নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ভোটের লড়াই শুক্রবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
নির্বাচন ভবন

নির্বাচন ভবন

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনসহ সারা বছর বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন আয়োজনে ব্যস্ত থাকেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা। সাংবিধানিক এ সংস্থার নিজস্ব কর্মকর্তারা যারা রিটার্নিং অফিসার থেকে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকেন; তারাই এবার ভোটের জন্য মাঠে নেমেছেন। ভোটের হাওয়া এখন নির্বাচন ভবনেও।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে এসব কর্মকর্তার ভোটের লড়াই।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এজিএমের পর বেলা ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১০৪ জন। পরে এ নির্বাচনে ১৫টি পদে ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন ৯৭ প্রার্থী। বাকি ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ পদে একক প্রার্থী থাকায় ভোট হবে না। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ও ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন ৫৬৩ জন কর্মকর্তা।

অ্যাসোসিয়েশেনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ বর্তমানে ১৪টি পদে ৩১ জনের কমিটি রয়েছে। প্রস্তাবিত সংখ্যা হচ্ছে ৫১ জন।

এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ভোটের হাওয়া বিরাজ করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও প্রার্থীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রার্থীরা যাচ্ছেন ভোটারদের কক্ষে কক্ষে। ভোটাররাও তাদের দাবি নিয়ে প্রতিশ্রুতি চাইছেন।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন নামে কর্মকর্তাদের এ সংগঠনের যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে।

নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত উপ-কমিটির আহ্বায়ক ইসির যুগ্মসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বলেন, এবার প্রথমবারের মতো অ্যাসোসিয়েশনের ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সবার মধ্যে বেশ আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়েছে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা ও বাছাই শেষ হয়েছে। শুক্রবার ভোটগ্রহণ হবে।

সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন—মো. আব্দুল বাতেন, মো. নুরুজ্জামান তালুকদার ও মোস্তফা ফারুক। মহাসচিব পদে লড়ছেন—ফয়সাল কাদের, মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, মোহাম্মদ মনির হোসেন ও শুধাংশু কুমার সাহা।

সহ-সভাপতি প্রার্থী—মো. আলাউদ্দীন, মো. তারিফুজ্জামান, মো. আতিয়ার রহমান, এ এম শামসুজ্জামান ও মো. মুনীর হোসাইন খান।

যুগ্ম মহাসচিব প্রার্থী—এ এইচ এম কামরুল হাসান, কাজী মো. ইস্তাফিজুল হক আকন্দ, মুহাম্মদ ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, মো. এনামুল হক, মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান, মোহাম্মদ মমিন মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান, শেখ মুহাম্মদ আদিল ও সহিদ আব্দুস ছালাম।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে লড়ছেন—মোহাম্মদ শাহজালাল, এ এস এম জাকির হোসেন ও নজরুল ইসলাম লড়ছেন।

এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রাশেদুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. রশিদ মিয়া ও প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শানিয়াজ্জামান তালুকদার একক প্রার্থী রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :