লিড্ ব্যাংক হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংকের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লিড্ ব্যাংক হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংকের  দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

লিড্ ব্যাংক হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংকের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিয়ে লিড্ ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এর নির্দেশনায় “মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ” শীর্ষক দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে।

উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মাসুদ রানা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব। কর্মশালাটি সভাপতিত্ব করেন সাউথইস্ট ব্যাংকের ইভিপি এবং ডেপুটি প্রধান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী।

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৩৫ টি তালিকাভূক্ত ব্যাংকের ৭৬ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের উপর ওভারভিউ, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার চাহিদা, ক্রেডিট ব্যাকড্ মানি লন্ডারিং, ট্রেড বেসড্ মানি লন্ডারিং, এএমএল রেটিং এর পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ের উপর ০৫ (পাঁচটি) অংশগ্রহণমূলক সেশন বিএফআইইউ এর কর্মকর্তাবৃন্দ পরিচালনা করেন। সবশেষে, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব, কুইজ ও অংশগ্রহণার্থীদের মূল্যায়ন গ্রহণের মাধ্যমে কর্মশালাটির সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

খোলা বাজার থেকে এলএনজি আমদানির অনুমোদন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাত মাস পর আবার খোলা বাজার থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানির অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রথম ধাপে এক কার্গো (৬১ হাজার ৫০০ মে. টন) এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল দেশের বাইরে থাকায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ওই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, প্রতি ইউনিট এলএনজি দাম পড়বে প্রায় ১৯ দশমিক ৭৮ মার্কিন ডলারের মতো। খোলা বাজার থেকে কেনা এলএনজির ওই কার্গোটি ফেব্রয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে দেশে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে ফরাসি কোম্পানি টোটাল গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার বিজনেস সার্ভিসেস।

দেশীয় গ্যাস ফিল্ড থেকে গ্যাসের চাহিদা পুরণ করতে না পারায় ২০১৯ সালে এলএনজি আমদানি শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথমে কাতার ও ওমান থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আমদানি করা হতো। ২০১৯ সালে মোট ৬৩ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হয়। পরের বছর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে খোলাবাজার থেকেও এলএনজি আমদানি শুরু করা হয়। তখন ৬ থেকে ৭ ডলার মিলত প্রতি ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সেই এলএনজির দাম ৬২ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের আগস্টে খোলা বাজার থেকে এলএনজি আমদানি বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ।

এতে করে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করে। ব্যবসায়ী নেতারা দাম বাড়িয়ে দিয়ে হলেও নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাসের দাবি জানান। তাদের সেই দাবির প্রেক্ষিতে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। গত ১৮ জানুয়ারি দেওয়া নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ঘনমিটার ৮.৯৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা, ক্যাপটিভে ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা, বৃহৎ শিল্পে ১৮.০২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা, বাণিজ্যিক হোটেল ৩.৩৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০.৫০ টাকা করা হয়। তারপরেই সরকার খোলা বাজার থেকে এলএনজি আমদানির পথে পা বাড়াল।

এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের (এলএনজি) দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে গড়ে ২২ দশমিক ৭৮ শতাংশ দাম বাড়িয়ে দেয় বিইআরসি। তখন সার উৎপাদনে ২৫৯ শতাংশ, শিল্পে ১১.৯৬ শতাংশ, বিদ্যুতে ১২ শতাংশ, ক্যাপটিভে ১৫.৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়। আবাসিকে একচুলার দর ৯৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৯০ টাকা, দুই চুলা ৯৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৮০ টাকা করা হয়। প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের ইউনিট প্রতি দর ১২.৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮টাকা, সার উৎপাদনে ঘনমিটার ৪.৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ টাকা করা হয়।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেছেন, বছরে ৮০টি কার্গো হ্যান্ডেলিং করার সক্ষমতা রয়েছে আমাদের। এরমধ্যে ৫৬টি কার্গো আসছে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়। আর খোলা বাজার থেকে ২৪টি কার্গো আনার সুযোগ রয়েছে। সবগুলো আনতে পারলে অনেক সুবিধা হতো। তবে বর্তমানে যে দর রয়েছে তাতে ২৪ কার্গো আনা কঠিন। আমাদের জন্য একটি সুখবর রয়েছে দাম কমতির দিকে রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, আমরা এলএনজি আমদানির বিষয়ে একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করেছি। সেখানে তালিকাভুক্ত ঠিকাদাররা দরপ্রস্তাব দেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাছাই করা হয়।

