দূষণমুক্ত প্রচারে ইসির প্রস্তাবে সম্মত প্রার্থীরা



ইসমাঈল হোসাইন রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থীরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থীরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে দূষণমুক্ত নির্বাচনী প্রচারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পাঁচ দফা প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন সব প্রার্থী। ফলে এই নির্বাচনের প্রচারণা হবে দূষণমক্ত। জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রচারে এমন নতুনত্ব আনছে কমিশন।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ইটিআই ভবনে এ লক্ষ্যে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ইসি। সেখানে ইসির পক্ষ থেকে এগুলো নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাব তোলেন। এই প্রস্তাবের সমর্থন দেন অংশ নেওয়া প্রার্থীরা।

জানা গেছে, ইসির পক্ষে দূষণমুক্ত প্রচারের জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা-১০ উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জিএম সাহতাব উদ্দিন।

প্রস্তাবনায় ছিল- ১. প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালায় বর্ণিত সংখ্যক নির্বাচনী ক্যাম্প অনুমোদিত স্থায়ী স্থাপনায় স্থাপন করবেন। ক্যাম্পসমূহে প্রার্থীরা পোস্টার, ব্যানার, ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করতে পারবেন। সিটি করপোরেশন আইনে অনুমোদিত ডেসিবেল মাত্রায় মাইক বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।
২. নির্বাচন কমিশন আসনের ২১টি জায়গা নির্ধারণ করেছে। সকল প্রার্থী সেখানে নিজ নিজ স্ট্যান্ড স্থাপন করে পোস্টার ঝুলাতে পারবেন। এক একটি জায়গায় পর্যায়ক্রমে সকল প্রার্থী শব্দযন্ত্র ব্যবহার করে আচরণ বিধিমালায় বর্ণিত সময়কালে প্রচারণা চালাতে পারবেন।
৩. প্রার্থীরা নির্ধারিত স্থানে শোভাযাত্রা, পদযাত্রা সীমিত রাখবেন। নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক প্রার্থীকে এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট দিন, সময় নির্ধারণ করে দিবেন।
৪. নির্বাচন কমিশন জনসভার জন্য এক বা একাধিক জায়গা নির্দিষ্ট করে দিবে। উক্ত নির্ধারিত স্থানে কর্তৃপক্ষের। অনুমোদন গ্রহণ করে তারা পর্যায়ক্রমে সভার আয়োজন করবেন।
৫. কোনো তোরণ নির্মাণ করা হবে না, রাস্তার ফুটপাতে কোনো ক্যাম্প করা যাবে না, রাস্তায় কোনো পথসভা করা হবে না, সর্বোপরি নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কার্যক্রম হতে সবাই বিরত থাকবেন।

এসব প্রস্তাবনা উত্থাপনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা এমন ছিল যে পোস্টারের জন্য চাঁদ, সূর্য কিছুই দেখা যেত না। এসব কারণে দুর্ভোগ তৈরি হয়। সংসদ নির্বাচন অথবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এত পোস্টার, ব্যানার, এত মাইকিংয়ের প্রয়োজন আছে কিনা, কোনো দেশের নির্বাচনে এমন করে কিনা। তারা না করলে আমরা করব না। কেন আমাদের শহরটাকে দূষিত করব। ঢাকা সিটির নির্বাচনে নাকি ২৫ টন পলিথিনের পোস্টার তৈরি হয়েছে, এগুলো কোথায় যাবে। তাই আমরা এই নির্বাচনের প্রচারণার জন্য ২১টি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাস্তার যেখানে সেখানে পোস্টার না টানিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় নির্বাচনী যে অফিস থাকবে, সেখানে প্রয়োজনে কমিশন নিজের খরচে বোর্ড টানিয়ে দেবে। সেই বোর্ডে ছয়জন প্রার্থী পোস্টার লাগাবেন।’

পরে একে একে প্রার্থীদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। এতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ভোটারদের সুবিধার্থে গণপরিবহন সচল রাখার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ‘বিলবোর্ডে প্রচারের সুযোগ দিতে হবে। ভোটের আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) দেখার সুযোগ দিতে হবে।’

