মানুষের কাজেই নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চাই: সাঈদ খোকন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন

  • Font increase
  • Font Decrease

‘ছোট থাকতেই বাবার কারণে রাজনীতির সঙ্গে বেড়ে ওঠা। রাজনীতি ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসা বা চাকরি নেই। মানুষের জন্য কিছু করতে পারলেই ভালো লাগে। তাই মেয়র হিসেবে যখন থাকব না, তখন যেন কোনো না কোনোভাবে মানুষের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারি সেই বাসনা থেকেই ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছি। জমাও দিয়েছি।’

বার্তা২৪.কম-কে এসব কথা বলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

ঢাকা সিটি করপোরেশনকে উত্তর-দক্ষিণে ভাগ করার পর দক্ষিণের মেয়র হিসেবে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হন সাঈদ খোকন। ২০১৫ সালে ২৮ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে একই বছর ৬ মে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। আগামী ১৭ মে মেয়র হিসেবে ৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে সাঈদ খোকনের। এরপর দক্ষিণে শপথ নেবেন আওয়ামী লীগের মনোনীত নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

এদিকে ঢাকা-১০ আসনে মোট ১০ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। খোকন বাদে অন্যরা হলেন- ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিআই’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, মেজর ইয়াদ আলী ফকির, অ্যাডভোকেট বশির, আদম তমিজী হক, ড. আব্দুল ওয়াদুদ, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, মো কুদ্দুসর রহমান, এএসএম কামরুল আহসান ও কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল।

উল্লেখ্য, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর গত ২৯ ডিসেম্বর স্পিকারের বরাবর চিঠি দিয়ে সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা-১০ আসন ছাড়াও অন্য আরও তিনটি সংসদীয় আসনের সদস্যদের মৃত্যুতে ওই আসনগুলোতেও উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চার উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই, ২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৮ ফেব্রুয়ারি। ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহার। প্রতীক বরাদ্দ ১ মার্চ আর ভোট গ্রহণ হবে ২১ মার্চ।

আপনার মতামত লিখুন :