বিবিয়ানায় ফুরিয়ে যাচ্ছে গ্যাসের মজুদ, কমছে উৎপাদন



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিবিয়ানায় ফুরিয়ে যাচ্ছে গ্যাসের মজুদ, কমছে উৎপাদন

বিবিয়ানায় ফুরিয়ে যাচ্ছে গ্যাসের মজুদ, কমছে উৎপাদন

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুরিয়ে যাচ্ছে বিবিয়ানার গ্যাস ফিল্ডের মজুদ, কমে আসছে উৎপাদন। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের অর্ধেকের বেশি উৎপাদন করা হচ্ছে বিবিয়ানা থেকে। হঠাৎ করেই বড় ধরণের ছন্দপতন হতে পারে, তেমন পরিস্থিতি হলে সামাল দেওয়ার মতো বিকল্প নেই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হাতে।

সবচেয়ে বড় ওই গ্যাস ফিল্ড বিবিয়ানার উৎপাদন প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে। ২০২০ সালে ১৫ নভেম্বর গ্যাস উত্তোলন করা হয় ১৩৩৪.৯ মিলিয়ন ঘনফুট। পরের বছর ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর উৎপাদন নেমে আসে ১২৪৬.৮ মিলিয়নে। আর গত মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) উৎপাদন হয়েছে ১১২৮.৮ মিলিয়ন ঘনফুট। পেট্রোবাংলার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত জুনের ১ তারিখে ১২৫৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়। পরের মাসে (জুলাই) ২০ মিলিয়ন কমে ১২৩৭ মিলিয়ন উত্তোলিত হয়। আগস্টে আরও ৬ মিলিয়ন কমে ১২৩১ মিলিয়নে দাঁড়ায়। সেপ্টেম্বরে আরও ৬ মিলিয়ন কমে ১২২৫ মিলিয়নে এ নেমে আসে।

মজুদ বিবেচনায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস ফিল্ড বলা হয় বিবিয়ানাকে। পেট্রোবাংলার তথ্য মতে, ১৯৯৮ সালে আবিষ্কৃক গ্যাস ফিল্ডটিতে প্রমাণিত, সম্ভাব্য ও সম্ভাবনাময় মিলে ৭০৮৪ বিসিএফ (৭.০৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস মজুদ ধারণা করা হয়। বহুজাতিক কোম্পানি শেভরনের মালিকানাধীন ওই ফিল্ডের প্রমাণিত মজুদ ৪৪৪৫ বিসিএফ (বিলিয়ন ঘনফুট) আর সম্ভাব্য মজুদ বিবেচনা করা হয় ৫৭৫৫ বিসিএফ। ফিল্ডটি থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর পর‌্যন্ত গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে ৪৯৯১.৬০ বিসিএফ। অবশিষ্ট গ্যাস মজুদ রয়েছে ৭৬৩.৮৩ বিসিএফ।

পেট্রোবাংলার ওই হিসেবের পর ইতোমধ্যে ৩১৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এতে দৈনিক কমবেশি ১.২৫ হারে সর্বোমোট প্রায় ৩৩৯ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসেবে অবশিষ্ট গ্যাসের মজুদ রয়েছে মাত্র ৪২৪ বিসিএফ। দৈনিক ১.১২ (১৫ নভেম্বর ২২) গ্যাসে উত্তোলন অব্যাহত থাকলে প্রকৃত অর্থে ৩৭৮ দিনের মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ খোন্দকার আব্দুস সালেক সুফী বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, গ্যাস ফিল্ডটিতে উৎপাদন কমে আসবে এটা সবার জানা। শঙ্কার হচ্ছে যে কোন সময় বড় ধরনের ধ্বস নামতে পারে। শেষ দিকে গ্যাসের চাপ কমে যায়, তখন হঠাৎ করেই বড় ধরণের পতন হয়ে থাকে। অনেক দিন ধরেই কমপ্রেসর লাগিয়ে বাড়তি উৎপাদন করা হচ্ছে।

বিবিয়ানার পাশাপাশি সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনও নিম্নমুখী। গত জুনের ১ তারিখে ৯৬.৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়। জুলাইয়ে ৯২.৪ মিলিয়ন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ৯১, অক্টোবরে ৯০ এবং নভেম্বরে ৮৯ মিলিয়নে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানির উৎপাদনও নিম্নগামী। গত এপ্রিলে ৬৩৯ মিলিয়ন গ্যাস উত্তোলন করা হলেও নভেম্বরের ১৫ তারিখে ৬১৪ মিলিয়নে নেমে এসেছে।

