অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট

অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার শেরাটন হোটেলে ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় কমিউনিকেশন সামিটের একাদশতম আয়োজন। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনটির সহযোগিতায় যুক্ত ছিলো দ্য ডেইলি স্টার এবং কানস লায়নস।

এ বছরের সম্মেলনের আলোচ্য থিম ছিলো-ক্রিয়েটিভিটি ইন চ্যালেঞ্জিং টাইমস। করোনাকালীন সময়ে বৈশ্বিক কমিউনিকেশনের মাধ্যম গুলো ব্যপকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু এই মহামারী একইসাথে আমাদের ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন চর্চায় নতুনত্ব বয়ে আনে এবং অধিক কার্যকর পন্থার সাথে পরিচিতি ঘটায়। তাই এবারের কমিউনিকেশন সামিটের মূল বিষয়বস্তুই ছিলো মহামারী পরবর্তী পৃথিবীতে সৃজনশীলতা এবং কার্যকর কমিউনিকেশন চর্চার বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক দিক নিয়ে।

এই সম্মেলনটি বৈশ্বিক এবং শীর্ষস্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা, নীতি নির্ধারক এবং বুদ্ধিজীবিদের একটি আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী করে দেয়। তারা পারস্পরিক মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞতা বর্ণনার মাধ্যমে কার্যকরী কমিউনিকেশনের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন। 

সম্মেলনটির উদ্বোধনী বক্তব্যেই বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ফাউন্ডার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শরিফুল ইসলাম বলেন, "কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং এই সময়ে সৃজনশীলতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, যা স্পষ্টভাবে সম্পৃক্ত মহলের মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুত হতে ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবর্তন করবে" ।

কমিউনিকেশন সামিটের মূল কার্যক্রমে ছিলো ৪ টি কি-নোট সেশন ,৫ টি প্যানেল আলোচনা, ২ টি কেস স্টাডি এবং একটি কনভারসেশন।

এ বছরের সম্মেলনে মূল বক্তারা ছিলেন: টে গুয়ান হিন, গ্রুপ চেয়ারম্যান, বিবিডিও, সিঙ্গাপুর; সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান এন্ড চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার, 82.5 কমিউনিকেশনস, ওগিলভি গ্রুপ; সৈয়দ গাউসুল আলম শাওন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড কান্ট্রি হেড, গ্রে গ্রুপ বাংলাদেশ এবং ডেভ ম্যাককগান, ঠট লিডার এন্ড স্টোরিটেলার, বিবিলিওসেক্সুয়াল; কো-ফাউন্ডার মার্কেটিং ফিউচারস।

একটি মূল বিষয় যা সামিট এ বার বার উঠে আসছিলো তা হলো প্রতিটি পরিবর্তনশীল মিডিয়া, যোগাযোগ এবং ডিজিটাল মাধ্যম গুলোর সাথে যদি আমাদেরকে মানিয়ে চলতে হয় তাহলে আমাদেরকে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের মাধ্যমে নিজেদের ক্রমাগত উন্নত করতে হবে |

সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান এন্ড চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার, 82.5 কমিউনিকেশনস কিনোট বক্তব্যেই কঠিন সময়ে বিজ্ঞাপনের গুরুত্ব ;এবং কীভাবে নতুন এবং প্রথাগত বিজ্ঞাপনের মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর প্রয়োজন আমাদেরকে সামনে ধাবিত করবে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

 আরও একটি কিনোট আলোচনায় টে গুয়ান হিন, গ্রুপ চেয়ারম্যান, বিবিডিও তার আলোচনায় ভবিষ্যতের পরিবরতনের সাথে কিভাবে নিজের পরিবর্তন জরুরি তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

অন্যান্য সম্মানিত বক্তারা ছিলেন: সারাহ আলী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এফসিবি-বিটোপি; নাজিম ফারহান চৌধুরী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, অ্যাডকম লিমিটেড; ইরেশ যাকের, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লি.; অজয় কুমার কুন্ডু, সিইও, মিডিয়াকম লিমিটেড; মোঃ শাদমান সাদিকীন, মার্কেটিং ডিরেক্টর, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লি.; নাফীস আনোয়ার চৌধুরী, ডিরেক্টর, মার্কেটিং, গ্রামীণফোন লি.; শাম্মী রুবায়েত করিম, হেড অব কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস, নেসলে বাংলাদেশ লি.; অ্যালেন এবেনেজার এরিক, মার্কেটিং ডিরেক্টর, ম্যারিকো বাংলাদেশ লি.;

