সিটি ব্যাংক এখন জাতিসংঘের নেট-জিরো ব্যাংকিং অ্যালায়েন্সের সদস্য



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি নেট-জিরো ব্যাংকিং অ্যালায়েন্সে (এনজেডবিএ) যোগদান করেছে। একটি সবুজ বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘের অধিভুক্ত সারাবিশ্বের নেতৃস্থানীয় ব্যাংকগুলি নিয়ে এই নেট জিরো ব্যাংকিং জোট গঠিত। প্যারিস চুক্তির বৈশ্বিক তাপমাত্রা লক্ষ্যসমূহ পূরণের স্বার্থে ২০৫০ সালের মধ্যে শূন্যমাত্রার কার্বন নির্গমন নীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকের ঋণদান ও বিনিয়োগ কর্মসূচি পালনে সিটি ব্যাংক এখন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স ইনিশিয়েটিভের (ইউএনইপিএফআই) উদ্যোগে নেট-জিরো ব্যাঙ্কিং অ্যালায়েন্স (এনজেডবিএ) গঠিত হয়েছে এবং এটি গ্লাসগো ফাইন্যান্সিয়াল অ্যালায়েন্স ফর নেট জিরো (জিএফএএনজেড)-এর ব্যাঙ্কিং অংশ। জলবায়ু ও অর্থ সংক্রান্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত এই জোটের সভাপতিত্ব করেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আর্থিক খাতের দায়িত্বকে বেঁধে দেবার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতেই এই জোট যারা বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সম্পদের প্রায় ৪০%-এর প্রতিনিধিত্ব করে। এই জোটে ৪০টি দেশের ১০০টিরও বেশি সদস্য ব্যাংক রয়েছে। নেট-জিরো ব্যাংকিং একটি স্বল্প-কার্বনভিত্তিক, টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি নির্মাণে ব্যাংকগুলির ভূমিকাকে নিরূপণ ও সমর্থন করে।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির অন্যতম সিটি ব্যাংক তার ঋণ, বিনিয়োগ ও উপদেষ্টা সেবার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনমানের সঙ্গে আপোষ না করে অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখছে। টেকসই অর্থায়ন ও সবুজ অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাসটেইনেবিলিটি রেটিং ২০২০ অনুসারে সিটি ব্যাংক বাংলাদেশের শীর্ষ-১০ টেকসই ব্যাংকের মধ্যে অন্যতম হিসাবে স্বীকৃতিও পেয়েছে গত বছর।

প্যারিস চুক্তি ও জাতিসংঘের বৃহত্তর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) পৌঁছানোর জন্যে সিটি ব্যাংক তার ঋণ প্রদানের বেলায় দায়িত্বশীল অর্থায়নকে মেনে চলে এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টেকসই আর্থিক নীতির আলোকে জনগণের উন্নতির জন্য গ্রাহকদের জন্য পরিবেশগত, সামাজিক এবং গভর্নেন্স (ইএসজি) বিনিয়োগ নীতি অনুসরণ করে থাকে।

খেলাপির ২ শতাংশ পরিশোধেই নতুন ঋণ পাবে চামড়া ব্যবসায়ীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
খেলাপির ২ শতাংশ পরিশোধেই নতুন ঋণ পাবে চামড়া ব্যবসায়ীরা

খেলাপির ২ শতাংশ পরিশোধেই নতুন ঋণ পাবে চামড়া ব্যবসায়ীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহা সামনে রেখে চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগের খেলাপি ঋণের ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়েই ঋণ নিয়মিত করতে পারবেন তারা। পাশাপাশি নতুন ঋণের জন্য আবেদনও করা যাবে। বিশেষ এই সুবিধা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বহাল থাকবে।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, নতুনভাবে কোভিডের সংক্রমণ বৃদ্ধি, বৈশ্বিক যুদ্ধাবস্থা এবং সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কয়েকটি এলাকায় সংঘটিত আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চামড়া ব্যবসায়ীদের (কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয়/প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্যানারি শিল্পসহ চামড়া খাতের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান/শিল্প) আগামী কোরবানির মৌসুমে প্রয়োজনীয় অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিচের নীতিমালা অনুসরণ করতে ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।

সেগুলো হলো, কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয়ের উদ্দেশে ইতোপূর্বে বিতরণ করা ঋণ বা ঋণের অংশবিশেষ খেলাপি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতার গোডাউনে স্টক অথবা সহায়ক জামানত থাকা সাপেক্ষে উক্ত খেলাপি ঋণের বিপরীতে ন্যূনতম ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট গ্রহণ সাপেক্ষে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে পুনঃতফসিল করা যাবে।

পুনঃতফসিলিকরণ পরবর্তীতে ব্যাংকিং নিয়মাচার অনুসরণ করে তফসিলি ব্যাংকসমূহ ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা যাচাই সাপেক্ষে ২০২২ সালে কোরবানি দেওয়া পশুর কাঁচা চামড়া কেনার উদ্দেশ্যে ঋণ বিতরণ করতে পারবে।

২০২২ সালে কোরবানি দেওয়া পশুর চামড়া কেনার উদ্দেশ্যে নতুন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো কম্প্রোমাইজড অ্যামাউন্ট আদায় করা যাবে না। কোরবানি দেওয়া পশুর কাঁচা চামড়া ক্রয়ের উদ্দেশে বরাদ্দ করা ঋণের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিতকরণসহ তৃণমূল পর্যায়ে চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রমে জড়িতদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। শরিয়াহভিত্তিক পরিচালিত ব্যাংকসমূহ এই নীতিমালা অনুসরণ করে বর্ণিত উদ্দেশ্যে বিনিয়োগ করতে পারবে। এই সুবিধা ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বলবত থাকবে।

