ঈদ কেনাকাটায় ‘নগদ’ পেমেন্টে ৩০ শতাংশ ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঈদ কেনাকাটায় ‘নগদ’ পেমেন্টে মিলছে ৩০ শতাংশ ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট

ঈদ কেনাকাটায় ‘নগদ’ পেমেন্টে মিলছে ৩০ শতাংশ ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সবখানে সব জায়গায় কেনাকাটার জন্য গ্রাহকদের বেশি লাভ দিতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ নিয়ে এলো দারুণ সব অফার। সারাদেশে ৩০০টি ব্র্যান্ডের ৫ হাজারেরও বেশি আউটলেটে ১৪টি ক্যাটাগরিতে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করলে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অথবা ডিসকাউন্ট।

দেশের যেকোনো প্রান্তে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে লেনদেন করতে পারছেন মানুষ। তাই এই ঈদে ‘উৎসবের খুশি নগদে বেশি’ ক্যাম্পেইনের আওতায় ই-কমার্স, ইলেকট্রনিক্স, গ্রোসারি, অ্যাগ্রো সুপারস্টোর এবং ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘নগদ’ পেমেন্টে গ্রাহকেরা এই ক্যাশব্যাক বা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারছেন। গ্রাহকেরা এই অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন আগামী ১৬ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত।

এছাড়াও ঈদের দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরসহ যেকোনো ইলেকট্রনিক পণ্য কেনাকাটায় ‘নগদ’-এ পেমেন্ট করলে গ্রাহকেরা উপভোগ করতে পারবেন তাৎক্ষণিক ২০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে মিনিস্টার, ওয়ালটন, ইলেক্ট্রোমার্ট, বাটারফ্লাই, বেস্ট ইলেকট্রনিক্স, র‌্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স, ভিশন এম্পোরিয়ামসহ এমন আরও অনেক ব্র্যান্ড।

এ ছাড়া পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মেঘডুবি এগ্রো, সাদিক এগ্রো এবং ডোমেস্টিক এগ্রো সহ বেশকিছু খামারে কোরবানির পশু কিনে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করলে গ্রাহক পাচ্ছেন ইন্সট্যান্ট ক্যাশব্যাক। অফারটি চলবে ঈদের দিন পর্যন্ত। 

গ্রোসারি কেনাকাটায়ও নির্দিষ্ট মার্চেন্ট-এ ‘নগদ’ দিচ্ছে ১০ শতাংশ বা ১০০ টাকা পর্যন্ত ইন্সট্যান্ট ক্যাশব্যাক। তবে এই ক্যাশব্যাকটি গ্রাহকরা অফারের সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একবার উপভোগ করতে পারবেন। সুপারস্টোর ক্যাটাগরিতে স্বপ্ন, ইউনিমার্ট, আগোরা, মীনা বাজার, ডেইলি শপিং এবং প্রিন্স বাজারসহ বেশকিছু ব্র্যান্ডে পাওয়া যাবে এ অফারটি।

ঈদের ছুটিতে ঘোরাঘুরির জন্য ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলিংয়ে নির্দিষ্ট হোটেল বা ট্রাভেল এজেন্সি থেকে রুম বা ফ্লাইট বুকিং-এ ‘নগদ’ পেমেন্ট করলে গ্রাহকেরা উপভোগ করতে পারছেন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। এসএস হলিডেজ, বাই এয়ার টিকিটস বিডি, ট্রিপ ট্রিক্স, ট্রিপ বিয়ন্ড, ট্রাস্ট হলিডেজ, কসমস হলিডেজ, ফ্লাই এশিয়া লিমিটেড, প্রাসাদ প্যারাডাইজ ও নাজিমগর রিসোর্টসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় এই ছাড়।

অফারগুলো নিশ্চিত করতে গ্রাহকদের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই সচল থাকতে হবে। ক্যাম্পেইনের অফারগুলো বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গ্রাহকেরা ভিজিট করতে পারেন; https://nagad.com.bd/campaigns এই লিংকে।