যদিও বিবিয়ানায় মজুদের তুলনায় অনেক বেশি মজুদ রয়েছে ওই দু’টি কোম্পানির গ্যাস ক্ষেত্রে। ১.২২ টিসিএফ মজুদ থেকে আমেরিকান কোম্পানি শেভরন দৈনিক উৎপাদন করছে ১১২৮ এমএমসিএফ। প্রায় দ্বিগুণ মজুদ (২.০২৬ টিসিএফ) থাকার পরও কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডে মাত্র ৩৩.৭ এমএমসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

বিবিয়ানার তুলনায় গ্যাসের রিজার্ভ অনেক বেশি তিতাস ও রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডেও। সেখানেও আশানূরূপ উৎপাদন করা হচ্ছে না। ১৯৬০ সালে আবিষ্কার হওয়া রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডের অবশিষ্ট মজুদ (প্রমানিত ও সম্ভাব্য মিলে) রয়েছে (৩১ ডিসেম্বর ২০২০ হিসেব অনুযায়ী) ১.৭৭৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। রশিদপুরে গত ১৫ নভেম্বর গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে মাত্র ৪৩.৭ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে ভোলা আইল্যান্ডে অনেক উদ্বৃত্ব গ্যাস থাকলেও পাইপ লাইনের অভাবে মূল ভূ-খণ্ডে আনা যাচ্ছে না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎপাদনে বড় ধরণের ধস নামলে সামাল দেওয়ার মতো বিকল্প নেই। ঘাটতি মেটাতে আমদানি বাড়ানো হবে সেই সুযোগও নেই। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে দৈনিক ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমদানির জন্য দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হয়েছে। নতুন করে আরও দু’টি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যা এখনও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে আটকে রয়েছে। কার‌্যাদেশ দেওয়ার পর কমপক্ষে ১৮ মাস সময় লাগবে । এছাড়া একটি ল্যান্ড বেজড এলএনজি টার্মিনালের উদ্যোগ রয়েছে, সেই প্রক্রিয়ায় কাগজে সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাড়তি গ্যাস আমদানি সুযোগ একেবারেই ক্ষীণ। ততদিন বিবিয়ানা থেকে পাওয়া ১২০০ মিলিয়ন গ্যাস নিরবিচ্ছিন্ন পাওয়া নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, বিবিয়ানার রিজার্ভ কমে আসছে, সেটি সামাল দেওয়ার জন্য সেখানে নতুন এলাকায় কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সেখানে ভালো পরিমাণে গ্যাস পাওয়া যাবে। এ ছাড়া আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার চলমান রয়েছে। এতে ৬১৮ মিলিয়ন গ্যাস উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, বিবিয়ানার রিজার্ভের বিষয়টি মাথায় রেখেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শঙ্কার কিছু নেই, আমরা অনেক কাজ হাতে নিয়েছি, এতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি আমদানির সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজও এগিয়ে নিচ্ছি। কাতার আরও বেশি পরিমাণে গ্যাস দিতে সম্মত হয়েছে, ওমানের সঙ্গে আলোচনাও ইতিবাচক ধাপে রয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম কমে আসবে। দেশীয় গ্যাস ফিল্ডে যেটুকু কমে যাবে আমদানি করে সামাল দেওয়া হবে। গ্যাস সরবরাহে শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালে শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশে মোট ২৮টি গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয়েছে। ২০টি গ্যাস ফিল্ডের ১০৪টি কূপ দিয়ে দৈনিক (১৫ নভেম্বর) ২২০৯ মিলিয়ন গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এক সময় ২৮০০ মিলিয়ন পর‌্যন্ত গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। এরমধ্যে ৫টি গ্যাস ফিল্ড (রূপগঞ্জ, কামতা, ফেনী, ছাতক ও সাঙ্গু) পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ৩টি গ্যাস ফিল্ড (কুতুবদিয়া, ভোলা ও জকিগঞ্জ) বন্ধ রয়েছে গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থা না থাকায়।

