শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক থেকে খরচ ছাড়াই বিকাশে টাকা আনা যাচ্ছে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক থেকে খরচ ছাড়াই বিকাশে টাকা আনা যাচ্ছে অনায়াসে

শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক থেকে খরচ ছাড়াই বিকাশে টাকা আনা যাচ্ছে অনায়াসে

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি খাতের শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা এখন বিকাশ অ্যাকাউন্টে সহজেই দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে তাৎক্ষণিক টাকা আনতে পারছেন কোনো খরচ ছাড়াই। এই নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে বিকাশে টাকা আনার সবচেয়ে বড় ‘অ্যাড মানি’ প্ল্যাটফর্মটি আরও সমৃদ্ধ হলো।

মঙ্গলবার শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক এবং দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ যৌথভাবে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব এম. শহীদুল ইসলাম এবং বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক - আব্দুল আজিজ, এস. এম. মঈনুদ্দীন চৌধুরী ও মিঞা কামরুল হাসান চৌধুরী; উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক - মোঃ শাহ্‌জাহান সিরাজ, এম. আখতার হোসেন ও ইমতিয়াজ ইউ. আহমেদ এবং বিকাশের হেড অব ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস জায়েদ আমীন সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিকাশে টাকা আনতে প্রথমেই শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং-এ নিবন্ধিত গ্রাহককে ব্যাংকটির অ্যাপ ‘এসজেআইবিএল নেট’ থেকে ব্যাংকিং আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে। এরপর নিজের বা প্রিয়জনের বিকাশ নাম্বার বেনিফিশিয়ারি হিসেবে যুক্ত করতে হবে।

বেনিফিশিয়ারি যোগ করা হয়ে গেলে এসজেআইবিএল নেট অ্যাপের ‘ট্রান্সফার’ অপশনের ‘ওয়ালেট ট্রান্সফার’ অংশ থেকে ‘বিকাশ’ আইকনে ট্যাপ করে বিকাশ নাম্বার, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার, টাকার পরিমাণ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর ওটিপি এবং পিন নাম্বার দিলেই তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা চলে আসবে।

লেনদেন সম্পন্ন হলে গ্রাহক এসএমএস নোটিফিকেশন পাবেন। উল্লেখ্য, বিকাশে টাকা আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত লিমিট প্রযোজ্য হবে।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এখন ১৩২টি শাখা ও দেশজুড়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এটিএম বুথ নিয়ে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। বিকাশের বৃহত্তম অ্যাড মানি নেটওয়ার্কে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক যুক্ত হওয়ায় এই নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৬ কোটি ২০ লাখ গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা আনার সুযোগ তৈরি হলো। ব্যাংক থেকে বিকাশে তাৎক্ষণিক টাকা এনে সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, কেনাকাটার পেমেন্ট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুদান, স্কুল কলেজের বেতন পরিশোধ, বাস-ট্রেন-বিমান-লঞ্চ ও মুভি টিকেট ক্রয় করা, বিভিন্ন অনলাইন নিবন্ধনের ফি পরিশোধ সহ অসংখ্য সেবা খুব সহজেই নিতে পারছেন গ্রাহকরা, যা তাদের আর্থিক লেনদেনকে করেছে নিরাপদ, সহজ ও ঝামেলামুক্ত।

‘নগদ’-এ দেওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘নগদ’-এ দেওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল

‘নগদ’-এ দেওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং মাস্টারকার্ড যৌথভাবে ক্রেডিট কার্ড বিল প্রদান সুবিধা চালু করেছে। এর ফলে এখন ‘নগদ’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ইস্যু হওয়া যেকোনো মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল ‘নগদ’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রদান করা যাচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ খলিলুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘নগদ’ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক, নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম, মাস্টারকার্ড দক্ষিণ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার ভিকাস ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

মাস্টারকার্ডের ‘মানিসেন্ড’ প্ল্যাটফর্মে সাউথইস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ‘নগদ’ অ্যাপকে সংযুক্ত করায় ব্যববহারকারীরা যেকোনো বাংলাদেশি ব্যাংকের ইস্যু করা মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল ‘নগদ’ অ্যাপ থেকে প্রদান করতে পারবেন। নতুন এই সংযোজনের ফলে বাংলাদেশে কার্ড ও মোবাইল ওয়ালেটের মধ্যকার ইন্টারোপেরেবিলিটি বৃদ্ধি পাবে।