‘নগদ’-এর আকর্ষণীয় অফারগুলো বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) শেখ আমিনুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহার কেনাকাটায় উল্লিখিত ক্যাটাগরিতে গ্রাহক পাবেন আকর্ষণীয় ছাড়। নিত্যনতুন সব ধরনের অফারের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে কিছুটা সহজ করার চেষ্টা করছি আমরা। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে আমাদের গ্রাহকেরা অনেকটা স্বস্তির সাথে যেন কেনাকাটা করতে পারেন, তারই একটি প্রচেষ্টা এই অফারগুলো।’

চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডলারের দাম বেড়ে আমদানি মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বাজারে চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

গত বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে নতুন দর নির্ধারনের আবেদন করেছে সংগঠনটি। ওই চিঠিতে বলা হয়, প্রতি ডলারের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার ৩০ টাকার মতো অবমূল্যায়ন হয়েছে। ডলারের তেজিভাবের কারণে চিনিতে শুল্কায়নের পরিমাণও বেড়ে গেছে। যে কারণে দাম বাড়াতে চাইছে তারা।

সবশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতিকেজি চিনির খুচরা মূল্য ৭৪ টাকা থেকে ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত দুই মাসে বাজারে দাম একটু একটু করে বাড়ছিল।

চিঠিতে বলা হয়, চিনি পরিশোধনকারী কারখানাগুলো বিলম্বে মূল্য পরিশোধের সুবিধা নিয়ে ঋণপত্র খুলে থাকে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে দেরিতে মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ডলারের বিপরীতে অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে; ফলে বিপুল লোকসান গুণতে হচ্ছে কোম্পানিগুলোকে। ঋণপত্র খোলার সময় ডলারের বিনিময় মূল্য ৮৩ টাকা থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন সেসব এলসির মূল্য পরিশোধের সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আমাদের কাছ থেকে প্রতি ডলার ১১৫ টাকা পর্যন্ত বিনিময়মূল্য নিচ্ছে।

এতে বলা হয়, আগে যেখানে প্রতি টন চিনি আমদানিতে শুল্ক ছিল ২২ হাজার টাকা থেকে ২৩ হাজার টাকা, এখন দিতে হচ্ছে ২৮ হাজার টাকা থেকে ২৯ হাজার টাকা। এতে পরিশোধনের পর প্রতি টন চিনির মিলগেট দাম দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ পাঁচ হাজার টাকা।অথচ বর্তমানে প্রতি টন চিনির মিলগেট মূল্য ৭৮ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

অন্যদিকে নতুন আমদানি শুল্ক অনুযায়ী প্রতি মণ চিনির মিলগেট মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৩ হাজার ৭০৩ টাকা থেকে ৩ হাজার ৮৮৮ টাকা। অথচ বর্তমানে প্রতি মণ চিনি ২ হাজার ৯০০ টাকা থেকে থেকে ২ হাজার ৯২০ টাকায় নির্ধারিত আছে।

এই পরিস্থিতিতে খরচ অনুযায়ী দাম না বাড়ালে কারখানাগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছে সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

চিনির মূল্য বৃদ্ধি ছাড়াও ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ডলারের মূল্য নির্ধারণ, পর্যাপ্ত ডলার সরবরাহ ও আমদানি শুল্ক মওকুফের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

;

বছরে ৭৩ হাজার কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালান হয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালান হয় যা বছরে প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।

শনিবার (১৩ আগস্ট ) বাজুস স্ট‍্যান্ডিং কমিটি অন এন্টি স্মাগলিং এন্ড ল এনফোর্সমেন্টের চেয়ারম্যান এনামুল হক খান দোলন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

এনামুল হক খান দোলন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অব্যাহতভাবে মার্কিন ডলারের মাত্রাতিরিক্ত দাম ও সঙ্কট সহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার উর্দ্ধমুখি দাম এবং বেপরোয়া চোরাচালানের ফলে বহুমুখি সঙ্কটে পড়েছে দেশের জুয়েলারি শিল্প। দেশে মার্কিন ডলারের দাম ১১৮ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোনার বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে দিয়েছে চোরাকারবারিদের দেশি বিদেশি সিন্ডিকেট। কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে প্রতিনিয়ত স্থানীয় পোদ্দার বা বুলিয়ন বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হচ্ছে। পোদ্দারদের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সোনার পাইকারি বাজার। পোদ্দারদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের সিন্ডিকেটের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মূলত এই চোরাকারবারিদের একাধিক সিন্ডিকেট বিদেশে সোনা পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হয়।