বাংলাদেশের তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এখনও তিমিরেই রয়ে গেছে মনে করে সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন, স্বাধীনতার পর মাত্র ৪০টি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয়েছে, একই সময়ে ত্রিপুরা তার এলাকায় কূপ খনন করেছে ১৬০ টি।১০টি কূপ খনন করে ১টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারকে আন্তর্জাতিক মানদন্ড বিবেচনা করা হয়। সেখানে বাংলাদেশে তিনটি কূপ খনন করে ১টি গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ সীমানায় প্রথম কূপ খনন করা হয় ১৯১০ সালে ।বর্তমান সময় পর‌্যন্ত (১১০ বছরে) ৯৫টি  কূপ খননের মাধ্যমে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৪২টি কূপের মধ্যে বর্তমান সরকারের ১৩ বছরে ২১টি কূপ খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আর বঙ্গবন্ধু সরকার তার সাড়ে তিন বছরে খনন করেছিলেন ৯টি কূপ। বঙ্গবন্ধু সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হলে আজকে এই অবস্থার মুখোমুখি পড়তে হতো না।

সাউথইস্ট ব্যাংক ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ অর্জন করেছে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাউথইস্ট ব্যাংক “মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২” অর্জন করেছে

সাউথইস্ট ব্যাংক “মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২” অর্জন করেছে

  • Font increase
  • Font Decrease

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড ‘মাস্টারকার্ড প্রিপেইড বিজনেস’ এবং ‘মাস্টারকার্ড অনলাইন অ্যাকুয়ারিং বিজনেস’ ২টি ক্যাটাগরিতে “মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২” অর্জন করেছে।

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নুরুদ্দিন মো. সাদেক হোসাইন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এম পি এর হাত থেকে এই অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এর নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম; ভিকাস ভার্মা, চিফ অপারেটিং অফিসার, সাউথ এশিয়া, মাস্টারকার্ড এবং মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল সহ পার্টনার ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনার সমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত সম্মানিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

;

বিকাশ অ্যাপে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিকাশ অ্যাপে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক

বিকাশ অ্যাপে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিকাশ অ্যাপ দিয়ে নিজের নম্বরে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক। ১ ডিসেম্বর চালু হওয়া এই অফারটি চলবে ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ পর্যন্ত। একজন গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ থেকে একবারই এই ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন।

মোবাইল রিচার্জ করতে বিকাশ অ্যাপের হোমস্ক্রিন থেকে ‘মোবাইল রিচার্জ’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। পরের ধাপে মোবাইল নম্বর নির্বাচন করতে হবে। এরপর ৫০ টাকা টাইপ করে পিন নম্বর দিলে রিচার্জ হয়ে যাবে। রিচার্জের পরবর্তী কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহক তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক পেয়ে যাবেন।

এয়ারটেল, বাংলালিংক, গ্রামীনফোন, রবি এবং টেলিটকের সকল নম্বরের ক্ষেত্রেই অফারটি প্রযোজ্য হবে।

উল্লেখ্য, যেকোনো সময় দেশের যেকোনো স্থান থেকে নিজের বা প্রিয়জনের মোবাইলে রিচার্জ করার সুযোগ থাকায় বিকাশের এই সেবাটি গ্রাহকদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিকাশ অ্যাপ থেকে মোবাইল রিচার্জে বিভিন্ন অপারেটরের সাথে বিভিন্ন ধরনের অফার রয়েছে। গ্রাহক তার ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী নিজস্ব মোবাইল অপারেটরের ভয়েস, ডাটা প্যাক অথবা বান্ডেল কিনতে পারেন। এমনকি সেরা অফার তুলনার সুযোগও রয়েছে বিকাশ অ্যাপে। যেমন একজন গ্রাহক হয়তো ৫০ টাকা রিচার্জ করতে চান। তিনি ৫০ টাকা টাইপ করার পর ‘চেক অফার’ অপশনে ক্লিক করলে ৫০ টাকা বা তার আশেপাশের অ্যামাউন্টে যত অফার আছে সব একসঙ্গে দেখতে পারবেন এবং সেরা অফারটি বেছে নিতে পারবেন।

;

নগদে গোল করে জিতে নিন স্মার্ট টেলিভিশন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নগদে গোল করে জিতে নিন স্মার্ট টেলিভিশন