এই সেবার ফলে ‘নগদ’ গ্রাহক এবং মাস্টারকার্ডের কার্ডহোল্ডাররা ‘নগদ’ অ্যাপে তাদের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন এবং যেকোনো পরিমাণের বিল তারা ‘নগদ’-এর ‘বিল পে’ অপশনে গিয়ে প্রদান করতে পারবেন। প্রতিবার বিল প্রদানের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের বারবার নিজেদের কার্ডের তথ্য দিতে হবে না। বাংলাদেশে ইস্যুকৃত যেকোনো ব্যাংকের মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাররা কেবলমাত্র দেশের ভেতরে লেনদেনের জন্য এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। সুবিধাটি বিল পে কাউন্টারে বাড়তি ভিড় কমিয়ে গ্রাহকের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সাহায্য করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তি এখন মানুষের জীবনকে সহজ করেছে। ‘নগদ’-এর মাধ্যমে মাস্টারকার্ডের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা এখন থেকে সাউথইস্ট ব্যাংকের সহযোগিতায় বিল প্রদান করতে পারবেন। এর মাধ্যমে মানুষের সময় ও অর্থ বাঁচবে, মানুষের জীবন সহজ হবে। এমন উদ্যোগের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

‘নগদ’ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, আরও বেশি বেশি মানুষকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার জন্য এবং লেনদেনকে আরও সহজ করার জন্য ‘নগদ’ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাস্টারকার্ড ও সাউথইস্ট ব্যাংকের সাথে এই অংশীদারীত্ব আমাদের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। কারণ এর ফলে আমাদের গ্রাহকেরা যেকোনো জায়গা থেকে নিজের সুবিধামতো মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল প্রদান করতে পারবেন।

মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কার্ডহোল্ডারদের কার্ডের বিল প্রদানের সুবিধাটি ঘোষণা করতে পেরে আমি গর্বিত। ‘নগদ’ ও সাউথইস্ট ব্যাংকের সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্ব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল খাতের সাথে আমাদের সংযুক্তির পথে আরেকটি মাইলফলক হয়ে থাকল।

চুক্তির বিষয়ে সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, এসইবিএল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে চায়। বাংলাদেশকে ২০২৬ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। সেই সাথে আজকের এই অংশীদারীত্ব আমাদের এই লক্ষ্যকে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

;

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডে চলছে ঈদ ব্যাক -ক্যাশ ব্যাক অফার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডে চলছে ঈদ ব্যাক -ক্যাশ ব্যাক অফার

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডে চলছে ঈদ ব্যাক -ক্যাশ ব্যাক অফার

  • Font increase
  • Font Decrease

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মানেই ভিন্নতা, একটু ভিন্ন আয়োজন বাড়তি কিছু পাওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদে বিশ্ব সেরা ডিজাইন ও গুনগত মান এর পাশাপাশি প্রতিটি কেনাকাটায় স্ক্রাচ কার্ড এর মাধ্যমে ডায়মন্ড, গোল্ড ও প্লাটিনাম এর সকল জুয়েলারীতে নিশ্চিত  ইন্সট্যান্ট  ( সাথে সাথে ) ক্যাশ ব্যাক। প্রতিটি কেনা কাটায় নিশ্চিত উপহার। এছাড়াও প্রথম ১০ জন ক্রেতার জন্য থাকছে স্পেশাল গিফট।

সকল ডায়মন্ড জুয়েলারী উপর ২৫% ডিসকাউন্ট সহ ইএমআই (কিস্তি) সুবিধা। সবচেয়ে বড় আকর্ষন  ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর প্রতিটি শোরুমেই প্রথম দশজন কাস্টমার পাবেন ফ্রি স্পেশাল গিফট। ক্রেতারা সুযোগটি গ্রহণ করতে পারবে সারা দেশের ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর সকল শোরুম থেকে শুধুমাত্র চাঁদরাত পর্যন্ত।

অন্যদিকে অনলাইন অর্ডারে রয়েছে সকল ডায়মন্ড জুয়েলারীতে ২৫% ডিসকাউন্টের সাথে অতিরিক্ত আরো ৫% ডিসকাউন্ট, ফ্রি হোম ডেলিভারি সহ ইএমআই (কিস্তি) সুবিধা এবং স্পেশাল স্ক্রিমের জুয়েলারী। অফারটি চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত শুধুমাত্র অনলাইনে।

আর শোরুম এর মতে অনলাইইের প্রতিটি কেনাকাটায় থাকছে নিশ্চিত আকর্ষনীয় উপহার সাথে ফ্রি হোম ডেলিভারী। বিস্তারিত জানতে (২৪/৭) কল করা যাবে ০১৭১৩-১৯৯২৭০ নম্বরে এবং ভিজিট করা যাবে  www.diamondworldltd.com/EID-Scheme লিংকে।

;

কর্ণফুলীতে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর কলেজ বাজারে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘হক ইলেকট্রনিক্স’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর কলেজ বাজারে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘হক ইলেকট্রনিক্স’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ পরিবেশক শোরুম ‘মেসার্স হক ইলেকট্রনিক্স’। উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের কলেজ বাজারের হাজী ফারুক টাওয়ারে চালু হওয়া শোরুমটিতে পাওয়া যাচ্ছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, ডিজিটাল ডিভাইস, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সসহ সব ধরনের পণ্য। উদ্বোধন ও ঈদ উপলক্ষ্যে এই শোরুমের সব ধরনের ওয়ালটন পণ্যে ফ্ল্যাট ১০ শতাংশ মূল্যছাড় দেয়া হচ্ছে।

শনিবার (২ জুলাই, ২০২২) ফিতা কেটে ‘মেসার্স হক ইলেকট্রনিক্স’ শোরুমের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমদাদুল হক সরকার, ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান এবং শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম।

সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী থানার সহকারি পুলিশ পরিদর্শক স্বপন কুমার দাস, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মনিরুল হক মনা এবং হক ইলেকট্রনিক্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-স্বত্ত্বাধিকারী ইকরামুল হক পাটোয়ারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমদাদুল হক সরকার বলেন, সারা দেশে ওয়ালটনের ২০ হাজারেরও বেশি সেলস আউটলেট রয়েছে। ক্রেতারা বাংলাদেশে তৈরি ওয়ালটন পণ্য সাদরে গ্রহণ করেছেন বলেই আজ এর জনপ্রিয়তা দেশ ছাড়িয়ে বর্হিবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপশি ৪৬টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানি করছে ওয়ালটন। নতুন এই শোরুমের মাধ্যমে কর্ণফুলী এলাকায় ওয়ালটনের ব্যবসায়িক পরিধি আরো বৃদ্ধি পাবে।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চট্টগ্রামের ঘরে ঘরে এখন ওয়ালটন পণ্য। মানুষের হাতের নাগালে ওয়ালটনের মতো বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের পণ্য পাওয়া এলাকাবাসীর জন্য সৌভাগ্যের। এই এলাকায় সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ রয়েছে। এটা অব্যাহত রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।

হক শোরুমের ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) নাঈমুল আজম আল বাকী জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকটিক্যাল পণ্যের শোরুম কর্ণফুলী এলাকার মানুষের দরকার ছিলো। ওয়ালটন সেই চাহিদা পূরণ করলো। উদ্বোধন ও ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে শোরুম থেকে ক্রেতাদের জন্য সব ধরনের পণ্য কেনায় ফ্ল্যাট ১০ শতাংশ ছাড় দেয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও ওই শোরুম থেকে ক্রেতাদের জন্য আকর্র্ষণীয় বিভিন্ন সুবিধা দেয়া অব্যাহত থাকবে।

 

;

পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সাঈদা খানম



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সাঈদা খানম

পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সাঈদা খানম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স এন্ড পাবলিকেশন্স এর অতিরিক্ত পরিচালক সাঈদা খানম গত ৩ জুলাই পরিচালক (এক্স ক্যাডার-প্রকাশনা) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

তিনি ২০০০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ও পরবর্তীতে তিনি এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

খানম ১৯৯৬ সালে প্রথমে একটি উন্নয়ন সংস্থায় হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ট্রেইনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় চাকরিতে যোগদানের মাধ্যমে ব্যাংকিং পেশায় প্রবেশ করেন।

জনসংযোগ কার্যক্রমকে পেশা হিসেবে নেওয়ার আগ্রহ থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগে যোগদান করেন এবং যোগদানের পর থেকে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন।

সাঈদা খানমের পৈতিৃক নিবাস বরিশাল হলেও বেড়ে ওঠা ঢাকা শহরে। জনাব খানম দেশে-বিদেশে অনেক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। তিনি মালয়শিয়াতে Alliance for Financial Inclusion আয়োজিত নারী ও জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালায় এবং সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি, যোগাযোগ ও পরিবর্তন বিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

 ভবিষ্যতে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য যোগাযোগের ভূমিকা নিয়ে তিনি কাজ করার আশা রাখেন। সাহিত্যানুরাগী, সংস্কৃতিমনা ও প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে খানম অফিস ও সুধী মহলে সমাদৃত। খানমের স্বামী একজন প্রকৌশলী। তিনি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত, তাঁদের দুই পুত্র ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নরত।

;