জাতির জনকের প্রতি ইউনিয়ন ব্যাংকের শ্রদ্ধা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতির জনকের প্রতি ইউনিয়ন ব্যাংকের শ্রদ্ধা

জাতির জনকের প্রতি ইউনিয়ন ব্যাংকের শ্রদ্ধা

  • Font increase
  • Font Decrease

১৫ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতিজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষে ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড এরপ্রধান কার্যালয়, ৭২, বাহেলা টাওয়ার, গুলশান-১, ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ব্যাংকেরব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওএ. বি. এম. মোকাম্মেল হক চৌধুরী।

এ উপলক্ষে বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় খাদ্য বিতরণ এবং বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষ রোপণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান এবংউপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলামসহ প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানগণ ও নির্বাহীবৃন্দ। এ উপলক্ষে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

জালিয়াতির নিয়োগে বিপিসিতে এটিএম সেলিম ও মণি লাল



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জালিয়াতির নিয়োগে বিপিসিতে এটিএম সেলিম ও মণি লাল

জালিয়াতির নিয়োগে বিপিসিতে এটিএম সেলিম ও মণি লাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) এটিএম সেলিম ও মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মণি লাল দাশের নিয়োগ জালিয়াতির প্রশ্নে নিরব কর্তারা। অনেক দিন ধরেই বিষয়টি আলোচিত হলেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিপিসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কর্মকর্তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, যেহেতু বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এর সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত। পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পর জালিয়াতির তথ্য মুছে ফেলতে ফাইলগুলোই সম্ভবত গায়েব করে ফেলা হয়েছে। এখন আর এগুলোর হদিস মিলছে না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের লোকজনও এমন শঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে পরীক্ষা ছাড়াই বিপিসিতে চাকরি পান এটিএম সেলিম ও মণি লাল দাশ। বিপিসি সূত্র জানিয়েছে, ৪টি পদের বিপরীতে ১৯৯৬ সালে ….দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ বোর্ড সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে হিসাব বিভাগে কাজী শহীদুর রহমান, বাণিজ্য বিভাগে আবুল কালাম আজাদ, এমআইএস বিভাগে মোঃ সোয়েব আহমেদ ও পরিকল্পনা বিভাগে মোঃ মনিরুল ইসলাম নিয়োগ দেয়। নিয়োগ পাওয়ার ৩ মাসের মাথায় সোয়েব আহমেদ চাকরি ছেড়ে পূর্বের কর্মস্থল সিলেট গ্যাস ফিল্ডে ফিরে যান। এতে একটি সহকারী ব্যবস্থাপক পদ শূন্য হয়ে পড়ে।  অন্যদিকে মোঃ মনিরুল ইসলাম বিসিএস (পুলিশ) এ নিয়োগ পেলে বিপিসি ছেড়ে গেলে দু’টি পদ শূন্য হয়ে পড়ে।

আর সেই শূন্যপদে এটিএম সেলিম ও মণি লাল দাশকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মহাজালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কিংবা কোন পরীক্ষার আয়োজনের কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। আবার পুর্বের নিয়োগের সময়ও কোন প্যানেল ছিল না। তাহলে কি করে এই নিয়োগ দেওয়া হলো সেই নিয়ে রয়েছে ধুম্রজাল।

বিপিসি সূত্র জানিয়েছেন, এটিএম সেলিমের চাচা কামাল উদ্দিন ছিলেন বিপিসির প্রভাবশালী কর্মকর্তা। যাকে স্থানীয়রা ডিসি কামাল বলেই জানেন। কামাল উদ্দিন প্রথমে বিপিসি সচিব ও পরে পরিচালক পদেও দায়িত্ব পালন করেন। তার আর্শীবাদে পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ পেয়ে যান এটিএম সেলিম। সোয়েব আহমেদ যোগদান করেছিলেন ১৯৯৯ সালের ১ আগস্টে আর এটিএম সেলিম বিপিসিতে যোগদান করেন ৪ নভেম্বরে। অর্থাৎ পুরোপুরি ৩ মাসের ব্যবধান রয়েছে।

বিপিসির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, দেখেন নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয় নির্দিষ্ট একটি তারিখ দিয়ে। ৪ মাস সময় দিয়ে নিয়োগপত্র ইস্যু করার নজীর খুঁজে পাওয়া যাবে না। কখনও কি দেখেছেন কয়েকমাস লম্বা সময় দিয়ে নিয়োগপত্র ইস্যু করতে। এতেই তো প্রমাণ হয়ে যায় এটিএম সেলিমের নিয়োগে জালিয়াতির ইস্যুটি।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