নগদে গোল করে জিতে নিন স্মার্ট টেলিভিশন

  • Font increase
  • Font Decrease

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে শুরু করেছে ‘নগদ-এ গোল’ কুইজ প্রতিযোগিতা। নগদ সেবাকেন্দ্রে গিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যাশ ইন করে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রতিযোগীরা পাবেন নিশ্চিত উপহার এবং পাবেন আকর্ষণীয় একাধিক টেলিভিশন পুরস্কার জিতে নেওয়ার সুযোগ।

নগদ-এর এই কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চাইলে সারা দেশে অবস্থিত ৪৬টি সেবা কেন্দ্রের যেকোনো একটিতে গিয়ে নগদ অ্যাকাউন্টে ক্যাশ ইন করতে হবে। ২০২২ টাকা ক্যাশ ইন করলে তাৎক্ষণিক উপহার হিসেবে পাবেন একটি চাবির রিং ও একটি মগ। ৫০০ টাকা ক্যাশ ইন করলে পাবেন একটি চাবির রিং। আর এই দুই ক্যাশ ইন -এর যেকোনো একটি করলেই পাবেন একটি কুইজ কার্ড।

এই কুইজ কার্ডে প্রতিযোগী নিজের নাম, নগদ অ্যাকাউন্ট নম্বর ও সঠিক উত্তর লিখে জমা দেবেন। আর এভাবে জমা হওয়া কার্ডগুলোর ভেতর থেকে প্রতিযোগিতা শেষে বেছে নেওয়া হবে তিন বিজয়ীকে। প্রথম বিজয়ী পাবেন একটি ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি। দ্বিতীয় বিজয়ী পাবেন একটি ৪০ ইঞ্চি এলইডি টিভি। আর তৃতীয় বিজয়ী পাবেন একটি ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি।

গত ২৭ নভেম্বর সারাদেশে একসাথে শুরু হয়েছে ‘নগদ-এ গোল’ কুইজ প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতাটি চলবে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ে একজন নগদ গ্রাহক একবারই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ক্যাশ ইন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে। প্রতিযোগিতা চলা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সেবা কেন্দ্রে উপহার ও কুইজ কার্ডের মজুদ থাকা সাপেক্ষে যে কেউ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।

প্রতিযোগিতা শেষে তাদেরই বিজয়ী হিসেবে বেছে নেওয়া হবে, যাদের সক্রিয় নগদ অ্যাকাউন্ট থাকবে। মেগা পুরষ্কার বিজয়ীর নগদ অ্যাকাউন্ট, লেনদেন বিবরণ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র পুরস্কার প্রদানের সময় যাচাই করা হবে।

মনে রাখতে হবে, কোনো প্রতিযোগিতা বা কোনো কাজের জন্য নগদ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকের কাছে তার পিন বা ওটিপি জানতে চাইবে না। কেবলমাত্র নগদ হটলাইন নম্বর থেকে প্রতিযোগিতার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীর সাথে যোগাযোগ করা হতে পারে। কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে নিজের তথ্য শেয়ার না করার জন্য নগদ কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করেছে।

‘নগদ-এ গোল’ প্রতিযোগিতা আয়োজন সম্পর্কে বলতে গিয়ে নগদ-এর চিফ সেলস অফিসার শিহাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘নগদ সবসময় গ্রাহকের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চায়। সারা পৃথিবী এখন বিশ্বকাপ নিয়ে উৎসবের আমেজে আছে। এই সময়ে আমরাও গ্রাহকদের হাতে কিছু শুভেচ্ছা উপহার এবং তিনটি গ্র্যান্ড পুরস্কার তুলে দিতে চেয়েছি। নগদ তার সব গ্রাহককে একটি পরিবারের সদস্য মনে করে। সেই মনে করা থেকেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।’

;

ইউনিয়ন ব্যাংকের নাজিরহাট শাখার উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইউনিয়ন ব্যাংকের নাজিরহাট শাখার উদ্বোধন

ইউনিয়ন ব্যাংকের নাজিরহাট শাখার উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

শরী‘আহ ভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং সেবা প্রদানের প্রত্যয়ে চট্টগ্রামে ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড এর নাজিরহাট শাখা শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নাজিরহাট শাখা উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওএ. বি. এম. মোকাম্মেল হক চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং নাজিরহাট পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী।

এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের শাখা ব্যবস্থাপক ও উপ-শাখা ইনচার্জবৃন্দ এবং স্থানীয়গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ উপলক্ষে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

 

;