নির্বাচন কমিশনের বৈঠক, ছবি: বার্তা২৪.কম

বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘এজেন্টদের নিরাপত্তা দেওয়া হয় না। তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়। হয় এজেন্টদের কেন্দ্রে যাওয়া, অবস্থান ও বাড়িতে ফেরার নিরাপত্তা দিতে হবে, অন্যথায় নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে এজেন্ট তুলে দিতে হবে।’

আলোচনায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শাহাজাহান বলেন, ‘নির্দিষ্ট স্থানে প্রচার চালালে অলিগলিতে তা সম্ভব হবে না। এতে ভোটাররা প্রার্থী সম্পর্কে জানতে পারবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম। কীভাবে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো যায়, তা ভেবে দেখা উচিত। এজেন্টরা নিরাপদে কেন্দ্রে অবস্থান করতে পারেন সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ইসিকে সেই ভূমিকা পালন করতে হবে।’

প্রার্থীদের সমর্থন নেওয়ার পর সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নে, প্রতিটি ওয়ার্ডে একটা করে অফিস রাখতে পারবেন। এর বাইরে একেবারেই মাইক বাজাতে পারবেন না। নির্ধারিত ২১ জায়গায় পোস্টার টানাতে পারবেন। আর প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে অফিস করবেন, সেখানে পোস্টার টানাতে পারবেন। এর বাইরে কোথাও বা রাস্তা, অলিতেগলিতে পোস্টার টানাতে পারবেন না। আর লেমিনেটেড পোস্টার টানাতে পারবেন না। ঢাকা-১০ আসনের জন্য গাড়ি চলাচল উন্মুক্ত করলাম। শুধুমাত্র মোটরসাইকেল চলবে না।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা-১০ আসনের ভোটের দিন অফিস খোলা থাকবে। আমরা সার্কুলার জারি করে দেব, যাতে অফিস থেকে গিয়ে কর্মকর্তারা ভোট দিতে পারেন। প্রতিটি দল ৫টি শোভাযাত্রা করতে পারবে। যেখানে সুবিধা সেখানে শোভাযাত্রা করতে পারবেন।’ তবে এই নির্বাচনে কোনো জনসভা করা যাবে না। আগামীতে নির্বাচনী আচরণবিধি পরিবর্তন করে এই বিধিগুলো যোগ করা হবে। জাতীয় পর্যায়ের জন্য আমরা বিধিই পরিবর্তন করে ফেলব।’

পরে ইসির প্রস্তাবনা সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করে সমর্থন জানান ছয় প্রার্থী।

ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. শফিউল ইসলাম, বিএনপির শেখ রবিউল আলম, জাতীয় পার্টির হাজী মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) আব্দুর রহীম।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা ১০ আসনে একাদশ সংসদের সদস্য ছিলেন নব নির্বাচিত মেয়র তাপস। ঢাকা দক্ষিণের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। এ আসনে ২১ মার্চ ভোটের দিন সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল গত বুধবার। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যাহারের সুযোগ শেষে ১ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ হবে।

ঢাকা-১৮ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেবেন বিএনপি প্রার্থী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি প্রার্থী এস.এম. জাহাঙ্গীর।

বিএনপি প্রার্থী এস.এম. জাহাঙ্গীর।

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বিএনপি প্রার্থী এস.এম. জাহাঙ্গীর।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১টায় তিনি আগারগাঁও প্রধান নির্বাচন কমিশন অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় এস.এম. জাহাঙ্গীরের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আমানউল্লাহ আমান।

উল্লেখ্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে চলতি বছরের ৯ জুলাই ঢাকা-১৮ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশন আগামী ১২ নভেম্বর এই আসনে উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

;

বাধা উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন বিএনপি প্রার্থী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিপক্ষের নানা বাধা উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন ঢাকা-৫ উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ। প্রতিদিনই বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে ভোটারদের দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

বাণিজ্যিক এলাকার দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে আবাসিক এলাকা ও নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসস্থল বস্তিবাসীর কাছেও যাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ নেমে আসছে তার নির্বাচনী প্রচারণায়।

এ সময় গৃহবধূ, শিক্ষার্থী ও শিশুরা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানায় বিএনপি প্রার্থীকে। প্রতিউত্তরে সালাহউদ্দিন আহমেদও হাত নেড়ে জবাব দেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ যাত্রাবাড়ী এলাকার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের আর কে চৌধুরী কলেজ গলি, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের সুতি খালপাড় ও ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের ১২ নম্বর গলিতে গণসংযোগকালে এসব কথা জানান।

