অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট

অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার শেরাটন হোটেলে ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় কমিউনিকেশন সামিটের একাদশতম আয়োজন। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনটির সহযোগিতায় যুক্ত ছিলো দ্য ডেইলি স্টার এবং কানস লায়নস।

এ বছরের সম্মেলনের আলোচ্য থিম ছিলো-ক্রিয়েটিভিটি ইন চ্যালেঞ্জিং টাইমস। করোনাকালীন সময়ে বৈশ্বিক কমিউনিকেশনের মাধ্যম গুলো ব্যপকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু এই মহামারী একইসাথে আমাদের ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন চর্চায় নতুনত্ব বয়ে আনে এবং অধিক কার্যকর পন্থার সাথে পরিচিতি ঘটায়। তাই এবারের কমিউনিকেশন সামিটের মূল বিষয়বস্তুই ছিলো মহামারী পরবর্তী পৃথিবীতে সৃজনশীলতা এবং কার্যকর কমিউনিকেশন চর্চার বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক দিক নিয়ে।

এই সম্মেলনটি বৈশ্বিক এবং শীর্ষস্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা, নীতি নির্ধারক এবং বুদ্ধিজীবিদের একটি আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী করে দেয়। তারা পারস্পরিক মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞতা বর্ণনার মাধ্যমে কার্যকরী কমিউনিকেশনের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন। 

সম্মেলনটির উদ্বোধনী বক্তব্যেই বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ফাউন্ডার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শরিফুল ইসলাম বলেন, "কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং এই সময়ে সৃজনশীলতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, যা স্পষ্টভাবে সম্পৃক্ত মহলের মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুত হতে ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবর্তন করবে" ।

কমিউনিকেশন সামিটের মূল কার্যক্রমে ছিলো ৪ টি কি-নোট সেশন ,৫ টি প্যানেল আলোচনা, ২ টি কেস স্টাডি এবং একটি কনভারসেশন।

এ বছরের সম্মেলনে মূল বক্তারা ছিলেন: টে গুয়ান হিন, গ্রুপ চেয়ারম্যান, বিবিডিও, সিঙ্গাপুর; সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান এন্ড চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার, 82.5 কমিউনিকেশনস, ওগিলভি গ্রুপ; সৈয়দ গাউসুল আলম শাওন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড কান্ট্রি হেড, গ্রে গ্রুপ বাংলাদেশ এবং ডেভ ম্যাককগান, ঠট লিডার এন্ড স্টোরিটেলার, বিবিলিওসেক্সুয়াল; কো-ফাউন্ডার মার্কেটিং ফিউচারস।

একটি মূল বিষয় যা সামিট এ বার বার উঠে আসছিলো তা হলো প্রতিটি পরিবর্তনশীল মিডিয়া, যোগাযোগ এবং ডিজিটাল মাধ্যম গুলোর সাথে যদি আমাদেরকে মানিয়ে চলতে হয় তাহলে আমাদেরকে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের মাধ্যমে নিজেদের ক্রমাগত উন্নত করতে হবে |

সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান এন্ড চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার, 82.5 কমিউনিকেশনস কিনোট বক্তব্যেই কঠিন সময়ে বিজ্ঞাপনের গুরুত্ব ;এবং কীভাবে নতুন এবং প্রথাগত বিজ্ঞাপনের মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর প্রয়োজন আমাদেরকে সামনে ধাবিত করবে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

 আরও একটি কিনোট আলোচনায় টে গুয়ান হিন, গ্রুপ চেয়ারম্যান, বিবিডিও তার আলোচনায় ভবিষ্যতের পরিবরতনের সাথে কিভাবে নিজের পরিবর্তন জরুরি তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