এ বিষয়ে মহাব্যবস্থাপক এটিএম সেলিম বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমার নিয়োগে কোন জালিয়াতির ঘটনা ঘটেনি। সঠিক প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়েছি। অন্যরা যখন যোগদান করেন, তখন কেনো যোগদান করলেন না, এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে বলেন বিষয়টি বিপিসির কাছে জানতে চান। আমি কিছু বলতে পারবো না।

তার কাছে প্রশ্ন ছিল আপনি নিয়োগ পেয়েছেন, বিপিসির কাছে যেতে বলার কারণ কি! নিয়োগপত্রের যোগদানের সময় কি কয়েকমাস রাখা হয়েছিল? এটিএম সেলিম এবারও বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই, বিপিসি ভালো বলতে পারবে।

জনকণ্ঠ পত্রিকার ওই বিজ্ঞপ্তির পর নতুন কোন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল কিনা। তিনি কোন সময় আবেদন করেছিলেন। এসব প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে রাজি হননি এটিএম সেলিম।

অন্যদিকে মণি লাল দাশের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সহকারি ম্যানেজার পদের জন্য অভিজ্ঞতাসহ ন্যুনতম দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক পাশ চাওয়া হয়। কিন্তু মণি লাল দাশের স্নাতকের রেজাল্ট তৃতীয় শ্রেণি। এ কারণে বিপিসির ওই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে তার আবেদন করার যোগ্যতাই ছিল না। সেই মণি লাল নিয়োগ পেয়েছেন, আবার সময়ে অসময়ে প্রমোশন পেয়ে মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) পদে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে ভারতে টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এমন কোন বছর নেই ভারত সফর করেন নি। কখনও একাধিক দফায় সফরের রেকর্ড রয়েছে। তদন্ত করা হলের পিকে হালদারের মতো থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে পারে।

পরিকল্পনা বিভাগে নিয়োগ পাওয়া মোঃ মনিরুল ইসলাম চাকরি ছেড়ে দিলে কপাল খুলে যায় মণি লালের। অভিযোগ উঠেছে তিনিও এটিএম সেলিমের মতো পেছনের দরজা দিয়ে আসীন হয়েছেন বিপিসিতে।

এ বিষয়ে একাধিক দফায় ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি মণি লাল দাশ। এমনকি এসএমএস দিলেও সাড়া দেন নি।

এটিএম সেলিম যোগদানের পর থেকে বেপরোয়া দুর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগের সূত্র ধরে এটিএম সেলিমের বেপরোয়া  দুর্নীতির তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে। দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, সংস্থার হিসাব ও স্বার্থ রক্ষার কথা থাকলেও বরাবরই ব্যক্তিগত হিসেবটাই এটিএম সেলিমের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।

চান্দগাঁও থানার খালাসী লেকের বিপরীত দিতে ৪ ইউনিটের ৬ তলা বিশিষ্ট বিশাল একটি ভবনের মালিক। নগরীর চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে নামে বেনামে একাধিক দোকান। শুধু চট্টগ্রাম নয় দুর্নীতির টাকায় এটি এম সেলিমের সম্পদের সম্রাজ্য গড়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকাতেও।

বিপিসির রন্ধে রন্ধে থাকা দুর্নীতি বন্ধে অটোমেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া থামিয়ে রেখেছে এটিএম সেলিম চক্র। অটোমেশন হলে দুনীর্তি লুটপাট অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যেতো। বিশেষ করে তেল বিক্রি ও মজুদ এক ক্লিকেই দেখা যেতো। তাতে করে অধীনস্থ কম্পানিগুলো (পদ্মা, মেঘনা, যমুনা) ব্যাংকে টাকা ফেলে রেখে ব্যক্তিগত সুবিধা নিতে পারত না। যেভাবে বিপিসি খ্যাত, অখ্যাত (ক্রেডিট রেটিংয়ের নিচে থাকা) ব্যাংকে কয়েক হাজার কোটি টাকা জামানত রেখে কমিশন পেয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানের সদরদপ্তর চট্টগ্রামে আর তহবিল রাখা হয়েছে একটি ব্যাংকের উত্তরা শাখায়, কেনো কিসের জন্য সে প্রশ্নের উত্তর সবার জানা।

সরকার যখন জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বলছে, তখনও বেপরোয়া এটিএম সেলিম। অফিসের গাড়িটি সারাদিন পারিবারিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। সকালে তাকে অফিসে নামিয়ে দিয়ে চলে যায় ছেলে- মেয়েকে স্কুলে আনা নেওয়ার জন্য। দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটি কখনও চট্টগ্রাম ক্লাবে, কখনও র‌্যাডিসন হোটেলে সাঁতার কাটতে যায়। বিগত কয়েকমাস মাস ধরে চলছে সেই রুটিন। মেয়ের সাতার শেখার ফাঁকে স্ত্রীকে দোকানে আনা নেওয়া করে এ গাড়ি। গাড়ির মাইল মিটার এবং অফিসের সিসি ক্যামেরার রেকর্ড যাচাই করলেই এসব ধরা পড়বে।

