এবার রংপুরের ৫০টি স্কুলে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ করলো বিকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এবার রংপুরের ৫০টি স্কুলে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ করলো বিকাশ

এবার রংপুরের ৫০টি স্কুলে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ করলো বিকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে সারাদেশের স্কুল শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে এবার রংপুর বিভাগের ৫০টি স্কুলে ২,০০০ কপি গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ করেছে বিকাশ। মুজিব শতবর্ষ উদযাপন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে ৫০০টি স্কুলে ২০ হাজার কপি গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে এর আগে ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, সিলেট ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্কুলে এই গ্রাফিক নভেল বিতরণ করে বিকাশ।

এরই ধারাবাহিকতায় শোকের মাস আগস্টে আজ (রোববার) রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে স্কুল প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ ইব্রাহিম খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ ফিরুজুল ইসলাম, বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মোঃ মনিরুল ইসলাম (অবঃ), বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক শামীম আল মামুন সহ অন্যান্যরা।

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আট খন্ডে প্রকাশ করেছে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’। সংলাপ, গদ্য ও চিত্রের যুৎসই সমন্বয়ে শিশু-কিশোরদের উপযোগী ফরম্যাটে বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা চিত্রিত হয়েছে এই গ্রাফিক নভেল-এ। বিকাশের পৃষ্ঠপোষকতায় সেগুলো স্কুলগুলোতে বিতরণ করছে আলোকিত মানুষ গড়ার প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। এর পরবর্তী খন্ডগুলো প্রকাশিত হলে সেগুলোও একইভাবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে আরো বেশি সংখ্যক স্কুলে পৌঁছে দেবে বিকাশ।

এ পর্যায়ে রংপুরের ৫০টি স্কুলের প্রতিটিকে ৫ সেট করে বই দেয়া হয়েছে। ফলে একই সাথে ৪০ জন শিক্ষার্থী স্কুলের লাইব্রেরি থেকে বইটি পড়ার সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ্য, যাত্রা শুরুর সময় থেকেই বিকাশ বই বিতরণের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছে। আগামী প্রজন্মের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে দায়িত্বশীল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচির সাথে যুক্ত আছে বিকাশ। এ পর্যন্ত ২৯০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২,৫৩,৬০০ বই দিয়েছে বিকাশ যা থেকে ২৬ লাখ পাঠক উপকৃত হয়েছেন।

‘বাংলাদেশ ৫১ বছরের যাত্রায় কখনোই ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ADB-এর ক্রমবর্ধমান অর্থায়ন দাঁড়িয়েছে ২৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার মধ্যে মোট বকেয়া ১১.৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশ অত্যন্ত সক্ষমতার সাথে নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করে চলেছে। বাংলাদেশের ৫১ বছরের যাত্রায় কখনোই দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি। জিডিপি অনুপাতে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম ঋণের দেশের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ, মাত্র ৩৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, ম্যানিলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)’র সদর দপ্তরে বার্ষিক সভার অংশ হিসাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সাথে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)’র প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়ার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ADB বাংলাদেশের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করায় অর্থমন্ত্রী আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অর্থমন্ত্রী অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯-এর সংকটে এডিবি দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেতে প্রেসিডেন্টের সক্রিয় এবং গতিশীল নেতৃত্বের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

তিনি আরো বলেন, এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য সংকট পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোকে দ্রুত ভ্যাকসিন ও ব্যয় সহায়তা দিয়ে সাহায্য করেছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, বাংলাদেশ-এডিবি কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (২০২১-২০২৫), বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন ও লক্ষ্যগুলির সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে। যা আগামী পাঁচ বছরে আমাদের জন্য ১২-১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহয়তার যোগান থাকবে বলে আশা করা যায়। আমাদের উন্নয়নের মাইলফলক অর্জনে এডিবির ক্রমাগত সমর্থন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