অন্যান্য সম্মানিত বক্তারা ছিলেন: সারাহ আলী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এফসিবি-বিটোপি; নাজিম ফারহান চৌধুরী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, অ্যাডকম লিমিটেড; ইরেশ যাকের, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লি.; অজয় কুমার কুন্ডু, সিইও, মিডিয়াকম লিমিটেড; মোঃ শাদমান সাদিকীন, মার্কেটিং ডিরেক্টর, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লি.; নাফীস আনোয়ার চৌধুরী, ডিরেক্টর, মার্কেটিং, গ্রামীণফোন লি.; শাম্মী রুবায়েত করিম, হেড অব কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস, নেসলে বাংলাদেশ লি.; অ্যালেন এবেনেজার এরিক, মার্কেটিং ডিরেক্টর, ম্যারিকো বাংলাদেশ লি.;

আশরাফ বিন তাজ, বোর্ড মেম্বার, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ; ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আইডিসি বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড; সারা যাকের, কো-চেয়ারপারসন, এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি; গীতিয়ারা সাফিয়া চৌধুরী, চেয়ারপারসন, অ্যাডকম লিমিটেড; ত্রপা মজুমদার, ডিরেক্টর, এক্সপ্রেশনস লি.; রাশিকা ওসমান, হেড অফ স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং, অ্যাডকম লি.; আয়েশা ফারজানা, ভিপি, ক্লায়েন্ট সার্ভিস, গ্রে গ্রুপ বাংলাদেশ; শারমিন রহমান, হেড অব কর্পোরেট ব্র্যান্ড অ্যান্ড এনগেজমেন্ট, গ্রামীণফোন লি.; তানজিলা বাহার চৌধুরী, ডিরেক্টর, ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন, এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি; নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা, ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট, ডিরেক্টর ও ক্রিয়েটিভ এডিটর, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম; প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম; প্রেসিডেন্ট, উইমেন ইন লিডারশিপ; জাকিয়া জেরিন, সিনিয়র ম্যানেজার, মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্ট, নেসলে বাংলাদেশ লি.; ইশরাক ঢালী, ডিরেক্টর, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড সার্ভিসিং, ম্যাগনিটো ডিজিটাল; মোঃ কামরুল হাসান, বিজনেস ডিরেক্টর, এসিআই লিমিটেড; সালাহউদ্দিন শাহেদ, চিফ অপারেটিং অফিসার, এফসিবি বিটোপি; রাসেল মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, এক্স; দ্রাবির আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার এন্ড ডিরেক্টর, এক্স; নুসরাত জাহান, মার্কেটিং ডিরেক্টর, রেকিট বাংলাদেশ; কাজী মহিউদ্দিন, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, ব্র্যান্ড, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ; খন্দকার শামীম রহমান, জেনারেল ম্যানেজার, হেড অব মার্কেটিং, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; রিসালাত সিদ্দিক, চেয়ারম্যান, দ্য ম্যান অব স্টিল, অ্যানালাইজেন বাংলাদেশ লি.; রাজবীন আবীর, মার্কেটিং লিড, বাংলাদেশ, দ্য কোকা-কোলা কোম্পানি এবং তুসনুভা আহমেদ টিনা, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, মাইন্ডশেয়ার।

কমিউনিকেশন সামিটের পরে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের অন্যতম আয়োজন ১১তম কমওয়ার্ড: এক্সিলেন্স ইন ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন অনুষ্ঠিত হয়।

কমিউনিকেশন সামিট বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের একটি উদ্যোগ। এই আয়োজনের সহযোগিতায় ছিলো দ্য ডেইলি স্টার এবং কানস লায়নস। বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম (বিসিএফ) এবং রোরিং লায়ন্স এই আয়োজনের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। ইভেন্টের নলেজ পার্টনার - মার্কেটিং সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ পার্টনার - প্রিমা আর্ট ফাউন্ডেশন, টেকনোলজি পার্টনার – আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড, হসপিটালিটি পার্টনার - শেরাটন ঢাকা, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার - চ্যানেল আই অনলাইন এবং পিআর পার্টনার - ব্যাকপেজ পিআর।

আমরা উদ্বিগ্ন, দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান: আমিন হেলালী