নিজের পকেট ভারি করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিপিসিকে ঠেলে দিয়েছেন লোকসানের দিকে। ব্যাংকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আমানত থাকা অবস্থায় (এসএনডি ও এফডিআর) প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন ব্যাংক ঋণ নিয়ে। এতে দেখা গেছে, আমানতের বিপরীতে প্রাপ্ত সুদের চেয়ে ঋণের বিপরীতে পরিশোধিত সুদের পরিমাণ ২৭৮ কোটি টাকা বেশি। অর্থাৎ ঋণ না নিয়ে নিজেদের আমানত থেকে বিপিসির একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে ২৭৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হতো। সবকিছু জেনেও শুধু নিজের মুনাফার ধান্দায় সেই কাজটি করে বিপিসিকে ডুবিয়েছেন এটি এম সেলিম।  এই দুর্নীতির বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি। ২৩আগস্ট বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আসম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, বিপিসিতে অনেক ঘাটতি রয়েছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কম। তাদের অনিয়মের চিত্র দেখে কমিটি ‘শকড’ (স্তম্ভিত)। বিভিন্ন কেনাকাটা ও নিরীক্ষায় যেসব আপত্তি এসেছে, তাদের সেগুলো সমন্বয় করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা কিছুই করেনি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিপিসি চেয়ারম্যানকে ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি।

;

স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে

স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহরে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন বগুড়া উপশহর এলাকায়। শুক্রবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর ) বিকাল ৪ টা ৪৫ মিনিটে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, বগুড়া নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ এ এইচ এম মুশিহুর রহমান, বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এ কে এম রাজিউল্লাহ, বগুড়া জেল খানা মসজিদের হাফেজ আবদুল গাফফার ইমাম , স্বপ্নর জোনাল ম্যানেজার অপারেশন মুসা তারেক, আউটলেট ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকে ।

এটি স্বপ্নের ২৫০ তম আউটলেট। স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন এখন দেশের ৪৩টি জেলায়। বগুড়া উপশহরে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা: রুমানা ম্যানশন, রোড ২১, বাড়ী ২২, হাউজিং এস্টেট, উপশহর, বগুড়া । হোম ডেলিভারির জন্য যোগাযোগের নাম্বার ০১৭১৪-৫৬০৪৮৩।

;

কর্ণফূলী গ্যাসে বড়চোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছোট চোরের বিচারের



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফিরোজ খান, সফিউল আজম খান এবং এমএ মাজেদ

ফিরোজ খান, সফিউল আজম খান এবং এমএ মাজেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদসহ দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার পদক্ষেপকে দায়সারা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দফা তদন্তে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রমাণ পাওয়ার পরও স্বপদে বহাল রাখার ঘটনা নজীর বিহীন বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

কেজিডিসিএল এর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, সিন্ডিকেটের হোতাদের স্বপদে বহাল রেখে তাদেরকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাগরেদদের বিচার করার। যাদের বিচার করা জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারাতো তার সকল অপকর্মের সহযোগী। সাগরেদকে রক্ষা করতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি অনেকটা এমন হয়েছে, বড় চোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছোটদের বিচারের।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, এক কোম্পানি থেকে সরিয়ে অন্য কোম্পানির দায়িত্ব দেওয়াকে আমি শাস্তি মনে করি না। আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি। পেট্রোবাংলা থেকে ডেপুটেশনে থাকা দুই কর্মকর্তাকে (ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ, কোম্পানি সচিব ফিরোজ খান) আমার স্বাক্ষরে শোকজ করা হয়েছে। জবাব পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন জবাব দাখিলের সময় সীমা শেষ হয় নি।

তিনি বলেন, ডিপির (বিভাগীয় ব্যবস্থা) ক্ষেত্রে যদি কোন অনিয়ম হয়, উভয় ক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা্র ব্যবস্থা রয়েছে। যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তিনিও যেমন আওতাভুক্ত, তেমনি আমারও জবাবদিহিতার জায়গা রয়েছে। অতএব কোন দিক থেকেই অনিয়মের সুযোগ নেই।

পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যানের কাছে প্রশ্ন ছিল, তদন্ত কমিটি সিন্ডিকেটের তথ্য প্রমাণ পেয়েছে। সেই সিন্ডিকেট প্রধানদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহযোগিদের বিচারের। এ কারণে ন্যায় বিচার নিয়ে অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছে। জবাবে পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান বলেছেন, তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত করেছে ঠিকই। তাদেরকে কি অত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছে। তাদেরওতো বক্তব্য থাকতে পারে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। বিচারিক ব্যবস্থায় তিন দফায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, আমি যতদিন এই চেয়ারে রয়েছি, অনিয়ম করলে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

কেজিডিসিএল সূত্র জানিয়েছে, ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বেশিরভাগ কর্মকর্তা এখনও বহাল তবিয়তে। বিশেষ করে সিন্ডিকেটের প্রধান কোম্পানি সচিব ফিরোজ খান ও অন্যতম সহযোগি জিএম সফিউল আজম খান, জিএম আমিনুর রহমান ছড়ি ঘুরিয়ে যাচ্ছেন। নিচের দিকে কয়েকজনের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত ও আইওয়াসের জন্য কয়েকজনের ডেস্ক পরিবর্তন করা হয়েছে। ইনক্রিমেন্ট গুরুদন্ড হলেও দপ্তর বদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতো মহাজালিয়াতির পরও তাদের এমন আস্ফালন অন্যদের হতাশ করে। সৎভাবে কাজ করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলে, চেইন অব কমান্ড নষ্ট হয়ে যায় প্রতিষ্ঠানের।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পেট্রোবাংলা কয়েক বছর ধরে শুধু তদন্তেই করে গেলো। শাস্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে জনমনে।তারা যদি আন্তরিক হতো, প্রথম তদন্তের পরেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। এখনও তাদের বহাল রেখে সঠিক বিচার আশা করা কঠিন। ওরা ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আরও জালিয়াতি করতে পারে। আগেও যেভাবে রেজিস্টার কাঁটাছেড়া করেছে, আরও করতে পারে। তাই ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হলে তাদেরকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া জরুরি।

গত সপ্তাহে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জিএম (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোজাহার আলীকে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের বিষয়ে। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, আমি মাত্র দু’দিন অফিস করেছি, এরপর সাপ্তাহিক ছুটি চলছে। এখনও সবকিছু জানা হয় নি।

কেজিডিসিএল’র দুর্নীতির বিষয়ে সর্বশেষ কমিটি গঠন (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২)  করা হয় পরিচালক (পরিকল্পনা) আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ এর নেতৃত্বে। ৪ সদস্যের ওই কমিটি গঠনই করা হয় পরিচালকের (অপারেশন এন্ড মাইন্স) নেতৃত্বে গঠিত কমিটির রিপোর্টের ‍উপর ভিত্তি করে। আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ কমিটি তদন্তে অসংখ্য অনিয়মের পাশাপাশি কেজিডিসিএল’এ একটি সিন্ডিকেটের প্রমাণ পেয়েছেন। কমিটি তার ৩১ পৃষ্ঠার রিপোর্টে অসংখ্যা দুর্নীতির তথ্য তুলে এনেছেন। কমিটি বলেছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদকে পাশ কাটিয়ে নতুন সংযোগ ও পুনঃসংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এতে একদিকে নিয়মকানুন লঙ্ঘিত হয়েছে, অপরদিকে কোম্পানি তথা রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বোর্ড পেপারে জালিয়াতি, সিন্ডিকেটের বাইরে থাকা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি আটকানোসহ মহাদুর্নীতির তথ্য প্রমান পেয়েছে কমিটি।

তদন্ত কমিটি সুপারিশে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ, বিপণন উত্তর ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক (চ.দা) প্রকৌশলী সফিউল আজম খান, বিপণন দক্ষিণ ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক আমিনুর রহমান, জিএম (প্রশাসন) ফিরোজ খানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে কমিটি।

কেজিডিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মাজেদ এর সরকারি নম্বরে একাধিক দফায় ফোন দিলেও বন্ধ পাওয়া গেছে।

;

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর এলাকায়।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি পার্টনার সৈয়দ আলী হায়দার, স্থানীয় বিশিষ্ট গুরুজন আবদুস সালাম, রিজিওনাল ম্যানেজার অব অপারেশন আজিম উদ্দিন, আউটলেট ম্যানেজার আহমেদ হোসেনসহ অনেকে ।

এটি স্বপ্নের ২৪৯তম আউটলেট। স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন এখন দেশের ৪৩টি জেলায়। মৌলভীবাজারের শেরপুরে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন এই আউটলেটের ঠিকানা: হালিমা অ্যান্ড নাইমা কমপ্লেক্স, শেরপুর হাইওয়ে রােড, শেরপুর, মৌলভীবাজার।

;