৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস

৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবলা করে চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট আজ সংসদে পাস করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল গত ৯ জুন জাতীয় সংসদে ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন’ শ্লোগান সম্বলিত এ বাজেট পেশ করেন।

আজ বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীগণ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯ টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।

এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ১৩ জন সংসদ সদস্য মোট ৬৬৪টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং জননিরাপত্তা বিভাগ ৪টি মঞ্জুরী দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, ফখরুল ইমাম, রুস্তম আলী ফরাজী, পনির উদ্দিন আহমেদ, মজিবুল হক, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, রুমীন ফারহানা, গণফোরামের মোক্কাবির খান এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।

এরপর সংসদ সদস্যগণ টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২২ পাসের মাধ্যমে ২০২২- ২৩ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।

এর আগে গতকাল ২৯ জুন সংসদে অর্থ বিল ২০২২ পাসের মাধ্যমে বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।

এদিকে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ  দেয়া  হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা।

বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য সূত্র থেকে কর রাজস্ব ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর বহির্ভূত ১৮ হাজার কোটি টাকা, কর ব্যতিত প্রাপ্তি ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫.৫ শতাংশ। ২০২১-২২অর্থ বছরের বাজেটে ঘাটতি ছিল জিডিপির  ৬.২ শতাংশ।

এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ১২  হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা আহরণ করা হবে। বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ঋণ পরিশোধ খাতে ১৭ হাজার কোটি রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ৩৫ হাজার কোটি টাকা, ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে ৪০ হাজার ১ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা  হয়েছে।

বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতি ৫.৬  শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৭.০৫ শতাংশ; এর মধ্যে মানবসম্পদ খাতে (শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত) বরাদ্দ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা। ভৌত অবকাঠামো খাতে ২ লাখ ৮৬০ কোটি টাকা বা ২৯.৬২ শতাংশ; যার মধ্যে সার্বিক কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৮৬ হাজার ৭৯৮ কোটি; যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৭৯ হাজার ২৬ কোটি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৬ হাজার ৬৫ কোটি টাকা। সাধারণ সেবা খাতে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২২.৫৯ শতাংশ। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি), বিভিন্ন শিল্পে আর্থিক সহায়তা, ভর্তুকি, রাষ্ট্রায়ত্ত, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ব্যয় বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৩ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৭.৮৪ শতাংশ; সুদ পরিশোধ বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১১.৮৫ শতাংশ; নিট ঋণদান ও অন্যান্য ব্যয় খাতে ৭ হাজার ৪১ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১.০৪ শতাংশ।

বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. সেলিম উদ্দিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলায়মান ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন।

বক্তব্য দেন ডাইরেক্টর মো. জয়নাল আবেদীন ও প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল আলম। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন ব্যাংকের শরী‘আহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার। ব্যাংকের ডাইরেক্টর প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল করিম, প্রফেসর মো. কামাল উদ্দিন, সৈয়দ আবু আসাদ, মো. কামরুল হাসান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর, প্রফেসর ড. মো. ফসিউল আলম, খুরশীদ উল আলম এবং মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এতে অংশগ্রহণ করেন।

আরও বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, মো. ওমর ফারুক খান ও জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, জোনপ্রধান ও শাখাসমূহের ব্যবস্থাপকসহ কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৪ আগস্ট দেশব্যাপী ব্যাংকের ১৬টি জোন ও ৩৮৪টি শাখার উদ্যোগে পৃথক পৃথক আলোচনা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

;

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ

ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর উদ্যোগে ১৫ আগস্ট সোমবার জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ব্যাংকের ডাইরেক্টর মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, মোঃ ওমর ফারুক খান ও জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস, ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ নাইয়ার আজম, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার, আবুল ফয়েজ মুহাম্মাদ কামালউদ্দিন ও মুহাম্মদ শাব্বির, চীফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী ও আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এসএম রবিউল হাসানসহ ব্যাংকের  নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকে নতুন এমডি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

রোববার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে এ তিন ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগের তথ্য জানায়।

প্রজ্ঞাপনে জানা যায়, রূপালী ব্যাংকের নতুন এমডি হয়েছেন ওই ব্যাংকেরই ডিএমডি মোহম্মদ জাহাঙ্গীর, সোনালী ব্যাংকের নতুন এমডি হয়েছেন বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের এমডি আফজাল করিম এবং অগ্রণী ব্যাংকের নতুন এমডি হয়েছেন সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি মুরশেদুল কবীর।

তাদের তিন বছরের জন্য এ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

;

আন্তঃব্যাংক ডলার বেচাকেনার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে ডলার বাজার স্থিতিশীল করতে ব্যাংক থেকে ব্যাংকে বা আন্তব্যাংক ডলার বেচাকেনার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা রফতানির বিল দ্রুত দেশে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশে ডলারের সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্যই এবিবি ও বাফেদার সঙ্গে আজকের বৈঠক। কীভাবে বাজার স্থিতিশীল করা যায়, সেই বিষয়ে তাদের কাছ থেকেও কিছু পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবিবি ও বাফেদা কথা দিয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডলারের মার্কেট স্থিতিশীল হবে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে নির্দেশনা তাদেরকে দিয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো- ব্যাংকগুলোকে তাদের রফতানি বিল দ্রুত দেশে এনে নগদায়ন করতে হবে। অন্যটি হলো- নিজেদের মধ্যে আন্তঃব্যাংক লেনদেন কার্যকর করা।

মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমদানি কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক যে সব নির্দেশনা দিয়েছে এটা কার্যকর হতে শুরু করেছে। অলরেডি ৩১ শতাংশ আমদানি কমে এসেছে। আশাকরি আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে ডলার বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে যাবে।

;