সরকার ডলার সংকট কাটিয়ে উঠছে: তৌফিক-ই-ইলাহী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সরকার ডলার সংকট কাটিয়ে উঠছে: তৌফিক-ই-ইলাহী

সরকার ডলার সংকট কাটিয়ে উঠছে: তৌফিক-ই-ইলাহী

  • Font increase
  • Font Decrease

এক সময় ডলারের বাজার কিছু্টা ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশ এখন ডলার সংকট কাটিয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) ডিপিডিসির কনফারেন্স রুমে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) প্রকাশনা"এমপাওয়ারিং বাংলাদেশ" এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রকাশনায় বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক সচিব আবুল কালাম আজাদ, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম তামিম, সিনিয়র সাংবাদিক মোল্লাহ আমজাদ হোসেনসহ অনেকের লেখা স্থান পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুতের দাম হয় জ্বালানির উপর, জ্বালানি স্বল্প পরিমাণে উৎপাদন করি। জ্বালানির জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের উপর নির্ভরশীল। দামটা স্থিতিশীল না হলে বলা সম্ভব না। আমি মনে করি যুদ্ধ বন্ধ হলে দাম কমানো সম্ভব না। দাম একবারে বেশি পরিমাণে বাড়লে শকড হতে পারে। তাই অল্প অল্প করে বাড়ানো হয়েছে।

হাইব্রিড কুকিং নিয়ে গবেষণা চলছে। ফলাফল ভালো খরচও কম, আমরা ১০ বছর পরে হাইব্রিড কুকিংয়ে যেতে পারি। সোলারের ইরিগেশনে যেতে পারি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, তবুও আমরা ভাগ্যবান, অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো আছি। সাউথ আফ্রিকা , বিটেনে ১০/১২ ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে। আমাদের অর্জন নিয়ে গর্ববোধ করি। পাকিস্তান ডেটথ কান্ট্রি, শেম কান্ট্রি । সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানের চেয়ে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল অর্ধেক। ৫২ বছর পরে আজকে পাকিস্তানের চেয়ে ৫০ গুণ বেশি। আমাদের স্বাস্থ্য খাতের চেয়ে তারা ৫ বছর পিছিয়ে। আমি খয়ের খা হিসেবে নয়, তাত্ত্বিকভাবে এটা প্রমাণ করে দিতে পারি। বাংলাদেশের আর্থিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে তেল গ্যাস অনুসন্ধান প্রসঙ্গে বলেন, কনকো ফিলিপস চলে গেলো দামের ইস্যু তুলে। আমরা পসকো দাইয়ু ডেকে এনেছি। এখন এক্সন মবিল আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমার মনে হয় ওরা কৌশলগত কারণে আসতে চায়। এ বছরের মধ্যে কিছু একটা হতে পারে।

এখনই কয়লা উত্তোলনের কোন পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে বলেন, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তুলতে হবে, কয়লা বসে আছে পানির উপরে। যে পানির স্তর বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। আরেকটি বিষয় রয়েছে উর্বর মাটি, এসব বিবেচনা করে দেখলাম।

কয়লার সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে, কয়লা এবং তেলের চেয়ে উর্বর জমি খুবই জরুরি। যে কারণে এখনই কয়লা উত্তোলনের চিন্তা করা হচ্ছে না।

বিদ্যুৎ বিভাগের উন্নয়ন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেল'র মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসাইন বলেন, শীতে বিদ্যুতের চাহিদা অনেক কমে যায়। তখন বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালিয়ে নেওয়ার বিষয়টি চ্যালেঞ্জের। যা আমাদের পরমাণু বিদ্যুতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

এফইআরবির চেয়ারম্যান শামীম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ((ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান, ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমির আলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক রিশান নাসরুল্লাহ।

   

দেশে প্রোপেন চালিত জেনারেটর পরীক্ষায় সফল ইউনিগ্যাস



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস

এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম শীর্ষ এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস দেশে প্রথমবারের মতো শতভাগ প্রোপেন ব্যবহার করে বিখ্যাত ওয়াকেশা ইনো ব্র্যান্ডের গ্যাস জেনারেটর সফলভাবে অপারেট করতে সাফল্য অর্জন করেছে। ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস শতভাগ প্রোপেন বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানা গেছে।

বিগত দুই বছর ধরে ইউনিগ্যাস ও ডানা ইঞ্জিনিয়ার্স (লোকাল ডিস্ট্রিবিউটর ওয়াকেশা ইনো) গ্যাস-ভিত্তিক জেনারেটরের জন্য জ্বালানি হিসেবে শতভাগ প্রোপেন ব্যবহার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসছে। সময়োপযোগী এই উদ্ভাবনের ফলে দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো গ্যাসের ঘাটতিতে এই শতভাগ প্রোপেন জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ কিংবা পণ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারবেন।