আশরাফ বিন তাজ, বোর্ড মেম্বার, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ; ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আইডিসি বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড; সারা যাকের, কো-চেয়ারপারসন, এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি; গীতিয়ারা সাফিয়া চৌধুরী, চেয়ারপারসন, অ্যাডকম লিমিটেড; ত্রপা মজুমদার, ডিরেক্টর, এক্সপ্রেশনস লি.; রাশিকা ওসমান, হেড অফ স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং, অ্যাডকম লি.; আয়েশা ফারজানা, ভিপি, ক্লায়েন্ট সার্ভিস, গ্রে গ্রুপ বাংলাদেশ; শারমিন রহমান, হেড অব কর্পোরেট ব্র্যান্ড অ্যান্ড এনগেজমেন্ট, গ্রামীণফোন লি.; তানজিলা বাহার চৌধুরী, ডিরেক্টর, ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন, এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি; নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা, ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট, ডিরেক্টর ও ক্রিয়েটিভ এডিটর, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম; প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম; প্রেসিডেন্ট, উইমেন ইন লিডারশিপ; জাকিয়া জেরিন, সিনিয়র ম্যানেজার, মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্ট, নেসলে বাংলাদেশ লি.; ইশরাক ঢালী, ডিরেক্টর, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড সার্ভিসিং, ম্যাগনিটো ডিজিটাল; মোঃ কামরুল হাসান, বিজনেস ডিরেক্টর, এসিআই লিমিটেড; সালাহউদ্দিন শাহেদ, চিফ অপারেটিং অফিসার, এফসিবি বিটোপি; রাসেল মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, এক্স; দ্রাবির আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার এন্ড ডিরেক্টর, এক্স; নুসরাত জাহান, মার্কেটিং ডিরেক্টর, রেকিট বাংলাদেশ; কাজী মহিউদ্দিন, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, ব্র্যান্ড, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ; খন্দকার শামীম রহমান, জেনারেল ম্যানেজার, হেড অব মার্কেটিং, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; রিসালাত সিদ্দিক, চেয়ারম্যান, দ্য ম্যান অব স্টিল, অ্যানালাইজেন বাংলাদেশ লি.; রাজবীন আবীর, মার্কেটিং লিড, বাংলাদেশ, দ্য কোকা-কোলা কোম্পানি এবং তুসনুভা আহমেদ টিনা, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, মাইন্ডশেয়ার।

কমিউনিকেশন সামিটের পরে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের অন্যতম আয়োজন ১১তম কমওয়ার্ড: এক্সিলেন্স ইন ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন অনুষ্ঠিত হয়।

কমিউনিকেশন সামিট বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের একটি উদ্যোগ। এই আয়োজনের সহযোগিতায় ছিলো দ্য ডেইলি স্টার এবং কানস লায়নস। বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম (বিসিএফ) এবং রোরিং লায়ন্স এই আয়োজনের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। ইভেন্টের নলেজ পার্টনার - মার্কেটিং সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ পার্টনার - প্রিমা আর্ট ফাউন্ডেশন, টেকনোলজি পার্টনার – আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড, হসপিটালিটি পার্টনার - শেরাটন ঢাকা, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার - চ্যানেল আই অনলাইন এবং পিআর পার্টনার - ব্যাকপেজ পিআর।

স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে

স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহর এলাকায়। শুক্রবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর ) বিকাল ৪ টা ৪৫ মিনিটে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, বগুড়া নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ এ এইচ এম মুশিহুর রহমান, বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এ কে এম রাজিউল্লাহ, বগুড়া জেল খানা মসজিদের হাফেজ আবদুল গাফফার ইমাম , স্বপ্নর জোনাল ম্যানেজার অপারেশন মুসা তারেক, আউটলেট ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকে ।