এ সময় কয়েক কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ভোটারদের কাছে যান বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

সরকার দলীয় প্রার্থীর এক বক্তব্যের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মনু সব সময় এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকেন। এমনকি নির্বাচনকে সামনে রেখে কারাগারে আটক কয়েকজন সন্ত্রাসীকে মুক্ত করে আনা হয়েছে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী প্রার্থী এলাকার শিল্পপতিসহ নানাজনের কাছে চাঁদা দাবি করেছে বলে অনেকেই আমাকে জানিয়েছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি প্রার্থী বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। আমাদের অভিযোগগুলো আমলে নিচ্ছে না। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কিছু ম্যাজিস্ট্রেট বিনা কারণে আমাদের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে।

তাদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন বলেন, আপনারা জনগণের ট্যাক্সে লালিত-পালিত। তাই জনগণের পক্ষে থাকুন। তা থাকতে ব্যর্থ হলে ও ঢাকা-৫ উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকালে অন্যান্যের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন- মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, যাত্রাবাড়ী বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভাণ্ডারী, সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন সরদার, যুগ্ম সম্পাদক মাসুম দেওয়ান, যাত্রাবাড়ী যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমান মধু, যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শান্ত ইসলাম, জুম্মন, যাত্রাবাড়ী থানা জাসাসের আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিল, স্বেচ্ছাসেবকদলের থানা আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মানিক ও নারীদের থানা সভানেত্রী মাসুদা খান লতাসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

;

বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিনের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সালাহউদ্দিন আহমেদকে বহনকারী গাড়িতে ফের হামলা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমেদকে বহনকারী গাড়িতে ফের হামলা হয়েছে।

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদকে বহনকারী গাড়িতে ফের হামলা হয়েছে। এতে সালাহউদ্দিন অক্ষত থাকলেও হামলায় গাড়ির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর সমর্থকরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে যাত্রাবাড়ীতে প্রধান নির্বাচনী অফিসে ফেরার পথে ডেমরা বামৈল ব্রিজের উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী মিছিলসহ হঠাৎ দৌড়ে এসে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার গাড়ির গ্লাস ভেঙে ফেলে।

নির্বাচনী প্রচারণায় এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর এক বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি প্রার্থী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাবালক ও অর্বাচীন। রাজনীতি ও এ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম্পর্কে কোনো ধারণা নাই। তিনি একদিকে আমাকে বহিরাগত বলে সম্পূর্ণ ফালতু অপপ্রচার চালান, আবার আমার গণসংযোগে হামলাও করেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি সালাহউদ্দিন আহমেদ এই এলাকার তিন বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এ এলাকার ৯০ ভাগ উন্নয়ন আমার হাত ধরে হয়েছে। আমার প্রচারণায় অতর্কিত হামলা করে এ এলাকার জনগণের মনে আঘাত করেছেন তিনি। একই সঙ্গে রাজনীতিতে তার নাবালকতার পরিচয় দিয়েছেন।’

এর আগে ডেমরার বামৈল ব্রিজ থেকে শুরু করে বামৈল বাজার, ডগাইর নতুনপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করেন তিনি।

;

ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন মনিরুল



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি সংগৃহীত।

ছবি সংগৃহীত।

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে মনিরুল ইসলাম মনু ও নওগাঁ-৬ আসনে মো. আনোয়ার হোসেন হেলালকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সে এ ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মনিরুল ইসলাম মনু হলেন যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এছাড়া আনোয়ার হোসেন হেলাল হলেন রাণীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গত ৩০ আগস্ট গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বোর্ড চেয়ারপারসন ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা-৫ আসনে মনিরুল ইসলাম মনু এবং নওগাঁ-৬ আসনে মো. আনোয়ার হোসেন হেলালকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর বিজয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

অপরদিকে ঢাকা-১৮ আসনে উপনির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করার পর নৌকার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে এ নির্বাচনী আসনটি খালি হয়। এছাড়া সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে শূন্য হয় নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনটি। এ কারণে এখন ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসনে চলছে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি। 

;