বাংলাদেশর সক্ষমতা ও অগ্রগতি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল আর্থ-সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশ্ব সম্প্রদায়ের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশ গত ১৩ বছরে গড়ে ৬.৬% জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারী এবং বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে, খাদ্য, জ্বালানি, সার, এবং আর্থিক সংকট বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনকে ব্যাহত করেছে এবং সারা বিশ্বে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করার জন্য, আমাদের এডিবি থেকে বাজেট সহায়তার পাশাপাশি নীতি ভিত্তিক ঋণ (PBL) প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী এডিবি’র বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন এবং বাংলাদেশও এডিবি সদর দপ্তরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি যে ADB এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন, প্রশমন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্য গতিশীল ভূমিকা পালন করতে পারে। আমি বিশ্বাস করি যে জলবায়ু পরিবর্তনের দুর্বলতা মোকাবেলায় মিশ্র অর্থায়নের পরিবর্তে নমনীয় ঋণ সহায়তা হবে বাস্তবসম্মত পদ্ধতি। এছাড়াও ADB চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপর বিশেষ মনোযোগ দিয়ে আইসিটি ভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কৃষি বৈচিত্র্যকরণ, স্থিতিস্থাপক স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মানসম্পন্ন অবকাঠামোর কৃষি প্রবর্তনে তার উদার সহায়তা প্রসারিত করতে পারে।

বাংলাদেশ ও এডিবির সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিকে গুর্ত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী বছর বাংলাদেশ ও এডিবির জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ২০২৩ সাল আমাদের অংশীদারিত্বের ৫০তম বার্ষিকী হবে। ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অর্থমন্ত্রী, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ১৬৫ মিলিয়ন বাংলাদেশি নাগরিকদের পক্ষ থেকে এডিবি প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফর এবং ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

বিশাল পোর্টফোলিও এবং ADB-এর সাথে দৃঢ় সম্পৃক্ততার কথা বিবেচনা করে, বাংলাদেশ থেকে ADB-এর শীর্ষ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশেষ করে ভাইস-প্রেসিডেন্ট নিয়োগ করার কথা বিবেচনা করতে অনুরোধ করেন।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)’র প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মান বাংলাদেশের সক্ষমতার একটি প্রতীক। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের বিশেষ প্রসংশা করেন। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ও আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ গৃহীত পদক্ষেপ এবং টিকা কার্যক্রমেরও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শুরু থেকেই বাংলাদেশের প্রতি এডিবি’র বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এবারের বার্ষিক সভায় বাংলাদেশ যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছে সেগুলোও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। করোনা মহামারি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে এডিবি শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতা করছে এবং ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পাশে সবসময় এডিবি থাকবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেছেন।

;

ইসলামী ব্যাংকের শরী‘আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের শরী‘আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের শরী‘আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর শরী‘আহ সুপারভাইজরি কমিটির এক সভা ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার এতে সভাপতিত্ব করেন।

কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মুফতী ছাঈদ আহমদ ও সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুস সামাদসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

;

রেমিট্যান্স কেনার ডলার রেট কমল, কার্যকর ১ অক্টোবর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যাংকগুলোর আমদানি, রফতানি ও রেমিট্যান্স কেনার ক্ষেত্রে ডলারের রেট (দাম) কত হবে তা পুনর্নির্ধারণ করেছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এই সিদ্ধান্ত আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

এখন থেকে প্রবাসী শ্রমিকরা দেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রতি ডলারে সর্বোচ্চ ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা দেবে ব্যাংক। এতদিন এই দর ছিল ১০৮ টাকা। এছাড়া বাণিজ্যিক রেমিট্যান্স ও রফতানি বিল নগদায়নের রেট প্রতি ডলার ৯৯ টাকায় রাখা হয়েছে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ অথরাইজড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বাফেদার চেয়ারম্যান এবং সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. আফজাল করিম, এবিবির চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেনসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা। বৈঠক শেষে বাফেদার চেয়ারম্যান আফজাল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৈঠকের মাধ্যমে শুধু রেমিট্যান্স কেনার ক্ষেত্রে আগের দাম সংশোধন করা হয়েছে। বাকিগুলোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এখন ১০৭ টাকা ৫০ পয়সায় রেমিট্যান্স এবং ৯৯ টাকায় রফতানি বিল সংগ্রহ করবে ব্যাংক। আন্তব্যাংক ডলার লেনদেনের ক্ষেত্রে দুই দামের মধ্যবর্তী একটি সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুনভাবে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী রেমিট্যান্স ও রফতানি বিলের গড় ১০৩ টাকা ২৫ পয়সা। তবে ব্যাংকগুলো চাইলে এক টাকা লাভ করে ১০৪ টাকা ২৫ পয়সায় অন্য ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করতে পারবে।

এর আগে ডলারের সংকট নিরসন ও প্রবাসী আয় বাড়াতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজেরাই বসে ১১ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেয়।

;

এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে সম্মত হয়েছে কাতার



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বাড়িয়ে দিতে সম্মত হয়েছে কাতার। বর্তমান ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন দিচ্ছে, আরও ২ মিলিয়ন টন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসানসহ উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম সম্প্রতি কাতার সফর করেছেন। এলএনজি রফতানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে কাতার।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, কাতারের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি রয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে ১ দমমিক ৮ মিলিয়ন টনের নিচে হবে না, আবার ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টনের উপরে যাবে না। বিশ্বব্যাপী এলএনজি চাহিদা ও দাম ঊর্ধ্বমুখীর মধ্যেও কাতার সর্বোচ্চ পরিমাণে সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। আমরা তাদের কাছে সরবরাহ বৃদ্ধির আরও প্রস্তাব দিলে সায় পাওয়া গেছে।

কাতার ২০২৫ সাল থেকে বর্ধিত এলএনজি সরবরাহ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তবে কি পরিমাণ দিতে পারবে সে বিষয়ে এখনই কোন প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দামের বিষয়ে এখনও কোন আলাপ হয়নি।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার থেকে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন, ওমান থেকে ১ মিলিয়ন টন আমদানি করা হচ্ছে। দাম বেড়ে যাওয়ার স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি বন্ধ রয়েছে।

নাজমুল আহসান বলেন, আমাদের দু’টি ভাসমান টার্মিনাল ও পুনঃ গ্যাসে রূপান্তরকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) রয়েছে। এ দু’টির দৈনিক সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে এক হাজার মিলিয়ন ঘটফুট। সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ ব্যবহার করা যাবে। কাতার থেকে আরও ২ মিলিয়ন টন (বছরে) যুক্ত হলেও সমস্যা হবে না। আমাদের দুটি এফএসআরইউ দিয়ে বছরে ৬ মিলিয়ন টন পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আরও একটি এফএসআরইউ স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সামিট গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তৃতীয় এফএসআরইউ হলে দৈনিক ১৫’শ মিলিয়ন আমদানির সক্ষমতা হবে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারমান বলেন, আমরা এলএনজি আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করেছি। আপনারা দেখেছেন, ভোলায় (টাগবি), শ্রীকাইল, বিবিয়ানা ও সেমুতাংয়ে কূপ খননের কাজ চলমান রয়েছে। শিগগিরই শরীয়তপুরে অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হবে। আমরা অনেক কাজ করেছি জন্য জাইকার প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি পরিমাণে গ্যাস পাচ্ছি। জাইকার এক সমীক্ষায় বলা হয়েছিল ২০২২ সালে বাংলাদেশের দেশীয় উৎসের গ্যাস উৎপাদন ২ হাজারের নিচে নেমে আসবে। আমরা এখন প্রায় ২৪’শ মতো উৎপাদন করছি। ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৬টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে অনুসন্ধান, উন্নয়ন এবং ওয়ার্কওভার রয়েছে। এতে দৈনিক গ্যাসের উৎপাদন ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট বৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এলএনজি আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে যদি দেশীয় উৎপাদন ‍বৃদ্ধি পায়, তাহলে গ্যাসের দাম বাড়বে না। তবে দেশীয় উৎসের চেয়ে আমদানির অনুপাত বেড়ে গেলে দাম বৃদ্ধির শঙ্কা থাকে। আমরা চেষ্টা করছি ভোলার গ্যাস মুল ভূখন্ডে আনার বিষয়ে। সিএনজি করে আনা যায় কিনা সে বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।

গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য মডেল পিএসসি (উৎপাদন বন্টন চুক্তি) সংশোধন করা হচ্ছে। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যেই বিডিং রাউন্ডে যাওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া স্থলভাগেও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

দেশে গ্যাস সংকট চলছে স্পর্ট মার্কেট থেকে গ্যাস আমদানির বিষয়ে কোন ভাবনা আছে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মার্কেট পর্যবেক্ষণ করছি, দাম কমে আসলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শুধু বাংলাদেশ নয় অনেক দেশেই স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা বন্ধ রেখেছে।

বৈশ্বিক যে সংকট চলছে আমরা তার বাইরে নেই। আমরা সিস্টেম লস কমিয়ে ঘাটতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। দেখেছেন সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা ডিজাইন পরিবর্তন করার চিন্তা করছি, অবৈধ সংযোগ পাওয়া গেলে শুধু সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই ফিরে আসা হবে না। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের জেলে পাঠানো হবে।

;