;

লন্ডনের ‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লন্ডনের ‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন

লন্ডনের ‘রোসপা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটন অর্জন করেছে লন্ডনভিত্তিক ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ (RoSPA Health and Safety Gold Awards)|। উন্নত কর্ম-পরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করায় লন্ডনের দ্য রয়েল সোসাইটি ফর প্রিভেনশন অফ এক্সিডেন্ট বা রোসপা শীর্ষক ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই স্বীকৃতি পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। বাংলাদেশী উৎপাদনমুখী শিল্পখাতে ওয়ালটনই প্রথম এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করলো।

গত ২৩ জুন লন্ডনের চেশিয়ারে এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটনকে ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। ওয়ালটনের পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি (ইএইচএস) বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ লিটন মোল্ল্যা। গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ এই তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারটি প্রদান করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন গোল্ড ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার পেলো।

উল্লেখ্য, ‘রোসপা হেলথ অ্যান্ড সেফটি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ হলো বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বীকৃত স্কিমগুলির মধ্যে একটি। এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রতি বছর প্রায় ৫০টি দেশ থেকে ২ হাজার কোম্পানি নাম এন্ট্রি করে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ৭ মিলিয়নেরও বেশি এমপ্লয়ি।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির এই পদক অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে শিল্পখাতে উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। ওয়ালটন ইএইচএস বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী লিটন মোল্ল্যা বলেন, ওয়ালটনের উন্নত কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এক বিশাল অর্জন। এই পুরস্কার দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে নতুন এক মাত্রা যোগ করলো। এই সম্মাননা ওয়ালটনের ‘ভিশন-২০৩০’ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখবে। এই পুরষ্কার অর্জনের মাধ্যমে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার বেঞ্চমার্ক করা সহজ হবে।

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আঞ্জুম বলেন, উচ্চমানের পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি। যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) -এর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এসডিজির ৩, ৮ ও ৯ নাম্বার লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কর্মসুযোগ সৃষ্টি এবং স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং অভিঘাতসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিল্পয়ানের প্রবর্ধন এবং উদ্ভাবনার প্রসারণকল্পে আমরা কাজ করছি। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রোসপা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ওয়ালটন।

তিনি বলেন, মর্যাদাকর এই পুরস্কার ‘বেটার বাংলাদেশ টুমরো’ শীর্ষক উদ্যেগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যামাত্রা অর্জনে ওয়ালটন পরিবারকে আরো অনুপ্রাণিত করবে।

;

চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি

চাল আমদানির অনুমতি পেল ৯৫ কোম্পানি

  • Font increase
  • Font Decrease

চাল আমদানির জন্য ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৪ লাখ ৯ হাজার টন চাল ১১ আগস্টের মধ্যে চাল আমদানি করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সংগ্রহ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান ও অতিরিক্ত সচিব মুজিবর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অনুমতি দেওয়া হয়।

চিঠির শর্তানুযায়ী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে চালের এলসি খুলতে হবে এবং ১১ আগস্টের মধ্যে আমদানি করা চাল দেশে বাজারজাত শেষ করতে হবে। আমদানি করা চালের মধ্যে ৩ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল ও ৩০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল রয়েছে।

সময়মতো এলসি খুলতে বা আমদানি করতে ব্যর্থ হলে সেসব ব্যবসায়ীর চাল আমদানির অনুমতি বাতিল হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।

আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা খাদ্য অফিসে জানাতে হবে যে তারা কী পরিমাণ চাল আমদানি করবে, কী পরিমাণ বিক্রি করবে ও কী পরিমাণ মজুত করবে। বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে চালের দাম কমাতে এ অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২২ জুন থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আমদানি করা চালের ওপর শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ করেছে। তবে প্রতিটি চালান আমদানির সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। ৯৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টি মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টন আমদানির অনুমতি পেয়েছে। এ ছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান ২৫ হাজার টন করে, তিনটি ২০ হাজার টন করে এবং বাকিগুলো বিভিন্ন পরিমাণ চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে।

;

ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

ঈদ কেনাকাটায় ১০ হাজার আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

এবারের ঈদের কেনাকাটা আরো সাশ্রয়ী করতে দেশজুড়ে প্রায় ১০ হাজার আউটলেট ও রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ৫ থেকে ২০% পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

সারাদেশে ৩ হাজার ব্র্যান্ড ও মার্চেন্ট আউটলেটে লাইফস্টাইল সামগ্রী, পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট কিনে বিকাশ দিয়ে পেমেন্টে করলে দিনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ও অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। অন্যদিকে, দেশজুড়ে প্রায় ৭ হাজার রিটেইল দোকানে বিকাশ পেমেন্টে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন গ্রাহক। রিটেইল দোকানগুলোতে ক্যাশব্যাক পেতে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে গ্রাহককে।

১১ জুলাই, ২০২২ পর্যন্ত বিকাশ অ্যাপ, ইউএসএসডি কোড *২৪৭# মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এছাড়াও, প্রায় ৫০টি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কেনাকাটায়ও ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক নিতে পারছেন গ্রাহকরা।

অফারের আওতাভুক্ত সব মার্চেন্ট এর তালিকা এবং বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংকে- https://www.bkash.com/payment/। বিকাশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজেও অফারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাবেন গ্রাহকরা।

;