দেশে চলমান ডলার সঙ্কট ও অর্থপাচারের সঙ্গে সোনা চোরাচালানের সিন্ডিকেট সমূহের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতে সোনার বাজার অস্থিরতার নেপথ্যে জড়িত চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস সহ দেশের সকল আইন প্রয়োগকারি সংস্থা সমূহের জোরালো অভিযান ও শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সোনার বাজারে শৃঙ্খলা আনতে কঠোর অভিযানের বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

এনামুল হক খান বলেন, বাজুসের প্রাথমিক ধারণা- প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত-ঘামে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার করে প্রতিদিন সারাদেশের জল, স্থল ও আকাশ পথে কমপক্ষে প্রায় ২০০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার ও বার চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। যা ৩৬৫ একবছর শেষে দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা। দেশে চলমান ডলার সঙ্কটে এই ৭৩ হাজার কোটি টাকার অর্থপাচার ও চোরাচালান বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে বাজুসের প্রস্তাব হলো- সোনা চোরাকারবারিদের চিহ্নিত করতে বাজুলকে সম্পৃক্ত করে পৃথকভাবে সরকারি, মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। পাশাপাশি চোরাকারবারিদের দমনে প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে আরও কঠোর আইন করতে হবে। এছাড়াও ব্যাগেজ রুলের আওতায় সোনার বার ও অলঙ্কার আনার সুবিধা অপব্যবহারের কারণে ডলার সঙ্কট ও চোরাচালানে কী প্রভাব পড়ছে, তা জানতে বাজুসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে সমীক্ষা পরিচালনার প্রস্তাব করছি।

;

আগস্টের ১০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৮১ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের আগস্ট মাসের ১০ দিনে দেশে ৮১ কো‌টি ৩০ লাখ (৮১৩ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৮০৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৯৬ টাকা ধরে)।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, ডলারের বাজার প্রায় প্রতিদিনই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এখন এক ডলার রেমিট্যান্সের বিপরীতে ব্যাংক ৯৬ থেকে ৯৮ টাকা দিচ্ছে। সঙ্গে যোগ হচ্ছে সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা। সব মিলিয়ে ১০০ টাকার মতো। এদিকে খোলা বাজারে টাকার দরপতন হয়েছে ব্যাপকভাবে। খোলা বাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৯ থেকে ১২০ টাকায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলার সংকট কাটাতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগস্ট মাস শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড গড়বে। তবে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার এবং খোলা বাজারে ডলারের দামের পার্থক্য কমাতে পারলে এর সুফল প্রবাসী আয়ে পড়বে।

গত জুলাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন, স্থানীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের চেয়ে প্রায় ২৬ কোটি ডলার বেশি এসেছে। জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার। মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এ ছাড়া আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ বছরের জুলাইয়ে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার বেশি এসেছে। গত বছর জুলাই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

;

খেলাপি ঋণের রেকর্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লাগাম ছাড়িয়েছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। চলতি বছরের জুন মাস শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণসংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। যা গত বছরের জুনের তুলনায় ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ে খেলাপির পরিমাণ ছিল ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তারা জানান, চলমান করোনা মহামারির মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় অনেক গ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না।

মহামারি করোনার কারণে ২০২০ সালে ঋণ পরিশোধ করতে ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। পরে এই বিশেষ সুবিধা তুলে নেওয়ায় খেলাপি ঋণের বাড়তে থাকে। যার ফলে ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

তাদের মতে, ঋণগ্রহীতারা এখন আগের ও চলমান কিস্তি একত্রে পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন, যার কারণে অনেকেই খেলাপি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ না করায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানান তারা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুন প্রান্তিক শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তিন মাস আগে মার্চ শেষে খেলাপি ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসে খেলাপি বেড়েছে ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা।

;