এটি স্বপ্নের ২৫০ তম আউটলেট। স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন এখন দেশের ৪৩টি জেলায়। বগুড়া উপশহরে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা: রুমানা ম্যানশন, রোড ২১, বাড়ী ২২, হাউজিং এস্টেট, উপশহর, বগুড়া । হোম ডেলিভারির জন্য যোগাযোগের নাম্বার ০১৭১৪-৫৬০৪৮৩।

;

কর্ণফূলী গ্যাসে বড়চোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছোট চোরের বিচারের



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফিরোজ খান, সফিউল আজম খান এবং এমএ মাজেদ

ফিরোজ খান, সফিউল আজম খান এবং এমএ মাজেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদসহ দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার পদক্ষেপকে দায়সারা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দফা তদন্তে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রমাণ পাওয়ার পরও স্বপদে বহাল রাখার ঘটনা নজীর বিহীন বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

কেজিডিসিএল এর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, সিন্ডিকেটের হোতাদের স্বপদে বহাল রেখে তাদেরকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাগরেদদের বিচার করার। যাদের বিচার করা জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারাতো তার সকল অপকর্মের সহযোগী। সাগরেদকে রক্ষা করতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি অনেকটা এমন হয়েছে, বড় চোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছোটদের বিচারের।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, এক কোম্পানি থেকে সরিয়ে অন্য কোম্পানির দায়িত্ব দেওয়াকে আমি শাস্তি মনে করি না। আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি। পেট্রোবাংলা থেকে ডেপুটেশনে থাকা দুই কর্মকর্তাকে (ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ, কোম্পানি সচিব ফিরোজ খান) আমার স্বাক্ষরে শোকজ করা হয়েছে। জবাব পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন জবাব দাখিলের সময় সীমা শেষ হয় নি।

তিনি বলেন, ডিপির (বিভাগীয় ব্যবস্থা) ক্ষেত্রে যদি কোন অনিয়ম হয়, উভয় ক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা্র ব্যবস্থা রয়েছে। যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তিনিও যেমন আওতাভুক্ত, তেমনি আমারও জবাবদিহিতার জায়গা রয়েছে। অতএব কোন দিক থেকেই অনিয়মের সুযোগ নেই।

পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যানের কাছে প্রশ্ন ছিল, তদন্ত কমিটি সিন্ডিকেটের তথ্য প্রমাণ পেয়েছে। সেই সিন্ডিকেট প্রধানদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহযোগিদের বিচারের। এ কারণে ন্যায় বিচার নিয়ে অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছে। জবাবে পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান বলেছেন, তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত করেছে ঠিকই। তাদেরকে কি অত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছে। তাদেরওতো বক্তব্য থাকতে পারে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। বিচারিক ব্যবস্থায় তিন দফায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, আমি যতদিন এই চেয়ারে রয়েছি, অনিয়ম করলে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

কেজিডিসিএল সূত্র জানিয়েছে, ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বেশিরভাগ কর্মকর্তা এখনও বহাল তবিয়তে। বিশেষ করে সিন্ডিকেটের প্রধান কোম্পানি সচিব ফিরোজ খান ও অন্যতম সহযোগি জিএম সফিউল আজম খান, জিএম আমিনুর রহমান ছড়ি ঘুরিয়ে যাচ্ছেন। নিচের দিকে কয়েকজনের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত ও আইওয়াসের জন্য কয়েকজনের ডেস্ক পরিবর্তন করা হয়েছে। ইনক্রিমেন্ট গুরুদন্ড হলেও দপ্তর বদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতো মহাজালিয়াতির পরও তাদের এমন আস্ফালন অন্যদের হতাশ করে। সৎভাবে কাজ করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলে, চেইন অব কমান্ড নষ্ট হয়ে যায় প্রতিষ্ঠানের।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পেট্রোবাংলা কয়েক বছর ধরে শুধু তদন্তেই করে গেলো। শাস্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে জনমনে।তারা যদি আন্তরিক হতো, প্রথম তদন্তের পরেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। এখনও তাদের বহাল রেখে সঠিক বিচার আশা করা কঠিন। ওরা ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আরও জালিয়াতি করতে পারে। আগেও যেভাবে রেজিস্টার কাঁটাছেড়া করেছে, আরও করতে পারে। তাই ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হলে তাদেরকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া জরুরি।