বর্তমানে কারখানাগুলোতে জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে প্রধানত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেল, এইচএফও ব্যবহার করা হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল। ইউনিগ্যাসের এই শতভাগ প্রোপেন জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে ডিজেলের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি সাশ্রয়ী এবং গ্যাস-ভিত্তিক জেনারেটরগুলোতে তা সহজেই ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুযায়ী এই প্রোপেন মজুতাগারে মজুত করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

ইউনিগ্যাস

প্রাকৃতিক গ্যাস জেনারেটরের জন্য বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এই শতভাগ প্রোপেন গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে সব ধরনের সরবরাহ সুবিধার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইউনিগ্যাস, প্রস্তুত রয়েছে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রোপেন রোড ট্যাংকারও।

কোম্পানিটির এই উদ্যোগ প্রয়োজনীয় জ্বালানি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের চাকা গতিশীল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ইউনিগ্যাস।

এই যৌথ উদ্যোগের সফল আনুষ্ঠানিকতায় ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডিরেক্টর (অপারেশন্স) মো. জোবায়দুল ইসলাম চৌধুরী, সিএমও মো. ফারুকুজ্জামান, হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স মো. কামরুল হাসান, হেড অব অপারেশন্স মো. আনিসুর রহমান, আরও ছিলেন কোম্পানির টেকনিক্যাল হেড মো. আশফাক নাবিল। ডানা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদ মাসুদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর লে. কর্নেল (অব.) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর শেখ তৌহিদুল ইসলাম এবং সিনিয়র জিএম রেহানা পারভিন।

ইউনিগ্যাস বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল ও বহু-মাত্রিক ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান। এছাড়া পারফেক্ট কেয়ার লিমিটেডের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডও ইউনিটেক্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৯২ সালে স্পিনিং ও কম্পোজিট কোম্পানির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউনিটেক্স গ্রুপ। সম্প্রতি সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করেছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রকল্পে। এর মধ্যে রয়েছে এইচএস কম্পোজিট, ‘ইউনিটেক্স স্পিনিং মিলস ইউনিট, স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ইউনিটেক্স জুট ইন্ডাস্ট্রি, ইউনিটেক্স স্টিল মিলস লিমিটেড, সোনালী ফাইবার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। এসব প্রকল্প পুরোপুরি চালু হলে দেশের অর্থনীতি গতিশীল করার পাশাপাশি, বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে।

;

পুনরায় সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান খালেদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আজিজ আল কায়সার ও হোসেন খালেদ ভাইস, ছবি: সংগৃহীত

আজিজ আল কায়সার ও হোসেন খালেদ ভাইস, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে আজিজ আল কায়সার ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও হোসেন খালেদ ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হলেন।

সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক আজিজ আল কায়সার এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোট তিন মেয়াদে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সিটি ব্যাংককে দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

আজিজ আল কায়সারের হাত ধরেই ২০০৮ সালে এ ব্যাংকের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। এই পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি যেসব পরিবর্তন আনেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যাংকের ব্যবসাসমূহ ও অপারেশনের কেন্দ্রীভূতকরণ, পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকিং ও রিটেইল ব্যবসা চালু করা, আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের প্রবর্তন, ব্যাংকটির জন্য ডিজিটাল অভিমুখ প্রণয়ন, সিটিজেম প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সেবা ও সিটি আলো নারী ব্যাংকিংসহ ঢাকা বিমানবন্দরে বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ চালুকরণ, এসএমই ও ক্ষুদ্র লোন ব্যবসা এবং ডিজিটাল লোন প্রবর্তন, ইত্যাদি। তার নেতৃত্বে সিটি ব্যাংক সম্প্রতি দেশের প্রথম ব্যাঙ্কাসুরেন্স লাইসেন্স অর্জন করে। সেইসাথে তিনি এ ব্যাংকের চার সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড, মালয়েশিয়ায় ১৫টি শাখা সম্পন্ন সিবিএল মানি ট্রান্সফার কোম্পানি এবং সিটি হংকং লিমিটেড স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে শুধু গত পাঁচ বছরেই ব্যাঙ্কের নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় তিনগুণ ২০১৮ সালের ২২২ কোটি টাকা থেকে এ মুনাফা ২০২৩ সালে ৬৩৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। একই সময়ে ব্যাংকের রিটার্ন অন ইক্যুইটি ৮.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭.৭ শতাংশতে পৌঁছায়। এ সময়ের মধ্যে সিটি ব্যাংক টানা তিন বছর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ‘শীর্ষ টেকসই ব্যাংক’ রেটিংয়েও ভূষিত হয়।

আজিজ আল কায়সার বর্তমানে পারটেক্স স্টার গ্রুপের পরিচালক এবং এর বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তিনি মালয়েশিয়ায় সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফারের চেয়ারম্যান হিসেবেও নিয়োজিত আছেন।

