত ভাইস চেয়ারপারসন মিসেস দুলুমা আহমেদ ও পর্ষদের পরিচালকবৃন্দ মিসেস জোসনা আরা কাশেম, মো: আকিকুর রহমান, ম. মনিরুজ জামান খান (প্রতিনিধি পরিচালক: বে লিজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড), মোঃ রফিকুল ইসলাম (প্রতিনিধি পরিচালক: এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিঃ), মিস আঞ্জুমান আরা সাহিদ (প্রতিনিধি পরিচালক: সিঙ্গেল ক্লিক আইটি সলিউশন (প্রাঃ) লিঃ), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ সৈয়দ সাজেদুল করিম এবং মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। সভায় আরও সংযুক্ত ছিলেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. কামাল হোসেন এবং কোম্পানী সচিব এ.কে.এম. নাজমুল হায়দার।

ব্যাংকের সম্মানিত উদ্যোক্তাগন এবং বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভার প্রারম্ভে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে “জাতীয় শোক দিবস ২০২২” উপলক্ষে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপনকল্পে সভার সভাপতি এবং ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, এফসিএ সহ অংশগ্রহণকারী সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেল সহ পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম. কামাল হোসেন ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের স্বাগত জানান এবং ২০২১ সালে ব্যাংকের পরিচালন ফলাফলের উপর আলোকপাত করেন। তিনি ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং কৌশলসমূহ উপস্থাপন করেন যা ব্যাংকের পরিচালনগত দক্ষতা ও সম্পদের গুনগত মান বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তিনি ২০২১ সাল থেকে চলমান কোভিড-১৯ এর কারনে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতিসমূহ উত্তরণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত নীতিমালার আলোকে ব্যাংকের কৌশলগত কর্মপরিকল্পনায় যে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে তা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

সভায় ব্যাংকের পরিচালন ফলাফল, ভাল পরিচালন প্রসূত মুনাফা ও ব্যবসায়ে উত্তম প্রবৃদ্ধি অর্জনের উপর আলোকপাত করা হয়। সভায় প্রকাশ করা হয় যে, ব্যাংক বিগত ২০২১ সালে ৮,৬৭১. ১২ মিলিয়ন টাকা (সম্মিলিত) পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে ব্যাংকের আমানতের পরিমান ৩৭৬,৭০০.৭৭ মিলিয়ন টাকা, মোট সম্পদের পরিমান ৪৯৫,৮৪১.৯৬ মিলিয়ন টাকা, শেয়ার প্রতি আয় ১.৫০ টাকা (সম্মিলিত), শেয়ার প্রতি নীট সম্পদ মূল্য ২৫.২২ টাকা (সম্মিলিত) এবং শেয়ার প্রতি নীট পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ১৭.৮৯ টাকা (সম্মিলিত)। ২০২১ সালে ব্যাংকের মূল্য-আয় অনুপাত ছিল ১০.৭৫ গুন। ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২১ ইং তারিখে ব্যাংকের মূলধন ও রিজার্ভের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৪১,৩২৭.০৭ মিলিয়ন টাকায়। ব্যয় দক্ষতার ভিত্তিতে সাউথইস্ট ব্যাংক ব্যাংকিং খাতে অন্যতম শীর্ষস্থানে অবস্থান করে। ২০২১ সালে ব্যাংকের আয় অনুপাত ব্যয় ছিল ৪০.৯০% এবং কর্মচারী প্রতি মুনাফা অর্জিত হয় ০.৫৯ মিলিয়ন টাকা ও শাখা প্রতি মুনাফা অর্জিত হয় ১২.৭০ মিলিয়ন টাকা।

ব্যাংকের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত শেয়ারহোল্ডারগনের সর্বসম্মত ভোটে ৮% নগদ লভ্যাংশ ও ৪% বোনাস লভ্যাংশ এবং ২০২১ সালে সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসমূহ অনুমোদিত হয়।

ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, এফসিএ, তাঁর ভাষণে ব্যাংকের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সর্বাতœক সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য পরিচালকবৃন্দ এবং শেয়ারহোল্ডারগণের উছ¡সিত প্রশংসা করেন। ব্যাংকের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রেখে তিনি ব্যাংকের পরিচালন দক্ষতার মান ও মুনাফাবৃদ্ধির জন্য শেয়ারহোল্ডারদের পাঠানো সুচিন্তিত ও গঠনমূলক পরামর্শসমূহ বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ অনলাইনের মাধ্যমে তাঁদের মূল্যবান প্রশ্ন ও মতামত প্রেরন করেন। তাঁরা চমৎকার পরিচালন ফলাফল, স্থিতিশীল লভ্যাংশ ঘোষনা এবং তথ্য-সমৃদ্ধ, সমন্বিত এবং আকর্ষনীয় বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২১ প্রকাশের জন্য ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

;

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতার বিষয়ে জনগণের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা তুলে ধরার জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন। 

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিস্তারিত জানান।

বৈঠকে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এরইমধ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বিপিসির চেয়ারম্যান প্রেসে বিস্তারিত বলেছেন। ওটাই জাস্ট মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও কমবে কি না- জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এগুলো নিয়ে তো ওনারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এর মধ্যে আবার ব্যাখ্যা দেবেন। আজ বলে দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি একটি টেকনিক্যাল বিষয়। 

তিনি বলেন, স্বল্প পরিসরে আমি ব্যাখ্যা দিলে অনেক প্রশ্ন আসবে, উত্তরও হয়তো দেওয়া যাবে না। এজন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে বলে দেয়া হয়েছে। তাদের আবার ব্রিফিং করতে বলা হয়েছে। 

সরকার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে কি না- জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এগুলো তাদের ব্রিফিংয়ে সব ক্লিয়ার করবেন। আজ মূলত তারা পুরো ক্যাবিনেটকে ব্রিফ করেছেন। ক্যাবিনেট কোনো ওপিনিয়ন দেয়নি, বলে দিয়েছে- জ্বালানি মন্ত্রণালয় যাতে বিষয়টি পরিষ্কার করে মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য।

;