আশরাফুল ইসলাম পরিকল্পনা সম্পাদক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলমান কর্মসূচিতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, যান চলাচলে বাধা প্রদানসহ নাশকতায় উদ্বেগ জানিয়ে আন্দোলনকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব চেম্বার কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিন হেলালী।

বৃৃহস্পতিবার দুপুরে কোটা আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বার্তা২৪.কম এর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বিবেচনায় একদিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির থাকলে দেড় থেকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতির আশাঙ্কা আছে জানিয়ে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ২-৩ মাসেও এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।

আমিন হেলালীর কাছে প্রশ্ন ছিল, চলমান কোটা আন্দোলন সহিংসহ কর্মকাণ্ডকে ব্যবসায়ীরা কিভাবে দেখছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গেল কয়েক দিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ যেটা দেখছি তাতে আমরা ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। মিটিং-মিছিল, আন্দোলন, দাবি-দাওয়া থাকবে। বিগত ১৫ বছরে আমাদের যে কালচার ক্রিয়েট হয়েছে তার জন্য আমাদের অর্থনীতি এগিয়ে গেছে।’

‘সরকারের মাত্র ১৪ লক্ষ এমপ্লয়ী। আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রতি বছর ২৭ লক্ষ ছেলে-মেয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করে। এই বিপুল সংখ্যক তরুণদের যদি কর্মসংস্থান দিতে হয় তবে অর্থনীতিকে বন্ধ রেখে তো চলবে না। আমি মনেকরি দায়িত্বশীল নাগরিক আমাদের সবাইকে হতে হবে’-বলেন এফবিসিসিআই’র এই নেতা।

চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে আমিন হেলালী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেসব দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে, সে বিষয়েও আমরা মনে করি এর একটা যৌক্তিকতা আছে। তবে বিষয়টি এখন আইন-আদালতে রয়েছে। সমাধান পর্যন্ত তো আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। নট এ বিগ ডিল। তবে এ নিশ্চয়ই একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেতে হবে।’

তিনি মনে করেন, এমন কোন ঘটনা ঘটে নাই যে আজকেই করতে হবে। আমরা সরকার, ছাত্র-ছাত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে বলব, দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন করতে হবে। নিয়ম তো প্রতিপালন করতেই হবে। কিন্তু অবস্থা এমন হয়েছে যে আমরা কোর্ট মানি না। প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানকেই শ্রদ্ধা করতে হবে।

সহিংস কর্মসূচিতে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে আমিন হেলালী বলেন, ‘রাষ্ট্রের অর্থনীতি যদি সম্বৃদ্ধ না হয়, কোষাগারে যদি রাজস্ব জমা না হয়, তাহলে কর্মসংস্থান কোথা থেকে হবে। রাজস্ব আসতে হলে বেসরকারি খাত বা অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য যেখানে আছে সেগুলোকে নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। এখানে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। এখানে প্রত্যেকেরই এজেন্ডা আছে। আমরা বলতে চাই, পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। রাষ্ট্রের ইন্টারেস্টে সবাইকে এক থাকতে হবে।’

বৈশ্বিক আর্থিক মন্দাদশায় সহিংস কর্মসূচি দীর্ঘায়িত হলে কি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে, এমন প্রশ্নে আমিন হেলালী বলেন, ‘যদি আমরা হিসাব করি, একদিনের অর্থনীতি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তিন মাসেও তা পূরণ করা যায় না। পুরো পৃথিবীতে এখন এডভার্স সিচুয়েশন। প্রতিদ্বন্ধিতামূলক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। তার মধ্যেও যদি আবার অস্থিতিশীল অবস্থা ফিরে আসে তবে সেই ক্ষতি কাটানো কঠিন।’

‘বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে গেছে। করোনা, ইউক্রেন যুদ্ধ-নানা মেরুকরণে পুরো পৃথিবীতে এখন একটা সংকটজনক অবস্থা। এর প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিও আক্রান্ত। সেই সংকট পেরিয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রয়োজন। এখন যদি অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয় তা হলে তাহলে আমরা আরও সংকটে পড়ব’-যোগ করেন তিনি।

কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘এখন যা হচ্ছে...আমরা মনেকরি এটি স্পষ্ট যে এখানে শুধু ছাত্র না। এখানে অনেক ইন্ধনদাতা ইনভলব হয়ে গেছে। সরকারের দায়িত্ব আছে এদের চিহ্নিত করা এবং ছাত্রদের যে দাবি আছে সেটাকে ডেকে নিয়ে কিভাবে সুষ্টু সমাধান করা যায়।’

আমিন হেলালী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘নাগরিক হিসাবে প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে শ্রদ্ধা জানাই। কিন্তু সেটা নিয়মতান্ত্রিক হতে হবে। অনিয়ম আমরা চাই না এবং আমরা সেটাকে নিরুৎসাহিত করি। এবং ছাত্ররা তাদের ক্যাম্পাসে আন্দোলন করবে...আন্দোলনটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজকে যে সহিংসতাটা এটা তাদের পক্ষে করা সম্ভব না। আমি মনে করি এখানে মুরুব্বি ঢুকে গেছে। যারা মুরুব্বীয়ানা করছে, ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদেরকে।’

;

২৪টি এয়ারক্রাফট দিয়ে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট, দশম বর্ষে ইউএস-বাংলা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

ছবি: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারী বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা অতিক্রম করেছে সাফল্যগাঁথা দশটি বছর। ১৭ জুলাই ২০২৪ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১১তম বর্ষে পদার্পণ করছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দশম বর্ষপূর্তিতে সকল শুভানূধ্যায়ীদের জানাচ্ছে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

১৭ জুলাই ২০১৪ ইউএস-বাংলা ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের আকাশপথে যাত্রা শুরু করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সকল বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা করে স্বল্পতম সময়ে আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সূদৃঢ় করেছে ইউএস-বাংলা।

অভ্যন্তরীণ রুট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহীতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা যাত্রা শুরুর দু’বছরের মধ্যে ১৫ মে ২০১৬ তারিখে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রুটে ডানা মেলে। ইউএস-বাংলার আন্তর্জাতিক রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে কলকাতা, চেন্নাই, মালে, মাস্কাট, দোহা, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, জেদ্দা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজু।

নিকট ভবিষ্যতে দিল্লী, রিয়াদ, দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এছাড়া ২০২৫ সালের মধ্যে লন্ডন, রোম সহ ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্য ও ২০২৭ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরেন্টোতে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে মোট চব্বিশটি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যার মধ্যে দুইটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, নয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, দশটি এটিআর ৭২-৬০০ এবং তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট আছে। যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯০% এর অধিক অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে ইউএস-বাংলার।

যাত্রীসেবায় অনন্য নজির স্থাপন করায় ইউএস-বাংলা দেশীয় এয়ারলাইন্স হিসেবে যাত্রীদের কাছে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশে-বিদেশে বর্তমানে প্রায় ৩০০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে ইউএস-বাংলার। যা দেশের বেকার সমস্যা সমাধানেও কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত ট্যাক্স-সারচার্জ পরিশোধ করে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছে। বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে করছে আরো সূদৃঢ়।

ইউএস-বাংলার টিকেট সংগ্রহ করার জন্য রয়েছে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস সুবিধা। দেশে এবং দেশের বাহিরে নিজস্ব ৪০টির অধিক সেলস্ অফিস রয়েছে। ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ারদের জন্য রয়েছে ‘স্কাইস্টার’ প্রোগ্রাম।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স খুব শীঘ্রই নিজস্ব এমআরও (মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার এন্ড অপারেশনস্) প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। দক্ষ মানব সম্পদ তৈরী করতে ইউএস-বাংলা ফ্লাইং স্কুল, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।