অন্যদিকে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়া হোসেন খালেদ দেশের একজন সুপরিচিত ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব। তিনিও এ ব্যাংকের একজন অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক। যুক্তরাষ্ট্রের টলেডো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক করার পরে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের ওপর তিনি এমবিএ করেন এবং ২০০০ সালে পারিবারিক ব্যবসা আনোয়ার গ্রুপে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এই শিল্পগোষ্ঠীকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন। তিনি ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজ পর্যন্ত সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে মোট চার মেয়াদে এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশে অন্ট্রেপ্রেনার অর্গানাইজেশন বা ইও-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি সিটি ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড ও সিটি হংকং লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং একইসাথে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক।

;

ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমির (আইবিটিআরএ) আয়োজনে ‘অডিটিং ফর অ্যাচিভিং এক্সিলেন্স ইন ব্যাংক’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। আইবিটিআরএ-এর প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান মিজি ও মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী।

ব্যাংকের অডিট অ্যান্ড ইনস্পেকশন ডিভিশনের ১০৫ জন নির্বাহী ও কর্মকর্তা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

;

নগদের জমি জিতলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী আলাউদ্দিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিন ‘নগদে জমি’ ক্যাম্পেইনে পঞ্চম প্লট জিতে নিয়েছেন। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে তিনি জিতে নিয়েছেন এই পুরস্কার।

সম্প্রতি নগদের ডেপুটি চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সোলাইমান ও জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ মালয়েশিয়া গিয়ে নগদের প্লটের কাগজপত্র আলাউদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন। নগদের জমি ক্যাম্পেইনে প্রবাসী কারো কাছে জমি হস্তান্তর এটাই প্রথম। এই ক্যাম্পেইনে আটজন ভাগ্যবান বিজয়ী এই প্লট উপহার পাবেন, আলাউদ্দিন ছিলেন পঞ্চম বিজয়ী। ইতিমধ্যে নগদের জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ও সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নগদের হয়ে কয়েকজন বিজয়ীর হাতে নগদের প্লট বুঝিয়ে দিয়েছেন।

নগদের এই ক্যাম্পেইনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নিতে পারবেন। সরকার ঘোষিত ইনসেনটিভের বাইরে কেউ দেশে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে জিতে নিতে পারেন ঢাকায় একটি প্লট।

মুন্সিগঞ্জের অধিবাসী আলাউদ্দিন মালয়েশিয়ায় একটি সেবাদাতা কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি দেশে তাঁর মায়ের নগদ অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লীতে নগদের জমি জিতে নিয়েছেন। নগদের জমি জেতার খবরে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেননি আলাউদ্দিন। খবর শোনার সাথে সাথে তিনি তাঁর মায়ের কাছে ফোন করেন এবং নগদের জমি জেতার খবর জানান। ঢাকায় একখ- জমির মালিক হওয়ায় নগদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আলাউদ্দিন।

জমি হস্তান্তরের বিষয়ে নগদের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘রেমিট্যান্স পাঠানো মানুষেরা আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বড় অবদান রাখেন, তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম একটি পিলার। প্রবাসীদের সম্মান জানানোর একটি ছোট্ট প্রয়াসের অংশ আমাদের এই মেগা ক্যাম্পেইন। একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে জমি হস্তান্তর করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে মোট আটটি জমি বিজয়ী গ্রাহকদের উপহার দেবে নগদ। ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জমি জেতার অফার নিয়ে আসে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে নগদের সাথে জমির জন্য ল্যান্ড পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী লিমিটেড। এই ক্যাম্পেইনে মাত্র তিন ধাপে ঢাকায় জমি জেতার সুযোগ পাচ্ছে গ্রাহকেরা। এছাড়াও তালিকায় আছে শতাধিক মোটরবাইক, টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, স্মার্টফোন, স্মার্ট ওয়াচসহ ২০ কোটি টাকার পুরস্কার।

জমি জেতার এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে তিনটি কাজ করতে হবে। প্রথমত নগদে কমপক্ষে ৫০০ টাকার লেনদেন অথবা কমপক্ষে ১০০ টাকার মোবাইল রিচার্জ বা ব্যাংক থেকে নগদে ১,০০০ টাকা অ্যাড মানি করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে পাঠানো ৫,০০০ টাকা বা তার বেশি (সরকারি প্রণোদনা ব্যতীত) রেমিট্যান্স নগদে গ্রহণ করেও এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাথে সাথে এই ব্যবহারকারী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার উপযুক্ত হয়েছেন বলে একটি মেসেজ পাবেন। সে ক্ষেত্রে তাকে তিনজনের একটি দল গঠন করতে হবে। এদের সবার নগদ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এরপর দলের সবাই ক্যাম্পেইন জুড়ে নগদে নিয়মিত লেনদেন করলেই জমি জেতার সুযোগ পাবেন।

;