গত সপ্তাহে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জিএম (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোজাহার আলীকে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের বিষয়ে। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, আমি মাত্র দু’দিন অফিস করেছি, এরপর সাপ্তাহিক ছুটি চলছে। এখনও সবকিছু জানা হয় নি।

কেজিডিসিএল’র দুর্নীতির বিষয়ে সর্বশেষ কমিটি গঠন (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২)  করা হয় পরিচালক (পরিকল্পনা) আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ এর নেতৃত্বে। ৪ সদস্যের ওই কমিটি গঠনই করা হয় পরিচালকের (অপারেশন এন্ড মাইন্স) নেতৃত্বে গঠিত কমিটির রিপোর্টের ‍উপর ভিত্তি করে। আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ কমিটি তদন্তে অসংখ্য অনিয়মের পাশাপাশি কেজিডিসিএল’এ একটি সিন্ডিকেটের প্রমাণ পেয়েছেন। কমিটি তার ৩১ পৃষ্ঠার রিপোর্টে অসংখ্যা দুর্নীতির তথ্য তুলে এনেছেন। কমিটি বলেছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদকে পাশ কাটিয়ে নতুন সংযোগ ও পুনঃসংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এতে একদিকে নিয়মকানুন লঙ্ঘিত হয়েছে, অপরদিকে কোম্পানি তথা রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বোর্ড পেপারে জালিয়াতি, সিন্ডিকেটের বাইরে থাকা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি আটকানোসহ মহাদুর্নীতির তথ্য প্রমান পেয়েছে কমিটি।

তদন্ত কমিটি সুপারিশে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ, বিপণন উত্তর ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক (চ.দা) প্রকৌশলী সফিউল আজম খান, বিপণন দক্ষিণ ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক আমিনুর রহমান, জিএম (প্রশাসন) ফিরোজ খানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে কমিটি।

কেজিডিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ এর সরকারি নম্বরে একাধিক দফায় ফোন দিলেও বন্ধ পাওয়া গেছে।

;

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর এলাকায়।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি পার্টনার সৈয়দ আলী হায়দার, স্থানীয় বিশিষ্ট গুরুজন আবদুস সালাম, রিজিওনাল ম্যানেজার অব অপারেশন আজিম উদ্দিন, আউটলেট ম্যানেজার আহমেদ হোসেনসহ অনেকে ।

এটি স্বপ্নের ২৪৯তম আউটলেট। স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন এখন দেশের ৪৩টি জেলায়। মৌলভীবাজারের শেরপুরে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা: হালিমা অ্যান্ড নাইমা কমপ্লেক্স, শেরপুর হাইওয়ে রােড, শেরপুর, মৌলভীবাজার।

;

নীতি সুদহার ফের বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে আবারও নীতি সুদহার বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ নির্দেশনার ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে হলে আগের চেয়ে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি সুদ দিতে হবে। এর ফলে রেপো সুদহার বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। রোববার (২ অক্টোবর) থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মনিটারি পলিসি কমিটির (এমপিসি) ৫৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে গত চার মাসে তিন দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়াল। অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ওভারনাইট রেপো সুদহার বেসিস পয়েন্ট ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো। তবে রিভার্স রেপো তথা ব্যাংকগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা তোলার সুদহার বিদ্যমান ৪ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে।

চলতি বছরের মে মাসের আগ পর্যন্ত রেপোর সুদহার ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত ২৯ মে এক নির্দেশনার মাধ্যমে বেসিস পয়েন্ট শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। এরপর ৩০ জুন আবার বেসিস পয়েন্ট ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ দফায় বেসিস পয়েন্ট বাড়ল ২৫ শতাংশ।

২০২০ সালে করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর আগে অবশ্য রেপোর সুদহার ছিল ৬ শতাংশ। তিন দফায় ১ দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়ে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নামানো হয়। ২০১৩ সালে রেপোতে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

;