স্বাধীনতার পর ইউএস-বাংলা-ই প্রথম কোনো দেশীয় বিমান সংস্থা যা, চীনের কোনো গন্তব্যে বা ভারতের চেন্নাই কিংবা মালদ্বীপের রাজধানী মালে-তে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যাত্রীদেরকে বেশ কয়েকটি স্পেশাল সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা, যা অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এভিয়েশন শিল্পে। উল্লেখযোগ্য সার্ভিসগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরনের পর মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে লাগেজ ডেলিভারী। “আপনি লাগেজের জন্য অপেক্ষা করবেন না বরং লাগেজ আপনার জন্য অপেক্ষা করবে”- এই ধারনাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই ইউএস-বাংলা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

ইউএস-বাংলা শুধু যাত্রীই পরিবহন করে না, সাথে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে কার্গোও পরিবহন করে থাকে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউএস-বাংলা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসহ খেলাধূলার উন্নয়নের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে আছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোন ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। বর্তমান বিশ্বে যাত্রীদের সঠিক সেবা প্রদান করার জন্য ব্র্যান্ডনিউ এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। ইউএস-বাংলা যাত্রীদের আরামদায়ক সেবাকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করে চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।”
এছাড়া দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তিনি আরো বলেন, “ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সাফল্যে ভরা দশ বছর এর সাথে যে সকল সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্ট, ট্যূর অপারেটর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত যেসকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের সকলের প্রতি ইউএস-বাংলা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।”

;

বেসিসের ফিনটেক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ার হলেন নগদের ইডি এলিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম সেরা এমএফএস ও ফাস্টেট ইউনিকর্ন নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের এই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্টে নগদের ভূমিকার একটি বহিঃপ্রকাশ ঘটল। বিস্তৃত উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গীসম্পন্ন নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের এই নিয়োগের মাধ্যমে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।

বেসিস-এর ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট উদ্ভাবনী চিন্তা ও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবেন। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কমিটির সদস্যদের অনুপ্রাণিত করতেও তিনি ভূমিকা রাখবেন।

এই স্ট্যান্ডিং কমিটি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গুরুত্ব দেবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশনকে আরও বেশি জনপ্রিয় করতে ও ফিনটেক স্টার্টআপের সমৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট নতুন এই দায়িত্বের বিষয়ে বলেন, ‘বেসিস-এর ফিনটেক ও ডিজিটাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ায় আমি সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও আরো বেশি অন্তর্ভূক্তিমূলক আর্থিক অবকাঠামো তৈরিতে এই ইন্ডাস্ট্রির নেতা ও অংশীজনদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে চাই।’

একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বিভিন্ন ধরনের সফল ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি পেশাজীবী, ক্রীড়া এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি বড়তাকিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক,

পাশাপাশি জেসিআই চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেসিআই বাংলাদেশের দুইবারের সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া জেসিআই বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারপারসন ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন এলিট।

;

ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কিনে বিকাশ পেমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কিনে বিকাশ পেমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট

ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কিনে বিকাশ পেমেন্টে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইনে ওয়ালটনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ওয়ালটন প্লাজা থেকে নির্দিষ্ট এয়ার কন্ডিশনার, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, হোম অ্যান্ড কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস, টিভি, কম্পিউটার অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ কিনে পেমেন্ট বিকাশ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট।

waltonplaza.com.bd অথবা eplaza.waltonbd.com থেকে প্রোডাক্ট ক্যাটাগরির ভিত্তিতে একজন গ্রাহক একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২১,৫৯৯ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। ৩১ জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত অফার চলাকালীন একজন গ্রাহক যতবার প্রয়োজন ততবার লেনদেন করতে পারবেন।

ডিসকাউন্ট পেতে হলে গ্রাহককে পেমেন্ট গেটওয়ে, বিকাশ অ্যাপ, *২৪৭# ডায়াল করে কিংবা পেমেন্ট লিংকে ক্লিক করে উল্লেখ্য মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে সফলভাবে পেমেন্ট করতে হবে। অফারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে - https://www.bkash.com/campaign/walton-online-offer – লিংকে।

;