গত সেপ্টেম্বর মাসে পেট্রোবাংলার একটি টিম কাতার সফর করে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি বাড়ানোর জন্য। কাতার থেকে ফিরে পেট্রোবাংলার তৎকালীন চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান বলেছিলেন, কাতার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন দিচ্ছে। কাতারের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি রয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে ১ দমমিক ৮ মিলিয়ন টনের নিচে হবে না, আবার ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টনের উপরে যাবে না। বিশ্বব্যাপী এলএনজি চাহিদা ও দাম ঊর্ধ্বমুখীর মধ্যেও কাতার সর্বোচ্চ পরিমাণে সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। আমরা তাদের কাছে সরবরাহ বৃদ্ধির আরও প্রস্তাব দিলে সায় পাওয়া গেছে। ২০২৫ সাল থেকে বর্ধিত এলএনজি সরবরাহ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তবে কি পরিমাণ দিতে পারবে সে বিষয়ে এখনই কোন প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এছাড়া ওমান থেকে বছরে ১ মিলিয়ন টন আমদানি করা হচ্ছে।

গ্যাস সংকটে বেহাল দেশের অর্থনীতি, বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে এক-তৃতীয়াংশ, শিল্প বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা। রেশনিং করেও সামাল দেওয়া যাচ্ছে না পরিস্থিতি। সকলের একই প্রশ্ন কবে নাগাদ স্বস্তি মিলবে! সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করে কিছুই বলা হচ্ছে না। বাস্তবতা বলছে পরিস্থিতি উন্নতি নয়, আরও চরম অবনতি হতে পারে। বিশেষ করে আসছে গ্রীষ্মে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন অনেকেই। কারণ দেশীয় গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদন ব্যাপক আকারে হ্রাস পাওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বর্তমানে দেশীয় গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে দৈনিক কমবেশি ২৩’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এরমধ্যে আমেরিকান কোম্পানির মালিকানাধীন বিবিয়ানা ফিল্ড থেকেই আসছে ১২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি উৎপাদন হচ্ছে ওই একটি গ্যাস ফিল্ডেই। সেখানে প্রতি নিয়তই উৎপাদন কমে আসছে।

বাংলাদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে স্থবিরতাই এর প্রধান কারণ বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকার ছাড়া আরও কোন সরকারেই যথাযথ মনযোগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। যার সামগ্রিক ফল আজকের জ্বালানি সংকট।

বঙ্গবন্ধু সরকার তার সাড়ে ৩ বছর সময়ে ৯টি কূপ খনন করেছিলেন। এর মধ্যে অফসোরে (সাগরে) ৭টি, মূল ভূ-খণ্ডে ছিল ২টি। বঙ্গবন্ধু সরকারের পরের ৩৬ বছরে অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয়েছে মাত্র ১২টি। ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত মাত্র ২টি কূপ খনন করেছিল বিএনপি ও তত্বাবধায়ক সরকার। স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৪১টি কূপের মধ্যে বর্তমান সরকারের ১৩ বছরে ২১টি কূপ খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যানও স্বস্তিদায়ক নয়। জ্বালানি নীতিমালায় বছরে ৪টি অনুসন্ধান কূপ খনন করার কথা বলা হয়েছে। নীতিমালা অনুসরণ করা গেলে ৫২টি অনুসন্ধান কূপ খনন হওয়ার কথা।

;

সুখবর! জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এল ২১ হাজার কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারি-পরবর্তী পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে দেশে ডলার সংকট চলছে। এ সময় দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও এক ধরনের চাপা উদ্বেগ বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে সুখবর মিলেছে প্রবাসী আয়ে।

নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৭ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ২০ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৬ কোটি ৩১ লাখ ডলারের বেশি। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ১৬৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রণোদনাসহ নানারকম সুবিধা দিয়ে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে চলমান ডলার সংকটও কেটে যাবে। অন্যদিকে হুন্ডির মাধ্যমেও টাকা পাঠানো কমে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছে ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। সে হিসাবে গত মাসের চেয়ে জানুয়ারিতে ২৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি এসেছে ২৫ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।

আলোচিত মাস জানুয়ারিতে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৩৫৪ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর পরেই এসেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মাধ্যমে ১২১ দশমিক শূন্য ৩ মিলিয়ন ডলার। এছাড়াও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ১১৭ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলার এবং সরকারি অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে ১০৪ দশমিক ২৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

তবে জানুয়ারি মাসে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি রাষ্ট্রায়ত্ত ডিবিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে। এছাড়াও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, বিদেশি হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমেও কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।

চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) টানা দুই বিলিয়ন ডলার করে রেমিট্যান্স আসে। এর পরের মাস সেপ্টেম্বর থেকে টানা পাঁচ মাস দেড় বিলিয়ন ডলারের ঘরেই ছিল রেমিট্যান্সের প্রবাহ। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। এরপর আগস্টে আসে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।

এর পরই কমতে থাকে রেমিট্যান্স প্রবাহ, যা দেড় বিলিয়ন বা তার কাছাকাছি চলে আসে।

;

ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর প্রথম নারী ফাইন্যান্স ডিরেক্টর জিনিয়া হক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর প্রথম নারী ফাইন্যান্স ডিরেক্টর জিনিয়া হক

ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর প্রথম নারী ফাইন্যান্স ডিরেক্টর জিনিয়া হক

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম শীর্ষ নিত্যব্যবহার্য ও ভোগ্যপণ্য কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ (ইউবিএল) প্রতিষ্ঠানটির নতুন ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে জিনিয়া হকের নাম ঘোষণা করেছে।

এই নিয়োগ বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হচ্ছে। তিনি এর আগে বিউটি অ্যান্ড ওয়েলবিং অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার বিজনেস- বিভাগের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নতুন পদে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে জিনিয়া ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে যোগ দিলেন এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রথম নারী ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হওয়ার গৌরব লাভ করেন। জিনিয়া তার এই নতুন দায়িত্বে জাহিদুল ইসলাম মালিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন এবং জনাব মালিতা একই সময় হতে সিঙ্গাপুরে প্রকিউরমেন্ট ফাইন্যান্স ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করবেন।

কর্পোরেট ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবসা খাতের আর্থিক-বিষয়াদি, আঞ্চলিক কার্যক্রম এবং ম্যানুফ্যাকচারিং বিষয়ে জিনিয়ার দীর্ঘ ২২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৯ সালে তিনি ইউনিলিভারে যোগ দেন এবং গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন(জিএসকে)-এর ঐতিহাসিক একীভূতকরণে নেতৃত্ব দেন। তিনি জিএসকে কোম্পানিটিকে নির্বিঘ্নে ইউনিলিভারের প্রক্রিয়া এবং সিস্টেমে অন্তর্ভুক্তিতে অবদান রাখেন। এছাড়া, তিনি ২ হাজার কোটি টাকা লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন- যেটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সর্বোচ্চ ট্রেড ভ্যালু। ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এ ডাইভারসিটি ও ইনক্লুসন নিশ্চিতেও জিনিয়া হকের অবদান রয়েছে। ইউনিলিভারে যোগদানের পূর্বে, জিনিয়া ২০১৪ সাল থেকে জিএসকে-তে ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। এছাড়া, তিনি বিএটি বাংলাদেশ-এর কর্পোরেট ফাইন্যান্স এবং ইন্টারন্যাশনাল অডিট বিভাগে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। জিনিয়া প্রতিষ্ঠানটির সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্সে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের হয়ে সিঙ্গাপুরে ‘রিজিওনাল ফাইন্যান্স প্রজেক্ট লিড’ হিসেবে ভূমিকা রাখেন।   

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউট-এ ফাইন্যান্স বিষয়ে স্নাতক-সম্পন্নকারী জিনিয়া, দ্য চার্টার্ড ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস (সিআইএমএ) ইউকে-এর একজন ফেলো সার্টিফাইড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট (এফসিএমএ)। তিনি ইনস্টিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশ এবং দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ-এরও সদস্য।

এ বিষয়ে ইউনিলিভার এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাভেদ আখতার বলেন, “ইউনিলিভার বাংলাদেশে ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে মূল্যবান অবদান রাখায় আমি জাহিদুল ইসলাম মালিতাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তার আপ্রাণ প্রচেষ্টা ও দায়বদ্ধতা আমাদের সফলতায় অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। একইসঙ্গে, ইউবিএল-এর নতুন ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করায় এবং ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে যুক্ত হওয়ায় জিনিয়া হককে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। ইউনিলিভার এর সিস্টেমে জিএসকে’র একীভূতকরণ এবং দক্ষতার সাথে ব্যয় প্রশমনে তার ভূমিকা কোম্পানির অর্থ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আমি আত্মবিশ্বাসী- জিনিয়া ইউবিএল-এর কর্মপরিধিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।”       

;

বাণিজ্য মেলায় সেরা ইনোভেশন ও সেরা স্টলের পুরস্কার পেলো ওয়ালটন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

শেষ হলো মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘ডিআইটিএফ’ এর ২৭তম আসর। বরাবরের মতো মেলার এই আসরেও দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলো অন্যতম গ্লোবাল ব্র্যান্ড ওয়ালটনের দৃষ্টিনন্দন ও শৈল্পিক ডিজাইনের স্টল। মেলায় অত্যাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচারের পরিবেশবান্ধব টেকসই স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য প্রদর্শন করে সেরা ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে ওয়ালটন। একই সঙ্গে এবারের বাণিজ্য মেলাতেও ইলেকট্রনিক্স ক্যাটাগরিতে সেরা প্রিমিয়ার স্টলের পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশি সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন। 

উল্লেখ্য, ২৭তম বাণিজ্য মেলায় ১৪টি ক্যাটাগরিতে ৪৭টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথমবারের মতো এ বছর বাণিজ্য মেলায় ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড চালু করে আয়োজক সংস্থা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি, ২০২৩) রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ডিআইটিএফ-২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা ইনোভেশন এবং সেরা ইলেকট্রনিক্স স্টল ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে প্রথম পুরস্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীর প্রতীক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অ্যান্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ বাবু। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইপিবি’র ভাইস-চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান।

অতিথিদের কাছ থেকে সেরা ইনোভেশন এবং সেরা ইলেকট্রনিক্স স্টলের পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি.’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা নিলু এবং মো. হুমায়ুন কবীর।

উল্লেখ্য, বাণিজ্য মেলায় সেরা ভ্যাটদাতার পুরস্কার চালুর পর থেকে টানা ১৪ বছর প্রথম পুরস্কার অর্জন করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়ন তৈরি করে প্রায় প্রতি বছরই পুরস্কৃত হয়ে আসছে ওয়ালটন। গত বছর থেকে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্য মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মেলার আবহে স্থায়ী এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলায় বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ রেখে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শন করে আসছে ওয়ালটন।

২৭তম বাণিজ্য মেলায় দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে ওয়ালটনের অত্যাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচারের পরিবেশবান্ধব টেকসই স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য। বিশেষ করে ওয়ালটন স্মার্ট রেফ্রিজারেটর, স্মার্ট টেলিভিশন, স্মার্ট এয়ার কন্ডিশনার, স্মার্ট টেবিল, স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন, লিফট, স্মার্টফোন, কম্পিউটার পণ্য, বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল ডিভাইসসহ ওয়ালটনের নতুন পণ্য ই-বাইক। ওয়ালটন স্টলে প্রদর্শিত হয়েছে আগামী প্রজম্মের উদ্ভাবনী টেকসই সবুজ প্রযুক্তিপণ্যের আপকামিং মডেল। দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়নে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্সের পাশাপাশি এলজিপি, এলডিপি, নাট, বোল্ট, স্ক্রুসহ বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস পণ্যও প্রদর্শন করেছে ওয়ালটন। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটনের বিশ্বমানের টেকসই প্রযুক্তিপণ্য দেখে মোহিত হয়েছেন মেলায় আগত দর্শনার্থীরা।

;